Загрузка видео...

Не удалось загрузить видео

На главную

উন্নয়নের কবিতা

10,709 просмотров • 2 месяцев назад •via X (Twitter)

Комментарии: 0

Нет доступных комментариев

Здесь появятся комментарии из оригинального поста

Похожие видео

আজ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে হরিণঘাটা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী, বিশিষ্ট কবিয়াল শ্রী অসীম সরকার মহোদয়ের সমর্থনে বিজয় সংকল্প সভায় উপস্থিত ছিলাম। হরিণঘাটার সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। পরবর্তীতে সন্ধ্যায় ভবানীপুর বিধানসভার ৭১ ও ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী পথসভায় অংশ নিয়ে উপস্থিত কর্মী-সমর্থক এবং এলাকার সচেতন নাগরিকদের কাছে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তনের লক্ষ্যে বিজেপিকে সমর্থন ও ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাই। এলাকার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও উচ্ছ্বাস স্পষ্টভাবে প্রমাণ করছে দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল সরকারের চুরি, দুর্নীতি, তোষণ, একনায়কতন্ত্র, নারী নির্যাতন আর বেশি দিন নয়। এবার সুশাসন, সুরক্ষা ও উন্নয়নের নতুন পশ্চিমবঙ্গ তৈরী হবে।

Suvendu Adhikari

16,057 просмотров • 2 месяцев назад

প্রণাম নন্দীগ্রাম 🙏 নন্দীগ্রাম বিধানসভার বিধায়ক হিসেবে ২০২১ সালে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার পর আজ ৪র্থ বর্ষপূর্তি। আমি প্রণাম নিবেদন করি নন্দীগ্রামের ভোটার ও নিবাসীদের আমাকে এই সুযোগ দেওয়ার জন্য। আজ স্মরণ করবো শহিদ দেবব্রত মাইতি, শহিদ রাধারাণী আড়ি সহ অন্যান্যদের যাঁরা আমাকে এবং ভারতীয় জনতা পার্টিকে সমর্থন করার ও ভোট দানের 'অপরাধে' তৃণমূলের জেহাদিদের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন। আমি সংবিধানের শপথ নিয়েছিলাম সকল নন্দীগ্রামবাসীর কাছে উন্নয়ন পৌঁছে দেওয়ার জন্য এবং এই উদ্যোগ গ্রহণ করতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আজ নন্দীগ্রাম রেয়াপাড়া অডিটোরিয়াম হলে বিগত ৪ বছরে আমার সীমিত ক্ষমতা অনুযায়ী অর্জিত নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের উন্নয়নের খতিয়ান সকল নাগরিকদের কাছে তুলে ধরবো। জয় জয় নন্দীগ্রাম

Suvendu Adhikari

12,003 просмотров • 1 год назад

পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতি আজ তৃণমূল কংগ্রেসের সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ১৫ বছরে রাজ্যের দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার ফলে চাকরি চুরি, একশ দিনের কাজের টাকা চুরি, রেশন দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, সিন্ডিকেট রাজ সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এই অপশাসনের অবসান এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। ভবানীপুর বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের তৈরি এই জঙ্গলরাজ থেকে মুক্তি চান এলাকার মানুষ। আজ ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচারে পটুয়াপাড়া ৭৩নং ওয়ার্ড এবং সদর স্ট্রিট ৬৩নং ওয়ার্ডে জনসংযোগে উপস্থিত ছিলাম। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের আশীর্বাদ প্রার্থনা করেছি। আমি ভবানীপুরের মানুষকে আহ্বান জানিয়েছি ইভিএম-এর ১নং বোতাম টিপে বিজেপি-কে ভোট দিন এবং পরিবর্তনের পথে সামিল হন। পরবর্তীতে রাজারহাট-গোপালপুর বিধানসভায় বিজেপি প্রার্থী তরুণ জ্যোতি তেওয়ারী-র সমর্থনে জনসংযোগ যাত্রা ও বিজয় সংকল্প সভায় অংশগ্রহণ করি। সেখানে আমরা উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তার অঙ্গীকার মানুষের সামনে তুলে ধরেছি। আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার দলমত নির্বিশেষে সকলের উন্নয়নের জন্য কাজ করা হবে। উন্নয়ন, সুশাসন ও নিরাপত্তার জন্যে "পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার"

Suvendu Adhikari

27,279 просмотров • 2 месяцев назад

"দপ্তর হস্তান্তর নয়, এটি এক আদর্শের উত্তরাধিকার।" আজ পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতির দপ্তর যখন নতুন নেতৃত্বের হাতে অর্পিত হচ্ছে, তখন এটি শুধুমাত্র একটি সাংগঠনিক পদ্ধতি পালন নয়—এ এক আবেগঘন মুহূর্ত, এক ইতিহাসের বাঁক। এই চেয়ার বদলালেও বদলায় না লক্ষ্য, বদলায় না মূল্যবোধ, বদলায় না আমাদের সংগ্রামের মূল সুর। প্রিয় কর্মীবৃন্দ—এই দপ্তর আপনাদের ঘাম, নিঃস্বার্থ শ্রম, আর অটল বিশ্বাসে গড়ে ওঠা এক দুর্গ। আপনারা যারা পেছনে দাঁড়িয়ে থেকেও লড়েছেন, যারা কখনও পোস্টারে নাম লেখাননি, কিন্তু প্রতিটি প্রার্থনা, সংগ্রামের পেছনে থেকেছেন—এই দিনটা আপনাদের। আজকের এই দায়িত্ব হস্তান্তর আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সংগঠন চলে আদর্শে। যে নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নিচ্ছেন, তিনি একা নন—পেছনে আছেন লক্ষ লক্ষ কর্মীবৃন্দর নিঃশব্দ লড়াই। এই নতুন অধ্যায়ে চলুন আরও একবার দৃঢ় সংকল্প করি— 📍আমরা বাংলার প্রতিটি ঘরে পৌঁছাবো, 📍আমরা বিভাজনের দেয়াল ভেঙে একতা গড়ে তুলবো 📍আর আমরা মানুষের সত্যিকারের উন্নয়নের জন্য নিজেদের সবটা উজাড় করে দেব। জয় শ্রীরাম, ভারত মাতা কি জয়... বিজেপি কর্মীর মাথা নত হয় না—তারা মাথা উঁচু করে ইতিহাস গড়ে।

BJP West Bengal

10,624 просмотров • 1 год назад

উত্তরবঙ্গের সব জেলা থেকে আগত বহু মানুষ, জনপ্রতিনিধি, তৃণমূল স্তরের বিভিন্ন কর্মী ও সরকারী আধিকারিক সহ অন্যান্যদের নিয়ে আজ জলপাইগুড়িতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত দিন কাটালাম। গতকাল, নেপালে উদ্বেগজনক অবস্থার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি জলপাইগুড়িতে আসি এবং সারারাত উত্তরকন্যায় থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করি, সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক রাখি। আজ, আমি এখানে একটি সরকারি পরিষেবা প্রদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলাম। মহান সমাজ-সংস্কারক ও রাজবংশী নেতা ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে কর্মসূচি শুরু করি আজ। আমরা তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে কোচবিহারে পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়, তাঁর নামে একটি মিউজিয়াম ও লাইব্রেরি করেছি এবং তাঁর পূর্ণাবয়ব মূর্তিও স্থাপন করেছি। তাঁর জন্মবার্ষিকীতে সরকারি ছুটিও ঘোষণা করেছি। আমি গত ২৬ আগষ্ট বর্ধমান থেকে দক্ষিণবঙ্গের মানুষদের জন্য পাট্টা বিতরণ করেছিলাম। আজকের সভা থেকে উত্তরবঙ্গের ৮টি জেলার ১১,৬৭৪ জন উপভোক্তার হাতে পাট্টা তুলে দিলাম। গত ২০১১ সাল থেকে রাজ্যজুড়ে এ পর্যন্ত ৬ লক্ষ ৫৬ হাজারের বেশি পাট্টা দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালে সিকিমে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তিস্তার আচমকা জলস্ফীতিতে মাল ব্লকের সুন্দরী বস্তির টোটগাঁও গ্রামের ৯৮টি পরিবারের বাসস্থান ও চাষের জমি বন্যায় ভেসে যায়। আজকে আমরা সেই ৯৮টি পরিবারকেও বিকল্প স্থানে জমির পাট্টা দিলাম। আজকে আলিপুরদুয়ার জেলার লঙ্কাপাড়া চা-বাগানের ১,১০৬ টি পরিবারের হাতে চা সুন্দরী প্রকল্পে নির্মিত বাড়ির কাগজ তুলে দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে জলপাইগুড়ি জেলায় ১,০৫৩টি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ২,৯৬৯টি বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, চা সুন্দরী এক্সটেনশন প্রকল্পেও প্রায় ২২ হাজার বাড়ি নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এবার উত্তরবঙ্গের চা বাগানগুলির কর্মীদের জন্য ২০% পূজা বোনাস ঘোষণাও করা হয়েছে। কেন্দ্র বন্ধ চা বাগান খুলতে পারেনি। আমরা বন্ধ চা বাগান খোলায় উদ্যোগী হয়েছি। এবছরেই আমাদের উদ্যোগে ২০টি চা বাগান খোলা হয়েছে। ১৯ হাজারের বেশি চা শ্রমিক উপকৃত হয়েছে। এর আগেও ৫৯টি চা বাগান খোলা হয়েছে। আজ এই সভা থেকে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার মানুষের হাতে তুলে দিলাম বহুবিধ সরকারি পরিষেবা, যার মধ্যে আছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, শিক্ষাশ্রী, ঐক্যশ্রী, মেধাশ্রী, রূপশ্রী সহ আরো অনেক প্রকল্পের সুবিধা। জলপাইগুড়ি জেলায় ২৫৪ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকার ১০৫টি প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন এবং ১৪২ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকার ৯০টি প্রকল্পের শুভ শিলান্যাসও আজ করা হল। এর মধ্যে আছে কালিম্পং জেলায় ৭ কোটি ৪১ লক্ষ টাকায় পেশক খোলার উপর ৪২ মিটার দীর্ঘ একটি নতুন ব্রিজ যা মূলত তিস্তা বাজার ও পেশকের মাধ্যমে কালিম্পং ও দার্জিলিংকে যুক্ত করল। এখানকার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। পর্যটকরাও সুবিধা পাবেন। এছাড়া উদ্বোধন হল জলপাইগুড়ি জেলায় বড় বড় পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্প, রাস্তা, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প, ইত্যাদি। জলপাইগুড়ি জেলার দেবী চৌধুরানী এবং ভবানী পাঠক-এর ঐতিহাসিক মন্দিরের আমরা আমূল সংস্কার করেছি। সেটাও আজকের সভা থেকে মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হল। আমরা জলপাইগুড়িতে দেবী চৌধুরানী মন্দির থেকে জল্পেশ মন্দির পর্যন্ত একটা ধর্মীয় ট্যুরিজম সার্কিটও করছি। আজ অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের শিলান্যাসও করা হল যার মধ্যে অন্যতম ২১ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা খরচ করে চেংমারি নাগরাকাটা সড়কে কুজি দৈনা নদীর উপর পুরোনো ব্রীজের পরিবর্তে নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা প্রকল্প। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আমাদের সরকার উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। গত ১৪ বছরে শুধু উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য আমাদের সরকার সব দপ্তর মিলিয়ে বরাদ্দ করেছে মোট প্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকা। উত্তরবঙ্গে রাজ্য সচিবালয়, পুলিশ কমিশনারেট, আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পং জেলা, ইউনিভার্সিটি, কলেজ —সব করা হয়েছে। উন্নয়নের এই ঢেউ বিজেপিকে ঈর্ষান্বিত করেছে। তাই তারা এখন বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোতে শুধু মাতৃভাষায় কথা বলার জন্য বাঙালিদের হেনস্থা করছে যার মধ্যে অসংখ্য রাজবংশী, আদিবাসী, মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষও আছেন। ২৪ হাজারের বেশি বাঙালি বিভিন্ন জায়গায় অত্যাচারিত হয়ে বাংলায় ফিরে এসেছেন। আমরা তাঁদের আপন করে নিয়েছি। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য চালু করেছি 'শ্রমশ্রী' প্রকল্প। এ বছর থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের সম্মানে আমরা বিশ্বকর্মা পুজোর দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করলাম।

Mamata Banerjee

37,171 просмотров • 9 месяцев назад

বাংলার নবজাগরণের অগ্রদূত, পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিবসে তাঁকে জানাই আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম। বাঙলার সৌভাগ্য এমন একজন মানুষকে আমরা পেয়েছিলাম। তাঁর কাছে আমরা বাংলা ভাষার বর্ণপরিচয়ের প্রথম পাঠ নিয়েছি। আবার তাঁর কাছেই শিখেছি কীভাবে সবরকম অবিচার – অনাচার - কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আপসহীনভাবে মাথা উঁচু করে লড়াই করে যেতে হয়। তিনি বাল্য বিবাহ রোধ ও বিধবা বিবাহ প্রচলন করেছিলেন। তাঁর ভাবনা এবং অদম্য সাহসই আজকের এই আধুনিক বাংলার ভিত্তি। এই বাংলায় বিদ্যাসাগরের ধর্মনিরপেক্ষ মানবতার আদর্শে যারা বিশ্বাস করে না, তাঁর দ্বিশতবর্ষে কলকাতার বুকে তাঁরই মূর্তি যারা ভূলুন্ঠিত করে, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে যারা প্রতিনিয়ত অপমান করে – তাদের কোনো স্থান নেই। বিদ্যাসাগরের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে আমরা অনেক কিছু করেছি। যে মূর্তি বিজেপি ভেঙেছিল, কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজে আমরা তা পুনঃস্থাপন করেছি। সারা বাংলা জুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আমরা এই মহামনীষীর দ্বিশতবার্ষিকী পালন করেছি। তাঁর স্মৃতি রক্ষার্থে ঘাটাল-চন্দ্রকোণা রাস্তার সিংহডাঙ্গা মোড়ে নির্মাণ করা হয়েছে একটা নতুন তোরণ, আমি যার নাম রেখেছি "বর্ণপরিচয়"। এটার নকশা আমার করে দেওয়া। কাজটা করেছে পি ডব্লু ডি। তোরণটিকে আলো দিয়ে যথাযথভাবে সাজানোও হয়েছে। আমি কিছুদিন আগে ওখানে গিয়ে তোরণটি দেখেও এসেছি। এরই সঙ্গে সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন থেকে শুরু করে হাই-মাস্ট আলো লাগানো সবই করা হয়েছে। এই হাই-মাস্ট আলো লাগানোর কথাও আমি বলে এসেছিলাম। কাজগুলো সব হয়ে গেছে। মোট খরচ হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকা। তাঁর জন্মভূমি বীরসিংহ গ্রামেও করা হয়েছে "বীরসিংহ প্রবেশদ্বার"। সেটিকেও আলো দিয়ে সাজানো হয়েছে। এছাড়া, বীরসিংহ গ্রামে ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে 'বিদ্যাসাগর শিশু উদ্যান', 'ঈশ্বরচন্দ্র স্মৃতি মন্দির'-এর সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছে যার জন্য খরচ হয়েছে ৩০ লক্ষ টাকা। এই কাজগুলো করেছে বীরসিংহ উন্নয়ন পর্ষদ। বীরসিংহের সার্বিক উন্নয়নের জন্য আমরাই এটা গঠন করেছিলাম। এর আগেও বীরসিংহ গ্রামে তাঁর বসতবাটী সংস্কার সহ নানান কাজ আমরা করেছি। বিদ্যাসাগর মহাশয়ের কলকাতার বাদুড়বাগানের বাড়ির মিউজিয়ামটিকেও নতুনভাবে করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, বিদ্যাসাগর কলেজকে হেরিটেজ হিসেবে গড়ে তোলা থেকে শুরু করে, বিদ্যাসাগর কলেজেই তাঁর নামে একটি আর্কাইভ তৈরি করা, তাঁর স্মৃতিধন্য কলকাতার মেট্রোপলিটান ইন্সটিটিউশনকে অনুদান দেওয়া – অনেককিছুই আমরা করেছি, করছি, করব। বিদ্যাসাগরের জন্মের পুণ্যভূমিতে করা 'বর্ণ পরিচয়' তোরণের একটি ঝলক আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করে নিচ্ছি।

Mamata Banerjee

14,964 просмотров • 9 месяцев назад

কাউকে না কাউকে এই সত্যি কথা গুলো সাহস করে কখনো বলতেই হতো। ধন্যবাদ, জেড আই খান পান্না! ------------------------------------- স্বাধীন হইলেই হবে না, মানসিকতাও স্বাধীন থাকতে হবে। সংবিধান অকার্যকর না, অনেকটাই অকার্যকর করে ফেলেছে। আমি অন্য ভাবে আসি, সেটা হচ্ছে যে প্রথম ডক্টর ইউনুস বা উপদেষ্টা মন্ডলী। এপয়েন্টমেন্ট দিলো কে? আমি জানি না কে দিয়েছে। বলবে একটা ভোগাস কথা! জনগণ দিয়েছে, বা ছাত্ররা দিয়েছে। তো কত পারসেন্ট আছে ছাত্র? আর এমনি ছাত্র যে ৬-জন তাঁরা যখন হারুণের ভাতের হোটেলে ছিলো তখন ওইখানে বসে লিখিত স্টেটমেন্ট দিলো যে তাঁরা আন্দোলন উইথড্র করলো। তাঁর প্রেক্ষাপটে কিন্তু এইখানে আমরা কিছু আইনজীবীরা মুভমেন্ট করলাম এবং মামলা করলাম। তারপর তো একটা শেপ দিছে। জেল কিন্তু আমরাও খাটছি, টর্চার কিন্তু আমরাও সহ্য করছি। কোথাও কিন্তু একটা সাইন নিতে পারে নাই। সেই এটিচিউট আমাদের ছিলো না। এখন বিষয়টা হয়ে গেছে ভিন্ন। সাবসিকিয়েন্টলি ডক্টর ইউনুস এসে গেছেন। সাবসিকিউয়েন্টলি ফরমার প্রধানমন্ত্রী, কারো মতে জোর করে হয়েছে; কারো মতে ইলেক্টেড হয়েছে, উনি চলে গেছে। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার। এইখানে ব্যাসিকেলি খেলছে কারা সেটা আপনারাও বুঝেন, আমিও বুঝি। বাংলাদেশে ‘৭১-এর মতো সময়েও কিন্তু থানাগুলো খালি হয় নাই, এইবার খালি হইছে। এবং এই ট্রেন্ড কিন্তু যাবে না। খারাপ দিকের যে ট্রেন্ড সেটা কিন্তু যায় না, এইটা নেশার মতো। তো আমি যেটা দেখি এখন সেটা হচ্ছে ‘৭২-এর সংবিধান রেখে তাঁদের মতো সংশোধন করে নিবে। যেমনঃ কেয়ারটেকার সরকার নাই, ওকে সংবিধানের ১৫তম সংশোধন বাতিল করে দেই। কিন্তু প্রিয়েম্বেল চেঞ্জ করতে পারবে না। তাহলে আরেকটা ‘৭১-এর যুদ্ধ না, মহাযুদ্ধ করতে হবে। এবং উনাদের পাসপোর্ট-ভিসা রেডি আছে সেটাও আমরা জানি। আমরা কিন্তু এই দেশ ছাড়বো না, তাঁরা ছাড়বে। ইলিশ নাকি ইন্ডিয়ায় যাওয়া বন্ধ হইছে, তাহলে ইলিশের দাম ডাবল হয় কিভাবে? সাবেক চোরাচালান যারা করেছে, স্মাগলিং যারা করেছে, সিন্ডিকেট যারা করেছে, টাকা পাচার যারা করেছে তাঁদের বিরুদ্ধে কয়টা মামলা হইছে? রবীঠাকুরকে দিয়ে গীতাঞ্জলি লেখানো গেছে কিন্তু রাষ্ট্র চালানো যায় নাই। সেখানে গান্ধীজীকে দরকার হইছে, পন্ডিত জহরলাল নেহেরুকে দরকার হইছে। আল্লামা ইকবালকে দিয়ে কবিতা ও শায়ের লেখানো হইছে কিন্তু রাষ্ট্র চালানোর জন্য মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খানের দরকার হইছে। বাংলাদেশেও গাফফার চৌধুরীর একুশের যে গান সেটা এখনো উজ্জীবিত যা সবাইকে ‘৫২ থেকে এখন পর্যন্ত চেতনা দিচ্ছে কিন্তু তাঁকে দিয়ে রাষ্ট্র চালানো যায় নাই ল। রাষ্ট্র চালানোর জন্য কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে আনতে হইছে। মাওলানা ভাসানীও কিন্তু এই রিস্কটা নেন নাই। যদিও উনি ১৯৫৬ সালে বলেছিলেন “ওয়ালাইকুম আসসালাম”। মূলত ‘৭১-এ যেটা হইছে সেটা বঙ্গবন্ধুকে সামনে রেখে হইছে এতে কোন দ্বিধা দ্বন্দ নাই। ‘৭২-এ জাসদ করতে এসে বঙ্গবন্ধুর বিরোধীতা করা হইছে সত্যি কিন্তু তাঁকে বাদ দিয়ে স্বাধীনতা হয় নি।

Tarek Sumon

49,746 просмотров • 1 год назад