Sensitive content

This media may contain sensitive content.

Загрузка видео...

Не удалось загрузить видео

На главную

নানা নানিxxx

59,979 просмотров • 1 год назад •via X (Twitter)

Комментарии: 0

Нет доступных комментариев

Здесь появятся комментарии из оригинального поста

Похожие видео

আমি সমাজমাধ্যমে লিখেছিলাম, রবীন্দ্রনাথ আমাদের প্রতি মুহূর্তের সঙ্গী। তাঁকে আমরা স্মরণ করি ও তাঁকে উদযাপন করি বছরভর এবং দিবারাত্র। তাঁর প্রয়াণ দিবসের সময়কালে তাঁকে বিশেষভাবে স্মরণ করা একটি উপলক্ষ মাত্র। আজ একটু আগে আমি শুনছিলাম ১৯৪১ সালে রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ নজরুলের স্বরচিত কবিতাপাঠ। বেতারে সম্প্রচারিত কবিতার নাম 'রবিহারা'। নানা ছবিতে অলঙ্কৃত করে পরিবেশন করা একটি পরবর্তী সংস্করণ। এই কবিতাটি শুধু একটি শোকবার্তা নয়, এটি দুই কিংবদন্তি কবির পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং গভীর অনুভূতির এক অসাধারণ দলিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও নজরুল ইসলাম--বাংলার দুই অসাধারণ মহান মানুষের অসাধারণ সম্পর্কের সাক্ষ্য। আমার ইচ্ছে করল, আপনাদের সবার সঙ্গে এই অমূল্য স্মৃতির সম্পদ শেয়ার করে নিতে।

Mamata Banerjee

23,116 просмотров • 10 месяцев назад

2013র এই ভিডিও দেখুন। প্রচার হল, আমি সারদার টাকায় লাস ভেগাস গিয়েছি। কয়েক কোটি খরচে বিলাসবহুল সফরে ছিলাম। অর্ণব চেঁচালো। বামপন্থী এক শাঁকচুন্নী তাতে সাক্ষী দিল। আমি প্রতিবাদ করলাম। সেদিন অনেকেই আমাকে বিশ্বাস করেননি। আজ, দেখা যাচ্ছে, এই 2024এও, আমি এখনও আমেরিকা যাইনি। অথচ এরকম নানা কলঙ্ক চাপানো হয়েছিল, খবর হয়েছিল, টক শো হয়েছিল, অনেকে এসব বিশ্বাস করেছিলেন। তাই বলছি, অনেক কিছুই শুনে, মিডিয়ায় দেখে বিশ্বাস করবেন না। আগ্রহ থাকলে নিজেরা বিষয়টায় ঢুকুন, জানুন। কাউকে কলঙ্কিত করে মজা দেখার বিপজ্জনক খেলায় ঢুকবেন না। সেই শাঁকচুন্নী সেদিন গলাবাজি করেছিল, সে অবশ্য ন্যূনতম দুঃখপ্রকাশও করেনি। এই হল বামেদের চরিত্র। আর অর্ণব? নিজেই তুলল লাস ভেগাস, তারপর বেগতিক দেখে নিজেই বলল লাস ভেগাস নিয়ে আলোচনা করছি না।

Kunal Ghosh

16,335 просмотров • 1 год назад

রিসেট বাটন টিপে অতীত মুছে দেওয়া,জেড আই খান পান্না, ইউনুসের অতীত আমরা জানি। তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেননি। আমি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছি বলে এটা নিয়ে গর্ব করি। কাজেই তিনি রিসেট বাটন টিপে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে মুছে দিতে পারবেননা। উনাকে আমরা মুছে দিতে পারবো। তরুনদের নাম করে রিসেট বাটনের বক্তব্য দিয়ে ইউনুস এখন সমালোচিত। কিন্তু আন্দোলনের একজন তরুনও কোথাও কখনও মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়নি। বরঞ্চ এমন একটি বক্তব্যে এখন ইউনুসের অতীত সামনে চলে এসেছে। জাতিসংঘের অধিবেশনে গিয়ে তার নানা অর্জন ইরেজ হয়ে গেছে রিসেট বাটনের চাপে! প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে শপথ নেবার পরদিন ইউনুস জাতীয় স্মৃতি সৌধ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিতে যান। এসব বাংলাদেশের সরকার প্রধানের রুটিন রেওয়াজ। কিন্তু এরআগে বাংলাদেশের কোন স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস বা একুশে ফেব্রুয়ারিতে কখনও তাকে জাতীয় স্মৃতি সৌধে, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যেতে দেখা যায়নি। এ নিয়ে অনেকের প্রশ্ন ছিল। ইউনুস কখনও এসব প্রশ্নের জবাব দেননি। এভাবে তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের মাঝে তার এক ধরনের গ্রহনযোগ্যতা গড়ে তোলেন! রাজনৈতিক কারনে তারাও কখনও জাতীয় স্মৃতিসৌধ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যায়না। ৫ আগষ্ট থেকে কতজন পুলিশ হত্যা হয়েছে তার প্রতিবেদন চাই। হেলিকপ্টার গুলো কার ছিল কোথা থেকে আসল? ৭:৬২ বুলেট কোথা থেকে আসল। জাতি একসময় অনেক কিছু জানবে

ননসেন্স্

29,118 просмотров • 1 год назад

আজ, ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের ঐতিহাসিক দিনে, রেড রোডে উপস্থিত থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে গর্বিত অনুভব করছি। আমাদের বীর সেনা ও পুলিশ বাহিনীর অংশগ্রহণে সমৃদ্ধ বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরের জনমুখী কর্মসূচিগুলির বিষয়ে বর্ণময় ট্যাবলো এবং রাজ্যের নানা এলাকার ও অংশের মানুষের প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজকের অনুষ্ঠানকে গৌরবান্বিত করেছে। সমাগত হাজার হাজার মানুষ, বিদেশী দূতাবাসের প্রতিনিধিবৃন্দ, সেনা অফিসার ও জওয়ানগণ এবং আমাদের সকল সহকর্মীকে আমার ধন্যবাদ জানাই। এসেছিলেন আমার প্রিয় শত শত ছাত্র-ছাত্রী, শ্রদ্ধেয় শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ, অসংখ্য গুণীজন, সাংস্কৃতিক জগতের বহু শিল্পী, সকল আকাদেমির সভ্যগণ, টেলি-আকাদেমির সঙ্গে যুক্ত থাকা বিশিষ্ট মুখেরা,বহু নামী খেলোয়াড়, স্পোর্টস আকাদেমির অগ্রণী সদস্যরা । ছিলেন ফিল্ম জগতের মানুষ, পুলিশ পরিবারের সদস্যরা, সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা, অগণিত বিশিষ্ট মানুষ --সমাজের সকল অংশের প্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দ। তাঁদের সকলকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ। আমাদের এই মহান মাতৃভূমির স্বাধীনতা একদিনে আসেনি। দীর্ঘদিনের নিঃস্বার্থ লড়াই, অগণিত বীর মানুষের আত্মত্যাগ এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বর্গ নির্বিশেষে সকলের নিরলস সাধনার পর কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতার স্বাদ আমরা পেয়েছি। আমাদের বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামী সন্তানের কাছে আমরা তথা সারা দেশবাসী চিরঋণী। তাঁদের আমরা এই দিনেই আবার প্রণাম জানাই। প্রণাম জানাই সকল দেশনায়ক ও চিন্তানায়কদের। সমাজের সকলকে নিয়ে বাঁচব,চলব,লড়ব। স্বাধীনতা দিবসের এই মাহেন্দ্রক্ষণে এটাই আমাদের প্রতিজ্ঞা।

Mamata Banerjee

16,193 просмотров • 10 месяцев назад

কলকাতার বাগুইআটির উপকণ্ঠে ও নিউ টাউন রাজারহাট এলাকা অবৈধ বাংলাদেশী মুসলমানদের ডেরায় পরিনত হয়েছে, এই বাস্তবতার সাথে ওয়াকিবহাল নন, এই সব এলাকায় বসবাস করেন এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এই সব অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে প্রশাসনের সহযোগিতায় জাল ভারতীয় পরিচয় ও নথি তৈরি করে দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব। এদের নাম ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত হয়ে গেছে। এরাই তৃণমূলের ২১ জুলাই ও অন্যান্য সমাবেশে, মিটিং মিছিলে অংশগ্রহণ করে, মাঠ ভরায়। একবার পশ্চিমবঙ্গে ধাতস্থ হয়ে গেলে দেশের অন্যান্য প্রান্তে শাখা প্রশাখা ছড়িয়ে দেয়। তাই দেশের অন্যান্য প্রদেশে ধর পাকড় শুরু হলে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন তার কারণ এত কষ্ট করে নিজের ভোট ব্যাংক গড়ে তুলেছেন, এদের বাংলাদেশে 'পুশ ব্যাক' করলে ওনার সরকার তো দূর, দলেরই অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। তাই ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন অবধি নানা রকম রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে উদ্যত হয়েছেন মাননীয়া, এই সব অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা মুসলমানদের স্বার্থে। এই কর্মসূচির সাথে, ভারত কেশরী ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মহতী উদ্যোগের ফলে ১৯৪৭ সালের ২০ শে জুন বঙ্গীয় প্রাদেশিক আইন সভায় ভোটাভুটির মাধ্যমে সৃষ্টি হওয়া পশ্চিমবঙ্গের জনগণের কোনো সম্বন্ধ নেই। এই ভিডিও টি বাগুইআটি ও নিউ টাউন সংলগ্ন জ্যাংড়া হাতিয়াড়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে স্থিত ঘুনি অঞ্চলের। অবৈধ বাংলাদেশীদের আস্তানা একেবারে কলকাতার চৌহদ্দি ছুয়ে ফেলেছে, এর পরে কলকাতার মধ্যে অবস্থান করবে...

Suvendu Adhikari

11,176 просмотров • 10 месяцев назад

কর্নেল তাহের ও জিয়াউর রহমান গং সিপাহী বিপ্লবের নামে কাউন্টার ক্যু তৈরি করে - সিপাহীরা নন মেট্রিক, ক্লাস এইট পাশ হয়তোবা তাও না, অর্ধশিক্ষিত সিপাহীরা হিংস্র হয়ে গগণ ফাটিয়ে গুলি বর্ষণ আর আন্দোলনের স্লোগান দিয়ে উঠে - “সিপাহী সিপাহী ভাই ভাই -অফিসারের রক্ত চাই” ০৭ ই নভেম্বর ৭৫ বাংলাদেশের সূর্য সন্তান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ (বীর উত্তম) কে হত্যা করা হয় যার মুল নায়ক কর্ণেল তাহের ও জিয়াউর রহমান গং, বিপ্লবের নামে অফিসার হত্যার কাজগুলো সাধারণ সৈনিকেরা করতো, কিন্তু ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফের হত্যার দায়িত্ব পালন করে দুজন অফিসার সহ সৈনিক দল, অসীম সাহসী মুক্তিযোদ্ধা বীরউত্তম ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফের ইউনিফর্মড মৃতদেহ ক্যান্টনমেন্টের রাস্তায় খেজুর গাছের নিচে অপমান ও অবহেলায় পড়ে থাকে অফিসার হত্যার কাউন্টার ক্যু কে নানা নামে রাঙানো হয় “সিপাহী বিপ্লব, বিপ্লব ও সংহতি দিবস, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস” ১৯৭৬ জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতা কুক্ষিগত করার সাথে সাথে শুরু হয় এক প্রহসনের বিচার, স্থান ঢাকা কেন্দ্রিয় কারাগার - নাম “ রাষ্ট্র বনাম মেজর জলিল গং” কর্ণেল তাহের সহ অভিযুক্ত ৩৩ জন ইউনিফর্মড অফিসার !!১৯৭৭ সনের ৯ই অক্টোবর পর্যন্ত জিয়া্উর রহমানের নির্দেশে সামরিক আদালতে সরকারী নথিপত্র হিসেবে ১,১৪৩ জন অফিসার ও সৈনিক ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে হয়েছে - বাংলাদেশের কারাগারের বাতাস তরুণ সব সৈনিক ও অফিসারদের দির্ঘনিঃশ্বাস এবং হতাশ ক্রন্দন বিষাক্ত হয়ে আছে আজো । বিম্পি ৭ নভেম্বর যে সিপাহি বিপ্লব পালন তা আসলে এক গণ হত্যা দিবস উদযাপন। জিয়া ছিল এক ঠান্ডা মাথার খুনি

ননসেন্স্

24,059 просмотров • 1 год назад