Загрузка видео...

Не удалось загрузить видео

На главную

এই রাজ্যের রানী❤️

14,607 просмотров • 1 год назад •via X (Twitter)

Комментарии: 3

Фото профиля বিচিত্র
বিচিত্র1 год назад

হ্যাঁ ঠিক বলছেন ☺️

Фото профиля Solar Heavy
Solar Heavy1 год назад

- All I Knew

Фото профиля 𝙼𝚍 𝙰𝚋𝚍𝚞𝚕 𝙼𝚊𝚓𝚒𝚍™
𝙼𝚍 𝙰𝚋𝚍𝚞𝚕 𝙼𝚊𝚓𝚒𝚍™1 год назад

Right

Похожие видео

এই ভাইরাল হওয়া ফোনালাপটি শুনলেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, রাজ্যের দুর্দমনীয় এবং দোর্দণ্ডপ্রতাপ মুখ্যমন্ত্রীর স্নেহের চাদরের তলায় কিভাবে ভয়াবহ সমাজবিরোধী ত্রাস'রা সযত্নে সুরক্ষিত রয়েছে! “বীরভূমের ছাল ছাড়ানো বাঘ”, যার কিনা মাঝে মধ্যেই ব্রেইনে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হয় - তিনি একজন পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে ঠিক কি ভাষায় কথা বলছেন! আর এই কথপোকথন প্রকাশ্যে আসার পর প্রশাসনে কি প্রভাব পড়বে? বড় জোর ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই হয় ওই আধিকারিককে ক্লোজ করা হবে, নাহলে সুন্দরবনে বদলি! আমি চাই, পুলিশ মন্ত্রী Mamata Banerjee ও রাজ্যের DGP West Bengal সাহেব রাজীব কুমার দ্রুত এই বিষয়ে তদন্ত করে রাজ্যবাসীর কাছে জবাবদিহি করুন। তৃণমূলের নেতাদের কাছে পুলিশ নিজে সুরক্ষিত না হলে সাধারণ মানুষের কি অবস্থা! ছিঃ All India Trinamool Congress

Dr. Sukanta Majumdar

29,848 просмотров • 1 год назад

পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন এই মূহুর্তে নেই, প্রশাসন সম্পূর্ণ ভাবে শাসক দলের দলদাসে পরিণত হয়েছে। রাজ্যে সরকার চলছে না সার্কাস বোঝা দায়। নিচের ভিডিওটি উত্তরবঙ্গের ফালাকাটা থানার দেওগাঁও অঞ্চলের। সেখানকার দোকানের পাড়ে প্রমোদ কৃষ্ণ আর্য, বাবুরাম দাস, দীপক দাস ও সঞ্জয় সরকারের দোকান জবরদস্তি বেশ কিছু জেহাদিরা দখল করে নিয়েছে। গোটা ঘটনার নেতৃত্ব কে? না সেখানকার পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী। পুলিশ প্রশাসন যথারীতি সেখানে নিরব দর্শকের ভূমিকায়। বর্তমানে এই রাজ্যে মমতা সরকারের তোষণনীতি চরমসীমায় পৌঁছে গিয়েছে, উদ্দেশ্যে সেই ভোটব্যাঙ্ক, কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে নিজের কুর্সি টিকিয়ে রাখতে হবে। সুতরাং এই সব জেহাদিরা রাজ্যের যেখানে যা খুশী করুক তাদের বিরুদ্ধে কোনোও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না। আসলে এই সরকারটা দ্বিতীয় বাংলাদেশ সৃষ্টি করতে চায়। রাজ্যের হিন্দুদের একত্রিত হয়ে অবিলম্বে এই সরকারটাকে শিকড় সমেত উপড়ে ফেলতে হবে, না হলে এই সব ঘটনা তো ট্রেলার মাত্র, আগামী দিনে হিন্দুদের ভিটে মাটি সব এভাবে প্রশাসনের সামনেই দখল হবে, আর হিন্দুদের সব খোয়াতে হবে। বাংলাদেশ থেকে সব হারিয়ে হিন্দুরা তাদের একমাত্র হোমল্যাণ্ড পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন, এর পর তাঁদের ভাবতে হবে তাঁরা কোথায় যাবেন? তাই সময় থাকতে হিন্দুরা এই হিন্দু বিরোধী মমতা সরকারকে উৎখাত করতে অবিলম্বে একত্রিত হন।

Suvendu Adhikari

11,340 просмотров • 5 месяцев назад

কি ভীষণ স্পর্ধা! ঔদ্ধত্য এবং রাজনৈতিক অশিক্ষা ঠিক কোন স্তরে গিয়ে পৌঁছালে কোনও ব্যক্তি নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ব্যর্থতা সম্পর্কে বিশ্লেষণ করার দুঃসাহস দেখাতে পারেন! রাজ্যের অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রীর পদলেহন করতে গিয়ে প্রলাপের সমস্ত সীমা অতিক্রম করে গিয়েছেন তৃণমূল নেতা Kunal Ghosh । তাই স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম মূল সেনানী, আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রতিষ্ঠাতা প্রণম্য 'নেতাজী' সম্পর্কে এই ধরনের চরম আপত্তিকর মন্তব্য করতেও ন্যূনতম লজ্জাবোধ হচ্ছে না তাঁর। তিনি যেমন নির্লজ্জতার সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছেন, ঠিক তেমন ভাবেই তাঁর দলের অনুগামীরা যাঁরা এই লজ্জাজনক মন্তব্যকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন, তাঁরাও একইভাবে রাষ্ট্রের জন্য কলঙ্কস্বরূপ। ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির অন্যায় স্বার্থ চরিতার্থ করতে অবাধে পশ্চিমবঙ্গে মৌলবাদী ইসলামীদের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করে রাজ্যের শাসকদল All India Trinamool Congress। কিন্তু এবার রাষ্ট্রের গর্ব নেতাজীকেও অসম্মান করল তৃণমূল। ধিক্কার!

Dr. Sukanta Majumdar

11,983 просмотров • 1 год назад

ভয় পেয়েছে মমতা !!! এই ভিডিওটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের। রাস্তার দু'পাশে শ্রী রাম নবমী উপলক্ষ্যে লাগানো হিন্দুদের পবিত্র গেরুয়া ধ্বজ, যেখানে মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রী রামচন্দ্রের ছবি অঙ্কিত রয়েছে, সেগুলি খুলে ময়লার গাড়িতে ফেলা হচ্ছে। আসলে এবারের শ্রী রাম নবমী উদযাপন নিয়ে বেশ চিন্তায় আছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে পথে নামার দৃশ্য ওনার ঘুম উড়িয়ে দিয়েছে। তাই এই সব নোংরামি করে উনি প্রতিরোধ করতে চাইছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে প্রকাশ্য সভায় হিন্দু বিরোধী কথা বলেন সেখানে এই কাজ তো ওনার কাছে কোনো ব্যপারই নয়। তবে সব কিছুরই শেষ আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনার ও এই ঔদ্ধত্য শেষ হবে। পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেক হিন্দু আপনাকে, হিন্দুদের প্রতিনিয়ত করা অপমানের জবাব কড়ায় গন্ডায় ফিরিয়ে দেবেন।

Suvendu Adhikari

18,114 просмотров • 1 год назад

রাজ্যের সকল প্রান্তের মানুষকে হৃদয়ের অন্তর থেকে জানাই বাংলা নববর্ষের শুভনন্দন। এই নবীন ঊষালগ্নে আপনাদের প্রত্যেকের জীবন হয়ে উঠুক গ্লানিমুক্ত। নতুনের এই আবাহনে প্রতিটি প্রাণ পবিত্রতায় ভরে উঠুক। আমাদের বাংলা যেমন শিল্প-সংস্কৃতির পীঠস্থান, তেমনই সর্বধর্ম সমন্বয়ের পীঠস্থান। কিছু অশুভ শক্তি এই বাংলাকে কলুষিত করতে উঠেপড়ে লেগেছে। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছে দিল্লির জমিদাররা। মনে রাখবেন, এদের গণতান্ত্রিকভাবে জবাব দিতে হবে। আজকের এই শুভ দিনে আসুন আমরা সমবেতভাবে শপথ নিই; সবরকম সংকীর্ণতার দেওয়াল ভেঙে আমরা বেরিয়ে আসব। কোনও বিভেদকামী-স্বৈরাচারী শক্তি যেন আমাদের চিরকালীন শান্তি, ঐতিহ্যগত সম্প্রীতি আর সৌহার্দ্যের বন্ধন ছিন্ন করতে না পারে। সকলে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখতে - জোড়াফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সকল মনোনীত প্রার্থীকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করুন।

Mamata Banerjee

228,027 просмотров • 2 месяцев назад

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপশাসনে পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। এই রাজ্যের মধ্যে এমন অনেক এলাকা আছে যেখানে হিন্দুরা গণতান্ত্রিক অধিকারটুকুও প্রয়োগ করতে পারেন না। রাজ্যের যে সব এলাকায় হিন্দুরা সংখ্যালঘু সেখানে হিন্দু ভোটারদের ধমকে চমকে ভোটদানে বাধা দেওয়ার নজির রয়েছে। যেমন সিতাই, শীতলকুচি, ক্যানিং, গোসাবা, বাসন্তী, দিনহাটা সহ রাজ্যের বহু জায়গায়। আগেই এই রকম দৃষ্টান্ত সৃষ্টি হয়েছে আর এখন তো পরিস্থিতি আরোও ভয়ঙ্কর। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকায় হিন্দু ভোটারদের পক্ষে ভোট দিতে যাওয়া এক প্রকার প্রাণ হাতে নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়ার মতো ব্যাপার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ভোটব্যাঙ্কের শান্তি বাহিনীকে মোতায়েন করে থাকেন হিন্দুদের বাধা দান করে ভোট দেওয়া থেকে বিরত রাখতে। ভোটের দিন অহরহ বোমাবাজি, বন্দুক উচিয়ে ভয় দেখানো, সমাজবিরোধীদের জমায়েত করে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করার মতো রকম ভুরি ভুরি দৃশ্য ক্যামেরা বন্দি হয়েছে আগেই, আর এখন তো এক প্রকার হিন্দুদের আক্রমণ করার লাইসেন্স তুলে দিয়েছে দলদাস প্রশাসন। এমন পরিস্থিতিতে আমরা দাবী করছি :- ১) যেখানে যেখানে হিন্দুরা সংখ্যালঘু সেখানে হিন্দু ভোটারদের জন্য আলাদা বুথের ব্যবস্থা করতে হবে যাতে বিনা বাধায় নির্ভয়ে তাঁরা তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। ২) বুথগুলির অবস্থান এমন স্থানে করতে হবে যাতে হিন্দু ভোটারদের কোনো মুসলিম মহল্লার মধ্য দিয়ে বুথে পৌঁছাতে না হয়, কারণ মুসলিম মহল্লার মধ্য দিয়ে যেতে হলে তাঁরা বাধার সম্মুখীন হবেন এটা নিশ্চিত। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক শ্রী মনোজ আগরওয়াল কে আবেদন জানাচ্ছি এখন থেকেই এই বুথ ম্যাপিং এর কাজ অবিলম্বে শুরু করা হোক। করোনা কালে ভোটারদের জন্য যদি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট নেওয়া সম্ভব হয় তবে এই ব্যবস্থাও চালু করা সম্ভব। আশা করি উনি জাতীয় নির্বাচন কমিশন কে এই বিষয়ে অবগত করবেন। পরবর্তীতে এই বিষয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে আমি লিখিত আবেদন জানাবো। CEO West Bengal

Suvendu Adhikari

11,130 просмотров • 1 год назад