Sensitive content

This media may contain sensitive content.

Video wird geladen...

Video konnte nicht geladen werden

Zur Startseite

ককসবাজার হোটেলে

19,013 Aufrufe • vor 2 Monaten •via X (Twitter)

0 Kommentare

Keine Kommentare verfügbar

Kommentare vom Original-Post werden hier angezeigt

Ähnliche Videos

সম্প্রতি পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে ৩৭ জনের একটি গ্রুপ মদিনা শহরে পৌঁছালে প্রতিশ্রুত হোটেল না দিয়ে এ ধরনের একটি বাসায় নিয়ে তাঁদের রাখা হয়। গ্রুপের একজন সদস্য আমার সাথে যোগাযোগ করে এই ভিডিওটি পাঠান এবং তাঁদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, যেই এজেন্সি তাদের ওমরাহ প‍্যাকেজ প্রদান করেছে, তাঁরা সম্ভবত কিছু মুনাফার উদ্দেশ্যে এ ধরনের বাসায় রাখার ব্যবস্থা করেছে। তবে গ্রুপের সদস্যদের উন্নতমানের হোটেলে রাখার নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছিলো। পরবর্তীতে অবশ্য সৌদি কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে এই গ্রুপের সদস্যদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়, মোটামুটিভাবে ওমরাহ পালন শেষে তাঁরা দেশে ফিরে গেছেন। যেই প্রতিষ্ঠান প্যাকেজ আয়োজন করেছিলো, তাদের আর্থিক জরিমানাও করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। অনেকেই বহু আশা করে পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে এতদূর সফর করেন, নিজের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করেন — পবিত্র স্থানে তাঁদের এমন হয়রানী না করলে কি হয়না? আশা করি এ বিষয়টি সংশ্লিষ্টরা বিবেচনা করবেন।

Sami

13,973 Aufrufe • vor 8 Monaten

রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র ঢাকা বিশ্বাবিদ্যালয়ে যখন মেধাবী শিক্ষার্থীরা মেধার ভিত্তিতে কোটা সংস্কারের দাবির কারণে নিরাপত্তা বাহিনীর বুলেট, টিয়ারশেল ও ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের দেশীয় অস্ত্রের আক্রমণ প্রতিহত করছে, ঠিক তখনই (১৭ই জুলাই রাত ৮টার দিকে), একই শহরে ৫ তারকা হোটেল শেরাটনের ১২তলার বলরুমে নিজ আমেরিকান গ্র্যাজুয়েট ছেলের গ্র্যাজুয়েশন উৎসব পালন করছেন ঢাকা দক্ষিনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। প্রধানমন্ত্রীর ভাগ্নে তাপসের ছেলে শেখ ফজলে নেওয়াজ যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, স্যানডিয়েগো থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেছেন, উৎসব তো পালন করতেই হয়! আপনি যখন অমানুষ হবেন, তখন আসলে অনেক কিছুই করতে পারা সম্ভব, এই যেমন তাপসের ঘটনাটাই ধরুন! কয়েক কিলোমিটার দূরে হাজারখানেক ছেলেমেয়ে পুলিশ, বিজিব আর RAB এর কাছে মার খাচ্ছে, আর সরকারের সন্ত্রাসী সংগঠনের ছেলেরাও সাথে যোগদিয়েছে। গুলিতে কারো অন্ত্র বের হয়ে গিয়েছে তো কারো হাত উড়ে গেছে, কেউ হারিয়েছে চোখ। তাঁরা কিভাবে আছে কেমন আছে, আদৌ কিছু খেয়েছে কিনা, সেসব বিষয়ে পরিবার ও বন্ধু-বান্ধবদের কোন ধারনাও নেই। তাদের দাবি, মেধার ভিত্তিতে চাকুরী, কোটা প্রথার সংস্কার। ব্যাস এতটুকুই তো? আর এদিকে দেখুন, তাদের থেকে কিছু দূরে মেয়র তাপস ৫ তারকা হোটেলে ছেলের গ্র্যাজুয়েশন উপলক্ষে উৎসব পালন করছেন! কি অবিশ্বাস্য একটা কনট্রাস্ট তাইনা? এই অনুষ্ঠানে আরো যোগ দিয়েছেন শেখ সেলিম, শেখ হেলাল, বিচারপতি একেএম রবিউল ইসলাম, আইনজীবি সহ বিভিন্ন বরেণ্য ব্যবসায়ী ও ব্যক্তিত্বরা। সেখানে বেশ ভালো খাওয়াদাওয়ার পাশাপাশি গানবাজনার আয়োজনও ছিলো।

Sami

66,265 Aufrufe • vor 1 Jahr

শেখ হাসিনার আমলে যখন নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে আসতেছিল, তারা ধর্মীয় জোজবা নিয়ে দাঁড়াইছিল মোদির সফরের বিরুদ্ধে। তাদের দাবি - মোদি হল গুজরাটের কসাই, গুজরাট দাঙ্গার ভিলেন। তারা দুটি দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে গায়ের জোরে থামিয়ে দিতে চেয়েছিল। ২০২১ সালের সেই নৈরাজ্যকর আন্দোলনে হেফাজতের ৪ জন মারা যায়, অনেকেই আহত হয়। কিছু দিন আগে ইজতেমায় সাদ পন্থি- জুবায়ের পন্থি বিদ্বেষ হিংসার বিভক্তি চড়িয়ে দাঙ্গা তৈরি করে ৫জন মানুষ হত্যা করল। মুসলমান মারা গেছে মামুনুল হকের এই হতাহতের ঘটনায় বিমর্ষ হওয়া উচিত ছিল, কর্মীদের ক্ষয়ক্ষতির প্রতি সংবেদনশীল হওয়া উচিত ছিল। বৈকি! কিন্তু, ব্যাটায় ঘটনার মাত্র ৭ দিনের মাথায় আবাসিক হোটেলে গেছে কলিগের স্ত্রীর সাথে পরকীয়া করতে। যে ঘটনাকে আমরা ৫০১ নং রুমের ঘটনা বলে জানি আর কি! মাদ্রাসার এতিম ছেলেদের অন্যায্য-অযৌক্তিক আন্দোলনে উস্কে দিয়ে প্রাণনাশ করে সে গেছে পরকীয়া করতে। গত এক মাস যাবত ইউনুস চেষ্টা করে যাচ্ছে নরেন্দ্র মোদির সাথে দেখা করতে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন নির্লজ্জভাবে কোনো বৈঠকের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে কিনা তা আমার জানা নাই। মোদির সাথে দেখা করার জন্য এত উতলা। অথচ মামুনুল হকদের কোনো সাড়াশব্দ, প্রতিবাদ দেখছেন? মাদ্রাসার গরীব, অসহায় ও এতিম ছেলেদের রাষ্ট্রের মুখোমুখি দাঁড় করানোর আয়োজন দেখছেন? বরং সাক্ষাত করার পর নাকি আওয়ামিলীগকে পোক করতেছে - আওয়ামিলীগ নাকি ঈর্ষান্বিত এই বৈঠক দেখে। হায় সেলুকাস! এরা অন্তরে এক, বাইরে আরেক। এদের চিরায়ত স্বভাব হচ্ছে মুনাফেকি। হুজুরের কথা জাহান্নামে সবচেয়ে বেশি মানুষের দ্বারা পরিপূর্ণ হবে তারা হল আলেম ওলামা

ননসেন্স্

32,596 Aufrufe • vor 1 Jahr

কাউকে না কাউকে এই সত্যি কথা গুলো সাহস করে কখনো বলতেই হতো। ধন্যবাদ, জেড আই খান পান্না! ------------------------------------- স্বাধীন হইলেই হবে না, মানসিকতাও স্বাধীন থাকতে হবে। সংবিধান অকার্যকর না, অনেকটাই অকার্যকর করে ফেলেছে। আমি অন্য ভাবে আসি, সেটা হচ্ছে যে প্রথম ডক্টর ইউনুস বা উপদেষ্টা মন্ডলী। এপয়েন্টমেন্ট দিলো কে? আমি জানি না কে দিয়েছে। বলবে একটা ভোগাস কথা! জনগণ দিয়েছে, বা ছাত্ররা দিয়েছে। তো কত পারসেন্ট আছে ছাত্র? আর এমনি ছাত্র যে ৬-জন তাঁরা যখন হারুণের ভাতের হোটেলে ছিলো তখন ওইখানে বসে লিখিত স্টেটমেন্ট দিলো যে তাঁরা আন্দোলন উইথড্র করলো। তাঁর প্রেক্ষাপটে কিন্তু এইখানে আমরা কিছু আইনজীবীরা মুভমেন্ট করলাম এবং মামলা করলাম। তারপর তো একটা শেপ দিছে। জেল কিন্তু আমরাও খাটছি, টর্চার কিন্তু আমরাও সহ্য করছি। কোথাও কিন্তু একটা সাইন নিতে পারে নাই। সেই এটিচিউট আমাদের ছিলো না। এখন বিষয়টা হয়ে গেছে ভিন্ন। সাবসিকিয়েন্টলি ডক্টর ইউনুস এসে গেছেন। সাবসিকিউয়েন্টলি ফরমার প্রধানমন্ত্রী, কারো মতে জোর করে হয়েছে; কারো মতে ইলেক্টেড হয়েছে, উনি চলে গেছে। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার। এইখানে ব্যাসিকেলি খেলছে কারা সেটা আপনারাও বুঝেন, আমিও বুঝি। বাংলাদেশে ‘৭১-এর মতো সময়েও কিন্তু থানাগুলো খালি হয় নাই, এইবার খালি হইছে। এবং এই ট্রেন্ড কিন্তু যাবে না। খারাপ দিকের যে ট্রেন্ড সেটা কিন্তু যায় না, এইটা নেশার মতো। তো আমি যেটা দেখি এখন সেটা হচ্ছে ‘৭২-এর সংবিধান রেখে তাঁদের মতো সংশোধন করে নিবে। যেমনঃ কেয়ারটেকার সরকার নাই, ওকে সংবিধানের ১৫তম সংশোধন বাতিল করে দেই। কিন্তু প্রিয়েম্বেল চেঞ্জ করতে পারবে না। তাহলে আরেকটা ‘৭১-এর যুদ্ধ না, মহাযুদ্ধ করতে হবে। এবং উনাদের পাসপোর্ট-ভিসা রেডি আছে সেটাও আমরা জানি। আমরা কিন্তু এই দেশ ছাড়বো না, তাঁরা ছাড়বে। ইলিশ নাকি ইন্ডিয়ায় যাওয়া বন্ধ হইছে, তাহলে ইলিশের দাম ডাবল হয় কিভাবে? সাবেক চোরাচালান যারা করেছে, স্মাগলিং যারা করেছে, সিন্ডিকেট যারা করেছে, টাকা পাচার যারা করেছে তাঁদের বিরুদ্ধে কয়টা মামলা হইছে? রবীঠাকুরকে দিয়ে গীতাঞ্জলি লেখানো গেছে কিন্তু রাষ্ট্র চালানো যায় নাই। সেখানে গান্ধীজীকে দরকার হইছে, পন্ডিত জহরলাল নেহেরুকে দরকার হইছে। আল্লামা ইকবালকে দিয়ে কবিতা ও শায়ের লেখানো হইছে কিন্তু রাষ্ট্র চালানোর জন্য মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খানের দরকার হইছে। বাংলাদেশেও গাফফার চৌধুরীর একুশের যে গান সেটা এখনো উজ্জীবিত যা সবাইকে ‘৫২ থেকে এখন পর্যন্ত চেতনা দিচ্ছে কিন্তু তাঁকে দিয়ে রাষ্ট্র চালানো যায় নাই ল। রাষ্ট্র চালানোর জন্য কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে আনতে হইছে। মাওলানা ভাসানীও কিন্তু এই রিস্কটা নেন নাই। যদিও উনি ১৯৫৬ সালে বলেছিলেন “ওয়ালাইকুম আসসালাম”। মূলত ‘৭১-এ যেটা হইছে সেটা বঙ্গবন্ধুকে সামনে রেখে হইছে এতে কোন দ্বিধা দ্বন্দ নাই। ‘৭২-এ জাসদ করতে এসে বঙ্গবন্ধুর বিরোধীতা করা হইছে সত্যি কিন্তু তাঁকে বাদ দিয়ে স্বাধীনতা হয় নি।

Tarek Sumon

49,746 Aufrufe • vor 1 Jahr