Sensitive content

This media may contain sensitive content.

Video wird geladen...

Video konnte nicht geladen werden

Zur Startseite

কাপল টু কাপল

62,267 Aufrufe • vor 6 Monaten •via X (Twitter)

0 Kommentare

Keine Kommentare verfügbar

Kommentare vom Original-Post werden hier angezeigt

Ähnliche Videos

গাজীপুরের টঙ্গীর টিঅ্যান্ডটি কলোনি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজী দাবি করেছিলেন গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ সকাল ৭টার দিকে টঙ্গীর শিলমুন এক্সিস লিংক সিএনজি ফিলিং অ্যান্ডকনভার্সন সেন্টারের সামনে থেকে তাকে অপহরণ করে একটি অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়। তবে উক্ত এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় সকাল ৬টা ৫২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে তিনি ঘর থেকে বের হন। ঘর থেকে বের হওয়ার সময় তিনি বাম হাতে দরজা খুলে বের হন, পেছন ফিরে তাকাননি এবং টিনের দরজাটি বন্ধ হয়ে যায়। সকাল ৬টা ৫৩ মিনিট ২৫ সেকেন্ডে তিনি মসজিদ ছাড়েন এবং প্রায় ৬টা ৫৪ মিনিটে টঙ্গী টু কালীগঞ্জগামী আঞ্চলিক সড়কে কালীগঞ্জের দিকে রওনা হন। পরনে ছিল সাদাপাঞ্জাবি-পাজামা, মাথায় কালো রঙের পাগড়ি। মুহিব্বুল্লাহর বাসার অদূরে শিলমুন এক্সিস লিংক সিএনজি ফিলিং অ্যান্ড কনভারশন সেন্টারের চারটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজেও এজাহারে উল্লেখিত অপহরণের বর্ণনার মিল পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন এঙ্গেল থেকে নেওয়া চারটি ফুটেজ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সকাল ৭টা ১৮ মিনিটে মুহিব্বুল্লাহ পাম্পের সামনে দিয়ে দ্রুত হেঁটে যাচ্ছেন। ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি অ্যাম্বুলেন্স পথরোধ করে তাকে অপহরণের যে দাবিটি করা হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে এরকম কোনো ঘটনা দেখা যায়নি। বরং তাকে একাই দ্রুত গতিতে হেঁটে যেতে দেখা গেছে। সামনের সেতুর উপরে পুলিশের স্থাপন করা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায় মুহিব্বুল্লাহ একাই হাঁটছেন। অথচ এজাহারে তিনি উল্লেখকরেছেন, ফিলিং স্টেশনের সামনে তাকে অপহরণ করাহয়। ৬টা ৫৪ মিনিটে এলাকা থেকে রওনা হয়ে তিনি প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ফিলিং স্টেশনে পৌঁছান সকাল ৭টা ১৮মিনিটে। ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মো. সোলেইমান নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যদের জানান 'তিন দফায় পুলিশের বিভিন্ন শাখা আমাদের সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ করে, আমাদের ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে হুজুরকে অপহরণ করা হয়নি'।

Sami

21,560 Aufrufe • vor 8 Monaten

আজকের বাংলায় আমরা এক অদ্ভুত দ্বিচারিতার সাক্ষী। যেখানে একজন মুসলমান, সে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী হোক, নওশাদ সিদ্দিকি হোক, রেজ্জাক মোল্লা হোক, মহম্মদ সেলিম হোক বা হুমায়ুন কবির— তার প্রথম পরিচয় হয়ে দাঁড়ায় তার কৌম। তৃণমূল বামফ্রন্ট বা কংগ্রেস দল যাই হোক , ধর্মের জন্য এরা সবাই এক।।তাদের কাছে কৌমের স্বার্থ আগে, সংবিধান পরে। তার জলজ্যান্ত প্রমাণ— রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী প্রকাশ্যেই বলেন, সংসদ ওয়াকফ আইন পাশ করলেও তারা মানবেন না। অথচ প্রতি পদে সংবিধানের দোহাই দেওয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিদ্দিকুল্লাকে মন্ত্রিত্ব থেকে সরানোর কথা একবারও ভাবেন না। ভাববেনই বা কেন কারণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেড রোডে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন যে আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই, তিনি এটাও বলেছিলেন যে তিনি কাফের নন এবং কাফেরদের সাথে লড়াই করতে হবে। অন্যদিকে, যদি কেউ হিন্দুদের স্বার্থের কথা বলেন— সাথে সাথেই তাকে "সাম্প্রদায়িক" তকমা দিয়ে বাম, কংগ্রেস এবং তৃণমূল একযোগে আক্রমণ শুরু করে। অথচ এই বাম-কংগ্রেসই কখনও হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে টু শব্দটিও করে না, যখন তিনি বলেন, "৩০ শতাংশ হিন্দুদের ভাগীরতিতে ভাসিয়ে দেওয়া হবে।" দুর্গাপুজো বন্ধ হয়ে গেলেও এদের কোনও মন্তব্য থাকে না। সরকার মহরমের কারণে দুর্গাপুজোর বিসর্জন পিছিয়ে দিলে এরা নিশ্চুপ। স্কুলে সরস্বতী পুজো বন্ধ হয়ে গেলেও মুখ খোলে না। কারণ একটাই— এরা সচেতনভাবে এক বিশেষ ধর্মের তোষণে লিপ্ত, আর হিন্দুদের ধর্মাচরণের অধিকারকে হেয় করার জন্য নীরব সম্মতি দেয়। "একই বৃন্তে দুটি কুসুম" বলার আড়ালে বাস্তবে ঘটে একপেশে তোষণ আর পক্ষপাত। সিদ্দিকুল্লা, নওশাদ, রেজ্জাক, সেলিমদের স্বার্থরক্ষায় যেভাবে সক্রিয়তা দেখা যায়, হিন্দুদের অধিকার রক্ষার প্রশ্নে তার লেশমাত্রও দেখা যায় না। এই দ্বিমুখী নীতির বিরুদ্ধে হিন্দু সমাজের সজাগ হওয়ার সময় এখনই। যারা মিথ্যা সাম্যের গান গেয়ে বিভাজনকেই বাড়িয়ে তুলছে, তাদের চিনে রাখার প্রয়োজন। হিন্দুদের কাছে আমাদের আহ্বান— সজাগ হোন, সংগঠিত হোন, নিজেদের স্বার্থরক্ষায় দৃঢ় হোন। আর এই তোষণমূলক রাজনীতির ফাঁদে আর যেন না পড়েন। বাম কংগ্রেস এবং তৃণমূল এই তিনজনই হিন্দুদের বিরুদ্ধে কাজ করে।।

Tarunjyoti Tewari

13,056 Aufrufe • vor 1 Jahr