Sensitive content

This media may contain sensitive content.

Загрузка видео...

Не удалось загрузить видео

На главную

জামানো মাল।

56,857 просмотров • 3 лет назад •via X (Twitter)

Комментарии: 0

Нет доступных комментариев

Здесь появятся комментарии из оригинального поста

Похожие видео

সেই একটা মাল 🍆🍆
2:07

Sensitive content

সেই একটা মাল 🍆🍆

coll ggg

103,381 просмотров • 2 лет назад

এটা বিরোধী দলনেতা? চাটনব্রত এবার শুভেন্দুকে তেল দিতে ওর পদাঙ্ক চেটে পাশের চেয়ারে বসার তালে ছিল। সরিয়ে দিয়েছে। আগেও একবার শুভেন্দুর পেছনে হেঁটে বিধানসভায় শাসক বেঞ্চের দিকে চলে যাচ্ছিল। শুভেন্দু সরিয়েছিল। আসলে এই টাইপের মেরুদন্ডহীন ব্যক্তিত্বহীন চাটনদের শুভেন্দু বিরোধী নেতা হিসেবে পোষে, যাতে সরকারের প্রকৃত বিরোধিতা ওরা না করে। আর চাটনকে দেখুন। আগে সিপিএমের পেছনে ঘুরত। তারপর অভিষেকের দয়ায় দাঁড়িয়ে ছিল। এখন বেইমানি করে শুভেন্দুর পেছন পেছন হেঁটে চেয়ার রাখতে চাইছে। কৃমি টাইপের বালিশচাটা মাল। এত আত্মসম্মানহীন মানুষ হতে পারে? অবশ্য বেইমান, দলবদলু তো। চাটাই ওর কাজ।

Kunal Ghosh

39,078 просмотров • 1 месяц назад

ক্রিপ্টোর ওল্ড ইউজার যারা আছেন তারা জানেন Seedify.fund - Official এবং তার ফাউন্ডার Meta Alchemist সম্পর্কে! বিলিয়ন ডলারের একটা প্রজেক্ট ছিল। ২০২০-২১ সাইকেল পুরোটা ডমিনেট করসিল এই প্রজেক্ট! তো এই Seedify এর ফাউন্ডার RobinHood Chain এ একটা লঞ্চপ্যান্ড লঞ্চ করতেসে। আপাতত প্রজেক্ট এর টেস্টনেট চলে। টেস্টনেট ইউজার রা মেইননেট টোকেনের 5% সাপ্লাই এয়ারড্রপ পাবে। Dev পিউর ক্রাক! CZ Binance অবধি এই মাল রে ফলো করে টুইটারে। প্রজেক্ট যদি ভালো করে,সেক্ষেত্রে এয়ারড্রপ টা ভালোই হবে। তার চেয়ে বড় কথা পুরাই Undiluted, কেউ জানেই নাহ এই এয়ারড্রপ সম্পর্কে! যেহেতু সম্পূর্ণ ফ্রি এয়ারড্রপ, এটা মিস করা বিশাল বোকামি হবে!!! 0x35CF61363F0017a32A22a72ffe76a64Cd22409dd আমি নিজে একটা টোকেন লঞ্চ করলাম এই লঞ্চপ্যাডে। সবাই অবশ্যই কিনবেন হেহে!!

Zing

15,632 просмотров • 21 дней назад

আমি: কাকিমা, আজকে টমেটো, গাজর, ধনেপাতা সব মিলিয়ে ১২০ টাকার মাল নিলাম। কিন্তু পকেটে এখন মাত্র ৫০ টাকা আছে। বাকিটা কাল দিয়ে দিব? কাকিমা: আরে বাবু, এটা কী বলছো? বাজারে সবাই টাকা দিয়ে মাল নেয়। তুমি তো নিয়মিত কাস্টমার, কিন্তু আজকে টাকা না থাকলে কী করব? মাল তো ফেরত নিতে পারব না। আমি: কাকিমা, সত্যি বলছি, বাড়িতে টাকা ভুলে এসেছি। প্লিজ একটু ম্যানেজ করে নাও। কাকিমা: (চারপাশে তাকিয়ে, লোকজনের ভিড় দেখে হেসে) দেখো, এখানে অনেক লোক। আমি কী করে ম্যানেজ করব? তুমি যদি সত্যি টাকা না দিতে পারো তাহলে অন্য কোনো উপায়ে দিতে হবে। আমি: কাকিমা, কী উপায়? কাকিমা: (মুচকি হেসে, গলা নামিয়ে) বাবু, তুমি তো বড় হয়ে গেছো। আমার দোকানে বসে থাকো। লোকজন চলে গেলে দেখা যাবে কী করা যায়। (কিছুক্ষণ পর, ভিড় একটু কমলে) আমি: কাকিমা, তুমি খুব সুন্দর দেখতে! কাকিমা: (চোখ সরু করে হেসে) ওরে শয়তান ছেলে! লজ্জা করে না? এখানে পাবলিক মার্কেটে বসে এসব বলছিস? আমি: কাকিমা, সত্যি বলছি, তোমাকে দেখে আমার শরীর গরম হয়ে যাচ্ছে। কাকিমা: (চারপাশে তাকিয়ে, গলা নামিয়ে) তাহলে কী করবি? টাকার বদলে কাকিমাকে কিছু দিতে চাস? আমি: নিশ্চয়ই! কাকিমা: (লজ্জা মিশিয়ে হেসে) পাগল ছেলে! এখানে লোকজন আছে। কিন্তু... (দোকানের পিছনে একটু ঢাকা জায়গায় ইশারা করে) আয়, একটু পিছনে আয়। লোকজন দেখতে পাবে না। (দুজনে দোকানের পিছনে সরু গলিতে চলে গেলাম, কিন্তু পাশ দিয়ে লোকজন যাচ্ছে) কাকিমা: দেখ, কাকিমার বুক কেমন? ছুঁয়ে দেখ। আমি: (হাত দিয়ে কাকিমার বুক চেপে ধরলাম) উফফ কাকিমা, তোমার বুক খুব নরম আর বড়। কাকিমা: (আঃ করে ফিসফিস করে) জোরে চাপ রে বাবু... কিন্তু সাবধান, পাশ দিয়ে লোক যাচ্ছে। কেউ দেখলে কী হবে? আমি: কাকিমা, তোমার টপ খুলে বুক বের করো। কাকিমা: (চারপাশে তাকিয়ে একটু উপরে তুলে বুক বের করে দিল) দেখ... কাকিমার বুক তোর সামনে। চুষবি? আমি: হ্যাঁ কাকিমা। (আমি কাকিমার বুকের বোঁটা মুখে নিয়ে জোরে চুষতে শুরু করলাম। কাকিমা আঃ আঃ করে কাঁপছিল, পাশ দিয়ে লোকজন হেঁটে যাচ্ছে) কাকিমা: উফফ্... জোরে চুষ রে... কামড়া... আহহ্... লোকজন দেখতে পেলে কী হবে? কিন্তু থামিস না... (বুক চোষার পর) কাকিমা: চল, দোকানের পিছনে আরেকটু ভিতরে যাই। লোকজনের ভিড়ে এখনো ঝুঁকি আছে। (দোকানের পিছনে একটা ছোট্ট ঢাকা জায়গায়) কাকিমা: প্যান্ট খুলে তোর বাঁড়া বের কর। আমি: কাকিমা, তোমার সামনে আমার বাঁড়া শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। কাকিমা: (হাত দিয়ে বাঁড়া ধরে) উফফ্... কত মোটা! কাকিমার গুদে ঢোকাতে চাস? আমি: হ্যাঁ কাকিমা। কাকিমা: আয়, কাকিমার গুদে বাঁড়া ঢোকা। লোকজন দেখতে পেলে কী হবে জানি না, কিন্তু চোদ। (আমি কাকিমাকে দেওয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে পেছন থেকে বাঁড়া গুদে ঢুকিয়ে জোরে ঠাপাতে শুরু করলাম) কাকিমা: আহহ্... মাগো... অনেক মোটা... গুদ ফেটে যাচ্ছে... জোরে ঠাপা... লোকজন যাচ্ছে পাশ দিয়ে... দেখতে পেলে কী হবে... আহহ্... থামিস না... কাকিমা: চল, দোকানের সামনে ফিরে যাই। লোকজনের সামনেই চোদবি। (দোকানের সামনে, লোকজনের ভিড়ের মাঝে, কাকিমা বসে থাকা অবস্থায় আমি তার পিছনে বসে শাড়ি তুলে বাঁড়া ঢুকিয়ে চোদতে শুরু করলাম) কাকিমা: (ফিসফিস করে) শালা নোংরা... পাবলিকের সামনে কাকিমাকে চোদছিস... জোরে ঠাপা... গুদ ফাটিয়ে দে... কাকিমা: আমাকে দোকানের উপর শুইয়ে পা তুলে চোদ। লোকজন দেখুক। (কাকিমাকে দোকানের মাদুরের উপর শুইয়ে পা দুটো আকাশে তুলে আমি জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম। পাশ দিয়ে লোকজন টমেটো কিনছে, কেউ কেউ অবাক হয়ে তাকাচ্ছে) কাকিমা: আহহ্... দেখ... সবাই দেখছে... কাকিমাকে পাবলিকে চোদা হচ্ছে... তোর বাঁড়া আরও গভীরে ঢোকা... গুদের ভিতরটা ফাটিয়ে দে... রস ছিটকে বের কর... আমি: কাকিমা, তোমার গুদ খুব টাইট আর গরম। আমি আর পারছি না। কাকিমা: থামবি না... চোদ... চোদ... পাবলিকের সামনে কাকিমাকে রেন্ডি বানিয়ে চোদ... বুক চেপে ধর... বোঁটা কামড়া... আহহ্... আমি যাচ্ছি... গুদ থেকে রস বের হচ্ছে... কাকিমা: এখন আমাকে কোলে তুলে চোদ। লোকজনের সামনে হাঁটতে হাঁটতে চোদবি। (আমি কাকিমাকে কোলে তুলে তার গুদে বাঁড়া ঢুকিয়ে হাঁটতে হাঁটতে ঠাপাতে লাগলাম। মার্কেটের লোকজন অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখছে) কাকিমা: উফফ্... সবাই দেখছে... কাকিমাকে কোলে চোদা হচ্ছে... জোরে ঠাপা... গুদ ফাটিয়ে দে... আজ কাকিমা তোর পাবলিক রেন্ডি... (এরপর কাকিমাকে মাদুরের উপর উপুড় করে শুইয়ে পেছন থেকে চোদা, তারপর মুখে বাঁড়া ঢুকিয়ে চুষানো, তারপর আবার গুদে ঢুকিয়ে চোদা ) কাকিমা: শেষ কর... তোর গরম রস কাকিমার গুদে ঢেলে দে... পাবলিক দেখুক... আজ কাকিমা তোর বাঁড়ার পুরো দাসী হয়ে গেল... (দীর্ঘক্ষণ চোদাচুদির পর আমি কাকিমার গুদের ভিতর গরম রস ঢেলে দিলাম। কাকিমা কাঁপতে কাঁপতে চিৎকার করে উঠল)

Desi বাঙালি bull

10,644 просмотров • 5 месяцев назад

আজকের বৈঠক ছিল আমাদের দীর্ঘ সংগ্রামের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। আমরা স্পষ্ট করে দিয়েছি যে অপশাসন, যে ফ্যাসিবাদ আমাদের দেশের গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছে, তা আর কখনোই ফিরতে দেওয়া যাবে না। জাতীয় নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে আমরা তিনটি মূল দাবি উত্থাপন করেছি: 1.নতুন সংবিধান, যা জনগণের সত্যিকারের ক্ষমতায়নের প্রতিফলন ঘটাবে। 2.গণপরিষদ নির্বাচন, যার মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। 3.আওয়ামী লীগের বিচার, যারা গণতন্ত্রকে গুম করেছে, যারা ছাত্র-জনতার রক্ত ঝরিয়েছে, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। আমরা বলেছি, আওয়ামী লীগ এখন রাজনীতিতে একটি মৃত কাঠামো। এদের আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেওয়া যাবে না। এদের প্রথমে নিবন্ধন বাতিল করতে হবে, তারপর চূড়ান্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। আমরা আপসের রাজনীতি চাই না। ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচার চাই। যারা ছাত্র আন্দোলনের কর্মীদের হত্যা করেছে, যারা রাষ্ট্রযন্ত্রকে দলীয় অস্ত্রে পরিণত করেছিল, তাদের বিচারিক প্রক্রিয়ায় কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। এই মাসেই নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটবে। নতুন সংবিধান রচনার লড়াইয়ে আমরা সবাই একসঙ্গে থাকব। যারা গণতন্ত্রের পক্ষে, যারা সত্যের পক্ষে, তারা এই লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গী হবে। আজকের বৈঠকে ২৬টি রাজনৈতিক দল ও জোটের শতাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এখন সেই সব সংস্কারের সুপারিশ নিয়ে এগিয়ে যাবে, যা বাংলাদেশকে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করবে। আমরা স্পষ্ট করে বলেছি আমাদের সংগ্রাম আপসের জন্য নয়, আমাদের সংগ্রাম ন্যায়বিচারের জন্য। যারা গণহত্যা চালিয়েছে, যারা রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত লুটের মাল বানিয়েছে, তাদের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নতুন প্রজন্মের হাতে, আর সেই ভবিষ্যৎ হবে এক নতুন, ন্যায়ের বাংলাদেশ।

Md Sarjis Alam

27,353 просмотров • 1 год назад

ডায়মণ্ড হারবার মডেল - তোলাবাজ পুলিশের ইলিশ চুরি !!! মমতা পুলিশের তোলাবাজি দিনকে দিন দুর্নীতির নতুন শৃঙ্গ উত্তরণ করছে। সরকারি বেতনে অসন্তুষ্ট এই আদ্যোপান্ত দুর্নীতিগ্রস্ত তথাকথিত "আইন রক্ষক" এর দল নিজেরাই চৌর্যবৃত্তির পথ অবলম্বন করছে ! কি ভাবে এই চুরির সাম্রাজ্য বিস্তার করা যায় সেই পথ দেখায় ডাকাত সম্রাটের ডায়মণ্ড হারবার মডেল। গত কিছুদিন যাবৎ ডায়মণ্ড হারবারে মাছের আড়ৎ থেকে ইলিশ মাছ কিনতে যাওয়া ছোটো ছোটো মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে গাড়ি প্রতি চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা তোলা তুলেছিলো মমতা পুলিশ। টাকা দিতে না পারলেই ছোটো ইলিশ সরবরাহ করার অজুহাতে মাছ ভর্তি গাড়ি আটাকে রাখা হচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা। মগরা হাট থানার এক আধিকারিক সৈকত রায় তেমন ই একটি ইলিশ মাছ ভর্তি গাড়ি ধরেছিলেন। মাছ ব্যবসায়ীরা তার চাহিদা অনুযায়ী তোলা দিতে পারেননি। তারা দাবি করেন যে তারা ছোটো ইলিশ কেনেননি কিন্তু পুলিশ আধিকারিক সৈকত রায় সে কথায় কর্ণপাত না করে মাছ ভর্তি গাড়িটি আটক করেন। সারাটা দিন কেটে যাওয়ার পর যখন তিনি দেখেন যে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তোলা পাওয়া যাবে না তখন বিকেলের দিকে তিনি নিজেই ডায়মণ্ড হারবারের নগেন্দ্র বাজার মাছের আড়ৎ-এ সেই আটক করা গাড়ির মাছ বিক্রি করতে যান এবং তখনই মাছ ব্যবসায়ীরা তাকে সেখানেই হাতে নাতে ধরে ফেলেন এবং তুমুল বিক্ষোভ দেখান। মাছ ব্যবসায়ীদের আরোও অভিযোগ যে দুই (সিনটেক্স) পেটি ভর্তি ইলিশ মাছ গাড়ি থেকে পুলিশ ইতিমধ্যেই চুরি করে সরিয়ে ফেলেছে ! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বদান্যতায় এ রাজ্যের পুলিশ এখন 'তোলাবাজ পুলিশ' এর শিরোপা পেয়েছে। পুলিশ এখন আসামী, দুষ্কৃতীদের ধরার জন্য নয়, তোলাবাজির জন্যেই যেনো মোতায়েন করা হয়েছে। রাস্তায় যত্রতত্র ট্রাক বা ছোটো বাণিজ্যিক গাড়ি থেকে তোলা ওঠানোই এখন তাদের প্রধান কাজ। এবার তোলাবাজির অর্থ দিতে সক্ষম না হলে গাড়িতে থাকা মাল চুরি করে বিক্রি করে দিচ্ছে ! এটাই ডায়মণ্ড হারবার মডেল। এই সরকার টাকে তাড়াতেই হবে, নচেৎ বাংলার জনগনকে আরো কি কি যে দেখতে হবে তা ঈশ্বর ই জানেন।

Suvendu Adhikari

12,677 просмотров • 1 год назад

গতকাল ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনির কফিনে শ্রদ্ধা ও জানাজায় অংশ নিতে আসা বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলের উপস্থিতিতে পবিত্র কোরআন হতে নির্দিষ্ট আয়াত তেলাওয়াত করা হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সেসব আয়াত নিরীক্ষা করে মত দিয়েছেন যে প্রতিটি দেশের জন্যেই পৃথক-পৃথকভাবে তেলাওয়াত করা এসকল আয়াতের মাধ্যমে এক প্রকারের বার্তা প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পীকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ কফিনে শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হলে বাংলাদেশের জন্যে তেলাওয়াত করা হয় সূরা আল আহযাব এর ২৩ নম্বর আয়াত। যার বাংলা অর্থ: ​ “মুমিনদের মধ্যে কতক আল্লাহর সাথে তাদের কৃত অঙ্গীকার সত্যে পরিণত করেছে। তাদের কেউ কেউ (শাহাদাতবরণ করে) নিজেদের শপথ পূর্ণ করেছে, আর কেউ কেউ (শাহাদাতের) প্রতীক্ষায় আছে। এবং তারা তাদের অঙ্গীকারে সামান্যতমও পরিবর্তন করেনি।” উল্লেখ্য, উহুদের যুদ্ধের সময় রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সাথে যুদ্ধে যাওয়ার আগে অনেক সাহাবী আল্লাহর কাছে অঙ্গীকার করেছিলেন যে, তাঁরা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালাবেন না, শহীদ হওয়া পর্যন্ত লড়াই করবেন। সাদ ইবন মুয়াজ (রা.)-সহ কয়েকজন সাহাবী এই অঙ্গীকার পূর্ণ করেছিলেন। তিনি যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন। একই ধারাবাহিকতায়, সৌদি প্রতিনিধিদলের সময় বদর যুদ্ধের দুই বাহিনী সংক্রান্ত আয়াত (আলে ইমরান ৩:১৩) তেলাওয়াত করা হয়, ‍যা যুদ্ধে মুখোমুখি দুই বাহিনী সম্পর্কিত আয়াত — একটি মুমিন, অন্যটি কাফির। সূরা আলে ইমরান ৩:১৩ — বদর যুদ্ধের প্রসঙ্গে: “তোমাদের জন্য নিদর্শন ছিল সেই দুই দলে, যারা পরস্পরের সম্মুখীন হয়েছিল — এক দল আল্লাহর পথে লড়ছিল, অন্য দল ছিল কাফির।” তুরস্কের প্রতিনিধিদলের সময় তেলাওয়াত করা হয় সেই আয়াত যা “বসে থাকা” লোকদের ওপর জিহাদকারীদের মর্যাদা দেয়। সূরা আন-নিসা ৪:৯৫ — “আল্লাহ জান-মাল দিয়ে জিহাদকারীদেরকে বসে থাকা লোকদের ওপর মর্যাদায় শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন।” লেবাননের প্রতিনিধিদের সামনে তেলাওয়াত করা হয় এমন লোকদের কথা, যাদের কাছে ত্যাগ চাওয়া হলে তারা কৃপণতা করে। সূরা মুহাম্মাদ ৪৭:৩৭-৩৮ — “তিনি যদি তোমাদের কাছে তা চাইতেন ও চাপ দিতেন, তোমরা কৃপণতা করতে।” হিজবুল্লাহকে বলা হয়েছে: “দুর্বল হয়ো না, দুঃখ কোরো না — তোমরাই বিজয়ী/শ্রেষ্ঠ। ”সূরা আলে ইমরান ৩:১৩৯ — “তোমরা হীনবল হয়ো না, দুঃখিতও হয়ো না; তোমরাই শ্রেষ্ঠ, যদি তোমরা মুমিন হও।” ইয়েমেনের হুথি প্রতিনিধিদলের উদ্দেশ্যে তেলাওয়াত করা হয়েছে মুমিনদের প্রশংসাসূচক আয়াত, যারা যুদ্ধ করেছে কিন্তু দুর্বল হয়নি। সূরা আলে ইমরান ৩:১৪৬ — “আল্লাহর পথে তাদের ওপর যা আপতিত হয়েছে, তাতে তারা হীনবল হয়নি, দুর্বলও হয়নি, নতিস্বীকারও করেনি।” কাতার সরকারের প্রতিনিধিদের সামনে তেলাওয়াত করা হয়েছে ক্ষমা ও আল্লাহর অনুগ্রহ সংক্রান্ত একটি আয়াত — যা দেশটির মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রতি ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। সূরা আলে ইমরান ৩:১৫২-এর শেষাংশ — “তিনি তোমাদের ক্ষমা করেছেন; আল্লাহ মুমিনদের প্রতি অনুগ্রহশীল।”

Sami

20,990 просмотров • 2 месяцев назад

উত্তরবঙ্গের সব জেলা থেকে আগত বহু মানুষ, জনপ্রতিনিধি, তৃণমূল স্তরের বিভিন্ন কর্মী ও সরকারী আধিকারিক সহ অন্যান্যদের নিয়ে আজ জলপাইগুড়িতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত দিন কাটালাম। গতকাল, নেপালে উদ্বেগজনক অবস্থার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি জলপাইগুড়িতে আসি এবং সারারাত উত্তরকন্যায় থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করি, সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক রাখি। আজ, আমি এখানে একটি সরকারি পরিষেবা প্রদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলাম। মহান সমাজ-সংস্কারক ও রাজবংশী নেতা ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে কর্মসূচি শুরু করি আজ। আমরা তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে কোচবিহারে পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়, তাঁর নামে একটি মিউজিয়াম ও লাইব্রেরি করেছি এবং তাঁর পূর্ণাবয়ব মূর্তিও স্থাপন করেছি। তাঁর জন্মবার্ষিকীতে সরকারি ছুটিও ঘোষণা করেছি। আমি গত ২৬ আগষ্ট বর্ধমান থেকে দক্ষিণবঙ্গের মানুষদের জন্য পাট্টা বিতরণ করেছিলাম। আজকের সভা থেকে উত্তরবঙ্গের ৮টি জেলার ১১,৬৭৪ জন উপভোক্তার হাতে পাট্টা তুলে দিলাম। গত ২০১১ সাল থেকে রাজ্যজুড়ে এ পর্যন্ত ৬ লক্ষ ৫৬ হাজারের বেশি পাট্টা দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালে সিকিমে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তিস্তার আচমকা জলস্ফীতিতে মাল ব্লকের সুন্দরী বস্তির টোটগাঁও গ্রামের ৯৮টি পরিবারের বাসস্থান ও চাষের জমি বন্যায় ভেসে যায়। আজকে আমরা সেই ৯৮টি পরিবারকেও বিকল্প স্থানে জমির পাট্টা দিলাম। আজকে আলিপুরদুয়ার জেলার লঙ্কাপাড়া চা-বাগানের ১,১০৬ টি পরিবারের হাতে চা সুন্দরী প্রকল্পে নির্মিত বাড়ির কাগজ তুলে দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে জলপাইগুড়ি জেলায় ১,০৫৩টি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ২,৯৬৯টি বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, চা সুন্দরী এক্সটেনশন প্রকল্পেও প্রায় ২২ হাজার বাড়ি নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এবার উত্তরবঙ্গের চা বাগানগুলির কর্মীদের জন্য ২০% পূজা বোনাস ঘোষণাও করা হয়েছে। কেন্দ্র বন্ধ চা বাগান খুলতে পারেনি। আমরা বন্ধ চা বাগান খোলায় উদ্যোগী হয়েছি। এবছরেই আমাদের উদ্যোগে ২০টি চা বাগান খোলা হয়েছে। ১৯ হাজারের বেশি চা শ্রমিক উপকৃত হয়েছে। এর আগেও ৫৯টি চা বাগান খোলা হয়েছে। আজ এই সভা থেকে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার মানুষের হাতে তুলে দিলাম বহুবিধ সরকারি পরিষেবা, যার মধ্যে আছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, শিক্ষাশ্রী, ঐক্যশ্রী, মেধাশ্রী, রূপশ্রী সহ আরো অনেক প্রকল্পের সুবিধা। জলপাইগুড়ি জেলায় ২৫৪ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকার ১০৫টি প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন এবং ১৪২ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকার ৯০টি প্রকল্পের শুভ শিলান্যাসও আজ করা হল। এর মধ্যে আছে কালিম্পং জেলায় ৭ কোটি ৪১ লক্ষ টাকায় পেশক খোলার উপর ৪২ মিটার দীর্ঘ একটি নতুন ব্রিজ যা মূলত তিস্তা বাজার ও পেশকের মাধ্যমে কালিম্পং ও দার্জিলিংকে যুক্ত করল। এখানকার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। পর্যটকরাও সুবিধা পাবেন। এছাড়া উদ্বোধন হল জলপাইগুড়ি জেলায় বড় বড় পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্প, রাস্তা, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প, ইত্যাদি। জলপাইগুড়ি জেলার দেবী চৌধুরানী এবং ভবানী পাঠক-এর ঐতিহাসিক মন্দিরের আমরা আমূল সংস্কার করেছি। সেটাও আজকের সভা থেকে মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হল। আমরা জলপাইগুড়িতে দেবী চৌধুরানী মন্দির থেকে জল্পেশ মন্দির পর্যন্ত একটা ধর্মীয় ট্যুরিজম সার্কিটও করছি। আজ অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের শিলান্যাসও করা হল যার মধ্যে অন্যতম ২১ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা খরচ করে চেংমারি নাগরাকাটা সড়কে কুজি দৈনা নদীর উপর পুরোনো ব্রীজের পরিবর্তে নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা প্রকল্প। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আমাদের সরকার উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। গত ১৪ বছরে শুধু উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য আমাদের সরকার সব দপ্তর মিলিয়ে বরাদ্দ করেছে মোট প্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকা। উত্তরবঙ্গে রাজ্য সচিবালয়, পুলিশ কমিশনারেট, আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পং জেলা, ইউনিভার্সিটি, কলেজ —সব করা হয়েছে। উন্নয়নের এই ঢেউ বিজেপিকে ঈর্ষান্বিত করেছে। তাই তারা এখন বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোতে শুধু মাতৃভাষায় কথা বলার জন্য বাঙালিদের হেনস্থা করছে যার মধ্যে অসংখ্য রাজবংশী, আদিবাসী, মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষও আছেন। ২৪ হাজারের বেশি বাঙালি বিভিন্ন জায়গায় অত্যাচারিত হয়ে বাংলায় ফিরে এসেছেন। আমরা তাঁদের আপন করে নিয়েছি। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য চালু করেছি 'শ্রমশ্রী' প্রকল্প। এ বছর থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের সম্মানে আমরা বিশ্বকর্মা পুজোর দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করলাম।

Mamata Banerjee

37,201 просмотров • 1 год назад