Video yükleniyor...

Video Yüklenemedi

Ana Sayfaya Dön

আমি কিন্তু দুদু দেখায়নি 😐

31,138 görüntüleme • 12 gün önce •via X (Twitter)

0 Yorum

Yorum bulunmuyor

Orijinal gönderinin yorumları burada görünecek

Benzer Videolar

আমি: কাকিমা, আজকে টমেটো, গাজর, ধনেপাতা সব মিলিয়ে ১২০ টাকার মাল নিলাম। কিন্তু পকেটে এখন মাত্র ৫০ টাকা আছে। বাকিটা কাল দিয়ে দিব? কাকিমা: আরে বাবু, এটা কী বলছো? বাজারে সবাই টাকা দিয়ে মাল নেয়। তুমি তো নিয়মিত কাস্টমার, কিন্তু আজকে টাকা না থাকলে কী করব? মাল তো ফেরত নিতে পারব না। আমি: কাকিমা, সত্যি বলছি, বাড়িতে টাকা ভুলে এসেছি। প্লিজ একটু ম্যানেজ করে নাও। কাকিমা: (চারপাশে তাকিয়ে, লোকজনের ভিড় দেখে হেসে) দেখো, এখানে অনেক লোক। আমি কী করে ম্যানেজ করব? তুমি যদি সত্যি টাকা না দিতে পারো তাহলে অন্য কোনো উপায়ে দিতে হবে। আমি: কাকিমা, কী উপায়? কাকিমা: (মুচকি হেসে, গলা নামিয়ে) বাবু, তুমি তো বড় হয়ে গেছো। আমার দোকানে বসে থাকো। লোকজন চলে গেলে দেখা যাবে কী করা যায়। (কিছুক্ষণ পর, ভিড় একটু কমলে) আমি: কাকিমা, তুমি খুব সুন্দর দেখতে! কাকিমা: (চোখ সরু করে হেসে) ওরে শয়তান ছেলে! লজ্জা করে না? এখানে পাবলিক মার্কেটে বসে এসব বলছিস? আমি: কাকিমা, সত্যি বলছি, তোমাকে দেখে আমার শরীর গরম হয়ে যাচ্ছে। কাকিমা: (চারপাশে তাকিয়ে, গলা নামিয়ে) তাহলে কী করবি? টাকার বদলে কাকিমাকে কিছু দিতে চাস? আমি: নিশ্চয়ই! কাকিমা: (লজ্জা মিশিয়ে হেসে) পাগল ছেলে! এখানে লোকজন আছে। কিন্তু... (দোকানের পিছনে একটু ঢাকা জায়গায় ইশারা করে) আয়, একটু পিছনে আয়। লোকজন দেখতে পাবে না। (দুজনে দোকানের পিছনে সরু গলিতে চলে গেলাম, কিন্তু পাশ দিয়ে লোকজন যাচ্ছে) কাকিমা: দেখ, কাকিমার বুক কেমন? ছুঁয়ে দেখ। আমি: (হাত দিয়ে কাকিমার বুক চেপে ধরলাম) উফফ কাকিমা, তোমার বুক খুব নরম আর বড়। কাকিমা: (আঃ করে ফিসফিস করে) জোরে চাপ রে বাবু... কিন্তু সাবধান, পাশ দিয়ে লোক যাচ্ছে। কেউ দেখলে কী হবে? আমি: কাকিমা, তোমার টপ খুলে বুক বের করো। কাকিমা: (চারপাশে তাকিয়ে একটু উপরে তুলে বুক বের করে দিল) দেখ... কাকিমার বুক তোর সামনে। চুষবি? আমি: হ্যাঁ কাকিমা। (আমি কাকিমার বুকের বোঁটা মুখে নিয়ে জোরে চুষতে শুরু করলাম। কাকিমা আঃ আঃ করে কাঁপছিল, পাশ দিয়ে লোকজন হেঁটে যাচ্ছে) কাকিমা: উফফ্... জোরে চুষ রে... কামড়া... আহহ্... লোকজন দেখতে পেলে কী হবে? কিন্তু থামিস না... (বুক চোষার পর) কাকিমা: চল, দোকানের পিছনে আরেকটু ভিতরে যাই। লোকজনের ভিড়ে এখনো ঝুঁকি আছে। (দোকানের পিছনে একটা ছোট্ট ঢাকা জায়গায়) কাকিমা: প্যান্ট খুলে তোর বাঁড়া বের কর। আমি: কাকিমা, তোমার সামনে আমার বাঁড়া শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। কাকিমা: (হাত দিয়ে বাঁড়া ধরে) উফফ্... কত মোটা! কাকিমার গুদে ঢোকাতে চাস? আমি: হ্যাঁ কাকিমা। কাকিমা: আয়, কাকিমার গুদে বাঁড়া ঢোকা। লোকজন দেখতে পেলে কী হবে জানি না, কিন্তু চোদ। (আমি কাকিমাকে দেওয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে পেছন থেকে বাঁড়া গুদে ঢুকিয়ে জোরে ঠাপাতে শুরু করলাম) কাকিমা: আহহ্... মাগো... অনেক মোটা... গুদ ফেটে যাচ্ছে... জোরে ঠাপা... লোকজন যাচ্ছে পাশ দিয়ে... দেখতে পেলে কী হবে... আহহ্... থামিস না... কাকিমা: চল, দোকানের সামনে ফিরে যাই। লোকজনের সামনেই চোদবি। (দোকানের সামনে, লোকজনের ভিড়ের মাঝে, কাকিমা বসে থাকা অবস্থায় আমি তার পিছনে বসে শাড়ি তুলে বাঁড়া ঢুকিয়ে চোদতে শুরু করলাম) কাকিমা: (ফিসফিস করে) শালা নোংরা... পাবলিকের সামনে কাকিমাকে চোদছিস... জোরে ঠাপা... গুদ ফাটিয়ে দে... কাকিমা: আমাকে দোকানের উপর শুইয়ে পা তুলে চোদ। লোকজন দেখুক। (কাকিমাকে দোকানের মাদুরের উপর শুইয়ে পা দুটো আকাশে তুলে আমি জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম। পাশ দিয়ে লোকজন টমেটো কিনছে, কেউ কেউ অবাক হয়ে তাকাচ্ছে) কাকিমা: আহহ্... দেখ... সবাই দেখছে... কাকিমাকে পাবলিকে চোদা হচ্ছে... তোর বাঁড়া আরও গভীরে ঢোকা... গুদের ভিতরটা ফাটিয়ে দে... রস ছিটকে বের কর... আমি: কাকিমা, তোমার গুদ খুব টাইট আর গরম। আমি আর পারছি না। কাকিমা: থামবি না... চোদ... চোদ... পাবলিকের সামনে কাকিমাকে রেন্ডি বানিয়ে চোদ... বুক চেপে ধর... বোঁটা কামড়া... আহহ্... আমি যাচ্ছি... গুদ থেকে রস বের হচ্ছে... কাকিমা: এখন আমাকে কোলে তুলে চোদ। লোকজনের সামনে হাঁটতে হাঁটতে চোদবি। (আমি কাকিমাকে কোলে তুলে তার গুদে বাঁড়া ঢুকিয়ে হাঁটতে হাঁটতে ঠাপাতে লাগলাম। মার্কেটের লোকজন অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখছে) কাকিমা: উফফ্... সবাই দেখছে... কাকিমাকে কোলে চোদা হচ্ছে... জোরে ঠাপা... গুদ ফাটিয়ে দে... আজ কাকিমা তোর পাবলিক রেন্ডি... (এরপর কাকিমাকে মাদুরের উপর উপুড় করে শুইয়ে পেছন থেকে চোদা, তারপর মুখে বাঁড়া ঢুকিয়ে চুষানো, তারপর আবার গুদে ঢুকিয়ে চোদা ) কাকিমা: শেষ কর... তোর গরম রস কাকিমার গুদে ঢেলে দে... পাবলিক দেখুক... আজ কাকিমা তোর বাঁড়ার পুরো দাসী হয়ে গেল... (দীর্ঘক্ষণ চোদাচুদির পর আমি কাকিমার গুদের ভিতর গরম রস ঢেলে দিলাম। কাকিমা কাঁপতে কাঁপতে চিৎকার করে উঠল)

Desi বাঙালি bull

10,374 görüntüleme • 4 ay önce

কাউকে না কাউকে এই সত্যি কথা গুলো সাহস করে কখনো বলতেই হতো। ধন্যবাদ, জেড আই খান পান্না! ------------------------------------- স্বাধীন হইলেই হবে না, মানসিকতাও স্বাধীন থাকতে হবে। সংবিধান অকার্যকর না, অনেকটাই অকার্যকর করে ফেলেছে। আমি অন্য ভাবে আসি, সেটা হচ্ছে যে প্রথম ডক্টর ইউনুস বা উপদেষ্টা মন্ডলী। এপয়েন্টমেন্ট দিলো কে? আমি জানি না কে দিয়েছে। বলবে একটা ভোগাস কথা! জনগণ দিয়েছে, বা ছাত্ররা দিয়েছে। তো কত পারসেন্ট আছে ছাত্র? আর এমনি ছাত্র যে ৬-জন তাঁরা যখন হারুণের ভাতের হোটেলে ছিলো তখন ওইখানে বসে লিখিত স্টেটমেন্ট দিলো যে তাঁরা আন্দোলন উইথড্র করলো। তাঁর প্রেক্ষাপটে কিন্তু এইখানে আমরা কিছু আইনজীবীরা মুভমেন্ট করলাম এবং মামলা করলাম। তারপর তো একটা শেপ দিছে। জেল কিন্তু আমরাও খাটছি, টর্চার কিন্তু আমরাও সহ্য করছি। কোথাও কিন্তু একটা সাইন নিতে পারে নাই। সেই এটিচিউট আমাদের ছিলো না। এখন বিষয়টা হয়ে গেছে ভিন্ন। সাবসিকিয়েন্টলি ডক্টর ইউনুস এসে গেছেন। সাবসিকিউয়েন্টলি ফরমার প্রধানমন্ত্রী, কারো মতে জোর করে হয়েছে; কারো মতে ইলেক্টেড হয়েছে, উনি চলে গেছে। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার। এইখানে ব্যাসিকেলি খেলছে কারা সেটা আপনারাও বুঝেন, আমিও বুঝি। বাংলাদেশে ‘৭১-এর মতো সময়েও কিন্তু থানাগুলো খালি হয় নাই, এইবার খালি হইছে। এবং এই ট্রেন্ড কিন্তু যাবে না। খারাপ দিকের যে ট্রেন্ড সেটা কিন্তু যায় না, এইটা নেশার মতো। তো আমি যেটা দেখি এখন সেটা হচ্ছে ‘৭২-এর সংবিধান রেখে তাঁদের মতো সংশোধন করে নিবে। যেমনঃ কেয়ারটেকার সরকার নাই, ওকে সংবিধানের ১৫তম সংশোধন বাতিল করে দেই। কিন্তু প্রিয়েম্বেল চেঞ্জ করতে পারবে না। তাহলে আরেকটা ‘৭১-এর যুদ্ধ না, মহাযুদ্ধ করতে হবে। এবং উনাদের পাসপোর্ট-ভিসা রেডি আছে সেটাও আমরা জানি। আমরা কিন্তু এই দেশ ছাড়বো না, তাঁরা ছাড়বে। ইলিশ নাকি ইন্ডিয়ায় যাওয়া বন্ধ হইছে, তাহলে ইলিশের দাম ডাবল হয় কিভাবে? সাবেক চোরাচালান যারা করেছে, স্মাগলিং যারা করেছে, সিন্ডিকেট যারা করেছে, টাকা পাচার যারা করেছে তাঁদের বিরুদ্ধে কয়টা মামলা হইছে? রবীঠাকুরকে দিয়ে গীতাঞ্জলি লেখানো গেছে কিন্তু রাষ্ট্র চালানো যায় নাই। সেখানে গান্ধীজীকে দরকার হইছে, পন্ডিত জহরলাল নেহেরুকে দরকার হইছে। আল্লামা ইকবালকে দিয়ে কবিতা ও শায়ের লেখানো হইছে কিন্তু রাষ্ট্র চালানোর জন্য মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খানের দরকার হইছে। বাংলাদেশেও গাফফার চৌধুরীর একুশের যে গান সেটা এখনো উজ্জীবিত যা সবাইকে ‘৫২ থেকে এখন পর্যন্ত চেতনা দিচ্ছে কিন্তু তাঁকে দিয়ে রাষ্ট্র চালানো যায় নাই ল। রাষ্ট্র চালানোর জন্য কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে আনতে হইছে। মাওলানা ভাসানীও কিন্তু এই রিস্কটা নেন নাই। যদিও উনি ১৯৫৬ সালে বলেছিলেন “ওয়ালাইকুম আসসালাম”। মূলত ‘৭১-এ যেটা হইছে সেটা বঙ্গবন্ধুকে সামনে রেখে হইছে এতে কোন দ্বিধা দ্বন্দ নাই। ‘৭২-এ জাসদ করতে এসে বঙ্গবন্ধুর বিরোধীতা করা হইছে সত্যি কিন্তু তাঁকে বাদ দিয়ে স্বাধীনতা হয় নি।

Tarek Sumon

49,841 görüntüleme • 2 yıl önce