Загрузка видео...

Не удалось загрузить видео

На главную

এদের বিচার না হলে আমাদের জন্য লজ্জা

17,197 просмотров • 8 месяцев назад •via X (Twitter)

Комментарии: 0

Нет доступных комментариев

Здесь появятся комментарии из оригинального поста

Похожие видео

স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে, কিন্তু আমাদের দেশের মানুষ আজও দূরভাগ্যের অন্ধকারে ডুবে আছে। স্বাধীনতার স্বপ্ন ছিল যে, একদিন এই মাটির প্রতিটি মানুষ সুখে-শান্তিতে জীবন কাটাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমরা আজও সেই স্বপ্ন থেকে অনেক দূরে। শেখ হাসিনার শাসনের গত ১৫ বছর যেন আমাদের জন্য এক দীর্ঘ দুঃস্বপ্ন। শুধুমাত্র ভারতের মনোরঞ্জনের জন্য আমাদের দেশের মানুষের আত্মসম্মান আর অধিকার বারবার বলি দেওয়া হয়েছে। আমরা দেখেছি, কীভাবে অত্যাচার, নিপীড়ন, আর নিঃসঙ্গতার মধ্যে মানুষের জীবন ঠেলে দেওয়া হয়েছে। তবে ৫ অগাস্ট যেন এক নতুন ভোরের আভাস নিয়ে এলো। মানুষ আবার মুক্তির স্বাদ পেতে শুরু করল। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায় আমরা কেন বারবার এমন অবস্থার শিকার হচ্ছি? কেন আমরা আমাদের দেশের মানুষের সুখ, শান্তি, আর কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে পারছি না? আমাদের রাজনীতি যেন শুধুই বিশ্বকে দেখানোর জন্য, নাম আর খ্যাতি অর্জনের জন্য। কিন্তু আমরা ভুলে যাই, যে দেশ আমরা গড়তে চাই, সেই দেশের ভিত্তি তো আমাদের মানুষ। তাদের সুখ, তাদের কল্যাণ ছাড়া দেশের উন্নতি অর্থহীন। কেন আমরা আমাদের অভাগা মানুষদের দিকে তাকাই না? কেন তাদের দুঃখ-কষ্টকে আমাদের নিজেদের কষ্ট মনে করি না? আমাদের সংগ্রামী মনোভাব কোথায় হারিয়ে গেছে? সেই মনোভাব কি শুধু স্লোগানে আর ব্যানারে আটকে থাকবে? এই মনোভাব দিয়ে যদি আমরা আমাদের দেশের প্রতিটি মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারতাম, তাহলে আমাদের জন্য আর কিছুই দরকার হতো না। আমরা কেন এতটা আত্মকেন্দ্রিক হয়ে গেছি যে, দেশের মানুষের কান্না আমাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায় না? আমাদের দরকার এমন এক নেতৃত্ব, যারা নিজেদের বিলিয়ে দেবে দেশের মানুষের জন্য। যারা বিশ্বকে অন্য প্রান্ত করে হলেও নিজেদের মানুষকে অগ্রাধিকার দেবে। আমরা যদি আমাদের দেশের মানুষের দুঃখ-কষ্ট দূর করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ না হতে পারি, তবে সেই নেতৃত্বের কোনো মূল্য নেই। এই দেশের মাটি, এই দেশের মানুষ আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। আমাদের শপথ নিতে হবে, আমরা আর কোনো অভাগা মানুষকে অবহেলা করব না। আমরা আমাদের সংগ্রামী মনোভাব দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াব। তাদের জন্য একটি নতুন ভোরের প্রতিশ্রুতি দেব। আর এভাবেই আমরা আমাদের দেশকে সত্যিকারের স্বাধীনতার আলোয় উদ্ভাসিত করতে পারব।

Md Sarjis Alam

20,283 просмотров • 1 год назад

আজকের বৈঠক ছিল আমাদের দীর্ঘ সংগ্রামের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। আমরা স্পষ্ট করে দিয়েছি যে অপশাসন, যে ফ্যাসিবাদ আমাদের দেশের গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছে, তা আর কখনোই ফিরতে দেওয়া যাবে না। জাতীয় নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে আমরা তিনটি মূল দাবি উত্থাপন করেছি: 1.নতুন সংবিধান, যা জনগণের সত্যিকারের ক্ষমতায়নের প্রতিফলন ঘটাবে। 2.গণপরিষদ নির্বাচন, যার মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। 3.আওয়ামী লীগের বিচার, যারা গণতন্ত্রকে গুম করেছে, যারা ছাত্র-জনতার রক্ত ঝরিয়েছে, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। আমরা বলেছি, আওয়ামী লীগ এখন রাজনীতিতে একটি মৃত কাঠামো। এদের আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেওয়া যাবে না। এদের প্রথমে নিবন্ধন বাতিল করতে হবে, তারপর চূড়ান্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। আমরা আপসের রাজনীতি চাই না। ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচার চাই। যারা ছাত্র আন্দোলনের কর্মীদের হত্যা করেছে, যারা রাষ্ট্রযন্ত্রকে দলীয় অস্ত্রে পরিণত করেছিল, তাদের বিচারিক প্রক্রিয়ায় কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। এই মাসেই নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটবে। নতুন সংবিধান রচনার লড়াইয়ে আমরা সবাই একসঙ্গে থাকব। যারা গণতন্ত্রের পক্ষে, যারা সত্যের পক্ষে, তারা এই লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গী হবে। আজকের বৈঠকে ২৬টি রাজনৈতিক দল ও জোটের শতাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এখন সেই সব সংস্কারের সুপারিশ নিয়ে এগিয়ে যাবে, যা বাংলাদেশকে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করবে। আমরা স্পষ্ট করে বলেছি আমাদের সংগ্রাম আপসের জন্য নয়, আমাদের সংগ্রাম ন্যায়বিচারের জন্য। যারা গণহত্যা চালিয়েছে, যারা রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত লুটের মাল বানিয়েছে, তাদের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নতুন প্রজন্মের হাতে, আর সেই ভবিষ্যৎ হবে এক নতুন, ন্যায়ের বাংলাদেশ।

Md Sarjis Alam

27,353 просмотров • 1 год назад