Sensitive content

This media may contain sensitive content.

Video wird geladen...

Video konnte nicht geladen werden

Zur Startseite

34,156 Aufrufe • vor 2 Jahren •via X (Twitter)

8 Kommentare

Profilbild von Bad Boy 🇧🇩🇧🇩
Bad Boy 🇧🇩🇧🇩vor 2 Jahren

😍😍😍😍😍😍

Profilbild von siful Islam form Bangladesh
siful Islam form Bangladeshvor 2 Jahren

বড় হয়নায়

Profilbild von sadik hasan
sadik hasanvor 2 Jahren

বড় হও, শুভকামনা।

Profilbild von YOUNOUS ALI
YOUNOUS ALIvor 2 Jahren

খুব সুন্দর হয়েছে

Profilbild von @MamunMa79512678
@MamunMa79512678vor 2 Jahren

Excellent ❤❤❤❤😘

Profilbild von Mamun khan
Mamun khanvor 2 Jahren

Nice

Profilbild von md parvhaj
md parvhajvor 2 Jahren

🐦🐦🐦

Profilbild von Rofiq 586
Rofiq 586vor 1 Jahr

Hello

Ähnliche Videos

হিরক রাণীর রাজত্বে নারী নির্যাতনে এগিয়ে বাংলা, আর কম বেতন বেশী ক্ষমতার ফলে নিত্য নতুন সিভিক ঝামেলা... সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ ও আর.জি.কর-এর নৃশংস ঘটনায় সঞ্জয় রায়ের কারাবাসের পরেও সিভিক দৌরাত্ম্যে খামতি নেই ! এবার ঘটনা দক্ষিণ ২৪পরগনার বিষ্ণুপুর থানা এলাকার কৈখালি তে। তৃণমূলের পার্টি অফিসে 'বিচারে' বসতে না চাওয়ার জন্য প্রধান দিলীপ নস্কর সহ ১৫ থেকে ২০ জন দুষ্কৃতী মিলে এই মহিলাকে মারধর সহ শারীরিক নির্যাতন করে। ঠ্যাঙানোর দায়িত্বে ছিল বিকাশ দলুই নামক এক সিভিক ভলান্টিয়ার। কিছু তৃণমূলের পার্টি ক্যাডার সিভিকের কাজ পেয়ে ধরাকে সরা জ্ঞান করেছে। যদিও সবাই সমান নয়, অনেক সিভিক ভলান্টিয়ার দায়িত্ব পালন করে ভালো করে, কিন্তু বিকাশ দলুই-দের মত কিছু দুষ্ট চরিত্রের জন্য বাকিরা বদনামের ভাগীদার হয়।

Suvendu Adhikari

19,731 Aufrufe • vor 1 Jahr

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কে অপমান করে সমগ্র বাঙালি জাতি ও বাংলা ভাষার অপমান করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতে বিদ্যাসাগর ছিলেন এই বাংলায় ‘একক’, তাঁর স্বজাতি সহোদর কেউ ছিল না। ওনার বিখ্যাত ‘বিদ্যাসাগরচরিত’ ভাষণে তিনি লেখেন যে “আমাদের এই অবমানিত দেশে ঈশ্বরচন্দ্রের মতো এমন অখণ্ড পৌরুষের আদর্শ কেমন করিয়া জন্মগ্রহণ করিল, আমরা বলিতে পারি না। কাকের বাসায় কোকিলে ডিম পাড়িয়া যায়... মানব-ইতিহাসের বিধাতা সেইরূপ গোপনে কৌশলে বঙ্গভূমির প্রতি বিদ্যাসাগরকে মানুষ করিবার ভার দিয়াছিলেন।” আজ কাক-কোকিল কে মেলাবার অপচেষ্টা করলেন মাননীয়া !!! কি আস্পর্ধা, নিজের গলার উত্তরীয় খুলে বিদ্যাসাগরের মূর্তি তে পরাচ্ছেন ! এভাবে নিজের গলার উত্তরীয় খুলে কোনো মনীষীর গলায় কি পরানো যায়? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে কি ভাবেন? বাংলার মনীষী দের কি আদৌ সম্মান করেন? নাকি তিনি নিজেকে সবার উপরে ভাবেন। 'বিদ্যাসাগর' ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় অবিভক্ত মেদিনীপুরের সাথে পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের গর্ব। যে বাংলা ভাষা আর বাঙালি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ নাটক করছেন, সেই বাংলা ভাষার লিপি কে সংস্কার করে তাকে যুক্তিবহ ও সহজপাঠ্য করে বাঙালির কাছে পৌঁছে দেওয়ার কারিগর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। আর তার মূর্তিতেই কিনা নিজের গলার উত্তরীয় খুলে পরাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনি নিঃশর্ত ক্ষমা চান। আপনি বাঙালির আবেগ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহোদয়ের অসম্মান করেছেন। আপনার অভাবের সংসারে উত্তরীয় বা মালা কেনার যদি টাকা না থাকে তো উত্তরীয় বা মালা ছাড়াই প্রণাম করতে পারতেন, আত্মম্ভরীতা দেখাতে গিয়ে আপনি যেটা করেছেন সেটা আমাদের ভারতীয় সংস্কৃতি নয়।

Suvendu Adhikari

12,124 Aufrufe • vor 11 Monaten

তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে হলে প্রথম শর্ত—অশিক্ষিত হতে হবে, দ্বিতীয় শর্ত—চরম মিথ্যাবাদী হতে হবে। না হলে ওই দলে ঠাঁই পাওয়া অসম্ভব। তাদের নতুন মুখপাত্রকে দেখে ভেবেছিলাম অন্তত পুরনোদের মতো তো হবেন না—একটু পড়াশোনা জানা, একটু সভ্যতা থাকবে। কিন্তু শিক্ষিত হয়েও যদি অশিক্ষিতদের মতোই মিথ্যাচার করেন, তাহলে প্রমাণ হয়ে যায়—তৃণমূল মানেই মিথ্যার প্ল্যাটফর্ম। সম্প্রতি তিনি টেলিভিশনে বললেন, “প্রতিরক্ষা খাতে ভারত সরকার বাজেট কমিয়ে দিয়েছে!” GDP-এর শতকরা হার দিয়ে বোঝাতে চাইলেন, কিন্তু তিনি বোধহয় ভুলে গেছেন যে ভারতের অর্থনীতি পশ্চিমবঙ্গের মতো পিছনের দিকে হাঁটে না। ভারতের GDP যত বাড়ছে, তত বাড়ছে প্রতিরক্ষা বাজেটও। চোখ মেলে চেয়ে দেখলেই বোঝা যায়— বছরভিত্তিক প্রতিরক্ষা বরাদ্দ (₹ টাকায়): ২০২১-২২: ₹4,78,196 কোটি ২০২২-২৩: ₹5,25,166 কোটি ২০২৩-২৪: ₹5,93,538 কোটি ২০২৪-২৫: ₹6,21,940 কোটি ২০২৫-২৬: ₹6,81,210 কোটি যে কোনও শিক্ষিত মানুষ এই পরিসংখ্যান দেখলেই বুঝতে পারবে—বাজেট কমানো নয়, ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হয়েছে। এরপর তিনি বললেন—“মোদী সরকার আদানি-আম্বানিদের ঋণ মুকুব করে দিয়েছে!” তিনি জানেন “write-off” আর “loan waiver” (ঋণ মুকুব) এক নয়, কিন্তু সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিলেন। সত্য বললে তৃণমূলে টিকে থাকা যায় না—এটাই ওদের চরিত্র। তিনি জাতীয় প্রতিরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, অথচ ভুলেও কিছু বলেন না— তাঁর নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিলেন সিমি-র প্রতিষ্ঠাতা সদস্যকে। তাঁর নেত্রীর মদতেই জামাত ও আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ঘাঁটি হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ। ঠিক কাশ্মীরের ছায়ায়, মুর্শিদাবাদে হিন্দুদের বেছে বেছে হত্যা করা হয়েছে—এই নিয়ে তার একটিও শব্দ নেই! তৃণমূল মানেই পাকিস্তানি ভাবধারা, ইসলামি মৌলবাদ, মিথ্যাচার ও দেশদ্রোহিতার রংমঞ্চ। এখন সময় এসেছে—এই মুখোশধারীদের মুখোশ একে একে খুলে দেওয়ার।

Tarunjyoti Tewari

10,793 Aufrufe • vor 1 Jahr

"পাকিস্তানিরা আমাদের মানুষ, বেসামরিক জনতা এবং বাঙালি সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যার ষড়যন্ত্র করছে — এই পূর্ববর্তী পটভূমি জেনে আমাদের কাছে অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করা ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না। শেষ উপায় হিসেবে আমি বিশ্বকে জানাতে চেয়েছিলাম কী ঘটছে। তাই সন্ধ্যায় আমি বেতারে ভাষণ দিই এবং স্বাধীনতা ঘোষণা করি। রেডিওতে আমার ঘোষণা শুনে অন্যান্য ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস এবং পুলিশ বাহিনীও বিদ্রোহ করে।" - লেঃ জেনারেল জিয়াউর রহমান (১৯৩৬-১৯৮১) ১৯৫৫ সালে ১২ পিএমএ' লং কোর্সে কমিশনপ্রাপ্ত এই প্যারাট্রুপার ও কমান্ডো ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে অংশ নিয়ে পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব "হিলাল-ই-জুরাত" অর্জন করেন। ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন সেক্টর কমান্ডার (১, ১১) ও জেড ফোর্সের ব্রিগেড কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়। জীবনকালে তিনি বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রধান, প্রধান সামরিক শাসক এবং রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

Sami

13,610 Aufrufe • vor 7 Monaten

আজ উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদ এবং মালদা জেলার মানিকচক ও ইংরেজবাজার বিধানসভায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীদের সমর্থনে আয়োজিত বিজয় সংকল্প সভায় উপস্থিত ছিলাম। আজকের এই জনসমুদ্র প্রমাণ করে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আর অপশাসন, দুর্নীতি ও তোষণের রাজনীতি চায় না। মানুষ আজ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিতে প্রস্তুত। এই বিপুল উপস্থিতি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে আগামীদিনে পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির রাষ্ট্রবাদী সরকার গঠন শুধু সময়ের অপেক্ষা। দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের পতন হবেই, আর বাংলার নতুন পথচলা শুরু হবে উন্নয়ন, সুশাসন ও নিরাপত্তার পথে। তাই পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার। #বাঁচতে_চাই_বিজেপি_তাই #পাল্টানো_দরকার_চাই_বিজেপি_সরকার

Suvendu Adhikari

21,354 Aufrufe • vor 3 Monaten