Sensitive content

This media may contain sensitive content.

Загрузка видео...

Не удалось загрузить видео

На главную

দেশী চোদাচোদি

1,244,882 просмотров • 1 год назад •via X (Twitter)

Комментарии: 2

Фото профиля somebody
somebody1 год назад

inbox

Фото профиля Rockon
Rockon11 месяцев назад

🥺

Похожие видео

“ভ্যালেন্টাইন বিদেশী সংস্কৃতি, আর ফেসবুক-ইউটিউব খুব দেশী সংস্কৃতি? নাকি? ধর্মচোখা আর ধার্মিক এক জিনিস নয়। ধার্মিক কৃষক কি ভ্যালেন্টাইন নিয়ে চিন্তিত? ধার্মিক গার্মেন্টসকর্মী কি মাতামাতি করে কোনটা দেশী সংস্কৃতি আর কোনটা বিদেশী সংস্কৃতি, তা নিয়ে? করে না। ধর্মচোখাদের কাজই হলো পরের ঘরে খেয়ে দিনরাত ধর্মীয় হাঙ্গামা করা। পশ্চিমের সমস্ত সুবিধা ভোগ করে পশ্চিমা সংস্কৃতির নিন্দা করা। আধুনিক বাংলার সবই বিদেশী সংস্কৃতি। মাইক বিদেশী সংস্কৃতি, মসজিদের টাইলস বিদেশী সংস্কৃতি। এয়ার কন্ডিশন, ল্যাপটপ, ক্যামেরা, মোবাইল, সবই বিদেশী সংস্কৃতি। যে-মৌলোভী ও উপদেষ্টা (নাকি অপদেষ্টা?) ভ্যালেন্টাইনকে বিদেশী সংস্কৃতি বলছে, সে দাঁত মেজেছে বিদেশী সংস্কৃতির টুথপেস্ট দিয়ে। মৌলোভীর স্ত্রী-কন্য কি মাসিকের সময় ছেঁড়া কাপড়ের পট্টি পরে? তা তো নয়। তারা স্যানিটারি প্যাড পরছে। প্যাড কি দেশী সংস্কৃতি? জ্বর হলে প্যারাসিটামল, ডায়রিয়ায় অ্যান্টিবায়োটিক, এগুলো কি দেশী সংস্কৃতি? দেশী সংস্কৃতি তো ঝাড়ফুঁক, পাতা বাটা, আদা বাটা, গাছের ছালের বড়ন। মৌলোভি বা অপদেষ্টা কি অসুখ-বিসুখে দেশী সংস্কৃতি পালন করে? করে না। বিশ্ববিদ্যালয়ও তো বিদেশী সংস্কৃতি। নামাজ, ঈদ, মাদ্রাসা, এগুলোও বিদেশ থেকে এসেছে। ছাপা অক্ষরে কোরান, এটা কি দেশী সংস্কৃতি? সুতরাং যারা বিদেশী সংস্কৃতি বলে ভ্যালেন্টাইনের বিরোধিতা করছে, তারা সুস্পষ্ট ভণ্ডলোক। কুৎসিত ও অসৎ। নিষ্প্রাণ নীরস জীবরা চায় অন্যরাও প্রাণহীন জীবনযাপন বেছে নিক। যেহেতু তার জীবনে কোনো আনন্দ নেই, হৃদয়ে প্রাণরস শূন্য, সেহেতু তার চাওয়া, পৃথিবীর সব মানুষই নিরানন্দ দুখী জীবন যাপন করুক। আনন্দের সাথে বেঁচেও যে ধর্ম পালন সম্ভব, তা ভণ্ডরা স্বীকার করতে চায় না। কারণ আনন্দমুখর সমাজে ধর্মপালন সম্ভব হলেও ধর্মব্যবসা সম্ভব হয় না।” —মহিউদ্দিন মোহাম্মদ

ননসেন্স্

12,575 просмотров • 1 год назад

ইলন মাস্ককে স্টারলিংকের ব্যবসার টোপ দিয়ে সুবিধা আদায় করা যাবে না, মাস্ক মানুষ চিনতে ভুল করে না। সে জানে তার সন্তানের সেক্স চেঞ্জের জন্য দায়ী কোন গোষ্ঠি, যে ক্ষোভে সে রাজনীতির সাথে জড়িয়েছে। সেই গোষ্ঠির সদস্য এখন বাংলাদেশের সরকারও। বংলাদেশে এবং ভারতে স্টারলিরংক আসবে না যতদিন পাকিস্তান পরিবর্তিত না হয় এবং তাদের আইএসআই বিলুপ্ত না করা হয়। ইসলামী সন্ত্রাসবাদ এবং মুক্ত তথ্য প্রবাহ একসাথে চলে না। ভুটানে এর মধ্যেই স্টারলিংক এসে গেছে। কারণ ভুটানে সন্ত্রাসবাদ নেই। বাংলাদেশের বর্তমান সরকার কেন স্টারলিংকে আগ্রহী? কারন তারা চায় পাকি আইএসআই এবং সিআইএর দেশী এজেন্টরা এক একটি স্টারলিংক বসিয়ে নিজেদের এক একটা মৌলবাদী ভারতবিরোধী সন্ত্রাসী সেল বানিয়ে ফেলুক। বাংলাদেশে স্টারলিংক আসবে কিনা এটা এখন থেকে মাস্ক ঠিক করবে না, মোদি ঠিক করবে, এটাই বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের অর্জন। Donald J. Trump Tulsi Gabbard 🌺 Elon Musk AFP News Agency UN Watch InternationalHumanRightCouncilThaneDist HumanRightsWATCH HumanRights.com EU Fundamental Rights ➡️ #HumanRights The Associated Press Reuters Palki Sharma Firstpost Slow Factory The Guardian The Washington Post Republic Bangla WION Narendra Modi European Commission António Guterres Brahma Chellaney Rishap Vats Sniper Sanjay Dixit ಸಂಜಯ್ ದೀಕ್ಷಿತ್ संजय दीक्षित Tarek Sumon Syfullah Faruque Tufani Battalion🇧🇩 The Spirit of 71 Arifin Mollah Ashley (Molly) Dr Aniruddha Malpani, MD Chris Blackburn Secretary Marco Rubio President Donald J. Trump First Lady Melania Trump DEF Talks by Aadi Achint 🇮🇳 Nepal Correspondence Megyn Kelly Tucker Carlson Alina Habba Mohammad A. Arafat Sajeeb Wazed Bangladesh Watch Hussain Saddam Abhijit Iyer-Mitra

Jannat Khan

18,822 просмотров • 1 год назад

গাজীপুরের টঙ্গীর টিঅ্যান্ডটি কলোনি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজী দাবি করেছিলেন গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ সকাল ৭টার দিকে টঙ্গীর শিলমুন এক্সিস লিংক সিএনজি ফিলিং অ্যান্ডকনভার্সন সেন্টারের সামনে থেকে তাকে অপহরণ করে একটি অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়। তবে উক্ত এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় সকাল ৬টা ৫২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে তিনি ঘর থেকে বের হন। ঘর থেকে বের হওয়ার সময় তিনি বাম হাতে দরজা খুলে বের হন, পেছন ফিরে তাকাননি এবং টিনের দরজাটি বন্ধ হয়ে যায়। সকাল ৬টা ৫৩ মিনিট ২৫ সেকেন্ডে তিনি মসজিদ ছাড়েন এবং প্রায় ৬টা ৫৪ মিনিটে টঙ্গী টু কালীগঞ্জগামী আঞ্চলিক সড়কে কালীগঞ্জের দিকে রওনা হন। পরনে ছিল সাদাপাঞ্জাবি-পাজামা, মাথায় কালো রঙের পাগড়ি। মুহিব্বুল্লাহর বাসার অদূরে শিলমুন এক্সিস লিংক সিএনজি ফিলিং অ্যান্ড কনভারশন সেন্টারের চারটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজেও এজাহারে উল্লেখিত অপহরণের বর্ণনার মিল পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন এঙ্গেল থেকে নেওয়া চারটি ফুটেজ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সকাল ৭টা ১৮ মিনিটে মুহিব্বুল্লাহ পাম্পের সামনে দিয়ে দ্রুত হেঁটে যাচ্ছেন। ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি অ্যাম্বুলেন্স পথরোধ করে তাকে অপহরণের যে দাবিটি করা হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে এরকম কোনো ঘটনা দেখা যায়নি। বরং তাকে একাই দ্রুত গতিতে হেঁটে যেতে দেখা গেছে। সামনের সেতুর উপরে পুলিশের স্থাপন করা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায় মুহিব্বুল্লাহ একাই হাঁটছেন। অথচ এজাহারে তিনি উল্লেখকরেছেন, ফিলিং স্টেশনের সামনে তাকে অপহরণ করাহয়। ৬টা ৫৪ মিনিটে এলাকা থেকে রওনা হয়ে তিনি প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ফিলিং স্টেশনে পৌঁছান সকাল ৭টা ১৮মিনিটে। ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মো. সোলেইমান নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যদের জানান 'তিন দফায় পুলিশের বিভিন্ন শাখা আমাদের সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ করে, আমাদের ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে হুজুরকে অপহরণ করা হয়নি'।

Sami

21,560 просмотров • 8 месяцев назад