
Sange Suman
@IamSumanDe • 178,474 subscribers
Executive Vice President, ABP Ananda
Videos

"দুবার কিস্তিমাত হলো। চটে গেল। চেঁচাল। ছেলেমানুষের মতো কাজিয়া বাঁধালো। বলল, চোট্টামি করে জেতো তুমি।" অন্য কিছু ভাববেন না, এটা মনোজ মিত্রের 'সন্ধ্যাতারা' নাটকের একটা সংলাপ। দেখুন, ভোট-রাজনীতি, কিন্তু আসলে দাবাখেলা। ঠিকমতো ঘুঁটি সাজাতে পারলেই বিপক্ষ কিস্তিমাৎ। ঠিক যেমনটা এরাজ্যে করে দেখিয়েছে বিজেপি। উল্টোদিকে তৃণমূলনেত্রী অবশ্য হেরে গিয়েও হারতে রাজি নন। প্রথা মেনে পদত্যাগও করলেন না! তবে গণতন্ত্র বিষয়টা অবশ্য, বুঝলেন, ঠিক এমনই। আজ যিনি গর্জনে আর হুঙ্কারে একেবারে আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে তোলেন, কাল জনমতের ঝড়ে কুপোকাত হয়ে, তাঁকেই হাতজোড় করে, মাথা নিচু করে বলতে হয়, কেস দেবেন না প্লিজ!
Sange Suman14,719 görüntüleme • 2 ay önce

"SSC-র পরীক্ষাটা প্রত্যেক বছর হবে এবং নিয়োগ হবে। TET-এর দুর্নীতিটা বন্ধ হবে। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের খাতাটা বদল হবে না। আমার সঙ্গে ডিল হয়েছে, বাংলার গর্ব বলা হবে স্বামী বিবেকানন্দকে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে, বিদ্যাসাগরকে, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে । আমার সঙ্গে ডিল হয়েছে, যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে জ্যোতিবাবুর হারিয়ে যাওয়া ফলকটা আবার বসানো হবে।"... প্রথম স্টুডিও-সাক্ষাৎকারে এ নিয়ে আর কী বলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী ? দেখুন #suvenduadhikari #sangesuman #sumande
Sange Suman15,235 görüntüleme • 2 ay önce

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে কেন্দ্রীয় সরকার নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দেয় যে, ভারতবর্ষের যে একটিমাত্র সংস্থা, BARC, টেলিভিশন চ্যানেলের দর্শকসংখ্যার বিচার করে, তারা যুদ্ধের কারণে তা প্রকাশ করতে পারবে না। আজ অবধি সেই নিয়মই বহাল আছে। কিন্তু দেশের ডিজিটাল-দুনিয়ায় যে ক’টা অন্য মাপকাঠি আছে, তার প্রত্যেকটা, প্রতিদিন-প্রতিমুহূর্তে সাক্ষ্য দিয়েছে, যে এবিপি আনন্দকে আপনারা কতটা ভরসা করেন। ঘটনাবহুল পশ্চিমবঙ্গে, এই সময়কালের মধ্যে ভোট এসেছে। ভোটের প্রচার, দু-দফায় ভোটের দিন, এক্সিট পোল, ভোটগণনা থেকে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ ---- একটানা দর্শক সংখ্যার যে রেকর্ড তৈরি হয়েছে, তার কোনও উদাহরণ, গোটা ভারতবর্ষে অন্য কোনও চ্যানেলের নিরিখে কখনও হয়নি। বলার কথা একটাই, এই নিখাদ ভালোবাসায়, ভরসায়, আশীর্বাদে, আমরা কৃতজ্ঞ। আমাদের সমস্ত দর্শকের কাছে আমরা সত্যিই ঋণী। আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। আপনাদের সবাইকে প্রণাম।
Sange Suman12,124 görüntüleme • 1 ay önce

"এরা যাবে কবে?"--বামফ্রন্ট সরকারকে নিয়ে বলেছিলেন জ্যোতি বসু ! বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ? স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর কখনও না-বলা কথা! কখনও না-করা দাবি! চেনা জীবন, অচেনা ছবির অ্যালবাম সাক্ষাৎকার নয়, স্মৃতির পথে হাঁটা মুখোমুখি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার বিধান #SangeSuman ভিডিও পডকাস্ট: দেখুন ফেসবুক এবং ইউটিউবে সোমবার রাত ৮ Monday 8pm
Sange Suman22,446 görüntüleme • 5 ay önce

এর নাম বিক্ষোভ? একে বলতে হবে - ‘ স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ‘? নাকি এই সেই পশ্চিমবঙ্গের কুখ্যাত , তথাকথিত ‘স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষ‘? যে স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের ঢালের আড়ালে আসলে লুকিয়ে থাকে কুখ্যাত গুন্ডারা , দুষ্কৃতীরা , অপরাধীরা আর রাজনৈতিক চক্রান্তকারীরা। নগর পুড়লে কিন্তু দেবালয়ও নিয়তি এড়াতে পারে না। আর ক্রিমিনালদের ‘স্থানীয় মানুষ‘ বলে, স্থানীয় মানুষদের অপমান করার আগে, একটু ভেবে দেখুন! মিথ্যাচারেরও তো একটা সীমা থাকা উচিত।
Sange Suman27,320 görüntüleme • 9 ay önce

"সুমনবাবু, আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি…" ঠিক দু'হাত দূরে লাল চেয়ারে বসা ভদ্রলোক আর কখনও গর্জে উঠবেন না। পঙ্কজ দত্ত চলে গেছেন। পঙ্কজ দত্ত। আপাত ক্ষীণকায়, শীর্ণ শরীর, লোলচর্ম এক বৃদ্ধ। হাতে বাজারের থলি আর ফতুয়া পরিয়ে দিলে গড়পড়তা আমবাঙালির সঙ্গে খুব তফাত থাকার কথা ছিল না। তবুও এক সমুদ্রসমান তফাত ছিল। আম বাঙালির সঙ্গে , এমনকী অনেক পুলিশকর্তার সঙ্গেই পঙ্কজদার তফাত ছিল দৃষ্টি আর কণ্ঠে। কণ্ঠস্বরে নয় সততার উচ্চারণে। আজকের ভীত, সাবধানি, সদাসতর্ক বঙ্গসন্তানদের মধ্যে উজ্জ্বল ব্যতিক্রম ছিলেন পঙ্কজ দত্ত। যা দেখতেন, তাই বলতেন। যা ভাবতেন, তাই বলতেন। যা বিশ্বাস করতেন, তাই বলতেন। কী লিখলাম এক্ষুনি? বিশ্বাস? এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না, লিখতে হচ্ছে — পঙ্কজদা আর নেই। আর যখন ছিলেন, দিনের পর দিন, পদে পদে কী সহ্য করতে হয়েছে? তার হিসেব হবে না? হবে। বলতে হবে। তার আগে পেশাদার সাংবাদিককেও যন্ত্রণা আর আবেগের লাভাস্রোতকে সামাল দিতে হবে। পঙ্কজদা, এই অন্ধকার সময়ে আপনাকে যে আরও বেশি করে প্রয়োজন ছিল! বিজ্ঞাপনের বিরতিতে উঠে যাচ্ছেন পঙ্কজদা, দ্রুত পায়ে সঞ্চালকের পেছনে এসে যেন আলতো করে কাঁধে হাত রাখলেন,যেমন রাখতেন রোজ। নিচু গলায় বলছেন, এখনও স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছি — "চালিয়ে যান সুমনবাবু... " চালিয়ে যাচ্ছি পঙ্কজদা। চালিয়ে যাবও। শুধু পাশের চেয়ারটাতে আর আপনাকে পাব না!
Sange Suman41,008 görüntüleme • 1 yıl önce

যে হাসিটা চির অমলিন... --সুমন দে কী বলব জানিনা! বহু বছরের অভ্যেস, কোনও লেখা খুব ভালো লাগলে, সপ্তাহশেষে আবার পড়ার জন্য রেখে দিই... গতকালই আমার স্ত্রী আনন্দবাজার রবিবাসরীয়তে ছাপা একটা পুরনো লেখা পড়ে বলল , "কী করে এই লেখাটা মিস করে গেলে?অসাধারণ...পড়ে দেখো!" লেখকের নাম রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। রাহুলের সঙ্গে পরিচয় তো আজকের নয় । ওর প্রথম ফিল্ম সমস্ত রেকর্ড ভেঙে সুপারহিট হওয়ার পর, আমার ‘হ্যালো ভিআইপি‘-শোতে অতিথি , রাহুল আর প্রিয়াঙ্কা। সদ্য রাজ চক্রবর্তীর ফিল্ম "চিরদিনই তুমি যে আমার..." তার আগের বাংলা ছবির সমস্ত বক্স অফিস রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে ! মোহরকুঞ্জে সাক্ষাৎকারটা শেষ হওয়ার পর মনে হল, আহা সময়টা বোধহয় সত্যিই বদলালো...এইরকম সহজ-সরল চনমনে দুটো ছেলেমেয়ে বক্স অফিস কাঁপানো নায়ক নায়িকা হয়েছে আর মানুষ তাদের নিয়েছে -- এটাই তো বাংলা ছবির সাবালকত্বের আসল পরিচয়। তারপর বছর গড়ালো..রাহুল আর প্রিয়াঙ্কা বিয়ে করল। সেই বিয়ে কেন এবিপি আনন্দ কিঞ্চিৎ ‘বেশি’ দেখিয়েছে -- সেই নিয়ে কিছু ছিদ্রান্বেষী মানুষ বিতর্ক করেছিল যথারীতি! যথারীতি আমি পাত্তাই দিইনি। তার কয়েক বছর পর সাউথ সিটি মলে হঠাৎ দেখা ! রাহুলই সম্ভবত বাংলা ছবির একমাত্র নায়ক যে সম্পূর্ণ ম্যাড়ম্যাড়ে সাদামাটা পোশাকে চামড়ার চপ্পল পায়ে সাউথ সিটি মলে অনায়াসে ঘুরে বেড়াতে পারে! দুহাত ধরে বলল, "আমাদের ছেলে হয়েছে সুমনদা, নাম রেখেছি-সহজ।" এত ভালো লেগেছিল সেদিন... সেই রাহুলই যখন পডকাস্ট শুরু করল, কী চমৎকার নামটা দিল - ‘সহজ কথা‘! বহুবার সেই সহজ কথায় আমায় ডেকেছে এবং পেশাগত বাধ্যবাধকতার কারণে যেতে পারিনি...ওকে ‘না‘ বলতেও খারাপ লেগেছে । আমার ‘মহাযুদ্ধ‘ থেকে ‘যুক্তি-তক্কো‘ অনুষ্ঠানের রাহুল নিয়মিত অতিথি। অসাধারণ বলত আর অনুষ্ঠান শেষ হলেই কাঁচুমাচু মুখে বলত,"সুমনদা আজ খুব ঝুলিয়েছি না?" ভন্ডামো আর সেফ খেলার এই বাজারেও, রাহুল কোনওদিন বামপন্থায় তার বিশ্বাস গোপন করেনি -- না লেখায়, না বক্তৃতায় । সামনের মাসে ‘যুক্তি-তক্কো‘-র অন্যতম বক্তা ছিল রাহুল। শো-টা হবে, কিন্তু নিতান্ত গোবেচারা মুখে জ্বলন্ত দৃষ্টি আর ভীষণ রকম তীক্ষ্ণ কটাক্ষগুলো আর থাকবে না সেই অনুষ্ঠানে। কী বলব এটাকে রাহুল ? এইটা হল সত্যিকারের ‘ঝুলিয়ে দেওয়া‘ ... আমাদের মত গুণমুগ্ধ সবাইকে... ওর অভিনয়ের গুণমুগ্ধ তো সবাই , আমি অবশ্য বেশি ভক্ত রাহুলের লেখার । সালটা সম্ভবত ২০১৮। আজকের মত এমনই রবিবারের এক সকাল। ‘সংবাদ প্রতিদিন‘-এর ‘রোববার‘ পত্রিকায় একটা লেখা একেবারে নজর কেড়ে নিল। প্রচ্ছদকাহিনী - কলোনি । লেখার নাম -‘ শুধু যাওয়া আসা‘। লেখকের নাম - অরুণোদয়। শুধু অরুণোদয়। সঙ্গে সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ-এ জিজ্ঞেস করলাম। উত্তর এলো-"Din bhalo hoye gelo Suman da. Tumi porechho amar khub anondo holo. Rahul" সেই শুরু । তারপর যেখানেই লেখা প্রকাশিত হয় রাহুল পাঠাতে ভোলে না। কী অদ্ভুত অপার্থিব সমাপতন ! আজ ঠিক যে মুহূর্তে এই ভয়ংকর অবিশ্বাস্য খবরটা এলো, আমার হাতে ধরা আনন্দবাজার রবিবাসরীয়তে ওরই লেখা। কালো অক্ষরগুলোতে বলিষ্ঠ শিরোনাম - "যে ভোর চির অমলিন"... লেখা ছাপিয়ে এগিয়ে আসছে সেই মুখটা ... যে হাসিটা চির অমলিন... ১৭ বছর আগে আমার প্রথম নেওয়া সাক্ষাৎকারে রাহুল বলেছিল , ওই বিজয়গড় এলাকা থেকে ও আর কোথাও কখনও যেতে পারবে না... আসলে রাহুল আমাদের ছেড়ে কোনওদিন কোথাও যেতে পারবে না। কোনও তালসারির জলস্রোতের সাধ্য নেই রাহুলকে কেড়ে নেয়। বাঙালির শব্দে, বাঙালির ছবিতে - রাহুল ছিল, আছে, থাকবে । যে হাসিটা চির অমলিন...
Sange Suman11,624 görüntüleme • 3 ay önce

প্রথমে ভিত্তিহীন অভিযোগ করে, এবিপি আনন্দকে আক্রমণ করলেন। তারপর স্ত্রীর কেনা একটা ভারতীয় শাড়ি পুড়িয়ে, ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক দিলেন বাংলাদেশের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সচিব রুহুল কবীর রিজভী। কিন্তু আজ, অর্থাৎ ৬ ডিসেম্বরের ইতিহাসটা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে ভোলাতে পারবেন তো রুহুল সাহেব? কারণ এটাই তো সেই ইতিহাস, যেখানে ভারত সর্বশক্তি দিয়ে আপনার প্রিয় দেশকে, আপনারই বাংলাদেশকে, পাকিস্তানের থাবা থেকে বের করে এনে, স্বাধীন করে, পদ্মাপারে সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল! আজ তো সেই ৬ ডিসেম্বর, যেদিন আমাদের ভারতবর্ষ, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারকে স্বীকৃতি দিয়েছিল! যার জেরে পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পর্য়ন্ত ছিন্ন করেছিল! আর আজ এই অস্থির সময়ে সেই পাকিস্তানের সঙ্গেই মাখামাখি করে, আপনারা ভারতকে বয়কটের ডাক দিচ্ছেন রুহুল সাহেব! আসলে আপনিও জানেন, স্ত্রীর আলমারি থেকে একটা শাড়ি বের করে এনে পোড়ানোটা সহজ... কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস থেকে ভারতকে বাদ দেওয়াটা কোনওদিন সম্ভব নয়। কারণ শাড়ি পোড়ানো যায়, ইতিহাস নয়। কিন্তু উগ্র ভারত-বিরোধিতার আগুন না জ্বালালে যে, আপনাদের রাজনীতির রুটি সেঁকা হবে না! আর তার জন্য ইতিহাসকে অস্বীকার করতে হলেও আপনারা করবেন! আসলে কী জানেন রুহুল সাহেব, যে আগুন আপনারা আজ জ্বালাতে চাইছেন, সেই আগুন কিন্তু কোনও রং, কোনও সম্প্রদায় দেখে না, হিংসার আগুন সর্বগ্রাসী। ইতিহাস সাক্ষী, দেশ-কাল ভেদে, ধর্মান্ধতার আগুনে পোড়ে শুধু মানবতা…
Sange Suman33,023 görüntüleme • 1 yıl önce

পাকিস্তান আছে পাকিস্তানেই। ‘Ceasefire’ না কী একটা কথা যেন শুনছিলাম বিকেলবেলা? একটা দায়িত্বশীল রাষ্ট্র আর একটা জঙ্গি রাষ্ট্রকে দাঁড়িপাল্লায় একেবারে পাশাপাশি যিনি বসিয়েছেন, সেই ট্রাম্প সাহেবের কাছে নিশ্চয়ই এই প্রশ্নের উত্তর আছে ।অপেক্ষায় রইলাম... ( সঙ্গের ফুটেজটা কোনও মিডিয়ার নয়, জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লাহর বাসভবন থেকে তোলা)
Sange Suman23,793 görüntüleme • 1 yıl önce

সাত সকালে রাজ্য পুলিশের শীর্ষপদে কর্তব্যরত এক পুলিশকর্তার ফোন! সোজাসুজি একটি বিনয়ী সাজেশন - "আমাদের প্রশাসনের দিকটাও তো মানুষের কাছে পৌঁছনো দরকার। অবসরপ্রাপ্ত এক সিনিয়র অফিসার আছেন, তাঁকে মাঝেমধ্যে স্টুডিওতে ডাকলে, পুলিশের দিকটাও একটু প্রতিফলিত হত।" এ ধরনের অনুরোধ-উপরোধ তো এ পেশায় লেগেই থাকে। তাই ঢেঁকি গেলার স্টাইলেই পাশ কাটিয়ে গেছিলাম, "আচ্ছা, নম্বরটা পাঠিয়ে দিন, দেখছি।" ফোন রাখার কয়েক মিনিটের মধ্যে নম্বরটা ঢুকল। পঙ্কজ দত্ত। এক্স আইপিএস। স্মৃতিপটে ভেসে উঠল, শক্ত চোয়ালের দৃঢ় প্রতিজ্ঞ একটা মুখ। বিভিন্ন জেলার এসপি হিসেবে দেখেছি ভদ্রলোককে। তবে ইউনিফর্ম ছাড়া কদাচ নয়। ইউনিফর্ম ছাড়া প্রথম যেদিন স্টুডিওতে এলেন পঙ্কজ দত্ত, চমকে উঠেছিলেন 'ঘণ্টাখানেক সঙ্গে সুমন'অনুষ্ঠানের আপামর দর্শক। একটা ঘটনায় পুলিশের গাফিলতির জায়গাগুলো তুলে ধরেছিলেন পঙ্কজদা-একেবারে পয়েন্ট ধরে ধরে! আমি মনেমনে হেসে ভাবছিলাম, যে কর্মরত আইপিএস যে উদ্দেশ্যে পঙ্কজদাকে রেফার করেছিলেন, এই অনুষ্ঠান দেখে তিনি কতটা আপশোস করবেন? এটাই পঙ্কজ দত্ত। ভাবনা আর প্রকাশের মাঝে কোনও সাবধানি তফাত রাখতে জানতেন না। 'মনে করা' আর 'মুখে বলা'-র মধ্যে কোনও কৌশলী দেওয়াল তুলতে শেখেননি কখনও। পঙ্কজ দত্তর এই ইউএসপি-ই চোখের নিমেষে দর্শকদের কাছে চূড়ান্ত জনপ্রিয় করে তুলল পঙ্কজদাকে। বাকিটা ইতিহাস। তাঁর অবসর-উত্তর গোটা টেলিভিশন-জীবন ধরেই আমবাঙালির কাছে এই জনপ্রিয়তার মাশুলই দিতে হয়েছে পঙ্কজ দত্তকে। শুরু থেকে একদম শেষ পর্যন্ত। স্বাধীন চিন্তা, গ্রহণযোগ্যতা আর যুক্তিপূর্ণ সমালোচনা —কবেই বা সহ্য করতে পেরেছে রাষ্ট্রশক্তি? অত্যন্ত অপমানজনকভাবে বিনা নোটিসে প্রাক্তন আইজি হিসেবে তাঁর প্রাপ্য নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হয়েছে। তারপর হাইকোর্টের তীব্র ভর্ৎসনার পর, রাজ্য তাঁর নিরাপত্তা ফেরাতে বাধ্য হয়েছে। তবে আর জি কর-কাণ্ডের সময়ে যা হয়েছিল, তা ইস্পাতের মতো স্নায়ুর অধিকারী পঙ্কজ দত্তকেও রীতিমতো নাড়িয়ে দিয়েছিল। ঘটনার সূত্রপাত, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠিত এক নাগরিক কনভেনশনে। তাঁর বক্তৃতায় আবেগপ্রবণ পঙ্কজদা কর্মস্থলে মহিলাদের নিরাপত্তাহীন বোঝাতে অকারণ একটা অসংবেদনশীল তুলনা টেনে ফেললেন! ব্যাস, মুহূর্তে চূড়ান্ত হেনস্থা করে তাঁর মুখ বন্ধ করার নির্মম পরিকল্পনা করে ফেলা হল। বহুদিন ধরে তো এই সুযোগটাই খোঁজা হচ্ছিল প্রাণপণ!গ্রেফতারের দাবি থেকে বড়তলা থানার নোটিস। প্রাক্তন আইজি-কে উদ্ধত সাব ইন্সপেক্টরের সামনে ৬ ঘণ্টা বসিয়ে রাখা। নোংরা স্লোগান, পরিকল্পিত বিক্ষোভ—কী নয়? মানছি, 'শব্দ ব্রহ্ম', কিন্তু তা বলে যে মানুষটা তাঁর গোটা কর্মজীবনে সমাজের সমস্ত শ্রেণির মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করে গেছেন, তাঁর 'ট্র্যাক রেকর্ড' বিবেচনা করা হবে না? আইনের পরিভাষায়, তাঁর বক্তব্যের 'স্পিরিট অ্যান্ড ইনটেনশন' দেখা হবে না? একজন আদ্যন্ত সৎ-সাহসী একটা মানুষকে 'নারীবিদ্বেষী' বলে দাগিয়ে দেওয়া হবে? হবে। তার কারণ, যে কোনও মূল্যে পঙ্কজ দত্তর মুখটা বন্ধ করতে হবে যে! বড়তলা থানায় হাজিরার দিন পঙ্কজদার সঙ্গী আইনজীবী জয়ন্তনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় ও শীর্ষেন্দু সিনহা রায়কে অপমান করে থানা থেকে কার্যত বের করে দেওয়া হল। পঙ্কজদাকে নিয়ে কুৎসিত স্লোগান তুলে বড়তলা থানার সামনে পরিকল্পিত বিক্ষোভ করানো হল। কিন্তু বিধি বাম! ‘বঙ্গ টিভি’র রোজিনা রহমানের ক্যামেরায় রেকর্ড হয়ে থাকল, যাঁরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তাঁদের একটা অংশ জানেনই না, পঙ্কজ দত্ত কে, তিনি কী বলেছেন? একজন বিক্ষোভকারিণী তো রীতিমতো হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিয়ে বলেই দিলেন, পুলিশের কেউ-ই বলেছেন বিক্ষোভ দেখাতে, কার্যত তাঁদের 'ডেকে এনেছেন!' এই ঘটনার অভিঘাতে আহত হয়েছিলেন। বাকরুদ্ধ হননি। একদিনের জন্যও না। কারণ, পঙ্কজ দত্ত লড়তে জানতেন। আজীবন। ওই ক্ষীণকায় শরীরে লড়াইয়ের সাহসটা আসত সততা থেকে। নিখাদ সততা। সেই জোরেই বোধহয়, শেষ লড়াইটা লড়লেন ৩৯ দিন ধরে। শেষের দিকে, প্রায় একদিন অন্তর রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন পড়ছিল। আমার সহকর্মীরা আপ্রাণ করছিল নিখাদ শ্রদ্ধা থেকে। বেনারস থেকে প্রায় প্রতিদিন খোঁজখবর নিচ্ছিলেন ড. কুণাল সরকার, সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশ্বনাথ চক্রবর্তী, শুভময় মৈত্র, জয়ন্ত, শীর্ষেন্দুরা। তৃণমূলের অন্দরেও বহু মানুষ পঙ্কজদার সঙ্গে হওয়া ঘটনাটা মেনে নিতে পারেননি। নিয়মিত খোঁজখবর নিয়েছেন তাঁরা। নাম লিখলে হয়তো বিড়ম্বনায় পড়তে পারেন, তাই নামগুলো আর উল্লেখ করছি না। অতঃপর যাবতীয় বিড়ম্বনার পরিসমাপ্তি। পঙ্কজ দত্ত আর কোনও দিন 'ঘণ্টাখানেক সঙ্গে সুমন' অনুষ্ঠানে, রাত ৮টায় গর্জন করবেন না। বুড়ো ঘুমোল। পাড়া জুড়োল। নৈঃশব্দ্যে শ্মশানের শান্তি। গ্রেফতারির থেকেও বড় বিষয় হল যা হোক। বেশ, এবার খুশি তো?
Sange Suman29,627 görüntüleme • 1 yıl önce

যুদ্ধের দোরগোড়ায় ভারত-পাকিস্তান মাঝরাতে ভারতের ১৫ শহরের সেনাঘাঁটিতে হামলার চেষ্টা ব্যর্থ করল সেনাবাহিনী ভারতের সুদর্শনচক্র 'S-400'-র কামাল, আকাশেই খানখান পাক ড্রোন ও মিসাইল লাহৌর-রাওয়ালপিন্ডিতে ঢুকল ভারতের ড্রোন, গুঁড়িয়ে গেল পাক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ‘মৃত্যু হয়েছে ১০০ জঙ্গির, এখনও শেষ হয়নি অপারেশন সিঁদুর', বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার খাওয়ার লজ্জা ঢাকতে নিয়ন্ত্রণরেখায় গোলাবর্ষণ পাকিস্তানের, মহিলা-শিশুসহ ১৬জনের মৃত্যু জঙ্গিদের শহিদের মর্যাদা নির্লজ্জ পাকিস্তানের, পতাকায় মুড়ে দেওয়া হল গান-স্যালুট! 8pm
Sange Suman20,294 görüntüleme • 1 yıl önce

দিনে মারল তৃণমূল, রাতে মারল পুলিশ! রণক্ষেত্র বিকাশ ভবন দফায় দফায় রক্তাক্ত নিরস্ত্র চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকারা সাইরেন বাজিয়ে পুলিশি অ্যাকশন! রাস্তায় লুটিয়ে পড়লেন চাকরিহারারা এলোপাথাড়ি লাঠিচার্জে কারও ফাটল মাথা, কারও কাটল হাত-পা চিকিৎসা দিতে ছুটে গেল অভয়া মঞ্চ, আজ রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ চাকরিহারাদের বিকাশ ভবনে অনুগামীদের নিয়ে তাণ্ডব তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তর আক্রান্ত এবিপি আনন্দ, মার খেল অন্য সংবাদমাধ্যমও কবে বাংলায় কেন্দ্রীয় হারে DA? আজ সুপ্রিম কোর্টে শুনানি কাল তৃণমূলের জাতীয়তাবাদী মিছিলের আগে আজ তিরঙ্গা যাত্রায় বিজেপি 8pm
Sange Suman19,109 görüntüleme • 1 yıl önce

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরল মামলা মাঝরাত পর্যন্ত আজ হাইকোর্টেই থাকবেন বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের সেক্রেটারি জেনারেলের থেকে চাইলেন এবিপি আনন্দকে দেওয়া সাক্ষাৎকারের প্রতিলিপি 'হাইকোর্টের কোন মামলা কোন বিচারপতি শুনবেন, সেটা সুপ্রিম কোর্ট ঠিক করতে পারে না' মত সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অশোক গঙ্গোপাধ্যায়ের 'দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হল', বলছেন হতাশ আন্দোলনকারীরা 'বিকাশ ছুঁলে কী হয়, বুঝল সারা দেশ', কটাক্ষ কুণালের 'সরেছে শুধু অভিষেক সংক্রান্ত মামলা', দাবি বিকাশের 'বিচারপতি বদলালেও অপরাধীরা জেলে যাবেই', বলছে বিজেপি-কংগ্রেস 8pm
Sange Suman36,919 görüntüleme • 3 yıl önce

আমরা সবসময়ই গণতন্ত্রের পক্ষে, মানবাধিকারের পক্ষে। গত জুলাই-অগাস্ট মাসে বাংলাদেশের রাজপথে যখন প্রতিবাদী ছাত্রদের গুলি করে মারা হচ্ছিল, তখনও আমরা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষ নিয়েছিলাম। আর এবার যখন বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে সেদেশে কট্টরপন্থী মৌলবাদীদের হাতে আক্রান্ত হচ্ছে, আমাদের পক্ষটা কিন্তু বদলায়নি,বদলায় না। আর সেই প্রতিবাদের মাসুল হিসেবে, পদ্মার ওপার থেকে আমাদের কাছে সরাসরি উড়ে এল হুঁশিয়ারি ও কটাক্ষ! কিন্তু এবিপি আনন্দর দর্শকরা জানেন, এই সব হুমকি-হুঁশিয়ারি আমাদের কাছে একেবারেই নতুন নয়! তাই সীমানার এপার হোক, বা ওপার, যতই হুমকি আসুক, যতই আক্রমণ আসুক, সত্যিটাকে আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরবই। কোনও বিশেষ রং, কোনও বিশেষ ধর্মীয় সম্প্রদায় নয়, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় আমাদের কাছে সবসময়ই আগে, মানবতা। তাই মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে, কোনও সীমানার ভ্রুকুটি আমরা মানছি না,মানব না…
Sange Suman22,569 görüntüleme • 1 yıl önce

দেখুন এত আক্রমণ, এত Channel-বয়কট, এত রক্তচক্ষু -- এসব কোনওকিছুই, সত্যের পথ থেকে আমাদের টলাতে পারে না, তার কারণ, আপনাদের ভরসা। যত আঘাতই আসুক না কেন, আপনাদের সেবায় এবিপি আনন্দ, দায়িত্বশীল ছিল, দায়িত্বশীল আছে, দায়িত্বশীল থাকবে। আর এই লড়াই, সাংবাদিকতার লড়াই। মুক্তকণ্ঠের লড়াই। গণতন্ত্রের লড়াই। এই লড়াই-এ আমরা সবাই সবার পাশে। কেউ একা নই। তাই সবাইকে শুভেচ্ছা, সবাইকে অভিনন্দন। আর আপনাদের প্রণাম।
Sange Suman21,405 görüntüleme • 1 yıl önce

মুর্শিদাবাদ আর জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার এসপি বদলের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। আপনাদের মনে থাকবে, জঙ্গিপুরে ওয়াকফ-বিক্ষোভের সময় যেভাবে পুলিশকর্মীদের দোকানে লুকিয়ে পড়ার ছবি সামনে আসে, তা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল রাজনীতি। আবার সেই পুলিশই যখন শিক্ষক-আন্দোলনে লাথি চালায়, তা নিয়েও বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। কোথাও নিষ্ক্রিয়, কোথাও অতি-সক্রিয়- পুলিশের এই একই অঙ্গে অত রূপ নিয়ে অ্যানিমেশনে একটু রসিকতা। আর তার জন্য় আবার গুন্ডা-বদমাশদের ছেড়ে, আমাদের নতুন কেস দেবেন না প্লিজ!
Sange Suman14,600 görüntüleme • 1 yıl önce

পরপর ৬ দিন, সন্দীপ ঘোষকে ডেকে ম্যারাথন জেরা CBI-এর "শুধু জেরাই হচ্ছে, তদন্তের অগ্রগতি সামনে আসবে কবে?" উঠল মিছিল থেকে প্রশ্ন এবিপি আনন্দ নাকি স্বাস্থ্যসম্মান দিয়েছিল সন্দীপ ঘোষকে! সোশাল মিডিয়ায় মিথ্যে প্রচার সন্দীপের বিরুদ্ধে এবার ED তদন্ত চান অভিযোগকারী প্রাক্তন ডেপুটি সুপার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই আর জি করের দখল নিল CISF জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদে মুখর রাজপথ, সিজিও কমপ্লেক্স থেকে স্বাস্থ্যভবন বিরাট মিছিল "দলের মধ্যেই মমতাকে বিপদে ফেলতে চাইছে কিছু বিভীষণ," কাদের দিকে ইঙ্গিত মদনের? আর জি কর-কাণ্ডে তোলপাড়ের মধ্যেই নানুরে ধর্ষণ, আনন্দপুরে মহিলা খুন 8pm
Sange Suman17,610 görüntüleme • 1 yıl önce

দু'বছর জেল খেটেও কেষ্ট আছেন কেষ্টতেই এবার থানার IC-কে ফোন করে অকথ্য গালিগালাজ অনুব্রতর, ভাইরাল অডিওয় তোলপাড় থানায় তলব শনিবার, 'গ্রেফতার কখন?' প্রশ্ন বিরোধীদের দলের নির্দেশে দায়সারা ক্ষমা চেয়েই সাতখুন মাফ? নিয়োগ-বিজ্ঞপ্তি SSC-র, আরও বাড়ল চাকরিহারাদের আন্দোলনের ঝাঁঝ মেট্রো-স্টেশন থেকে বাসস্ট্যান্ড, খুঁজে খুঁজে ধরপাকড় পুলিশের মিছিল রুখতে মরিয়া পুলিশ, ফের রক্ত ঝরল আন্দোলনকারীদের 'শিক্ষাগত যোগ্যতায় কমল ২৫ নম্বর, মেধাবীদের পিছনে ঠেলার ছক?', প্রশ্ন নানা মহলে 8pm
Sange Suman12,058 görüntüleme • 1 yıl önce