Sensitive content

This media may contain sensitive content.

正在加载视频...

视频加载失败

চাচীর Ass এর ভেতর মাল আউট করলাম

42,089 次观看 • 10 个月前 •via X (Twitter)

0 条评论

暂无评论

原始帖子的评论将显示在这里

相关视频

সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর ১৮৯তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আজ কলকাতার কলেজ স্ট্রিট-এ অবস্থিত ওনার বাসভবনে উপস্থিত হয়ে তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করলাম। এ'বছর আমরা সাহিত্যসম্রাট রচিত অমর গান, ভারতের জাতীয় স্তোত্র বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ পালন করছি। তাঁর সাহিত্যকীর্তি এবং দেশপ্রেমের আদর্শ আজও আমাদের জাতীয় চেতনাকে প্রেরণা জোগায়। বঙ্কিমচন্দ্র শুধু বাংলা সাহিত্যকেই সমৃদ্ধ করেননি, তিনি ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বীজও রোপণ করেছিলেন তাঁর লেখনীর মাধ্যমে। তাঁর অমর সৃষ্টি ও আদর্শ আগামী প্রজন্মের পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে। সাহিত্যসম্রাটের প্রতি জানাই আমার বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।

Suvendu Adhikari

37,371 次观看 • 1 个月前

"আপনি করেন, আমি তিনটা নাম দিলাম ঐটা করেন, এখন ডিসি'টা তো করা যাচ্ছেনা। ডিসিটা চেঞ্জ হওয়ার আগ পর্যন্ত করতে পারতেছিনা, এই মাসের ভেতর চেঞ্জ হবে, আমাকে আপনি সুযোগ দেন।" রেলভবনে, রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) এর একান্ত সচিবের কক্ষে অপেক্ষমান এনসিপির সংগঠক (হবিগঞ্জ) নাহিদ উদ্দিন তারেক ফোনে এসব কাউকে বলেছিলেন। তার পাশের চেয়ারে আছেন সিনথিয়া জাহিন আয়েশা (সমন্বয়ক বদরুননেছা কলেজ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন) যুগ্ম সদস্য সচিব বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ। এর একটু পরই এখানে উপস্থিত হন মাহিন সরকার। রেল ভবনে, রেলওয়ের মহাপরিচালকের সাথে এদের কি কাজ থাকতে পারে? আর ফোনে কার নাম আর ডিসি পরিবর্তনের কথা আলোচনা করছিলেন এনসিপির সংগঠক নাহিদ উদ্দিন তারেক?

Sami

17,023 次观看 • 1 年前

আজ ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে দ্বাদশ কন্যাশ্রী দিবস উদ্‌যাপনের মঞ্চে আমি উপস্থিত ছিলাম। সারা রাজ্যের থেকে অনেক ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা সেখানে এসেছিলেন। সব জেলা থেকেও আমার অনেক কন্যাশ্রী মেয়ে, শিক্ষক-শিক্ষিকা, আধিকারিকরা ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের সকলকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীকে আজকে মঞ্চ থেকে তাঁদের অবদান ও সাফল্যের জন্য সম্মানিতও করা হল। তাঁদের সম্মান জানাতে পেরে আমরা গর্বিত। আর একটা বড় কাজের ঘোষণাও আমরা আজকে ওখান থেকে করলাম। আমাদের আর এক বিশ্বজয়ী প্রকল্প ‘সবুজসাথী’-র ফেজ ১১ -এর সাইকেল দেবার কাজ আমরা শুরু করব। এর আওতায় ২০২৫ সালে ক্লাস ৯-এ পড়ে এমন সাড়ে ১২ লক্ষ ছাত্রছাত্রী সাইকেল পাবে। এর জন্য আমাদের খরচ হবে ৫২৫ কোটি টাকা। ডিস্ট্রিবিউশন এই মাসের শেষ থেকেই শুরু হয়ে যাবে। আমি আমার সকল ছাত্র-ছাত্রীকে জানাই আমার আন্তরিক অভিনন্দন। এ প্রসঙ্গে বলি, ‘সবুজসাথী’ চালু হবার পর থেকে এখনো পর্যন্ত আমরা মোট ১ কোটি ৩৮ লক্ষেরও বেশী ছাত্রছাত্রীকে সাইকেল দিয়েছি। খরচ হয়েছে ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। কন্যাশ্রী প্রকল্প বিশ্বজয়ী। ৬২টি দেশের বহু শত প্রকল্পের মধ্যে এটা প্রথম স্থান অধিকার করে United Nations Public Service Award পেয়েছে। আজও ভার্চুয়ালি আমাদের কন্যাশ্রী প্রকল্পের প্রশংসা করেছেন ইউনিসেফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি সিনথিয়া ম্যাক্যাফ্রি। বাংলার মেয়েদের হাতে আমরা এখনো পর্যন্ত তুলে দিয়েছি সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা। এখন আমাদের রাজ্যে ৯৩ লক্ষের বেশি ‘কন্যাশ্রী’। এটা অত্যন্ত আনন্দের, এই প্রকল্প চালু করার ফলে অনেক বেশি সংখ্যক মেয়ে এখন স্কুলে পড়াশোনা করছে। মেয়েদের মধ্যে স্কুল ড্রপ আউটের সংখ্যা এই জন্য আমরা আগের জমানার তুলনায় উল্লেখযোগ্য ভাবে কমাতে পেরেছি। প্রাইমারীতে ২০১১-১২ সালে মেয়েদের মধ্যে ড্রপ আউট ছিল ৩.৬০% ; ২০২৩-২৪ - এ তা হয়েছে ০%। একজনও ড্রপ আউট নেই। আপার প্রাইমারীতে মেয়েদের মধ্যে ২০১১-১২-তে ড্রপ আউট ছিল ৪.৫৭% ; ২০২৩-২৪ – এ সেটাও হয়েছে ০%। একজনও ড্রপ আউট নেই। সেকেন্ডারীতে ২০১১-১২ সালে মেয়েদের মধ্যে ড্রপ আউট ছিল ১৬.৩২% ; ২০২৩-২৪ – এ কমে হয়েছে ২.৯%। হায়ার সেকেন্ডারীতে ২০১১-১২ সালে মেয়েদের মধ্যে ড্রপ আউট ছিল ১৫.৪১% ; ২০২৩-২৪ – এ সেটাই অনেকটা কমে হয়েছে ৩.১৭%। আগামী কাল স্বাধীনতা দিবস। আমি মনে করি সমাজ সত্যিকারের স্বাধীন তখনই হয় যখন সেই সমাজের নারীরা, কারো মুখাপেক্ষী না হয়ে, নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই জয় করার ক্ষমতা অর্জন করে। আমার প্রিয় ‘কন্যশ্রী’রা - তোমরা ভালো করে পড়াশোনা করে এগিয়ে যাও। মাথা নত না করে, কারও দ্বারস্থ না হয়ে জীবন যুদ্ধে জয়ী হও। তোমরা সাহসী হও, নির্ভীক হও, বীর তনয়া হও, বিশ্বজয়ী হও। জয় হিন্দ! জয় বাংলা!

Mamata Banerjee

15,365 次观看 • 1 年前

কলকাতা টিভি ভারতবর্ষের একটা রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের চ্যানেল না বাংলাদেশী কোন মৌলবাদীদের চ্যানেল? এই প্রশ্নটা কেন করলাম জানেন? হঠাৎ করে বাংলাদেশী ইউটিউবার পিনাকী ভট্টাচার্যর ( যদিও এটা মুসলমানে ধর্মান্তরিত হয়েছে) একটা ভিডিও দেখে অবাক হলাম।। এই চরম ভারত বিরোধী লোকটা পশ্চিমবঙ্গের একটা সংবাদ মাধ্যমের প্রশংসা করছে ।। দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত কৌস্তভ রায় এর চ্যানেল কলকাতা টিভির প্রচুর প্রশংসা শোনা যাচ্ছে এর মুখে।। তারপর ভিডিওটা মন দিয়ে দেখলাম।। কলকাতা টিভি রিপোর্ট দেখে রীতিমতো চমকে গেলাম পুরোপুরি।। জামাতের হয়ে সাওয়াল করছে এই চ্যানেল? ইসকনের সন্ন্যাসী দের গ্রেপ্তারীকে এত ছোট ভাবে দেখানোর সাহস তো বাংলাদেশী মৌলবাদী মিডিয়াও করেনি।। জামাতের জন্য এত কষ্ট? চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারি এত ছোট ঘটনা? কার টাকায় চলছে এই চ্যানেল? কোন দেশের সংবাদ মাধ্যমে এটা?

Tarunjyoti Tewari

24,393 次观看 • 1 年前

বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে আজ ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা সংক্রান্ত মুলতুবি প্রস্তাব আনে বিজেপি পরিষদীয় দল৷ সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষকে স্বাধীনভাবে ধর্মচর্চায় বাধা দেওয়া হচ্ছে এই বিষয়ে আলোচনা অত্যন্ত জরুরি। দুঃখের বিষয় অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় মহোদয় প্রস্তাব মঞ্জুর না করায় বিজেপি পরিষদীয় দল অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করে। এই সরকারের শাসনে বারবার এক বিশেষ সম্প্রদায় অন্য সম্প্রদায়কে ধর্মীয় আচরণে বাধা দিচ্ছে। সংবিধান অনুযায়ী, যেকোনও সম্প্রদায়ের স্বাধীন ভাবে ধর্মীয় আচরণের অধিকার রয়েছে। হিন্দু জনগোষ্ঠী এবং জনজাতিদের ধর্ম পালনে নিরাপত্তাহীনতার কথা যদি বিধানসভায় না আলোচনা করা যায়, তাহলে এর থেকে দুর্ভাগ্যের কি হতে পারে! প্রস্তাবের প্রতিলিপি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম:-

Suvendu Adhikari

13,707 次观看 • 1 年前

তোষণবাজ মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের হিন্দুদের অস্তিত্ব বিপন্ন করে তুলছেন । মালদহ জেলার মোথাবাড়ি অঞ্চলে বেছে বেছে হিন্দুদের দোকানপাট ভাঙচুর ও লুঠ করা হয়েছে। মূল রাস্তা দখল করে জেহাদিরা যথেচ্ছাচারে কি ভাবে গাড়ি ভাঙচুর করছে দেখুন। জেহাদিদের সামনে পড়ে 'নিধিরাম সর্দারের' ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া মমতা পুলিশ কে দেখুন, হাত জোড় করে যেনো করুণা প্রার্থনা করছে ! সংখ্যালঘু তোষণ করতে করতে গ্রেটার বাংলাদেশের ব্লু প্রিন্ট ক্রমশ বাস্তবায়ন করার পথে এগিয়ে চলেছে তোলামূল সরকার। তবে আমিও প্রতিজ্ঞা করলাম, এর শেষ দেখে ছাড়বো। আইনি পথে যেমন হাওড়া, শ্রীরামপুর, ডালখোলা, খিদিরপুর, রিষড়া, মোমিনপুরের জেহাদিদের বাগে এনেছি, ঠিক একই ভাবে এদের কেও শিক্ষা দেবো।

Suvendu Adhikari

24,213 次观看 • 1 年前

ভয়মুক্ত ভবানীপুর, আমার অঙ্গীকার 🙏 দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ভবানীপুর বিধানসভা এলাকায় মমতা ব্যানার্জী-র শাসনে একটি ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষ আজ তোলাবাজি, স্কোয়ার ফুট কাউন্সিলরদের দাদাগিরি ও দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পুলিশি হয়রানি ও কাটমানির সংস্কৃতি যা ভবানীপুরবাসীর জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। এভাবে আর চলতে পারে না। এবার দরকার আসল পরিবর্তন। যেখানে উন্নয়ন, সুশাসন এবং নিরাপত্তা হবে সুনিশ্চিত। আজ ভবানীপুরে নির্বাচনী প্রচারে একটি পথসভায় উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষ থেকে ব্যবসায়ী বন্ধু ও পথচারীদের যে উচ্ছ্বাস, ভালোবাসা ও আশীর্বাদ পেলাম, তা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছে পরিবর্তন শুধু সময়ের অপেক্ষা। এবার ভবানীপুর বলছে... "ভয় আউট, ভরসা ইন"। জয় ভবানীপুর 🙏

Suvendu Adhikari

20,046 次观看 • 3 个月前

কাউকে না কাউকে এই সত্যি কথা গুলো সাহস করে কখনো বলতেই হতো। ধন্যবাদ, জেড আই খান পান্না! ------------------------------------- স্বাধীন হইলেই হবে না, মানসিকতাও স্বাধীন থাকতে হবে। সংবিধান অকার্যকর না, অনেকটাই অকার্যকর করে ফেলেছে। আমি অন্য ভাবে আসি, সেটা হচ্ছে যে প্রথম ডক্টর ইউনুস বা উপদেষ্টা মন্ডলী। এপয়েন্টমেন্ট দিলো কে? আমি জানি না কে দিয়েছে। বলবে একটা ভোগাস কথা! জনগণ দিয়েছে, বা ছাত্ররা দিয়েছে। তো কত পারসেন্ট আছে ছাত্র? আর এমনি ছাত্র যে ৬-জন তাঁরা যখন হারুণের ভাতের হোটেলে ছিলো তখন ওইখানে বসে লিখিত স্টেটমেন্ট দিলো যে তাঁরা আন্দোলন উইথড্র করলো। তাঁর প্রেক্ষাপটে কিন্তু এইখানে আমরা কিছু আইনজীবীরা মুভমেন্ট করলাম এবং মামলা করলাম। তারপর তো একটা শেপ দিছে। জেল কিন্তু আমরাও খাটছি, টর্চার কিন্তু আমরাও সহ্য করছি। কোথাও কিন্তু একটা সাইন নিতে পারে নাই। সেই এটিচিউট আমাদের ছিলো না। এখন বিষয়টা হয়ে গেছে ভিন্ন। সাবসিকিয়েন্টলি ডক্টর ইউনুস এসে গেছেন। সাবসিকিউয়েন্টলি ফরমার প্রধানমন্ত্রী, কারো মতে জোর করে হয়েছে; কারো মতে ইলেক্টেড হয়েছে, উনি চলে গেছে। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার। এইখানে ব্যাসিকেলি খেলছে কারা সেটা আপনারাও বুঝেন, আমিও বুঝি। বাংলাদেশে ‘৭১-এর মতো সময়েও কিন্তু থানাগুলো খালি হয় নাই, এইবার খালি হইছে। এবং এই ট্রেন্ড কিন্তু যাবে না। খারাপ দিকের যে ট্রেন্ড সেটা কিন্তু যায় না, এইটা নেশার মতো। তো আমি যেটা দেখি এখন সেটা হচ্ছে ‘৭২-এর সংবিধান রেখে তাঁদের মতো সংশোধন করে নিবে। যেমনঃ কেয়ারটেকার সরকার নাই, ওকে সংবিধানের ১৫তম সংশোধন বাতিল করে দেই। কিন্তু প্রিয়েম্বেল চেঞ্জ করতে পারবে না। তাহলে আরেকটা ‘৭১-এর যুদ্ধ না, মহাযুদ্ধ করতে হবে। এবং উনাদের পাসপোর্ট-ভিসা রেডি আছে সেটাও আমরা জানি। আমরা কিন্তু এই দেশ ছাড়বো না, তাঁরা ছাড়বে। ইলিশ নাকি ইন্ডিয়ায় যাওয়া বন্ধ হইছে, তাহলে ইলিশের দাম ডাবল হয় কিভাবে? সাবেক চোরাচালান যারা করেছে, স্মাগলিং যারা করেছে, সিন্ডিকেট যারা করেছে, টাকা পাচার যারা করেছে তাঁদের বিরুদ্ধে কয়টা মামলা হইছে? রবীঠাকুরকে দিয়ে গীতাঞ্জলি লেখানো গেছে কিন্তু রাষ্ট্র চালানো যায় নাই। সেখানে গান্ধীজীকে দরকার হইছে, পন্ডিত জহরলাল নেহেরুকে দরকার হইছে। আল্লামা ইকবালকে দিয়ে কবিতা ও শায়ের লেখানো হইছে কিন্তু রাষ্ট্র চালানোর জন্য মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খানের দরকার হইছে। বাংলাদেশেও গাফফার চৌধুরীর একুশের যে গান সেটা এখনো উজ্জীবিত যা সবাইকে ‘৫২ থেকে এখন পর্যন্ত চেতনা দিচ্ছে কিন্তু তাঁকে দিয়ে রাষ্ট্র চালানো যায় নাই ল। রাষ্ট্র চালানোর জন্য কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে আনতে হইছে। মাওলানা ভাসানীও কিন্তু এই রিস্কটা নেন নাই। যদিও উনি ১৯৫৬ সালে বলেছিলেন “ওয়ালাইকুম আসসালাম”। মূলত ‘৭১-এ যেটা হইছে সেটা বঙ্গবন্ধুকে সামনে রেখে হইছে এতে কোন দ্বিধা দ্বন্দ নাই। ‘৭২-এ জাসদ করতে এসে বঙ্গবন্ধুর বিরোধীতা করা হইছে সত্যি কিন্তু তাঁকে বাদ দিয়ে স্বাধীনতা হয় নি।

Tarek Sumon

49,841 次观看 • 1 年前

দুর্গাপুজো বাংলা তথা বাঙালির সেরা উৎসব, আমাদের প্রাণের উৎসব, আমাদের গর্বের উৎসব। আমাদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে এর যোগ। এই পুজো এমন একটা আবেগ যা সকলকে এক করে দেয়। UNESCO পর্যন্ত দুর্গাপুজোকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে বিরল সম্মান জানিয়েছে। আজ আমি হাতিবাগান সর্বজনীন, টালা প্রত্যয় এবং শ্রীভূমি-র দুর্গাপূজা মণ্ডপ উদ্বোধন করলাম। সব জায়গায় উপস্থিত ছিলেন হাজার হাজার মানুষ, বহু গুণিজন, মন্ত্রীসভায় আমার অনেক সহকর্মী ও আধিকারিকরা। প্রতিটি অসাধারণ প্যান্ডেল এবং প্রতিটা সূক্ষ্ম শিল্পকর্মের পেছনে রয়েছে আমাদের শিল্পী, কারিগর এবং সংগঠকদের কয়েক মাসের অক্লান্ত পরিশ্রম। বাংলার সমৃদ্ধ সৃজনশীল ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখা এবং তাদের ভক্তি ও শ্রমের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের মুখে আনন্দ ফুটিয়ে তোলার জন্য আমি তাঁদের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। যদিও কালো মেঘ আমাদের আকাশে ছায়া ফেলেছে, আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে, মা দুর্গার কৃপায় এই সংকট কেটে যাবে। প্রার্থনা করি, মায়ের আশীর্বাদে বাংলার প্রতিটি পরিবারে সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি আসুক। দূর হোক ঘৃণা, জয়ী হোক ভালোবাসা, মানবতাবাদ। আমি মনে করি, একতা ও মানবিকতাই হল আমাদের প্রকৃত ভিত্তি। মানবতার কোনও জাত নেই, ধর্ম নেই, সম্প্রদায় নেই, মানুষ কেবল মানুষ। আর তাই বাংলার যেকোনো উৎসবে উদযাপন হয় একটাই ধর্মের। তার নাম মানব ধর্ম। এটাই বাংলার সংস্কৃতি, এটাই বাংলার ঐতিহ্য। জয় বাংলা! জয় মা দুর্গা!

Mamata Banerjee

34,752 次观看 • 11 个月前

ডায়মণ্ড হারবার মডেল - তোলাবাজ পুলিশের ইলিশ চুরি !!! মমতা পুলিশের তোলাবাজি দিনকে দিন দুর্নীতির নতুন শৃঙ্গ উত্তরণ করছে। সরকারি বেতনে অসন্তুষ্ট এই আদ্যোপান্ত দুর্নীতিগ্রস্ত তথাকথিত "আইন রক্ষক" এর দল নিজেরাই চৌর্যবৃত্তির পথ অবলম্বন করছে ! কি ভাবে এই চুরির সাম্রাজ্য বিস্তার করা যায় সেই পথ দেখায় ডাকাত সম্রাটের ডায়মণ্ড হারবার মডেল। গত কিছুদিন যাবৎ ডায়মণ্ড হারবারে মাছের আড়ৎ থেকে ইলিশ মাছ কিনতে যাওয়া ছোটো ছোটো মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে গাড়ি প্রতি চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা তোলা তুলেছিলো মমতা পুলিশ। টাকা দিতে না পারলেই ছোটো ইলিশ সরবরাহ করার অজুহাতে মাছ ভর্তি গাড়ি আটাকে রাখা হচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা। মগরা হাট থানার এক আধিকারিক সৈকত রায় তেমন ই একটি ইলিশ মাছ ভর্তি গাড়ি ধরেছিলেন। মাছ ব্যবসায়ীরা তার চাহিদা অনুযায়ী তোলা দিতে পারেননি। তারা দাবি করেন যে তারা ছোটো ইলিশ কেনেননি কিন্তু পুলিশ আধিকারিক সৈকত রায় সে কথায় কর্ণপাত না করে মাছ ভর্তি গাড়িটি আটক করেন। সারাটা দিন কেটে যাওয়ার পর যখন তিনি দেখেন যে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তোলা পাওয়া যাবে না তখন বিকেলের দিকে তিনি নিজেই ডায়মণ্ড হারবারের নগেন্দ্র বাজার মাছের আড়ৎ-এ সেই আটক করা গাড়ির মাছ বিক্রি করতে যান এবং তখনই মাছ ব্যবসায়ীরা তাকে সেখানেই হাতে নাতে ধরে ফেলেন এবং তুমুল বিক্ষোভ দেখান। মাছ ব্যবসায়ীদের আরোও অভিযোগ যে দুই (সিনটেক্স) পেটি ভর্তি ইলিশ মাছ গাড়ি থেকে পুলিশ ইতিমধ্যেই চুরি করে সরিয়ে ফেলেছে ! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বদান্যতায় এ রাজ্যের পুলিশ এখন 'তোলাবাজ পুলিশ' এর শিরোপা পেয়েছে। পুলিশ এখন আসামী, দুষ্কৃতীদের ধরার জন্য নয়, তোলাবাজির জন্যেই যেনো মোতায়েন করা হয়েছে। রাস্তায় যত্রতত্র ট্রাক বা ছোটো বাণিজ্যিক গাড়ি থেকে তোলা ওঠানোই এখন তাদের প্রধান কাজ। এবার তোলাবাজির অর্থ দিতে সক্ষম না হলে গাড়িতে থাকা মাল চুরি করে বিক্রি করে দিচ্ছে ! এটাই ডায়মণ্ড হারবার মডেল। এই সরকার টাকে তাড়াতেই হবে, নচেৎ বাংলার জনগনকে আরো কি কি যে দেখতে হবে তা ঈশ্বর ই জানেন।

Suvendu Adhikari

12,677 次观看 • 11 个月前

গতকাল ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনির কফিনে শ্রদ্ধা ও জানাজায় অংশ নিতে আসা বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলের উপস্থিতিতে পবিত্র কোরআন হতে নির্দিষ্ট আয়াত তেলাওয়াত করা হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সেসব আয়াত নিরীক্ষা করে মত দিয়েছেন যে প্রতিটি দেশের জন্যেই পৃথক-পৃথকভাবে তেলাওয়াত করা এসকল আয়াতের মাধ্যমে এক প্রকারের বার্তা প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পীকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ কফিনে শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হলে বাংলাদেশের জন্যে তেলাওয়াত করা হয় সূরা আল আহযাব এর ২৩ নম্বর আয়াত। যার বাংলা অর্থ: ​ “মুমিনদের মধ্যে কতক আল্লাহর সাথে তাদের কৃত অঙ্গীকার সত্যে পরিণত করেছে। তাদের কেউ কেউ (শাহাদাতবরণ করে) নিজেদের শপথ পূর্ণ করেছে, আর কেউ কেউ (শাহাদাতের) প্রতীক্ষায় আছে। এবং তারা তাদের অঙ্গীকারে সামান্যতমও পরিবর্তন করেনি।” উল্লেখ্য, উহুদের যুদ্ধের সময় রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সাথে যুদ্ধে যাওয়ার আগে অনেক সাহাবী আল্লাহর কাছে অঙ্গীকার করেছিলেন যে, তাঁরা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালাবেন না, শহীদ হওয়া পর্যন্ত লড়াই করবেন। সাদ ইবন মুয়াজ (রা.)-সহ কয়েকজন সাহাবী এই অঙ্গীকার পূর্ণ করেছিলেন। তিনি যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন। একই ধারাবাহিকতায়, সৌদি প্রতিনিধিদলের সময় বদর যুদ্ধের দুই বাহিনী সংক্রান্ত আয়াত (আলে ইমরান ৩:১৩) তেলাওয়াত করা হয়, ‍যা যুদ্ধে মুখোমুখি দুই বাহিনী সম্পর্কিত আয়াত — একটি মুমিন, অন্যটি কাফির। সূরা আলে ইমরান ৩:১৩ — বদর যুদ্ধের প্রসঙ্গে: “তোমাদের জন্য নিদর্শন ছিল সেই দুই দলে, যারা পরস্পরের সম্মুখীন হয়েছিল — এক দল আল্লাহর পথে লড়ছিল, অন্য দল ছিল কাফির।” তুরস্কের প্রতিনিধিদলের সময় তেলাওয়াত করা হয় সেই আয়াত যা “বসে থাকা” লোকদের ওপর জিহাদকারীদের মর্যাদা দেয়। সূরা আন-নিসা ৪:৯৫ — “আল্লাহ জান-মাল দিয়ে জিহাদকারীদেরকে বসে থাকা লোকদের ওপর মর্যাদায় শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন।” লেবাননের প্রতিনিধিদের সামনে তেলাওয়াত করা হয় এমন লোকদের কথা, যাদের কাছে ত্যাগ চাওয়া হলে তারা কৃপণতা করে। সূরা মুহাম্মাদ ৪৭:৩৭-৩৮ — “তিনি যদি তোমাদের কাছে তা চাইতেন ও চাপ দিতেন, তোমরা কৃপণতা করতে।” হিজবুল্লাহকে বলা হয়েছে: “দুর্বল হয়ো না, দুঃখ কোরো না — তোমরাই বিজয়ী/শ্রেষ্ঠ। ”সূরা আলে ইমরান ৩:১৩৯ — “তোমরা হীনবল হয়ো না, দুঃখিতও হয়ো না; তোমরাই শ্রেষ্ঠ, যদি তোমরা মুমিন হও।” ইয়েমেনের হুথি প্রতিনিধিদলের উদ্দেশ্যে তেলাওয়াত করা হয়েছে মুমিনদের প্রশংসাসূচক আয়াত, যারা যুদ্ধ করেছে কিন্তু দুর্বল হয়নি। সূরা আলে ইমরান ৩:১৪৬ — “আল্লাহর পথে তাদের ওপর যা আপতিত হয়েছে, তাতে তারা হীনবল হয়নি, দুর্বলও হয়নি, নতিস্বীকারও করেনি।” কাতার সরকারের প্রতিনিধিদের সামনে তেলাওয়াত করা হয়েছে ক্ষমা ও আল্লাহর অনুগ্রহ সংক্রান্ত একটি আয়াত — যা দেশটির মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রতি ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। সূরা আলে ইমরান ৩:১৫২-এর শেষাংশ — “তিনি তোমাদের ক্ষমা করেছেন; আল্লাহ মুমিনদের প্রতি অনুগ্রহশীল।”

Sami

20,990 次观看 • 1 个月前

উত্তরবঙ্গের সব জেলা থেকে আগত বহু মানুষ, জনপ্রতিনিধি, তৃণমূল স্তরের বিভিন্ন কর্মী ও সরকারী আধিকারিক সহ অন্যান্যদের নিয়ে আজ জলপাইগুড়িতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত দিন কাটালাম। গতকাল, নেপালে উদ্বেগজনক অবস্থার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি জলপাইগুড়িতে আসি এবং সারারাত উত্তরকন্যায় থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করি, সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক রাখি। আজ, আমি এখানে একটি সরকারি পরিষেবা প্রদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলাম। মহান সমাজ-সংস্কারক ও রাজবংশী নেতা ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে কর্মসূচি শুরু করি আজ। আমরা তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে কোচবিহারে পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়, তাঁর নামে একটি মিউজিয়াম ও লাইব্রেরি করেছি এবং তাঁর পূর্ণাবয়ব মূর্তিও স্থাপন করেছি। তাঁর জন্মবার্ষিকীতে সরকারি ছুটিও ঘোষণা করেছি। আমি গত ২৬ আগষ্ট বর্ধমান থেকে দক্ষিণবঙ্গের মানুষদের জন্য পাট্টা বিতরণ করেছিলাম। আজকের সভা থেকে উত্তরবঙ্গের ৮টি জেলার ১১,৬৭৪ জন উপভোক্তার হাতে পাট্টা তুলে দিলাম। গত ২০১১ সাল থেকে রাজ্যজুড়ে এ পর্যন্ত ৬ লক্ষ ৫৬ হাজারের বেশি পাট্টা দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালে সিকিমে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তিস্তার আচমকা জলস্ফীতিতে মাল ব্লকের সুন্দরী বস্তির টোটগাঁও গ্রামের ৯৮টি পরিবারের বাসস্থান ও চাষের জমি বন্যায় ভেসে যায়। আজকে আমরা সেই ৯৮টি পরিবারকেও বিকল্প স্থানে জমির পাট্টা দিলাম। আজকে আলিপুরদুয়ার জেলার লঙ্কাপাড়া চা-বাগানের ১,১০৬ টি পরিবারের হাতে চা সুন্দরী প্রকল্পে নির্মিত বাড়ির কাগজ তুলে দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে জলপাইগুড়ি জেলায় ১,০৫৩টি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ২,৯৬৯টি বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, চা সুন্দরী এক্সটেনশন প্রকল্পেও প্রায় ২২ হাজার বাড়ি নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এবার উত্তরবঙ্গের চা বাগানগুলির কর্মীদের জন্য ২০% পূজা বোনাস ঘোষণাও করা হয়েছে। কেন্দ্র বন্ধ চা বাগান খুলতে পারেনি। আমরা বন্ধ চা বাগান খোলায় উদ্যোগী হয়েছি। এবছরেই আমাদের উদ্যোগে ২০টি চা বাগান খোলা হয়েছে। ১৯ হাজারের বেশি চা শ্রমিক উপকৃত হয়েছে। এর আগেও ৫৯টি চা বাগান খোলা হয়েছে। আজ এই সভা থেকে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার মানুষের হাতে তুলে দিলাম বহুবিধ সরকারি পরিষেবা, যার মধ্যে আছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, শিক্ষাশ্রী, ঐক্যশ্রী, মেধাশ্রী, রূপশ্রী সহ আরো অনেক প্রকল্পের সুবিধা। জলপাইগুড়ি জেলায় ২৫৪ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকার ১০৫টি প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন এবং ১৪২ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকার ৯০টি প্রকল্পের শুভ শিলান্যাসও আজ করা হল। এর মধ্যে আছে কালিম্পং জেলায় ৭ কোটি ৪১ লক্ষ টাকায় পেশক খোলার উপর ৪২ মিটার দীর্ঘ একটি নতুন ব্রিজ যা মূলত তিস্তা বাজার ও পেশকের মাধ্যমে কালিম্পং ও দার্জিলিংকে যুক্ত করল। এখানকার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। পর্যটকরাও সুবিধা পাবেন। এছাড়া উদ্বোধন হল জলপাইগুড়ি জেলায় বড় বড় পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্প, রাস্তা, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প, ইত্যাদি। জলপাইগুড়ি জেলার দেবী চৌধুরানী এবং ভবানী পাঠক-এর ঐতিহাসিক মন্দিরের আমরা আমূল সংস্কার করেছি। সেটাও আজকের সভা থেকে মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হল। আমরা জলপাইগুড়িতে দেবী চৌধুরানী মন্দির থেকে জল্পেশ মন্দির পর্যন্ত একটা ধর্মীয় ট্যুরিজম সার্কিটও করছি। আজ অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের শিলান্যাসও করা হল যার মধ্যে অন্যতম ২১ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা খরচ করে চেংমারি নাগরাকাটা সড়কে কুজি দৈনা নদীর উপর পুরোনো ব্রীজের পরিবর্তে নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা প্রকল্প। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আমাদের সরকার উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। গত ১৪ বছরে শুধু উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য আমাদের সরকার সব দপ্তর মিলিয়ে বরাদ্দ করেছে মোট প্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকা। উত্তরবঙ্গে রাজ্য সচিবালয়, পুলিশ কমিশনারেট, আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পং জেলা, ইউনিভার্সিটি, কলেজ —সব করা হয়েছে। উন্নয়নের এই ঢেউ বিজেপিকে ঈর্ষান্বিত করেছে। তাই তারা এখন বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোতে শুধু মাতৃভাষায় কথা বলার জন্য বাঙালিদের হেনস্থা করছে যার মধ্যে অসংখ্য রাজবংশী, আদিবাসী, মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষও আছেন। ২৪ হাজারের বেশি বাঙালি বিভিন্ন জায়গায় অত্যাচারিত হয়ে বাংলায় ফিরে এসেছেন। আমরা তাঁদের আপন করে নিয়েছি। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য চালু করেছি 'শ্রমশ্রী' প্রকল্প। এ বছর থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের সম্মানে আমরা বিশ্বকর্মা পুজোর দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করলাম।

Mamata Banerjee

37,201 次观看 • 11 个月前

মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়া, গতকাল বিধানসভায় আপনি দিঘার জগন্নাথ 'মন্দির' নিয়ে আমাকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন ও আমার "বুকের পাটা" সংক্রান্ত মন্তব্য করার ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন। যেহেতু আপনি দাবি করছেন যে, সনাতন ধর্মের অন্যতম পীঠস্থান; পুরীর জগন্নাথ ধামের অনুকরণ করে 'মন্দির' নির্মাণ করছেন, দিঘায় তীর্থক্ষেত্র স্থাপন করার উদ্দেশ্যে, তাই আমি আপনাকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি, যদি আপনার "বুকের পাটা" রয়েছে, তাহলে:- ১) আজই নির্দেশ দিন যে, সরকারী অর্থ ব্যয় করে, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সমস্ত সরকারি নথিতে "জগন্নাথ ধাম সংস্কৃতি কেন্দ্র" শব্দবন্ধটি ব্যবহার করা হয়েছে, তা বদলে "শ্রীশ্রী জগন্নাথ মন্দির" করে দেওয়া হোক। WBHIDCO এর টেন্ডার ও ওয়ার্ক অর্ডারের নথি, যা আমি সংযুক্ত করেছি, সেখানে যেনো এই পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। ২) পুরীর শ্রীশ্রী জগন্নাথ মন্দিরে হিন্দু ব্যতীত আর কোনও অন্য ধর্মাবলম্বী মানুষজনের প্রবেশাধিকার নেই। মন্দিরের সিংহদ্বারের কাছে পাথরের ফলকে পাঁচটি ভাষায় (হিন্দি, ওড়িয়া, বাংলা, ইংরেজি এবং উর্দু) স্পষ্ট ভাবে প্রবেশ সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী লেখা রয়েছে। ছবিটি এই পোস্টের সাথে সংযুক্ত করলাম। আপনিও নির্দেশ দিন উৎকলের শ্রীক্ষেত্র; পুরীর জগন্নাথ ধামের মতোই দিঘাতেও 'মন্দিরের' প্রধান দ্বারের পাশে ফলক লাগানো থাকবে যে "হিন্দু ব্যতীত অন্য কোনও ধর্মাবলম্বী মানুষজনের প্রবেশাধিকার নিষেধ।" আপনি আমার "বুকের পাটা" নিয়ে মন্তব্য করেছেন, তাই আপনার জ্ঞাতার্থে আর একবার স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, আপনি যখন ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে এসেছিলেন, তখন "বুকের পাটা" ছিল বলেই ১৯৫৬ ভোটে আপনাকে হারিয়েছিলাম। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন ও এই দুটি কাজ করে দেখান, তবে বুঝবো যে আপনার "বুকের পাটা" আছে এবং চাপে পড়ে 'বক ধার্মিক' সাজছেন না। জয় জগন্নাথ 🚩

Suvendu Adhikari

11,204 次观看 • 1 年前