
Kaushik | কৌশিক
@kachatterjee • 1,737 subscribers
I block pimps
Videos

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ধর্ষণ মামলা ২০১৭ সালে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস ও পরবর্তীতে প্রতারণার অভিযোগে এই মামলার সূত্রপাত হয়। অভিযোগের সূত্রপাত: দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের বাসিন্দা ও পেশায় সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার অভিযোগ করেন যে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বিয়ের ভুয়ো প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিল্লির ফ্ল্যাটসহ বিভিন্ন জায়গায় একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন। অভিযোগকারিণীর দাবি অনুযায়ী, ঋতব্রত বিষয়টি গোপন রাখার জন্য তাঁকে প্রথমে ২.৫ লাখ টাকা দেন এবং পরবর্তীতে আরও ৫০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু ঋতব্রত বিয়ে করতে অস্বীকার করায় তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের ব্যক্তিগত ছবি প্রকাশ করেন এবং বালুরঘাট থানায় FIR দায়ের করেন। রাজ্য পুলিশের কাছ থেকে মামলাটি রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি-র হাতে যায়। সিআইডি ঋতব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুবার নোটিশ পাঠালেও তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান। মামলাটি চলাকালীন আচমকাই এই ঘটনায় নাম জড়ায় মহিলা চিকিৎসক ডা. অর্চনা মজুমদারের। তিনি সে সময় তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগী প্রভাবশালী নেতা মুকুল রায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগকারিণী সিআইডি-র কাছে অভিযোগ করেন যে, ডা. অর্চনা মজুমদার তাঁকে ফোন করে ঋতব্রতের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণের মামলাটি তুলে নেওয়ার এবং বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, অর্চনা মজুমদার তাঁকে বলেন যে মামলা প্রত্যাহার না করলে তিনি বিপদে পড়বেন, কারণ ঋতব্রতের পেছনে মুকুল রায়ের মতো প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের হাত রয়েছে। একই সাথে অভিযোগকারিণীর অ্যাকাউন্টে ৮ লাখ টাকা ট্রান্সফার করার কথাও বলা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে সিআইডি অর্চনা মজুমদারকে নোটিশ পাঠায় এবং কলকাতার নিজাম প্যালেসে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করে। যদিও অর্চনা মজুমদার দাবি করেন যে তিনি অভিযোগকারিণীকে ফোন করেননি, বরং অভিযোগকারিণী তাঁকে ফোন করেছিলেন। মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণেই তাঁকে বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। পরবর্তীতে এই জোরাজুরি ও হুমকির অভিযোগে ঋতব্রত ও অর্চনার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় নতুন মামলা হয়। ডা. অর্চনা মজুমদার বর্তমানে একজন বিজেপি নেত্রী এবং সামাজিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন। এছাড়া তিনি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় দায়িত্ব পালন করছেন ও করেছেন: তিনি ভারত সরকারের জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারত সরকারের ইস্পাত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় তিনি স্বাধীন পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন এবং ২০২৫ সালের মার্চ মাসে তাঁর মেয়াদ শেষ হয়। তিনি বর্তমানে ভারত স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস (পশ্চিমবঙ্গ) সংস্থার সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন বলে জানা যায়। তিনি বর্তমানে স্বনামধন্য ইন্ডিয়ান মেডিকেল জার্নাল এর প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা যায়। তথ্য :
Kaushik | কৌশিক13,628 views • 1 month ago
No more content to load