Video wird geladen...

Video konnte nicht geladen werden

Zur Startseite

চায়ের আড্ডায়

13,597 Aufrufe • vor 4 Monaten •via X (Twitter)

0 Kommentare

Keine Kommentare verfügbar

Kommentare vom Original-Post werden hier angezeigt

Ähnliche Videos

সম্প্রতি সংবাদ চ্যানেলে সম্প্রচারিত সাক্ষাৎকারে 'সততার প্রতিমূর্তির' ভাবমূর্তি তৈরি করার চেষ্টা করলেন ওনার পুলিশের হাতে তিরিশটার বেশি কেস খাওয়া চ্যানেলের সম্পাদক মহাশয়। সাধারণ ছাপোষা জীবনযাপন, বেতন নেন না, চায়ের পয়সা নিজে মেটান ইত্যাদি দেখিয়ে একদা 'সততার প্রতীক' ভাবমূর্তি যা এখন পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির কালো ছায়ায় ঢেকে গেছে তা উদ্ধার করার মরিয়া চেষ্টা করা হয়। যদিও মানুষের মনে গেঁথে গেছে উনি ও ওনার দলের নেতৃত্ব শুধু গলা অব্দি দুর্নীতিতে ডুবে নয়, দুর্নীতির মহাসাগরেই বিচরণ করেন। লোক দেখানো হাওয়াই চটি পরেন দেখানো হচ্ছে কিন্তু জনসাধারণের ট্যাক্সের টাকায় হেলিকপ্টার ও চার্টার্ড বিমান চড়ে ঘুরে বেড়ান, সড়ক পথে যাতায়াত পছন্দ নয় সেটা উহ্য রয়ে গেলো !!! এই পোস্টের সাথে একটা ভিডিও সংযুক্ত করা হয়েছে, জায়গাটি দক্ষিণ কলকাতার বুকে ওনার বর্তমান আবাসন সংলগ্ন। এখানেই প্রাসাদোপম বহুতল অট্টালিকা তৈরি হবে রাণীমা'র জন্যে। বেতনের টাকা বিলিয়ে দেওয়ার পর এই বহুমূল্য কোটি কোটি টাকার জমি কেনার টাকা এলো কোথা থেকে? লোক দেখানো টালির চালায় কি আর মন ধরছে না?

Suvendu Adhikari

10,556 Aufrufe • vor 4 Monaten

সাগর পাড়ে নোঙ্গর করা সারি সারি মাছ ধরার নৌকা। দোকান পাটে ঝিমিয়ে সময় পার করছে দোকানীরা আর নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় সেন্ট মার্টিনের শিক্ষার্থীরা। অনেকেই স্কুল ছেড়ে চলে যাচ্ছে। তাদের অভিভাবকদের বেশিরভাগ মৎস্যজীবী নয়তো পর্যটক ব্যবসার সাথে জড়িত। নিজের কথা বলার সময় সেন্ট মার্টিন স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেনীর শিক্ষার্থী সাকিবের চোখ ছলছল করছিল। জানাচ্ছিল তাদের অভাবের জীবনের গল্প। তার বাবা একজন মৎস্যজীবী। এখন আয় রোজগার নেই। তাই বাবার পরনের শার্ট পড়ে স্কুলে এসেছে। অভাবের সাথে সাথে দ্বীপে এখন তাদের স্বাধীনতাটুকুও নেই। একই স্কুলের নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী হালিমাতুস সাদিয়ার গলায় অনুযোগের সুর, 'আমরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। বিদ্যুৎ, আয় রোজগার সবদিক থেকেই বঞ্চিত। এই দেশের নাগরিক হয়েও যদি আমরা স্বাধীন ভাবে চলতে না পারি! মায়ের গহনা বিক্রি করে অনার্সে ভর্তি হওয়া দেলোয়ার অর্থের অভাবে ক্লাসে যেতে পারছেনা। বলছিল বুকে জমা হওয়া দীর্ঘশ্বাসের কথা। দ্বীপ জুড়ে মানুষের হাহাকার আর অনিশ্চয়তার করুন ছবি। নেই জীবিকা। বাড়ছে ঋণের বোঝা আর ক্ষুধার জ্বালা। দশ হাজার মানুষের বসতির এই দ্বীপে এখন শুধুই আতঙ্ক, উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা। চায়ের দোকান, বাজার, পাড়া মহল্লা, মসজিদ সব জায়গায় সবার একই প্রশ্ন, কি হতে যাচ্ছে? তারা তো এই দেশের নাগরিক। পরিবেশ যদি সমস্যা হয় তাহলে কতৃপক্ষ নিয়ম কানুন করে দিক। মানুষের মনে সন্দেহ আছে। সেই সন্দেহ দিন দিন বাড়ছে। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের মানুষ এক সময় শুধু মাছ ধরে তাদের জীবিকা নির্বাহ করতো। ২০০০ সালের পর সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকের যাতায়াত শুরু হলে তাদের জীবন জীবিকায় যুক্ত হয় পর্যটন শিল্প। এখন এই দুটোর কোনটিই আর নেই। দ্বীপবাসীর জিজ্ঞাসা ভাত বন্ধ থাকলে তারা কিভাবে ভালো থাকবে? সেন্ট মার্টিন ভালো নেই। Syfullah Faruque Abu Sayed Ziauddin Sarwar Saimon MD5HT Probir Kumar Sarker The Spirit of 71 Awan Shikder🇧🇩 Lets Fight ননসেন্স্ Himalaya🇧🇩 Zaman S Shohel Arifin Mollah Arafath @meetasultana ননসেন্স্ shayera @BensonBabu0

Tarek Sumon

17,460 Aufrufe • vor 9 Monaten

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীতে তাঁকে জানাই শত-শত প্রণাম। গুরুদেব পরাধীনতার সময়ে সাহিত্য, সঙ্গীত ও দর্শনের মাধ্যমে স্বাধীনতার চেতনাকে নতুন গতি দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন এক মহান কবি এবং ভারতীয় আত্মার শক্তিশালী কণ্ঠস্বর। তাঁর শব্দে ছিল গভীর সংবেদনশীলতা, চিন্তায় ছিল স্বাধীনতার বার্তা এবং সৃষ্টিতে ছিল বিশ্ববন্ধুত্বের চেতনা। তাঁর কালজয়ী সৃষ্টি ‘গীতাঞ্জলি’ মানবতা, আধ্যাত্মিকতা ও সংবেদনশীলতাকে নতুন দিশা দিয়েছে। ‘জন গণ মন’-এর মাধ্যমে তিনি জাতির ঐক্য, মর্যাদা ও আত্মসম্মানকে কণ্ঠ দিয়েছিলেন। কবিগুরুর জীবন আমাদের স্বাধীন চিন্তা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক সমন্বয়ের প্রেরণা দেয়। তাঁর আদর্শ, চিন্তাধারা ও সাহিত্য চিরকাল আমাদের পথপ্রদর্শন ও অনুপ্রেরণা জোগাতে থাকবে।

Amit Shah

594,168 Aufrufe • vor 1 Monat

বিচিত্র এই বঙ্গে, উচ্ছেদের দুই চিত্র:- একদিকে: বোলপুরে ভেঙে ফেলা হয়েছে ঘর ও বাবার দোকান, স্কুল থেকে ফিরে সব সম্বল হারানোর যন্ত্রণায় কান্নায় ভেঙে পড়েছে দুই খুদে !!! বোলপুর-শ্রীনিকেতন রোডের উপর অবস্থিত ছিল এই দোকান। অন্যদিকে: রাজারহাট নিউটাউন এলাকার চকপাঁচুড়িয়া মৌজায় পূর্বতন সরকারের দ্বারা অধিকৃত জমিতে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের মদতে অসাধু ব্যবসায়ীরা সরকারি জমি অবৈধ ভাবে দখল করে বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ বানাচ্ছেন, অথচ HIDCO-র কর্তাদের চোখে তা পড়ে না। পুলিশ তো ঘুষ পেলে চোখে ঠুলি পরে নেয়, তারপর এই সব বেআইনি কাজকর্ম নজরে আসে না। এই রকম ভুরি ভুরি উদাহরণ রয়েছে, প্রয়োজনে আরও প্রকাশ করবো ভবিষ্যতে:-

Suvendu Adhikari

28,185 Aufrufe • vor 2 Jahren