Tarunjyoti Tewari's banner
Tarunjyoti Tewari's profile picture

Tarunjyoti Tewari

@tjt400234,412 subscribers

A Hindu Nationalist, A Lawyer practicing at Calcutta High Court, A dedicated BJP Karyakarta. MLA , 117- Rajarhat Gopalpur, WBLA.RETWEETS ARE NOT ENDORSEMENTS.

Shorts

Swaha...... সাথের সহযোগী আরো কিছু ছিল সেগুলোরও হিসাব হবে এবং একই সাথে ভোটের আগের স্পেশাল মিটিং এর খবরও আমার কাছে আছে.. সব পরিষ্কার হবে

Swaha...... সাথের সহযোগী আরো কিছু ছিল সেগুলোরও হিসাব হবে এবং একই সাথে ভোটের আগের স্পেশাল মিটিং এর খবরও আমার কাছে আছে.. সব পরিষ্কার হবে

22,074 просмотров

Tausif is not a new face at all , he has been active in TMC’s ecosystem long before Debangshu. Anyone checking his older posts will understand that this is an old, well-oiled TMC strategy. They keep a network of “political analysts” whose only job is to abuse opponents and run smear campaigns. What is more telling is that Tausif appears regularly on pro-TMC media platforms, yet TMC has never once publicly distanced itself from him. If he truly wasn’t connected to the party, TMC would have clearly stated that he does not represent them. Their silence only exposes the truth. This pattern has been going on for years , the same faces, the same style, the same script. FYI Rubika Liyaquat

Tausif is not a new face at all , he has been active in TMC’s ecosystem long before Debangshu. Anyone checking his older posts will understand that this is an old, well-oiled TMC strategy. They keep a network of “political analysts” whose only job is to abuse opponents and run smear campaigns. What is more telling is that Tausif appears regularly on pro-TMC media platforms, yet TMC has never once publicly distanced itself from him. If he truly wasn’t connected to the party, TMC would have clearly stated that he does not represent them. Their silence only exposes the truth. This pattern has been going on for years , the same faces, the same style, the same script. FYI Rubika Liyaquat

45,325 просмотров

পুলিশ লাথিটা ওই শিক্ষক মহাশয়ের পেটে নয় ভদ্র সমাজের মুখে মারল।। ওহে ভদ্রলোক তোমরা দেখতে পাচ্ছ না?

পুলিশ লাথিটা ওই শিক্ষক মহাশয়ের পেটে নয় ভদ্র সমাজের মুখে মারল।। ওহে ভদ্রলোক তোমরা দেখতে পাচ্ছ না?

28,867 просмотров

"Mulakat aab maidaan-e-jung par hogi' - Shehbaz sharif RIP Pakistan..... ভারতবর্ষ এই ঘোষণাটার জন্যই অপেক্ষা করছিল। MAY GOD BLESS YOU, INDIAN ARMY WILL ARRANGE YOUR MEETING WITH YOUR GOD SOON

"Mulakat aab maidaan-e-jung par hogi' - Shehbaz sharif RIP Pakistan..... ভারতবর্ষ এই ঘোষণাটার জন্যই অপেক্ষা করছিল। MAY GOD BLESS YOU, INDIAN ARMY WILL ARRANGE YOUR MEETING WITH YOUR GOD SOON

24,631 просмотров

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী ছিলেন, সুপ্রিম কোর্ট মনে করিয়ে দিল যে তার আইনজীবী যথেষ্ট দক্ষ সুতরাং তার কথা সুপ্রিম কোর্ট শুনবে। এর থেকে ভদ্রভাবে চুপ করতে মনে হয় বলা যায় না? অদ্ভুত মানুষ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী ছিলেন, সুপ্রিম কোর্ট মনে করিয়ে দিল যে তার আইনজীবী যথেষ্ট দক্ষ সুতরাং তার কথা সুপ্রিম কোর্ট শুনবে। এর থেকে ভদ্রভাবে চুপ করতে মনে হয় বলা যায় না? অদ্ভুত মানুষ

11,188 просмотров

বাংলা ভাষা রক্ষা করার জন্য এটাও নাকি রাস্তায় নেমেছিল?

Sensitive content

বাংলা ভাষা রক্ষা করার জন্য এটাও নাকি রাস্তায় নেমেছিল?

16,044 просмотров

কোথাও লেখা নেই যে তাকে ইংরেজি জানতে হবে, ইংরেজিতে কথা বলার বাধ্যবাধকতা কোনো নেই।। ইংরেজিতে কথা বলতে কে বলে আপনাকে? আপনার সাথে শত রাজনৈতিক বিরোধ আছে এবং থাকবে।। সেই বিরোধিতা আপনার ইংরেজি না জানা নিয়ে থাকবে না।। Keloggs এ একজন দোভাষী নিয়ে যান এবং ওখানে বাংলায় বক্তৃতা দেবেন।। রাজনৈতিক মতবাদের বাইরে এসে বলছি আমি খুশি হব।। ভুলভাল ইংরেজি বলার থেকে ভালো বাংলা বলাটা অনেক বেশি সম্মানের।।

কোথাও লেখা নেই যে তাকে ইংরেজি জানতে হবে, ইংরেজিতে কথা বলার বাধ্যবাধকতা কোনো নেই।। ইংরেজিতে কথা বলতে কে বলে আপনাকে? আপনার সাথে শত রাজনৈতিক বিরোধ আছে এবং থাকবে।। সেই বিরোধিতা আপনার ইংরেজি না জানা নিয়ে থাকবে না।। Keloggs এ একজন দোভাষী নিয়ে যান এবং ওখানে বাংলায় বক্তৃতা দেবেন।। রাজনৈতিক মতবাদের বাইরে এসে বলছি আমি খুশি হব।। ভুলভাল ইংরেজি বলার থেকে ভালো বাংলা বলাটা অনেক বেশি সম্মানের।।

18,468 просмотров

২০২৬: পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের শেষ সুযোগ! সম্প্রতি তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ূন কবীর প্রকাশ্যে বলেছেন— "ভোটের দিন হিন্দুরা বসে থাকে, পান্তাভাত খেয়ে ঘুমায়, ভোট দিতে যায় না। আর মুসলিম ছেলেরা ঘুঘনী-মুড়ি খেয়ে সারাদিন ভোট করে বেড়ায়। এখানেই পার্থক্য গড়ে দেবো!" এই বক্তব্য যতটা বিস্ময়কর, ততটাই বাস্তবতা তুলে ধরে! পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ট্রেন্ড দেখলেই বোঝা যায়, মুসলমান ভোটাররা যেভাবে ভোট দিতে সমবেত হয়, হিন্দুরা তার ধারে-কাছে নেই। হিন্দু সমাজের একটা বড় অংশ ভোটের দিনটাকে ছুটির দিন হিসেবে ধরে নিয়ে পিকনিকে বেরিয়ে পড়ে কিংবা কাছাকাছি কোনো রিসোর্টে STAYCATION কাটায়। ফলস্বরূপ, মুসলিম প্রধান এলাকায় ভোট পড়ে ৯০-১০০%, অথচ হিন্দুপ্রধান এলাকায় ভোটের হার ৬০-৬৫% পর্যন্ত নেমে আসে। ভোট না দেওয়ার মূল্য চোকাচ্ছে হিন্দুরাই! ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে একাধিক হিন্দুপ্রধান এলাকায় তৃণমূল এগিয়ে গেছে শুধুমাত্র এই কারণে যে, সেখানকার মুসলিম ভোটাররা এককাট্টা হয়ে ভোট দিয়েছে, আর হিন্দুরা অনাগ্রহ দেখিয়েছে। এমনকি কোভিডের সময়ও মুসলিম এলাকাগুলোতে ভোট পড়েছে ৯৫-১০০%, কিন্তু হিন্দু এলাকায় ভোট পড়েছে অনেক কম। হিন্দুদের ভোট না দেওয়ার এই প্রবণতা পশ্চিমবঙ্গে এক গভীর সংকট তৈরি করেছে। মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত হিন্দুদের মধ্যে এক ধরনের মানসিকতা তৈরি হয়েছে— "ভোট দিতে লাইনে দাঁড়ানো মানে মর্যাদাহানি!" তারা ভাবে, ভোটকেন্দ্রে গিয়ে গরমের মধ্যে দাঁড়ানো ‘কষ্টকর’, অথচ পাঁচ বছর ধরে অত্যাচার সহ্য করাটাই যেন ‘সহজ’! হিন্দুরা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক! গত এক দশকে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা ধীরে ধীরে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হয়ে উঠেছে। আজ দুর্গাপুজো করতে অনুমতি লাগে, রাস্তায় শঙ্খধ্বনি বাজালে আপত্তি ওঠে, রামনবমীর মিছিল করলে লাঠিচার্জ হয়। আগামী দিনে হয়তো শাঁখা-সিঁদুর পরতেও অনুমতি লাগবে! আজ হুমায়ুন কবীররা প্রকাশ্যে ঘোষণা করছে, ভোটের মাধ্যমে তাদের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করবে। তারা জানে, মুসলিম ভোট একজোট, হিন্দুরা বিভক্ত এবং অনাগ্রহী। মুসলমানরা যা চায়, সেটাই করছে। প্রশ্ন হলো— হিন্দুরা কী চায়? ২০২৬: শেষ সুযোগ! পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ৮০টি বিধানসভায় মুসলিম ভোট একচেটিয়া। বাকি আসনগুলোতেও মুসলিম ভোট যদি ৩০-৪০% হয়, তাহলেও তারা নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করে দিতে পারে, যদি হিন্দুরা ভোট দিতে না যায়! সুতরাং, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন হিন্দুদের জন্য শেষ সুযোগ। এখনই হিন্দুরা ঠিক করুক— তারা কি নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে চায়, নাকি হাতের নাগালের সুযোগ হারিয়ে চিরতরে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হয়ে থাকতে চায়? ভবিষ্যৎ আপনার হাতে। সিদ্ধান্ত নিন!

২০২৬: পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের শেষ সুযোগ! সম্প্রতি তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ূন কবীর প্রকাশ্যে বলেছেন— "ভোটের দিন হিন্দুরা বসে থাকে, পান্তাভাত খেয়ে ঘুমায়, ভোট দিতে যায় না। আর মুসলিম ছেলেরা ঘুঘনী-মুড়ি খেয়ে সারাদিন ভোট করে বেড়ায়। এখানেই পার্থক্য গড়ে দেবো!" এই বক্তব্য যতটা বিস্ময়কর, ততটাই বাস্তবতা তুলে ধরে! পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ট্রেন্ড দেখলেই বোঝা যায়, মুসলমান ভোটাররা যেভাবে ভোট দিতে সমবেত হয়, হিন্দুরা তার ধারে-কাছে নেই। হিন্দু সমাজের একটা বড় অংশ ভোটের দিনটাকে ছুটির দিন হিসেবে ধরে নিয়ে পিকনিকে বেরিয়ে পড়ে কিংবা কাছাকাছি কোনো রিসোর্টে STAYCATION কাটায়। ফলস্বরূপ, মুসলিম প্রধান এলাকায় ভোট পড়ে ৯০-১০০%, অথচ হিন্দুপ্রধান এলাকায় ভোটের হার ৬০-৬৫% পর্যন্ত নেমে আসে। ভোট না দেওয়ার মূল্য চোকাচ্ছে হিন্দুরাই! ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে একাধিক হিন্দুপ্রধান এলাকায় তৃণমূল এগিয়ে গেছে শুধুমাত্র এই কারণে যে, সেখানকার মুসলিম ভোটাররা এককাট্টা হয়ে ভোট দিয়েছে, আর হিন্দুরা অনাগ্রহ দেখিয়েছে। এমনকি কোভিডের সময়ও মুসলিম এলাকাগুলোতে ভোট পড়েছে ৯৫-১০০%, কিন্তু হিন্দু এলাকায় ভোট পড়েছে অনেক কম। হিন্দুদের ভোট না দেওয়ার এই প্রবণতা পশ্চিমবঙ্গে এক গভীর সংকট তৈরি করেছে। মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত হিন্দুদের মধ্যে এক ধরনের মানসিকতা তৈরি হয়েছে— "ভোট দিতে লাইনে দাঁড়ানো মানে মর্যাদাহানি!" তারা ভাবে, ভোটকেন্দ্রে গিয়ে গরমের মধ্যে দাঁড়ানো ‘কষ্টকর’, অথচ পাঁচ বছর ধরে অত্যাচার সহ্য করাটাই যেন ‘সহজ’! হিন্দুরা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক! গত এক দশকে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা ধীরে ধীরে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হয়ে উঠেছে। আজ দুর্গাপুজো করতে অনুমতি লাগে, রাস্তায় শঙ্খধ্বনি বাজালে আপত্তি ওঠে, রামনবমীর মিছিল করলে লাঠিচার্জ হয়। আগামী দিনে হয়তো শাঁখা-সিঁদুর পরতেও অনুমতি লাগবে! আজ হুমায়ুন কবীররা প্রকাশ্যে ঘোষণা করছে, ভোটের মাধ্যমে তাদের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করবে। তারা জানে, মুসলিম ভোট একজোট, হিন্দুরা বিভক্ত এবং অনাগ্রহী। মুসলমানরা যা চায়, সেটাই করছে। প্রশ্ন হলো— হিন্দুরা কী চায়? ২০২৬: শেষ সুযোগ! পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ৮০টি বিধানসভায় মুসলিম ভোট একচেটিয়া। বাকি আসনগুলোতেও মুসলিম ভোট যদি ৩০-৪০% হয়, তাহলেও তারা নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করে দিতে পারে, যদি হিন্দুরা ভোট দিতে না যায়! সুতরাং, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন হিন্দুদের জন্য শেষ সুযোগ। এখনই হিন্দুরা ঠিক করুক— তারা কি নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে চায়, নাকি হাতের নাগালের সুযোগ হারিয়ে চিরতরে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হয়ে থাকতে চায়? ভবিষ্যৎ আপনার হাতে। সিদ্ধান্ত নিন!

17,019 просмотров

তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক হুমায়ুন কবীর টাকার চেক দিয়ে মুখ বন্ধ করতে গেছিলেন তামান্নার মায়ের। শিরদাঁড়া সোজা রেখে সেই চেক প্রত্যাখ্যান করেন নয় বছরের শহীদ তামান্নার বীর মাতা। তৃণমূল মনে হয় ভুলে গেছে যে সবাই বিক্রি নেই। পশ্চিমবঙ্গের সব মানুষ তৃণমূল নেতাদের মত নয় যারা টাকা পেলে নিজের সন্তানকেও বিক্রি করে দিতে পারে

তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক হুমায়ুন কবীর টাকার চেক দিয়ে মুখ বন্ধ করতে গেছিলেন তামান্নার মায়ের। শিরদাঁড়া সোজা রেখে সেই চেক প্রত্যাখ্যান করেন নয় বছরের শহীদ তামান্নার বীর মাতা। তৃণমূল মনে হয় ভুলে গেছে যে সবাই বিক্রি নেই। পশ্চিমবঙ্গের সব মানুষ তৃণমূল নেতাদের মত নয় যারা টাকা পেলে নিজের সন্তানকেও বিক্রি করে দিতে পারে

12,873 просмотров

"ডিপার্টমেন্ট আমার মুখ বন্ধ রাখতে ক্রমাগত চাপ তৈরি করেছে।" - সঞ্জয় রায়ের বক্তব্য।। ডিপার্টমেন্ট মানে পুলিশ ডিপার্টমেন্ট তো? যেই ডিপার্টমেন্টের মন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো? ঘটনা ঘটেছে হাসপাতালে, যে হাসপাতালের দায়িত্বে আছে স্বাস্থ্য দপ্তর এবং যেই দপ্তরের মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ঠিক বললাম তো? সঞ্জয় রায় হয়তো দোষী কিন্তু তিনি একমাত্র দোষী নয়।। তথ্য প্রমাণ লোপাট করেছিল কলকাতা পুলিশ এবং সন্দীপ ঘোষ।। তদন্ত প্রক্রিয়াকে পুরো নষ্ট করার পর সেই মামলা গেছে CBI এর কাছে।। কলকাতা পুলিশের সংগ্রহ করা তথ্য প্রমাণ ছাড়া নতুন কিছু ফরেনসিক তথ্য প্রমাণ বের করা অসম্ভব।। পুরো ঘটনাটাকে ধামাচাপা যাওয়ার জন্য সবকিছু করেছে মমতার প্রশাসন।

"ডিপার্টমেন্ট আমার মুখ বন্ধ রাখতে ক্রমাগত চাপ তৈরি করেছে।" - সঞ্জয় রায়ের বক্তব্য।। ডিপার্টমেন্ট মানে পুলিশ ডিপার্টমেন্ট তো? যেই ডিপার্টমেন্টের মন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো? ঘটনা ঘটেছে হাসপাতালে, যে হাসপাতালের দায়িত্বে আছে স্বাস্থ্য দপ্তর এবং যেই দপ্তরের মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ঠিক বললাম তো? সঞ্জয় রায় হয়তো দোষী কিন্তু তিনি একমাত্র দোষী নয়।। তথ্য প্রমাণ লোপাট করেছিল কলকাতা পুলিশ এবং সন্দীপ ঘোষ।। তদন্ত প্রক্রিয়াকে পুরো নষ্ট করার পর সেই মামলা গেছে CBI এর কাছে।। কলকাতা পুলিশের সংগ্রহ করা তথ্য প্রমাণ ছাড়া নতুন কিছু ফরেনসিক তথ্য প্রমাণ বের করা অসম্ভব।। পুরো ঘটনাটাকে ধামাচাপা যাওয়ার জন্য সবকিছু করেছে মমতার প্রশাসন।

15,929 просмотров

২০২৬ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন হয়তো পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের শেষ নির্বাচন।। যেভাবে বিভিন্ন জেলায় ডেমোগ্রাফি পাল্টাচ্ছে সেখান থেকে বলাই যায় যে আগামী দিনে হিন্দুদের ভোটের কোন দাম থাকবে না পশ্চিমবঙ্গে।। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করছে তৃণমূল

২০২৬ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন হয়তো পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের শেষ নির্বাচন।। যেভাবে বিভিন্ন জেলায় ডেমোগ্রাফি পাল্টাচ্ছে সেখান থেকে বলাই যায় যে আগামী দিনে হিন্দুদের ভোটের কোন দাম থাকবে না পশ্চিমবঙ্গে।। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করছে তৃণমূল

12,604 просмотров

যারা এই মহিলাকে বিশ্বাস করে তাদের উদ্দেশ্যে একটাই বার্তা, "আপনাদের চৈতন্য হোক" ।। #wbssc

যারা এই মহিলাকে বিশ্বাস করে তাদের উদ্দেশ্যে একটাই বার্তা, "আপনাদের চৈতন্য হোক" ।। #wbssc

10,306 просмотров

Videos

tjt4002's profile picture

দেবরাজের সঙ্গে আমার লড়াই কোনোদিনই শুধু রাজনৈতিক ছিল না, এখনও নয়। যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে আমাদের এক কর্মীকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে, তার সঙ্গে লড়াইকে শুধুমাত্র রাজনৈতিক মতবিরোধ বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা সত্যকে আড়াল করার অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়। দেবরাজের গ্রেপ্তার কোনো সাজানো নাটকের ফল নয়, কিংবা প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য করা কোনো ভিত্তিহীন অভিযোগের পরিণতিও নয়। যে অভিযোগের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ হয়েছে, সেটি প্রায় ১৭০ পৃষ্ঠার বিস্তারিত নথি—যেখানে রয়েছে একাধিক জমির দলিল, আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ। তাই যারা এখনও সবকিছুকে "রাজনৈতিক প্রতিহিংসা" বলে রঙ চড়ানোর চেষ্টা করছেন, তাদের উচিত আগে অভিযোগের নথিগুলো পড়া, তারপর মন্তব্য করা। সত্যকে যতই চাপা দেওয়ার চেষ্টা হোক, তথ্য ও প্রমাণের সামনে অপপ্রচার বেশিদিন টেকে না।

Tarunjyoti Tewari

12,012 просмотров • 1 месяц назад

tjt4002's profile picture

Today, I filed a complaint at Airport Police Station regarding the KGN Plaza scam, based on which an FIR has been registered. The principal accused include former Chairman Tapas Chatterjee, former Councillor Debraj Chakraborty, a municipal engineer, certain bank officials, and several other individuals whose roles are now subject to investigation. The complaint alleges that forged and backdated building plans, fabricated municipal records, illegal approvals, and systemic corruption were used as part of a larger conspiracy that defrauded hundreds of innocent homebuyers. Families invested their lifetime savings in purchasing these flats after obtaining bank-approved home loans, believing that all statutory approvals and municipal records were genuine. Like any ordinary citizen, they relied on the fact that banks had sanctioned loans after the required verification and therefore had no reason to suspect that the project itself was allegedly based on fraudulent documents. Today, these same families continue to pay their EMIs while simultaneously living under the constant threat of demolition—through no fault of their own. This complaint seeks a fair, impartial, and comprehensive investigation so that everyone who abused public office or participated in this conspiracy is identified and brought to justice in accordance with the law. The alleged corruption and abuse of power by Trinamool leaders have ultimately left ordinary citizens to bear the consequences. As the MLA of Rajarhat-Gopalpur, I remain committed to standing with the affected residents. This fight will continue until every victim receives justice and every person responsible is held accountable. #FightAgainstCorruption #JusticeForHomebuyers

Tarunjyoti Tewari

10,371 просмотров • 1 месяц назад

tjt4002's profile picture

ছিঃ! ছিঃ! ছিঃ! এই দৃশ্য বাংলাদেশ পাকিস্তান বা কোন মুসলিম রাষ্ট্রের নয় নয়, এই কীর্তি পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু বিরোধী শাসক তৃণমূল দল পরিচালিত পুরসভার। আগে মা দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন না করে, প্রতিমাকে যন্ত্রের সাহায্যে অসভ্যের মতো ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে নদীতে ফেলা হয়েছে। গতকাল কৃষ্ণনগর কদমতলা ঘাটে কৃষ্ণনগর পৌরসভার নির্দেশে পৌরসভার কর্মচারীরা এভাবেই দুর্গা ঠাকুরের প্রতিমা কে কেটে টুকরো করে ভাসান করেছে। ঠিকঠাক ভাবে শাস্ত্র মতে ভাসান হয়ে যাওয়ার পরে নদী পরিষ্কার রাখার জন্য যা করণীয় সেটা করলে কারুরই কোনো আপত্তি থাকতো না, কিন্তু তা না করে সর্বসমক্ষে এই কান্ড ঘটানোর উদ্দেশ্য কি? কতটা হিন্দু বিরোধী হলে একটা সরকার এবং একটা পৌরসভা এই কাজ করতে পারে।

Tarunjyoti Tewari

64,241 просмотров • 1 год назад

tjt4002's profile picture

Adina Masjid or Aadinath Mandir? Time to call out the whitewashed history. Adina Mosque (1369 AD, Sikandar Shah) is hailed as “India’s largest medieval mosque.” But walk inside once — history screams the truth louder than any textbook. Because what kind of “mosque” has… 🔱 Vishnu, Saraswati & Ganesha idols still standing inside? 🔱 Swastika, Brahma Kamal & Hindu motifs carved across pillars? 🔱 Dwarpals guarding the gates of a so-called mosque? 🔱 Yaksha–Yakshini sculptures — straight out of Hindu temple art? 🔱Shiv Ling, Brahma-Peetha & Vishnu-Peetha inside the compound — the heart of a Shiva temple? And don’t miss this: The base is grey stone temple architecture. The mosque structure is built on top of it with red bricks. This isn’t “syncretism”. This is construction over destruction. Even Islamic doctrine says: No idols inside a mosque. Yet Adina stands packed with them. Why? Because the foundation wasn’t a mosque. It was Aadinath Mandir. Local accounts say idols were broken, smuggled, buried — anything to hide what stood here before 1369. Artifacts mysteriously “vanished” during renovation. We all know how that happens. Even the West Bengal Government admits carved stones from earlier Hindu temples were used. ASI lists it as a protected site — meaning the truth is literally carved into the walls. So let’s stop pretending. Adina is not a “controversy”. It’s a Hindu temple overwritten by a Sultanate narrative. The evidence isn’t hidden — it’s standing in broad daylight. History doesn’t need whitewash. It needs courage. And the Adina Mosque debate exposes exactly why: People have the right to know what stood here before 1369. And what still stands beneath. Samik Bhattacharya Dr. Sukanta Majumdar Suvendu Adhikari Amit Malviya

Tarunjyoti Tewari

26,468 просмотров • 8 месяцев назад

tjt4002's profile picture

তৃণমূল সরকার যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অনেক তথাকথিত মুখপাত্র ও নেতাদের আসল চরিত্র সামনে চলে এসেছে। যারা এতদিন বিজেপির কার্যকর্তাদের হুমকি দিয়েছে, অপমান করেছে, আজ তারাই নিজের দলের বিরুদ্ধে কথা বলে বিজেপির কাছে ভালো সাজতে চাইছে। আসলে বিরোধী দল করতে মেরুদণ্ড লাগে। কিন্তু এরা অনেকটা চিংড়ি মাছের মতো — মেরুদণ্ড নেই, মাথা ভর্তি নোংরা, কিন্তু ক্ষমতার বাজারে দামটা বেশ ভালো। আজ এই দলে, কাল ওই দলে — আদর্শ বা আত্মসম্মানের সঙ্গে এদের কোনো সম্পর্ক নেই। ভারতীয় জনতা পার্টি তাদের দল, যারা বছরের পর বছর লড়াই করেছে, অত্যাচার সহ্য করেছে, তবুও পতাকা ছাড়েনি। তাই শুধু সুবিধার জন্য রং বদলানো অমেরুদণ্ডী মানুষদের বিজেপিতে কোনো প্রয়োজন নেই। কোনো তৃণমূল নেতা অসুরক্ষিত থাকবে না, কারও গায়ে হাত উঠবে না। কিন্তু যারা নিজের স্বার্থে নিজের দলকেও বিক্রি করতে পারে, তাদের বিশ্বাস করা আর সাপকে বিশ্বাস করা একই কথা।

Tarunjyoti Tewari

11,438 просмотров • 2 месяцев назад

📍 এটা বাংলাদেশ নয়, পাকিস্তানও নয় — এটা আমাদের কলকাতা! গতকাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ভিডিওটি ঘুরে বেড়াচ্ছে, তা দেখলে যে কেউ হতবাক হয়ে যাবেন। ভিডিওটি কলকাতা পুরসভা অধীন ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের — চৌরঙ্গী বিধানসভা এলাকায় উত্তর কলকাতার এক রাস্তার দৃশ্য। ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করার জন্য বিশ্বাস করুন ওখানে গিয়ে দেখার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা হয়নি। পুলিশ প্রশাসনকে অনুরোধ করবো বিষয়টি দেখার জন্য। সেখানে দেখা যাচ্ছে, কিভাবে শহরের নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং একইসঙ্গে, জনমানসে উদ্বেগ ছড়ানো এমন কিছু চিত্র উঠে এসেছে যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। কলকাতার রাস্তায় এই ধরনের দৃশ্য মানা যায় না। কলকাতার মাননীয় মেয়র মহাশয় সম্প্রতি দাওয়াত এ ইসলাম জানিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যারা ইসলাম নিয়ে জন্মায়নি তারা নাকি দুর্ভাগ্য নিয়ে জন্মেছেন। সেই দাওয়াতের অংশ ছিল কি এটা? আপাতত একটা এলাকার দৃশ্য সামনে এসেছে এই সরকার থাকলে হয়তো এই দৃশ্য কলকাতার এবং পশ্চিমবঙ্গের অলিতে গলিতে দেখা যাবে। ⚖️ একাধিক উচ্চ আদালতের নির্দেশ রয়েছে যে প্রকাশ্যে কোরবানি ও রাস্তার উপর কোরবানি সম্পূর্ণরূপে আইনবিরুদ্ধ। ভারতের আইন অনুযায়ী পশু জবাইয়ের জন্য "Fit for slaughter" সার্টিফিকেট থাকা আবশ্যক এবং তা নির্দিষ্ট স্লটার হাউসে করতে হয়। 🔍 আমাদের প্রশ্ন — ▪️ গতকাল কলকাতা শহরে যত কোরবানি হয়েছে, তার মধ্যে কতগুলো ছিল আইন সম্মত ও প্রত্যয়িত? ▪️ কতগুলো ঘটনা ঘটেছে যেখানে ওই নিয়ম লঙ্ঘন হয়েছে? ▪️ প্রশাসন ও পুলিশ কতগুলো ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিয়েছে? আমরা কারও ধর্মবিশ্বাস বা উৎসব পালনের বিরোধিতা করছি না। কিন্তু রাষ্ট্রের আইন সকলের জন্য সমান হওয়া উচিত। আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ধর্ম নির্বিশেষে সবার ক্ষেত্রেই প্রশ্নযোগ্য। গো মাতার কোরবানির সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই। অন্য কোন পশু তারা কোরবানি দিতে পারে । ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করা হয় শুধুমাত্র হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবে আঘাত করার জন্য। 🛑 আমরা চাই শান্তিপূর্ণ, সৌহার্দ্যপূর্ণ, এবং আইনের শাসন অনুযায়ী পরিচালিত এক কলকাতা। 👉 হিন্দু-মুসলিম নয়, এটি সবার কলকাতা — যেখানে সকল সম্প্রদায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সমানাধিকার থাকবে। 👉 প্রশাসন যেন প্রতিটি ঘটনায় নিরপেক্ষভাবে আইন অনুসারে পদক্ষেপ নেয়।
0:58

Sensitive content

This media may contain sensitive content.

tjt4002's profile picture

📍 এটা বাংলাদেশ নয়, পাকিস্তানও নয় — এটা আমাদের কলকাতা! গতকাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ভিডিওটি ঘুরে বেড়াচ্ছে, তা দেখলে যে কেউ হতবাক হয়ে যাবেন। ভিডিওটি কলকাতা পুরসভা অধীন ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের — চৌরঙ্গী বিধানসভা এলাকায় উত্তর কলকাতার এক রাস্তার দৃশ্য। ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করার জন্য বিশ্বাস করুন ওখানে গিয়ে দেখার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা হয়নি। পুলিশ প্রশাসনকে অনুরোধ করবো বিষয়টি দেখার জন্য। সেখানে দেখা যাচ্ছে, কিভাবে শহরের নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং একইসঙ্গে, জনমানসে উদ্বেগ ছড়ানো এমন কিছু চিত্র উঠে এসেছে যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। কলকাতার রাস্তায় এই ধরনের দৃশ্য মানা যায় না। কলকাতার মাননীয় মেয়র মহাশয় সম্প্রতি দাওয়াত এ ইসলাম জানিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যারা ইসলাম নিয়ে জন্মায়নি তারা নাকি দুর্ভাগ্য নিয়ে জন্মেছেন। সেই দাওয়াতের অংশ ছিল কি এটা? আপাতত একটা এলাকার দৃশ্য সামনে এসেছে এই সরকার থাকলে হয়তো এই দৃশ্য কলকাতার এবং পশ্চিমবঙ্গের অলিতে গলিতে দেখা যাবে। ⚖️ একাধিক উচ্চ আদালতের নির্দেশ রয়েছে যে প্রকাশ্যে কোরবানি ও রাস্তার উপর কোরবানি সম্পূর্ণরূপে আইনবিরুদ্ধ। ভারতের আইন অনুযায়ী পশু জবাইয়ের জন্য "Fit for slaughter" সার্টিফিকেট থাকা আবশ্যক এবং তা নির্দিষ্ট স্লটার হাউসে করতে হয়। 🔍 আমাদের প্রশ্ন — ▪️ গতকাল কলকাতা শহরে যত কোরবানি হয়েছে, তার মধ্যে কতগুলো ছিল আইন সম্মত ও প্রত্যয়িত? ▪️ কতগুলো ঘটনা ঘটেছে যেখানে ওই নিয়ম লঙ্ঘন হয়েছে? ▪️ প্রশাসন ও পুলিশ কতগুলো ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিয়েছে? আমরা কারও ধর্মবিশ্বাস বা উৎসব পালনের বিরোধিতা করছি না। কিন্তু রাষ্ট্রের আইন সকলের জন্য সমান হওয়া উচিত। আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ধর্ম নির্বিশেষে সবার ক্ষেত্রেই প্রশ্নযোগ্য। গো মাতার কোরবানির সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই। অন্য কোন পশু তারা কোরবানি দিতে পারে । ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করা হয় শুধুমাত্র হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবে আঘাত করার জন্য। 🛑 আমরা চাই শান্তিপূর্ণ, সৌহার্দ্যপূর্ণ, এবং আইনের শাসন অনুযায়ী পরিচালিত এক কলকাতা। 👉 হিন্দু-মুসলিম নয়, এটি সবার কলকাতা — যেখানে সকল সম্প্রদায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সমানাধিকার থাকবে। 👉 প্রশাসন যেন প্রতিটি ঘটনায় নিরপেক্ষভাবে আইন অনুসারে পদক্ষেপ নেয়।

Tarunjyoti Tewari

35,362 просмотров • 1 год назад