
Tarek Sumon
@sumon_tarek • 2,604 subscribers
Breaking down politics and global affairs through satire. If it sounds brutal, it’s probably accurate. Parody | Fictional | Unaligned
Videos

এই 'স্বাধীনতা' সেই স্বাধীনতা না রে পাগলা! #FreedomOfSpeech #QuotaReformMovement #WeWantJusticeForHeroSlam #HeroAlam
Tarek Sumon277,291 просмотров • 2 лет назад

আসিফ নজরুল যদি RAW থেকে এক টাকা খায় তাহলে আসিফ, নাহিদ একশ টাকা খায়। যমুনা থেকে ৪০ কোটি টাকার মতো উপদেষ্টারা খেয়েছে। হাসনাত আর সার্জিস রক্তের সাথে বেইমানী করেছে। তারা আন্দোলনের অংশ ছিল, লড়াই করেছে। এই পর্যন্ত ঠিক আছে। কিন্তু এখন ভেতরের খবর বলতে গেলে - নাহিদের বাবা মীরপুরে অফিস দিয়েছে। সেখানে অনেক লেনদেন হচ্ছে। আসিফ অনেক টাকা কামাচ্ছে। এগুলো তো সত্য। সার্জিস, হাসনাত আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে বসে কথা বলেছে। তারা নিউজ পাঠিয়েছিল, এই আন্দোলন স্থগিত করা হলো। কিন্তু পরবর্তীতে আসিফ, নাহিদ এই আন্দোলনকে এক দফায় নিয়ে গিয়েছিল। আন্দোলনে যারা আহত বা নিহত হয়েছে তারা চিকিৎসা পায়না। তাদের টাকা নিয়ে নয়ছয় করা হয়। ডক্টর ইউনুস যে ১০০ কোটি টাকা বাংলাদেশে আনলেন সেগুলো কোথায় গেল? সার্জিস, হাসনাতের গাড়ির পিছনেই কি ১০০ কোটি টাকা খরচ হয়ে গেল? এই যে অনেক সমন্বয়ক আছে, দিনের পর দিন জুলাই ফাউন্ডেশনের পিছনে ঘুরছে। টাকা পাচ্ছে না। আসিফের সাথে আমার অনেক ভালো ব্যক্তিগত সম্পর্ক, তারপরও আসিফের বিরুদ্ধে বলছি যেন সে নিজেকে শুধরে নেয়। আসিফ বলেছে যে দেশে এক হাজার ছাত্রকে ট্রাফিক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে। সবার জন্যে প্রতিদিন ৫০০ টাকা করে বরাদ্দ রাখা হবে। তাদের ট্রেনিং দেয়া হবে। আপনি দেখান তো কোন রাস্তায় একটা ছাত্র আছে? ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো। ব্যবসা বানিজ্যের অবস্থা ভালো। আমাকে একটু দেখান কোন দোকানে ব্যবসা বাণিজ্য হচ্ছে? দেশের মানুষ তো না খেয়ে মরছে । এই যে চার মাস হয়ে গেল, আপনারা দেখেন গুপ্তহত্যা হচ্ছে। আমি তো মনে করি এসবের সাথে এরা সবাই সম্পৃক্ত আছে। আগে তো আসিফ নজরুল ভারতের বিরুদ্ধে চ্যাটাং চ্যাটাং বড় বড় কথা বলতো। এখন উপদেষ্টা হবার পর থেকে তাদের মুখ দিয়ে কোন কথা বের হয়না। এই যে গুপ্তহত্যা হচ্ছে, দুদিন পর আমি মারা যাবো। আমার ভাই মারা যাবে। বাংলাদেশে মানুষ এখন নিরাপদ না। শেখ হাসিনার আমলে যেভাবে গুম করা হতো এখন এই আমলে গুপ্তহত্যা হচ্ছে। আপনারা টাকা কামাচ্ছেন, আপনাদের ধান্দা আমার বুঝা হয়ে গেছে। দেশের জন্যে কাজ করছেন না। আমি জুলাই আগস্টে নিজের ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ রেখে আন্দোলন করেছি। অনেক কিছু হারিয়েছি। অনেক ভাই বোনকে হারিয়েছি। বিনিময়ে যারা প্রকৃত যোদ্ধা, যারা আন্দোলনে আহত কিংবা নিহত হয়েছে তাদের পরিবার কিচ্ছু পায় নাই। এদের ভিক্ষা করে খেতে হচ্ছে। আর যারা আন্দোলনে সামান্য ভূমিকা রেখেছে, পরবর্তীতে সমন্বয়ক নামে বের হয়েছে এরা এখন কোটি কোটি টাকার গাড়িতে চলছে। আপনারা যদি আবার সেই পুরনো ফ্যাসিবাদকেই ফিরিয়ে আনেন তাহলে আমরা আবার দ্বিতীয় বিপ্লব করতে বাধ্য হবো। অনেক সমন্বয়কের সাথে আলোচনা পরামর্শ হচ্ছে। তারা বলেছে যদি এরা নিজেদের শুধরে সুসংগঠিত না হয় তাহলে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিবে। #StepDownYunus #MeticulouslyDesigned #Bangladesh
Tarek Sumon90,714 просмотров • 1 год назад

কাউকে না কাউকে এই সত্যি কথা গুলো সাহস করে কখনো বলতেই হতো। ধন্যবাদ, জেড আই খান পান্না! ------------------------------------- স্বাধীন হইলেই হবে না, মানসিকতাও স্বাধীন থাকতে হবে। সংবিধান অকার্যকর না, অনেকটাই অকার্যকর করে ফেলেছে। আমি অন্য ভাবে আসি, সেটা হচ্ছে যে প্রথম ডক্টর ইউনুস বা উপদেষ্টা মন্ডলী। এপয়েন্টমেন্ট দিলো কে? আমি জানি না কে দিয়েছে। বলবে একটা ভোগাস কথা! জনগণ দিয়েছে, বা ছাত্ররা দিয়েছে। তো কত পারসেন্ট আছে ছাত্র? আর এমনি ছাত্র যে ৬-জন তাঁরা যখন হারুণের ভাতের হোটেলে ছিলো তখন ওইখানে বসে লিখিত স্টেটমেন্ট দিলো যে তাঁরা আন্দোলন উইথড্র করলো। তাঁর প্রেক্ষাপটে কিন্তু এইখানে আমরা কিছু আইনজীবীরা মুভমেন্ট করলাম এবং মামলা করলাম। তারপর তো একটা শেপ দিছে। জেল কিন্তু আমরাও খাটছি, টর্চার কিন্তু আমরাও সহ্য করছি। কোথাও কিন্তু একটা সাইন নিতে পারে নাই। সেই এটিচিউট আমাদের ছিলো না। এখন বিষয়টা হয়ে গেছে ভিন্ন। সাবসিকিয়েন্টলি ডক্টর ইউনুস এসে গেছেন। সাবসিকিউয়েন্টলি ফরমার প্রধানমন্ত্রী, কারো মতে জোর করে হয়েছে; কারো মতে ইলেক্টেড হয়েছে, উনি চলে গেছে। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার। এইখানে ব্যাসিকেলি খেলছে কারা সেটা আপনারাও বুঝেন, আমিও বুঝি। বাংলাদেশে ‘৭১-এর মতো সময়েও কিন্তু থানাগুলো খালি হয় নাই, এইবার খালি হইছে। এবং এই ট্রেন্ড কিন্তু যাবে না। খারাপ দিকের যে ট্রেন্ড সেটা কিন্তু যায় না, এইটা নেশার মতো। তো আমি যেটা দেখি এখন সেটা হচ্ছে ‘৭২-এর সংবিধান রেখে তাঁদের মতো সংশোধন করে নিবে। যেমনঃ কেয়ারটেকার সরকার নাই, ওকে সংবিধানের ১৫তম সংশোধন বাতিল করে দেই। কিন্তু প্রিয়েম্বেল চেঞ্জ করতে পারবে না। তাহলে আরেকটা ‘৭১-এর যুদ্ধ না, মহাযুদ্ধ করতে হবে। এবং উনাদের পাসপোর্ট-ভিসা রেডি আছে সেটাও আমরা জানি। আমরা কিন্তু এই দেশ ছাড়বো না, তাঁরা ছাড়বে। ইলিশ নাকি ইন্ডিয়ায় যাওয়া বন্ধ হইছে, তাহলে ইলিশের দাম ডাবল হয় কিভাবে? সাবেক চোরাচালান যারা করেছে, স্মাগলিং যারা করেছে, সিন্ডিকেট যারা করেছে, টাকা পাচার যারা করেছে তাঁদের বিরুদ্ধে কয়টা মামলা হইছে? রবীঠাকুরকে দিয়ে গীতাঞ্জলি লেখানো গেছে কিন্তু রাষ্ট্র চালানো যায় নাই। সেখানে গান্ধীজীকে দরকার হইছে, পন্ডিত জহরলাল নেহেরুকে দরকার হইছে। আল্লামা ইকবালকে দিয়ে কবিতা ও শায়ের লেখানো হইছে কিন্তু রাষ্ট্র চালানোর জন্য মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খানের দরকার হইছে। বাংলাদেশেও গাফফার চৌধুরীর একুশের যে গান সেটা এখনো উজ্জীবিত যা সবাইকে ‘৫২ থেকে এখন পর্যন্ত চেতনা দিচ্ছে কিন্তু তাঁকে দিয়ে রাষ্ট্র চালানো যায় নাই ল। রাষ্ট্র চালানোর জন্য কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে আনতে হইছে। মাওলানা ভাসানীও কিন্তু এই রিস্কটা নেন নাই। যদিও উনি ১৯৫৬ সালে বলেছিলেন “ওয়ালাইকুম আসসালাম”। মূলত ‘৭১-এ যেটা হইছে সেটা বঙ্গবন্ধুকে সামনে রেখে হইছে এতে কোন দ্বিধা দ্বন্দ নাই। ‘৭২-এ জাসদ করতে এসে বঙ্গবন্ধুর বিরোধীতা করা হইছে সত্যি কিন্তু তাঁকে বাদ দিয়ে স্বাধীনতা হয় নি।
Tarek Sumon49,841 просмотров • 2 лет назад

আইসিটিকে ব্যবহার করে জামায়াতে ইসলামীর তাজুল ইসলাম গং যে পরিমাণ চাঁদাবাজি করেছে তা অকল্পনীয়। ধীরে ধীরে সব বের হচ্ছে। চ্যানেল ২৪ এর হাতে আসা অডিও থেকে জানা যায়, জুলাই হত্যাকাণ্ডের এক ঘটনায় আসামীকে খালাস করতে এক কোটি টাকা ঘুষ দাবী করেন প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদার। আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ফজলে করিম চৌধুরীর পরিবারের কাছে এই টাকা দাবি করেন তিনি।
Tarek Sumon15,490 просмотров • 6 месяцев назад

সাগর পাড়ে নোঙ্গর করা সারি সারি মাছ ধরার নৌকা। দোকান পাটে ঝিমিয়ে সময় পার করছে দোকানীরা আর নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় সেন্ট মার্টিনের শিক্ষার্থীরা। অনেকেই স্কুল ছেড়ে চলে যাচ্ছে। তাদের অভিভাবকদের বেশিরভাগ মৎস্যজীবী নয়তো পর্যটক ব্যবসার সাথে জড়িত। নিজের কথা বলার সময় সেন্ট মার্টিন স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেনীর শিক্ষার্থী সাকিবের চোখ ছলছল করছিল। জানাচ্ছিল তাদের অভাবের জীবনের গল্প। তার বাবা একজন মৎস্যজীবী। এখন আয় রোজগার নেই। তাই বাবার পরনের শার্ট পড়ে স্কুলে এসেছে। অভাবের সাথে সাথে দ্বীপে এখন তাদের স্বাধীনতাটুকুও নেই। একই স্কুলের নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী হালিমাতুস সাদিয়ার গলায় অনুযোগের সুর, 'আমরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। বিদ্যুৎ, আয় রোজগার সবদিক থেকেই বঞ্চিত। এই দেশের নাগরিক হয়েও যদি আমরা স্বাধীন ভাবে চলতে না পারি! মায়ের গহনা বিক্রি করে অনার্সে ভর্তি হওয়া দেলোয়ার অর্থের অভাবে ক্লাসে যেতে পারছেনা। বলছিল বুকে জমা হওয়া দীর্ঘশ্বাসের কথা। দ্বীপ জুড়ে মানুষের হাহাকার আর অনিশ্চয়তার করুন ছবি। নেই জীবিকা। বাড়ছে ঋণের বোঝা আর ক্ষুধার জ্বালা। দশ হাজার মানুষের বসতির এই দ্বীপে এখন শুধুই আতঙ্ক, উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা। চায়ের দোকান, বাজার, পাড়া মহল্লা, মসজিদ সব জায়গায় সবার একই প্রশ্ন, কি হতে যাচ্ছে? তারা তো এই দেশের নাগরিক। পরিবেশ যদি সমস্যা হয় তাহলে কতৃপক্ষ নিয়ম কানুন করে দিক। মানুষের মনে সন্দেহ আছে। সেই সন্দেহ দিন দিন বাড়ছে। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের মানুষ এক সময় শুধু মাছ ধরে তাদের জীবিকা নির্বাহ করতো। ২০০০ সালের পর সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকের যাতায়াত শুরু হলে তাদের জীবন জীবিকায় যুক্ত হয় পর্যটন শিল্প। এখন এই দুটোর কোনটিই আর নেই। দ্বীপবাসীর জিজ্ঞাসা ভাত বন্ধ থাকলে তারা কিভাবে ভালো থাকবে? সেন্ট মার্টিন ভালো নেই। Syfullah Faruque Abu Sayed Ziauddin Sarwar Saimon MD5HT Probir Kumar Sarker The Spirit of 71 Awan Shikder🇧🇩 Lets Fight ননসেন্স্ Himalaya🇧🇩 Zaman S Shohel Arifin Mollah Arafath @meetasultana ননসেন্স্ shayera @BensonBabu0
Tarek Sumon17,460 просмотров • 1 год назад

১৬ বছর কোথায় ছিলাম - প্রশ্নটার উত্তর খুব সহজ। যেখানে আছি, সেখানেই ছিলাম। মনে–প্রাণে আওয়ামী লীগকে ধারণ করে। কৈশোরে যে বিশ্বাস, ভালোবাসা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী আওয়ামী লীগকে বেছে নিয়েছিলাম, সেই জায়গা থেকে কখনো সরে যাইনি। সময়ের সাথে সেই বিশ্বাস আরও কঠিন, দৃঢ় হয়েছে। কারণ দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে একমাত্র আওয়ামীলীগই। আমি যে এক্স আইডি ব্যবহার করছি, সেটি ৮ বছরের পুরনো। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত একই অবস্থান, একই বিশ্বাস। চাইলে আমার আরেকটি আইডির কথা বলতে পারি - ১২ বছরের পুরনো - সেখানেও একই অবস্থান, একই আদর্শ। বিন্দুমাত্র বিচ্যুতি নেই। বাবা ২০২৩ সালে মারা গেছেন। তিনি সৌভাগ্যবান - এই বাংলাদেশ তাকে দেখে যেতে হয়নি। মা আছেন, রাজনীতি নিয়ে মাথা ঘামান না, কিন্তু ভোট হলে ঠিকই নৌকায় দেন। আমরা ভাইবোনেরা কেউ সক্রিয় রাজনীতির সাথে জড়িত না। বিপদে-আপদে, প্রমোশন-পোস্টিং, দরকারে কখনো কারো দ্বারস্থ হইনি। কোনো বড় নেতা ফেতার সাথে আমাদের ব্যক্তিগত সখ্যতা নেই। আমাদের গল্পে ঘুরেফিরে আসে বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু আর আওয়ামী লীগ। ৩২ নম্বরের আগুন আমাদের বুকে জ্বলে। যা করি - দেশকে ভালোবেসে করি। আর দেশের ভালো আওয়ামী লীগের মতো আর কে চাইবে? "১৬ বছর কোথায় ছিলাম" প্রশ্নের উত্তরেই লুকিয়ে আছে তার প্রমাণ। হ্যাঁ, ১৬ বছর একটা দল ক্ষমতায় থাকলে ভুল–ত্রুটি হতে পারে। কিন্তু সেই ভুল শোধরানোর ক্ষমতা আছে একমাত্র আওয়ামী লীগেরই। গত ১৭ মাস তার জ্বলজ্যান্ত প্রমাণ। ২০২৪ সালের পাঁচ আগস্ট থেকে শুরু - প্রথমে আওয়ামী লীগ নেতাদের উপর হামলা, পুলিশকে পুড়িয়ে মারা, এরপর হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর আঘাত। রাস্তায়, নদীতে, ফ্যাক্টরিতে লাশের পর লাশ। হাজারের বেশি শিক্ষক, অসংখ্য সরকারি কর্মকর্তা চাকরি হারা। কেউ কেউ এখন না খেয়ে থাকে। ৩০০'র বেশি ফ্যাক্টরি পুড়িয়ে দেওয়া হলো। ৫০ লাখের বেশি মানুষ জীবিকা হারা হলো৷ বিশ্ববিদ্যালয় দখল করল পাকিস্তানি দালাল শিবির, যারা ১৯৭১ এ মা–বোনদের ধর্ষণ করেছে, ৩০ লাখ মানুষ হত্যা করেছে। দুই শতাধিক মসজিদ, মন্দির, মাজার, কবরস্থান পুড়িয়ে দেওয়া হলো। মুক্তিযুদ্ধের প্রতিটি স্মৃতি, প্রতিটি চিহ্ন একে একে ধ্বংস করা হলো। যারা বলতো, মুক্তিযুদ্ধকে আওয়ামী লীগ দখল করে রেখেছে, তারা দেশকে “মুক্ত” করতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিই মুছে দিলো। কৃষি ধ্বংস হলো, এখন রেমিট্যান্সের টাকায় আমদানি করে খেতে হয়। ভারতের তেল, চাল, নুন ছাড়া চুলো জ্বলে না। দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ বন্দর হাতছাড়া। সীমান্তে অস্থিরতা। ব্যাংকিং খাত পাকিস্তানি জামায়াত শিবির বিএনপির দালালদের হাতে। শেয়ারবাজার লুট। শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস। কোটার নামে মানুষ হত্যা করে এখন ১০০% পাকিস্তানি কোটায় সব সেক্টর দখল করেছে বিএনপি–জামাত। সংস্কৃতি ধ্বংস হচ্ছে ধর্মের নামে। জ্বালানি খাত দখলে নিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার কোটি টাকা লুট হচ্ছে। ক্রিকেট ধ্বংসের পথে। ইতিহাসের সেরা নির্বাচনের নাম করে এক মাস আগে থেকে ব্যালট বক্স দখল করে সীল মারা সম্পন্ন । আপনারা যারা প্রশ্ন করেন, “১৬ বছর কোথায় ছিলেন”, আমি তাদের পরিচয় জানতে চাই। ১৭ মাস আগের কার্যকলাপ দেখতে চাই। ২০২৪-এর আগে তারা কোথায় ছিলেন সেটা জানতে চাই। গুপ্ত ছিলেন, নাকি সুপ্ত? দল করতেন, নাকি নিরপেক্ষ? নির্দিষ্ট কোনো দল করায় আপত্তি নেই। কিন্তু নিরপেক্ষ দাবি করলে দেখতে চাই - দলমত, জাতপাত, ধর্ম নির্বিশেষে আপনার মানবিক অবস্থান! আমি সেখানেই আছি, যেখানে আগে ছিলাম। How many ears must one man have Before he can hear people cry? And how many deaths will it take till he knows That too many people have died? The answer, my friend, is blowin’ in the wind. উত্তরটা বাতাসে ভাসে - যারা শুনতে চায়, তারা শুনতে পায়। Naomi Noor D C I L Sanjib deb🇮🇳(Nation First) Arafath Akash🇧🇩 Ame Bangladesh Md Faruq Abdullah Bangla O Bangali crack71 Zaman MAZ AHMED Arifin Mollah OBSERVATION DAY CG Bangladesh✌️🇧🇩✌️ Taranoor Britto OperationFreedom🇧🇩 Amin Sony 𝚂𝙿𝙰𝚁𝚁𝙾𝚆 Selim Khan Azhar 𝐅𝐚𝐢𝐬𝐚𝐥 𝐀𝐡𝐦𝐞𝐝 𝐁𝐚𝐛𝐮
Tarek Sumon11,657 просмотров • 8 месяцев назад

এটা নিছক এক রাজনৈতিক ভাষণ ছিলনা। ছিল জনসমুদ্রের বুকে নেমে আসা এক বজ্রধ্বনি, এক মহাকাব্যের প্রথম পঙক্তি, যার আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল কোটি হৃদয়ের অন্তঃস্থলে। একটি তর্জনীর এমন সম্মোহন, এমন অদম্য শক্তি - পৃথিবীর ইতিহাসে এর আগে কেউ দেখেনি। ইতিহাস কেবল ঘটনার সারি নয়। এটি মানুষের আত্ম অনুসন্ধানের দীর্ঘ যাত্রা। একটি জাতি যখন নিজেকে চিনে ফেলে, যখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর নৈতিক সাহস অর্জন করে, যখন ভয়কে অতিক্রম করে স্বাধীনতার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয়ার শপথ নেয় - কেবল তখনই এমন ইতিহাসের জন্ম হয়! ১৯৭১ সালের মার্চ ছিল তেমনই এক অগ্নিঝরা সময় - যেখানে বাতাসও বিপ্লবের ভাষায় কথা বলত, প্রতিটি দিন হয়ে উঠত নতুন এক শপথের দিন। সেই মার্চে বাঙালি বুঝে যায়, ফিরে যাওয়ার পথ আর নেই। ৭ই মার্চের রেসকোর্সে জাতি দাঁড়িয়ে থাকে নিঃশ্বাস বন্ধ করে, আর বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠে ধ্বনিত হয়: “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” এই উচ্চারণে জেগে ওঠে জাতির সুপ্ত সত্তা, জ্বলে ওঠে স্বাধীনতার অগ্নিশিখা। অগ্নিঝরা মার্চ তাই কেবল অতীতের স্মৃতি নয়। এটি এক চলমান দর্শন, এক নৈতিক আলোকবর্তিকা। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় - রাষ্ট্র তখনই অর্থবহ, যখন তা ধারণ করে মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা ও ন্যায়সঙ্গত অধিকার। স্বাধীনতা কোনো সমাপ্তি নয়। এটি এক অনন্ত দায়িত্ব, যা প্রতিটি প্রজন্মকে নতুন করে রক্ষা করতে হয়। Naomi Noor Sanjib deb🇮🇳(Nation First) Arafath Akash🇧🇩 Ame Bangladesh Md Faruq Abdullah Bangla O Bangali crack71 Zaman Arifin Mollah OBSERVATION DAY CG Bangladesh✌️🇧🇩✌️ @EastBengalHind 𝐅𝐚𝐢𝐬𝐚𝐥 𝐀𝐡𝐦𝐞𝐝 𝐁𝐚𝐛𝐮 Tomalika Taranoor Britto Sarwar Saimon Dipanwita Rumi (দীপান্বিতা রুমী) Shayera Islam 𝐇.𝐌 𝐒𝐚𝐢𝐟𝐮𝐥𝐥𝐚𝐡
Tarek Sumon10,200 просмотров • 7 месяцев назад

ডক্টর ইউনূস ও তার সমন্বয়কদের #Meticulouslydesigned প্ল্যানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে গণহত্যার কিছু দৃশ্য। পুলিশ সদস্যদের বেপরোয়া ভাবে হত্যা করা হয়, আগুনে পোড়ানো হয়, ঝুলিয়ে পিটিয়ে মারা হয়। রক্ষা পায়নি প্রেগন্যান্ট পুলিশও। বিভিন্ন বেসরকারি সূত্র মতে এর সংখ্যা তিন হাজারের আশেপাশে হবে। যদিও অবৈধ ইউনূস সরকার আজ পর্যন্ত সংখ্যাটি প্রকাশ করেনি, নিজেদের এসব অপরাধ থেকে রক্ষা করতে ৮ আগস্ট পর্যন্ত সকল হত্যাকাণ্ডের ইন্ডেমনিটি ঘোষণা দিয়েছে। #StepDownYunus #HumanRights #HumanRightsViolations #HumanRightsWatch
Tarek Sumon23,088 просмотров • 1 год назад

আমরা যখন নিশ্চিন্তে ঘুমাই, একজন মানুষ নীরবে, দৃঢ় হাতে দেশের উন্নয়নগুলো আগলে রাখেন। তিনি ড. মুহাম্মদ ইউনুস। বাংলাদেশের ইতিহাসে যদি কোনো সময়কে “উন্নয়ন রক্ষার স্বর্ণযুগ” বলা হয়, তবে নিঃসন্দেহে তা ড. ইউনুসের শাসনকাল। প্রধানমন্ত্রী না হয়েও যে দৃঢ় নেতৃত্ব তিনি দিয়েছেন তা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। পদ্মা সেতু - আপনি বলতে পারেন পদ্মা সেতু তিনি বানান নাই। কিন্তু সেটা তো শেখ হাসিনাও বানান নাই। জনগণের টাকায় বানানো। কিন্তু শত বাধা অতিক্রম করে দেড় বছর ধরে সাহসিকতার সঙ্গে এই সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ করেছেন কে? ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস। মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে - ঢাকার যানজটের সমাধান আধুনিক মেট্রোরেল। তিনি বানান নাই। সেটা তো হাসিনাও বানায় নাই। কিন্তু যেন ঠিক মতো চলে গত দেড় বছর ধরে সেটা নিশ্চিত করেছেন কে? ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস। এইতো দেড় বছর আগের কথা। জামাত, শিবির, বিএনপি আর এনসিপির সন্ত্রাসীরা মিলে মেট্রোরেলের দুটি স্টেশন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করে দিলো। অথচ ক্ষমতা পেয়ে অতি অল্প সময়ে, অল্প খরচে সেগুলো চালুর ব্যবস্থা করেছেন কে? ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস। দেশজুড়ে নির্মিত এক্সপ্রেসওয়ে ও ফ্লাইওভার গুলোতে নিরবচ্ছিন্ন যান চলাচল গত দেড় বছর ধরে কে বজায় রেখেছেন? ড. মুহাম্মদ ইউনুস। কর্ণফুলি টানেল - ইতিহাসের সাহসী প্রকল্প! এই প্রকল্প যেন কার্যকর ও লাভজনক হয় সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিয়েছেন কে? গবেষণাধর্মী অংশগ্রহণ ছিল কার? ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস। বিদ্যুৎ - দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন ছিল মাত্র ৪,০০০ মেগাওয়াট। আজ তা ছাড়িয়ে গেছে ২৭,০০০ মেগাওয়াট। জনগণের পকেটের টাকায় সবাই কিনতে পারে কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারে কয়জন! আদানির কোটি কোটি টাকার বিল বকেয়া থাকার পরও চোখে চোখ রেখে গত দেড় বছর ধরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করেছেন কে? ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র - কয়েকদিন পর পর সেখানে রুশ কর্মকর্তা মরে, আগুন লাগে। তারপরও প্রকল্প বন্ধ হতে দেন নাই। এই কৃতিত্ব কার? ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস। অর্থনীতি - দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি, রেমিট্যান্স, রপ্তানি সব ক্ষেত্রেই ‘ইউনুসীয় অর্থনৈতিক চিন্তা’ সহায়ক পরিবেশ তৈরি করেছে। গত ১৬ বছর ধরে যে জিডিপি ৬%-৭% এর ঘরে আটকে ছিল সেটাকে তিনিই প্রথম মুক্তি দিয়েছেন। এরপর গত দেড় বছরে সেই জিডিপি ৩% এর নীচে নামতে দেন নাই। কৃতিত্ব কার? ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস। রোহিঙ্গা ইস্যু - গত বছর রোহিঙ্গা ইস্যুতে তাঁর ভূমিকা বিশ্বে আমাদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। তার ফলেই নতুন করে দেড় লাখ রোহিঙ্গা পেয়েছে মাথা গোঁজার ঠাঁই। ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এই 'মানবিক করিডোর'। আপনারা কথায় কথায় সমালোচনা করে বলেন, অর্থনীতিতে নোবেল না পেয়ে শান্তিতে পেয়েছেন । এই রোহিঙ্গা ইস্যুর সমাধানই কি প্রমাণ করে না যে শান্তি হউক আর অর্থনীতি। নোবেল তিনি পেতেনই? ভোট ছাড়াই দেশ চালিয়েছেন কে? ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস। রাষ্ট্রনায়ক না হয়েও রাষ্ট্র গড়ার প্রতিটি কাজে অগ্রভাগে ছিলেন কে? ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস। এমন “অদৃশ্য” নেতৃত্ব ইতিহাসে বিরল। দেশের জন্য নিরলসভাবে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া মানুষটি সামনের মাসে বিদায় নিচ্ছেন। এমন সফল ও বিজ্ঞ রাষ্ট্রপ্রধান বাঙালি হাজার বছরে আর পাবে কিনা সন্দেহ। অন্ধের দেশে Ray-Ban বিক্রি করতে এসেছিলেন। আমরা ফয়িন্নি টাকা নাই বলে কিনতে পারিনি। ব্যার্থতা কার? আমাদের! Naomi Noor Sanjib deb🇮🇳(Nation First) Deep Sengupta Arafath Akash🇧🇩 Shamsunor Rahman Ame Bangladesh Md Faruq Abdullah Bangla O Bangali crack71 Zaman MAZ AHMED Arifin Mollah OBSERVATION DAY CG Bangladesh✌️🇧🇩✌️ Taranoor Britto @EastBengalHind Shariful Islam ( Sagar) LL.B @Ami_arefin1978 25 March 71 INDEPENDENT BANGLADESH M S Niloy 🇧🇩 @TonmoyM71 Black Rose Shahidul Islam AHM Sumon samdani mir TrENDs হালচাল Rubence Joy Bangla🇧🇩| #VictoryToIran🇮🇷 Amin Sony 𝚂𝙿𝙰𝚁𝚁𝙾𝚆 Selim Khan Azhar 𝐅𝐚𝐢𝐬𝐚𝐥 𝐀𝐡𝐦𝐞𝐝 𝐁𝐚𝐛𝐮
Tarek Sumon11,198 просмотров • 8 месяцев назад

শিবিরের যিনি সেক্রেটারি বের হলেন, ফরহাদ ভাই! উনি এক মুখে দুই কথা বলার মানুষ হিসেবে সবার সামনেই পরিগনিত হয়েছেন। প্রথমত উনি সাক্ষাৎকারে শিবির সম্পর্কে বহুৎ ভালো ভালো কথা বলেছেন। বলেছেন শিবিরের রগকাটার কোন ইতিহাসই তার কাছে নাই। এবং যেটা বলা হয় যে, পলকের মনে হয় আমরা একটা ব্যাপার দেখেছি যে - প্রথমে বলছেন যে ইন্টারনেট এমনি এমনি চলে গেছে। তারপর বললো স্যাটেলাইটের ভেতর পানি ঢুকে গেছে। তো ফরহাদ সাহেবের বক্তব্যটাও আমার কাছে ওরকম মনে হয়েছে। 'ছাত্রলীগে তো আমি যাইনি। ছাত্রলীগ আমাকে এমনি এমনি পদ দিয়ে দিয়েছে। পদ দিলেও আমি রাজনীতি করি নাই।' উনি যে মিছিলে ছিল কি ছিলনা সেটার প্রত্যক্ষদর্শী মানুষতো অবশ্যই ছিল। সেটা সবাই জানে। আর ছাত্রলীগের পদ পেতে হলে লক্ষ লক্ষ টাকার ব্যাবসা বানিজ্য যেমন আছে তেমনি মিছিল করা স্লোগান দেয়াও তাদের বাধ্যতামূলক। ফলে এধরণের ভুজুংভাজুং কথাবার্তা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করে ছাত্র শিবিরের নৈতিকতা ভ্যালিড করার কোন চান্স নাই। আর ছাত্রশিবির যতোই বলুক তারা একটা নৈতিক সংগঠন। যদি তারা নৈতিক সংগঠন ই হতেন তাহলে বিগত ১৬ বছর বা তার পূর্ব্ববর্ত্তী সময়গুলোতে তার এবং তার যে পার্টি জামায়াত এই বিএনপির সাথে জোট করে রাজনীতিতে থাকতো না। কিংবা ছাত্রলীগের ভেতরে লুকায়িত অবস্থায় রাজনীতিটা করতেন না। বরং ছাত্রলীগের চোখে চোখ রেখে তিনি ছাত্রদের হয়ে ফাইট টা করতেন। যেটা তারা করেন নাই বরং ছাত্রলীগের হয়ে হলে থেকেছেন। সুবিধা ভোগ করেছেন। এখন তারা বলছেন যে তারা কখনোই সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে নাই। কিন্তু আমরা জানি, আমাদের কাছে অসংখ্য নিউজ ক্লিপ আছে তারা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কি করেছেন। তিনি তো অবশ্যই এই প্রশ্ন এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করবেন। এবং পরবর্তীতে এটা সম্পর্কে একটা বিভ্রান্তিকর উত্তর দিবেন। অবশ্যই জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের যে স্বাধীনতা যুদ্ধ সেটার বিপক্ষে অবস্থান ছিল এবং তারা এক পাকিস্তানের হয়ে লড়াই করেছেন। সশস্ত্র ভাবে বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী, মুক্তিযোদ্ধাদের উপর তারা হামলা করেছেন। নিরস্ত্র মানুষের উপর হামলা করেছে। গ্রামে গ্রামে গিয়ে নারীদের ধর্ষণ করেছে। এবং সবথেকে বড় কথা যে ১৪ ডিসেম্বর যে বুদ্ধিজীবী দিবস আমরা পালন করি। আমরা একটা প্রশ্ন করতে চাই যে বাংলাদেশ এবং যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দাঁড়িয়ে আছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে বুদ্ধিজীবীদের লিস্ট। কারা তৈরী করে দিয়েছিলেন সেই প্রশ্নের উত্তর কিন্তু জামায়াত কে অবশ্যই দিতে হবে। কারণ আমরা জানি শান্তিবাহিনী, আল বদর বাহিনী পরিচালনা করতো জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্র সংঘ। এরাই সেই লিস্ট তৈরী করে দিয়েছে এবং আমাদের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে। এটা তো আমি একটা দিনের কথা বলেছি। তাহলে ৯ মাসে তারা কি করতে পারে সেটার বর্ননা আপনারা জানেন। এতোকিছু প্রমাণ থাকা সত্বেও কিভাবে তারা এটাকে অস্বীকার করে। এখন যেটা হয় যে যখন যারা ক্ষমতায় যায় তারা মনে করে যে বাংলাদেশের মানুষ হচ্ছে বোকা। তারা ইতিহাস বলতে কিছু জানেনা। তাদেরকে যা ইচ্ছা তাই ই খাইয়ে দেয়া যাবে। তো জামায়াতের যে রাজনৈতিক মতাদর্শ বা স্ট্র্যাটেজিকাল জায়গাটা এতোটাই অনৈতিক, তারা এধরনের কথা মনে করতেই পারে। আমাদের জেনারেশনের ক্ষেত্রে যে ঘাটতি টা। আমরা যারা ২০০০-২০০৪ সময়েতে জন্মগ্রহণ করেছি আমরা কিন্তু আসলে জানিনা যে জামায়াত বা ইসলামি ছাত্র শিবির এবং মুক্তিযুদ্ধের যে ইতিহাস সেটার প্রকৃত ইতিহাসটা কি। আমরা এখনো অবধি যে ইতিহাস পাই সম্পুর্ন ভাবে আওয়ামী লীগের ইতিহাসটাই পাই। যে একক ভাবে আওয়ামী লীগই মুক্তিযুদ্ধ করেছে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ ছিল জনযুদ্ধ। সর্বস্তরের মানুষ সশস্ত্র ভাবে সেই সংগ্রাম করেছে। এবং জামায়াতের বিরুদ্ধেও কিন্তু সেই লড়াইটা ছিল। #Shibir #Jamat #BNPJamat #JamatShibir
Tarek Sumon19,885 просмотров • 2 лет назад

আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন আমি কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করি কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর যে অবদান এটা আমার ইতিহাস চর্চার পর আরো বেশি পোক্ত হয়েছে। ১৯৬৬ সন থেকে ১৯৭২ সন পর্যন্ত উনার জীবনে কোন ভুল নেই এবং অবিশ্বাস্য সব প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সবচেয়ে সঠিক সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছেন। সবাই বিরোধিতা করেছে কিন্তু উনি উনার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। উনি যখন নির্বাচনে বিজয়ী হোন, পাকিস্তানের শাসকদের যদি গনতন্ত্রের প্রতি মিনিমাম শ্রদ্ধাবোধ থাকতো তাহলে উনারা বঙ্গবন্ধুকে পুরো পাকিস্তানের জন্যে সংবিধান রচনা করতে দিতেন। ১৯৭২ এর সংবিধান প্রনয়ণ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ভূয়সী প্রশংসায় ড: আসিফ নজরুল আরো বলেন ১৯৭২ সালে যে কতো বেশি গনতন্ত্রের চর্চা ছিল তা এই সংবিধান রচনার সময়কার পুরো প্রক্রিয়াটা অনুসরণ করলে স্পষ্ট বুঝা যায়। আমার কাছে আশ্চর্য লাগে, ৫০ বছর আগে উনাদের জ্ঞান, প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা কতো উঁচুতে ছিল। সেখান থেকে আমরা কোথায় নেমে এসেছি। আপনাকে জানিয়ে রাখি এই বইটা আমি যাদের উৎসর্গ করেছি তাদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আছেন। #Independence1971 #Bangladesh1971 #স্বাধীনতা১৯৭১ #BangladeshCrisis
Tarek Sumon17,986 просмотров • 1 год назад

কোন ফ্যাসিস্টের ভাস্কর্য ভাংগতে হলে টাকা লাগবে ১০ লাখ! আমরা এখন নতুন স্ট্রাটেজি নিয়েছি। কেউ যদি ফোন দিয়ে বলে ওইখানে একটা ফ্যাসিস্টের ভাস্কর্য আছে সেটা ভাংগতে হবে। আমরা বলবো ঠিক আছে! আমরা ভাস্কর্য ভাংগবো কিন্তু টাকা লাগবে দশ লাখ। আপনারা ক্ষমতার রুটি হালুয়া ভাগ করবেন , কে কোন পদে যাবেন আলোচনা করবেন আর মারামারি পিটাপিটি মাইর খাওয়ার কাজে ইনকিলাব মঞ্চকে পাঠিয়ে দিয়ে মজা নিবেন সেই দুনিয়া আর নাই। যদি ভাংগা লাগে, কার কতো কন্ট্রাক্ট লাগবে বলেন। কোন ফ্যাসিস্টের ভাস্কর্য ভাংগা লাগবে বলেন। @71believer @AbdullahAl8749 Ahasan Aziz Rafi Amin Sony Hossain Mohammed Elias bdglobal22 @alliance29464 Awan Shikder🇧🇩 The Bengal Voice @SarwarKSaimon Naim Niru K Nahar Himalaya🇧🇩
Tarek Sumon15,178 просмотров • 1 год назад