Sensitive content

This media may contain sensitive content.

Video yükleniyor...

Video Yüklenemedi

Ana Sayfaya Dön

কচি মাল আহহহহহ

21,852 görüntüleme • 23 gün önce •via X (Twitter)

0 Yorum

Yorum bulunmuyor

Orijinal gönderinin yorumları burada görünecek

Benzer Videolar

সেইরকম একটা মাল
0:59

Sensitive content

সেইরকম একটা মাল

Mantumia69

82,752 görüntüleme • 1 yıl önce

দুই দেশের দুই মাল
0:37

Sensitive content

দুই দেশের দুই মাল

®‌®®®®

17,227 görüntüleme • 1 yıl önce

আজকের বৈঠক ছিল আমাদের দীর্ঘ সংগ্রামের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। আমরা স্পষ্ট করে দিয়েছি যে অপশাসন, যে ফ্যাসিবাদ আমাদের দেশের গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছে, তা আর কখনোই ফিরতে দেওয়া যাবে না। জাতীয় নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে আমরা তিনটি মূল দাবি উত্থাপন করেছি: 1.নতুন সংবিধান, যা জনগণের সত্যিকারের ক্ষমতায়নের প্রতিফলন ঘটাবে। 2.গণপরিষদ নির্বাচন, যার মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। 3.আওয়ামী লীগের বিচার, যারা গণতন্ত্রকে গুম করেছে, যারা ছাত্র-জনতার রক্ত ঝরিয়েছে, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। আমরা বলেছি, আওয়ামী লীগ এখন রাজনীতিতে একটি মৃত কাঠামো। এদের আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেওয়া যাবে না। এদের প্রথমে নিবন্ধন বাতিল করতে হবে, তারপর চূড়ান্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। আমরা আপসের রাজনীতি চাই না। ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচার চাই। যারা ছাত্র আন্দোলনের কর্মীদের হত্যা করেছে, যারা রাষ্ট্রযন্ত্রকে দলীয় অস্ত্রে পরিণত করেছিল, তাদের বিচারিক প্রক্রিয়ায় কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। এই মাসেই নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটবে। নতুন সংবিধান রচনার লড়াইয়ে আমরা সবাই একসঙ্গে থাকব। যারা গণতন্ত্রের পক্ষে, যারা সত্যের পক্ষে, তারা এই লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গী হবে। আজকের বৈঠকে ২৬টি রাজনৈতিক দল ও জোটের শতাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এখন সেই সব সংস্কারের সুপারিশ নিয়ে এগিয়ে যাবে, যা বাংলাদেশকে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করবে। আমরা স্পষ্ট করে বলেছি আমাদের সংগ্রাম আপসের জন্য নয়, আমাদের সংগ্রাম ন্যায়বিচারের জন্য। যারা গণহত্যা চালিয়েছে, যারা রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত লুটের মাল বানিয়েছে, তাদের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নতুন প্রজন্মের হাতে, আর সেই ভবিষ্যৎ হবে এক নতুন, ন্যায়ের বাংলাদেশ।

Md Sarjis Alam

27,342 görüntüleme • 1 yıl önce

ডায়মণ্ড হারবার মডেল - তোলাবাজ পুলিশের ইলিশ চুরি !!! মমতা পুলিশের তোলাবাজি দিনকে দিন দুর্নীতির নতুন শৃঙ্গ উত্তরণ করছে। সরকারি বেতনে অসন্তুষ্ট এই আদ্যোপান্ত দুর্নীতিগ্রস্ত তথাকথিত "আইন রক্ষক" এর দল নিজেরাই চৌর্যবৃত্তির পথ অবলম্বন করছে ! কি ভাবে এই চুরির সাম্রাজ্য বিস্তার করা যায় সেই পথ দেখায় ডাকাত সম্রাটের ডায়মণ্ড হারবার মডেল। গত কিছুদিন যাবৎ ডায়মণ্ড হারবারে মাছের আড়ৎ থেকে ইলিশ মাছ কিনতে যাওয়া ছোটো ছোটো মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে গাড়ি প্রতি চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা তোলা তুলেছিলো মমতা পুলিশ। টাকা দিতে না পারলেই ছোটো ইলিশ সরবরাহ করার অজুহাতে মাছ ভর্তি গাড়ি আটাকে রাখা হচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা। মগরা হাট থানার এক আধিকারিক সৈকত রায় তেমন ই একটি ইলিশ মাছ ভর্তি গাড়ি ধরেছিলেন। মাছ ব্যবসায়ীরা তার চাহিদা অনুযায়ী তোলা দিতে পারেননি। তারা দাবি করেন যে তারা ছোটো ইলিশ কেনেননি কিন্তু পুলিশ আধিকারিক সৈকত রায় সে কথায় কর্ণপাত না করে মাছ ভর্তি গাড়িটি আটক করেন। সারাটা দিন কেটে যাওয়ার পর যখন তিনি দেখেন যে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তোলা পাওয়া যাবে না তখন বিকেলের দিকে তিনি নিজেই ডায়মণ্ড হারবারের নগেন্দ্র বাজার মাছের আড়ৎ-এ সেই আটক করা গাড়ির মাছ বিক্রি করতে যান এবং তখনই মাছ ব্যবসায়ীরা তাকে সেখানেই হাতে নাতে ধরে ফেলেন এবং তুমুল বিক্ষোভ দেখান। মাছ ব্যবসায়ীদের আরোও অভিযোগ যে দুই (সিনটেক্স) পেটি ভর্তি ইলিশ মাছ গাড়ি থেকে পুলিশ ইতিমধ্যেই চুরি করে সরিয়ে ফেলেছে ! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বদান্যতায় এ রাজ্যের পুলিশ এখন 'তোলাবাজ পুলিশ' এর শিরোপা পেয়েছে। পুলিশ এখন আসামী, দুষ্কৃতীদের ধরার জন্য নয়, তোলাবাজির জন্যেই যেনো মোতায়েন করা হয়েছে। রাস্তায় যত্রতত্র ট্রাক বা ছোটো বাণিজ্যিক গাড়ি থেকে তোলা ওঠানোই এখন তাদের প্রধান কাজ। এবার তোলাবাজির অর্থ দিতে সক্ষম না হলে গাড়িতে থাকা মাল চুরি করে বিক্রি করে দিচ্ছে ! এটাই ডায়মণ্ড হারবার মডেল। এই সরকার টাকে তাড়াতেই হবে, নচেৎ বাংলার জনগনকে আরো কি কি যে দেখতে হবে তা ঈশ্বর ই জানেন।

Suvendu Adhikari

12,677 görüntüleme • 9 ay önce

উত্তরবঙ্গের সব জেলা থেকে আগত বহু মানুষ, জনপ্রতিনিধি, তৃণমূল স্তরের বিভিন্ন কর্মী ও সরকারী আধিকারিক সহ অন্যান্যদের নিয়ে আজ জলপাইগুড়িতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত দিন কাটালাম। গতকাল, নেপালে উদ্বেগজনক অবস্থার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি জলপাইগুড়িতে আসি এবং সারারাত উত্তরকন্যায় থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করি, সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক রাখি। আজ, আমি এখানে একটি সরকারি পরিষেবা প্রদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলাম। মহান সমাজ-সংস্কারক ও রাজবংশী নেতা ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে কর্মসূচি শুরু করি আজ। আমরা তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে কোচবিহারে পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়, তাঁর নামে একটি মিউজিয়াম ও লাইব্রেরি করেছি এবং তাঁর পূর্ণাবয়ব মূর্তিও স্থাপন করেছি। তাঁর জন্মবার্ষিকীতে সরকারি ছুটিও ঘোষণা করেছি। আমি গত ২৬ আগষ্ট বর্ধমান থেকে দক্ষিণবঙ্গের মানুষদের জন্য পাট্টা বিতরণ করেছিলাম। আজকের সভা থেকে উত্তরবঙ্গের ৮টি জেলার ১১,৬৭৪ জন উপভোক্তার হাতে পাট্টা তুলে দিলাম। গত ২০১১ সাল থেকে রাজ্যজুড়ে এ পর্যন্ত ৬ লক্ষ ৫৬ হাজারের বেশি পাট্টা দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালে সিকিমে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তিস্তার আচমকা জলস্ফীতিতে মাল ব্লকের সুন্দরী বস্তির টোটগাঁও গ্রামের ৯৮টি পরিবারের বাসস্থান ও চাষের জমি বন্যায় ভেসে যায়। আজকে আমরা সেই ৯৮টি পরিবারকেও বিকল্প স্থানে জমির পাট্টা দিলাম। আজকে আলিপুরদুয়ার জেলার লঙ্কাপাড়া চা-বাগানের ১,১০৬ টি পরিবারের হাতে চা সুন্দরী প্রকল্পে নির্মিত বাড়ির কাগজ তুলে দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে জলপাইগুড়ি জেলায় ১,০৫৩টি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ২,৯৬৯টি বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, চা সুন্দরী এক্সটেনশন প্রকল্পেও প্রায় ২২ হাজার বাড়ি নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এবার উত্তরবঙ্গের চা বাগানগুলির কর্মীদের জন্য ২০% পূজা বোনাস ঘোষণাও করা হয়েছে। কেন্দ্র বন্ধ চা বাগান খুলতে পারেনি। আমরা বন্ধ চা বাগান খোলায় উদ্যোগী হয়েছি। এবছরেই আমাদের উদ্যোগে ২০টি চা বাগান খোলা হয়েছে। ১৯ হাজারের বেশি চা শ্রমিক উপকৃত হয়েছে। এর আগেও ৫৯টি চা বাগান খোলা হয়েছে। আজ এই সভা থেকে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার মানুষের হাতে তুলে দিলাম বহুবিধ সরকারি পরিষেবা, যার মধ্যে আছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, শিক্ষাশ্রী, ঐক্যশ্রী, মেধাশ্রী, রূপশ্রী সহ আরো অনেক প্রকল্পের সুবিধা। জলপাইগুড়ি জেলায় ২৫৪ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকার ১০৫টি প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন এবং ১৪২ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকার ৯০টি প্রকল্পের শুভ শিলান্যাসও আজ করা হল। এর মধ্যে আছে কালিম্পং জেলায় ৭ কোটি ৪১ লক্ষ টাকায় পেশক খোলার উপর ৪২ মিটার দীর্ঘ একটি নতুন ব্রিজ যা মূলত তিস্তা বাজার ও পেশকের মাধ্যমে কালিম্পং ও দার্জিলিংকে যুক্ত করল। এখানকার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। পর্যটকরাও সুবিধা পাবেন। এছাড়া উদ্বোধন হল জলপাইগুড়ি জেলায় বড় বড় পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্প, রাস্তা, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প, ইত্যাদি। জলপাইগুড়ি জেলার দেবী চৌধুরানী এবং ভবানী পাঠক-এর ঐতিহাসিক মন্দিরের আমরা আমূল সংস্কার করেছি। সেটাও আজকের সভা থেকে মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হল। আমরা জলপাইগুড়িতে দেবী চৌধুরানী মন্দির থেকে জল্পেশ মন্দির পর্যন্ত একটা ধর্মীয় ট্যুরিজম সার্কিটও করছি। আজ অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের শিলান্যাসও করা হল যার মধ্যে অন্যতম ২১ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা খরচ করে চেংমারি নাগরাকাটা সড়কে কুজি দৈনা নদীর উপর পুরোনো ব্রীজের পরিবর্তে নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা প্রকল্প। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আমাদের সরকার উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। গত ১৪ বছরে শুধু উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য আমাদের সরকার সব দপ্তর মিলিয়ে বরাদ্দ করেছে মোট প্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকা। উত্তরবঙ্গে রাজ্য সচিবালয়, পুলিশ কমিশনারেট, আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পং জেলা, ইউনিভার্সিটি, কলেজ —সব করা হয়েছে। উন্নয়নের এই ঢেউ বিজেপিকে ঈর্ষান্বিত করেছে। তাই তারা এখন বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোতে শুধু মাতৃভাষায় কথা বলার জন্য বাঙালিদের হেনস্থা করছে যার মধ্যে অসংখ্য রাজবংশী, আদিবাসী, মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষও আছেন। ২৪ হাজারের বেশি বাঙালি বিভিন্ন জায়গায় অত্যাচারিত হয়ে বাংলায় ফিরে এসেছেন। আমরা তাঁদের আপন করে নিয়েছি। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য চালু করেছি 'শ্রমশ্রী' প্রকল্প। এ বছর থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের সম্মানে আমরা বিশ্বকর্মা পুজোর দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করলাম।

Mamata Banerjee

37,173 görüntüleme • 9 ay önce

আজ উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদ এবং মালদা জেলার মানিকচক ও ইংরেজবাজার বিধানসভায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীদের সমর্থনে আয়োজিত বিজয় সংকল্প সভায় উপস্থিত ছিলাম। আজকের এই জনসমুদ্র প্রমাণ করে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আর অপশাসন, দুর্নীতি ও তোষণের রাজনীতি চায় না। মানুষ আজ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিতে প্রস্তুত। এই বিপুল উপস্থিতি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে আগামীদিনে পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির রাষ্ট্রবাদী সরকার গঠন শুধু সময়ের অপেক্ষা। দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের পতন হবেই, আর বাংলার নতুন পথচলা শুরু হবে উন্নয়ন, সুশাসন ও নিরাপত্তার পথে। তাই পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার। #বাঁচতে_চাই_বিজেপি_তাই #পাল্টানো_দরকার_চাই_বিজেপি_সরকার

Suvendu Adhikari

21,343 görüntüleme • 2 ay önce