Загрузка видео...

Не удалось загрузить видео

На главную

Mahanayak Uttam Kumar...a legend whose timeless performances connect with people across generations. Tributes on his birth centenary. Also sharing what I spoke about him during #MannKiBaat last Sunday. মহানায়ক উত্তম কুমার... এক কিংবদন্তি যাঁর কালজয়ী পরিবেশনা প্রজন্মান্তরের মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে চলেছে। তাঁর জন্মশতবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি। গত রবিবার #MannKiBaat...

403,437 просмотров • 6 дней назад •via X (Twitter)

Комментарии: 0

Нет доступных комментариев

Здесь появятся комментарии из оригинального поста

Похожие видео

আমি সমাজমাধ্যমে লিখেছিলাম, রবীন্দ্রনাথ আমাদের প্রতি মুহূর্তের সঙ্গী। তাঁকে আমরা স্মরণ করি ও তাঁকে উদযাপন করি বছরভর এবং দিবারাত্র। তাঁর প্রয়াণ দিবসের সময়কালে তাঁকে বিশেষভাবে স্মরণ করা একটি উপলক্ষ মাত্র। আজ একটু আগে আমি শুনছিলাম ১৯৪১ সালে রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ নজরুলের স্বরচিত কবিতাপাঠ। বেতারে সম্প্রচারিত কবিতার নাম 'রবিহারা'। নানা ছবিতে অলঙ্কৃত করে পরিবেশন করা একটি পরবর্তী সংস্করণ। এই কবিতাটি শুধু একটি শোকবার্তা নয়, এটি দুই কিংবদন্তি কবির পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং গভীর অনুভূতির এক অসাধারণ দলিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও নজরুল ইসলাম--বাংলার দুই অসাধারণ মহান মানুষের অসাধারণ সম্পর্কের সাক্ষ্য। আমার ইচ্ছে করল, আপনাদের সবার সঙ্গে এই অমূল্য স্মৃতির সম্পদ শেয়ার করে নিতে।

Mamata Banerjee

23,139 просмотров • 1 год назад

সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর ১৮৯তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আজ কলকাতার কলেজ স্ট্রিট-এ অবস্থিত ওনার বাসভবনে উপস্থিত হয়ে তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করলাম। এ'বছর আমরা সাহিত্যসম্রাট রচিত অমর গান, ভারতের জাতীয় স্তোত্র বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ পালন করছি। তাঁর সাহিত্যকীর্তি এবং দেশপ্রেমের আদর্শ আজও আমাদের জাতীয় চেতনাকে প্রেরণা জোগায়। বঙ্কিমচন্দ্র শুধু বাংলা সাহিত্যকেই সমৃদ্ধ করেননি, তিনি ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বীজও রোপণ করেছিলেন তাঁর লেখনীর মাধ্যমে। তাঁর অমর সৃষ্টি ও আদর্শ আগামী প্রজন্মের পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে। সাহিত্যসম্রাটের প্রতি জানাই আমার বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।

Suvendu Adhikari

37,588 просмотров • 2 месяцев назад

বাংলার নবজাগরণের অগ্রদূত, পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিবসে তাঁকে জানাই আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম। বাঙলার সৌভাগ্য এমন একজন মানুষকে আমরা পেয়েছিলাম। তাঁর কাছে আমরা বাংলা ভাষার বর্ণপরিচয়ের প্রথম পাঠ নিয়েছি। আবার তাঁর কাছেই শিখেছি কীভাবে সবরকম অবিচার – অনাচার - কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আপসহীনভাবে মাথা উঁচু করে লড়াই করে যেতে হয়। তিনি বাল্য বিবাহ রোধ ও বিধবা বিবাহ প্রচলন করেছিলেন। তাঁর ভাবনা এবং অদম্য সাহসই আজকের এই আধুনিক বাংলার ভিত্তি। এই বাংলায় বিদ্যাসাগরের ধর্মনিরপেক্ষ মানবতার আদর্শে যারা বিশ্বাস করে না, তাঁর দ্বিশতবর্ষে কলকাতার বুকে তাঁরই মূর্তি যারা ভূলুন্ঠিত করে, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে যারা প্রতিনিয়ত অপমান করে – তাদের কোনো স্থান নেই। বিদ্যাসাগরের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে আমরা অনেক কিছু করেছি। যে মূর্তি বিজেপি ভেঙেছিল, কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজে আমরা তা পুনঃস্থাপন করেছি। সারা বাংলা জুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আমরা এই মহামনীষীর দ্বিশতবার্ষিকী পালন করেছি। তাঁর স্মৃতি রক্ষার্থে ঘাটাল-চন্দ্রকোণা রাস্তার সিংহডাঙ্গা মোড়ে নির্মাণ করা হয়েছে একটা নতুন তোরণ, আমি যার নাম রেখেছি "বর্ণপরিচয়"। এটার নকশা আমার করে দেওয়া। কাজটা করেছে পি ডব্লু ডি। তোরণটিকে আলো দিয়ে যথাযথভাবে সাজানোও হয়েছে। আমি কিছুদিন আগে ওখানে গিয়ে তোরণটি দেখেও এসেছি। এরই সঙ্গে সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন থেকে শুরু করে হাই-মাস্ট আলো লাগানো সবই করা হয়েছে। এই হাই-মাস্ট আলো লাগানোর কথাও আমি বলে এসেছিলাম। কাজগুলো সব হয়ে গেছে। মোট খরচ হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকা। তাঁর জন্মভূমি বীরসিংহ গ্রামেও করা হয়েছে "বীরসিংহ প্রবেশদ্বার"। সেটিকেও আলো দিয়ে সাজানো হয়েছে। এছাড়া, বীরসিংহ গ্রামে ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে 'বিদ্যাসাগর শিশু উদ্যান', 'ঈশ্বরচন্দ্র স্মৃতি মন্দির'-এর সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছে যার জন্য খরচ হয়েছে ৩০ লক্ষ টাকা। এই কাজগুলো করেছে বীরসিংহ উন্নয়ন পর্ষদ। বীরসিংহের সার্বিক উন্নয়নের জন্য আমরাই এটা গঠন করেছিলাম। এর আগেও বীরসিংহ গ্রামে তাঁর বসতবাটী সংস্কার সহ নানান কাজ আমরা করেছি। বিদ্যাসাগর মহাশয়ের কলকাতার বাদুড়বাগানের বাড়ির মিউজিয়ামটিকেও নতুনভাবে করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, বিদ্যাসাগর কলেজকে হেরিটেজ হিসেবে গড়ে তোলা থেকে শুরু করে, বিদ্যাসাগর কলেজেই তাঁর নামে একটি আর্কাইভ তৈরি করা, তাঁর স্মৃতিধন্য কলকাতার মেট্রোপলিটান ইন্সটিটিউশনকে অনুদান দেওয়া – অনেককিছুই আমরা করেছি, করছি, করব। বিদ্যাসাগরের জন্মের পুণ্যভূমিতে করা 'বর্ণ পরিচয়' তোরণের একটি ঝলক আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করে নিচ্ছি।

Mamata Banerjee

14,964 просмотров • 11 месяцев назад

নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু হলেন ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন এমন ব্যক্তিত্ব, যাঁর স্মৃতি কেবলমাত্র দেশপ্রেমের ঢেউ জাগিয়ে তোলে। তিনি যুবসমাজকে সংগঠিত করেছিলেন, আজাদ হিন্দ ফৌজের মাধ্যমে প্রথম সামরিক অভিযান শুরু করেছিলেন এবং ১৯৪৩ সালে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে তেরঙ্গা পতাকা উত্তোলন করে ভারতকে স্বাধীন ঘোষণা করেছিলেন। প্রতিটি তরুণের উচিত নেতাজির জীবন এবং তাঁর সাহসিকতার গল্পগুলি পড়া এবং দেশ রক্ষার জন্য তাদের সংকল্পকে শক্তিশালী করা। নেতাজীর জন্মবার্ষিকীতে, যিনি স্বাধীনতার জন্য তাঁর সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, আমি তাঁর প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাই।

Amit Shah

465,054 просмотров • 7 месяцев назад