Video wird geladen...

Video konnte nicht geladen werden

Zur Startseite

পাগল কয়কি।

14,408 Aufrufe • vor 1 Jahr •via X (Twitter)

0 Kommentare

Keine Kommentare verfügbar

Kommentare vom Original-Post werden hier angezeigt

Ähnliche Videos

এই ব্যাক্তি যে ভাষায় মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করেছে এবং যে নোংরা শব্ধ ব্যাবহার করে মহান মুক্তিযুদ্ধকে কটাক্ষ করেছে এটা কোন ভাবেই গ্রহনযোগ্য নয়। সে মুক্তি যুদ্ধে বিশ্বাস করেনা কিন্তু বাংলাদেশে বিশ্বাস করে, আবার জুলাইকে বলছে চুরান্ত বিজয়, বাংলাদেশ স্বাধীন না হলে জুলাই আসতো কথা থেকে? কেম্নে ভাই? মানুষ এতটা পাগল হয় কেম্নে? 😂😂 তার মত বিশাল ফেনব্যাজ থাকা একটা মানুষ দেশ সৃষ্টির নায়ক মুক্তিযুদ্ধাদের সরাসরি অপমান করেছে, আবার যে নারীদের ইজ্জত লুন্ঠন হয়েছে তাদের সম্ভ্রম হানীকে অস্বীকার করেছে। "একটা গনহত্যা হয়েছে সেটাকে সে অস্বীকার করেছে"। মানে সে ভারত এবং পাকিস্তানের বয়ান মার্কেটিং করে যাচ্ছে এক সাথে। ভারতের সব মিডিয়া সব সময় বলে ৭১ ছিল ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ, তারা বাংলাদেশের কথা স্বীকার ই করেনা। এই ব্যাক্তি সেটাই এখানে বাজার জাত করেছে। মানে ভারতের মার্কেটিং করছে। মানে সে এখানে স্বাধীন বাংলাদেশকেই অস্বীকার করছে। পুরাই ভারতের ন্যারেটিভ। আবার পাকিস্তান বলে তারা গনহত্যা চালায়নি, মা বোনের ইজ্জত লুণ্ঠন করেনি, মুক্তি বাহিনী একটা সন্ত্রাসী সংগঠন, মুক্তি যুদ্ধকে তারা কোন "মুক্তির যুদ্ধ" হিসাবে স্বীকার ই করেনা। এই ব্যাক্তি এখানে পাকিস্তানের সেই বয়ানগুলা মার্কেটিং করে যাচ্ছে। মানে বলতে চাইছে পাকিস্তানই ভালো ছিল বাংলাদেশ সৃষ্টি ভূল হয়েছে। তার আল্টিমেট গোল হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাস এবং স্বকীয়তার উপর একটা প্রশ্ন দাড় করিয়ে যাওয়া। যাতে আগামির প্রজন্ম এটার উপর শুধু বিতর্ক বাজাতে পারে কোন সমাধান নয়। এতে করে দেশর মানুষ সবসময় একটা বিভাজনে থাকবে। এতে করে তৈরি হবে সব মিলিয়ে তিনটা গ্রুপ। একটা ভারত পন্থি, একটা পাকিস্তান পন্থি, আর একটা হবে বাংলাদেশ পন্থী বাংলাদেশ পন্তি গ্রুপটা বাকি দুই নেরেটিভের কনটাই মুক্তিযুদ্ধের বাইরে গিয়ে মানতে চাইবেনা। এরা থাকবে সবচেয়ে দুর্বল। যার সুবিধা নিবে ভারত এবং পাকিস্তান দুই দেশই। মিলিয়ে দেখেন বর্তমান পরিস্থিতে কি হচ্ছে? রাষ্ট্রদ্রোহী কোন মামলা যদি হতে হয় সেটা তার নামে আগে হওয়া উচিত।

Sumon Kais

22,557 Aufrufe • vor 11 Monaten

আমি: কাকিমা, আজকে টমেটো, গাজর, ধনেপাতা সব মিলিয়ে ১২০ টাকার মাল নিলাম। কিন্তু পকেটে এখন মাত্র ৫০ টাকা আছে। বাকিটা কাল দিয়ে দিব? কাকিমা: আরে বাবু, এটা কী বলছো? বাজারে সবাই টাকা দিয়ে মাল নেয়। তুমি তো নিয়মিত কাস্টমার, কিন্তু আজকে টাকা না থাকলে কী করব? মাল তো ফেরত নিতে পারব না। আমি: কাকিমা, সত্যি বলছি, বাড়িতে টাকা ভুলে এসেছি। প্লিজ একটু ম্যানেজ করে নাও। কাকিমা: (চারপাশে তাকিয়ে, লোকজনের ভিড় দেখে হেসে) দেখো, এখানে অনেক লোক। আমি কী করে ম্যানেজ করব? তুমি যদি সত্যি টাকা না দিতে পারো তাহলে অন্য কোনো উপায়ে দিতে হবে। আমি: কাকিমা, কী উপায়? কাকিমা: (মুচকি হেসে, গলা নামিয়ে) বাবু, তুমি তো বড় হয়ে গেছো। আমার দোকানে বসে থাকো। লোকজন চলে গেলে দেখা যাবে কী করা যায়। (কিছুক্ষণ পর, ভিড় একটু কমলে) আমি: কাকিমা, তুমি খুব সুন্দর দেখতে! কাকিমা: (চোখ সরু করে হেসে) ওরে শয়তান ছেলে! লজ্জা করে না? এখানে পাবলিক মার্কেটে বসে এসব বলছিস? আমি: কাকিমা, সত্যি বলছি, তোমাকে দেখে আমার শরীর গরম হয়ে যাচ্ছে। কাকিমা: (চারপাশে তাকিয়ে, গলা নামিয়ে) তাহলে কী করবি? টাকার বদলে কাকিমাকে কিছু দিতে চাস? আমি: নিশ্চয়ই! কাকিমা: (লজ্জা মিশিয়ে হেসে) পাগল ছেলে! এখানে লোকজন আছে। কিন্তু... (দোকানের পিছনে একটু ঢাকা জায়গায় ইশারা করে) আয়, একটু পিছনে আয়। লোকজন দেখতে পাবে না। (দুজনে দোকানের পিছনে সরু গলিতে চলে গেলাম, কিন্তু পাশ দিয়ে লোকজন যাচ্ছে) কাকিমা: দেখ, কাকিমার বুক কেমন? ছুঁয়ে দেখ। আমি: (হাত দিয়ে কাকিমার বুক চেপে ধরলাম) উফফ কাকিমা, তোমার বুক খুব নরম আর বড়। কাকিমা: (আঃ করে ফিসফিস করে) জোরে চাপ রে বাবু... কিন্তু সাবধান, পাশ দিয়ে লোক যাচ্ছে। কেউ দেখলে কী হবে? আমি: কাকিমা, তোমার টপ খুলে বুক বের করো। কাকিমা: (চারপাশে তাকিয়ে একটু উপরে তুলে বুক বের করে দিল) দেখ... কাকিমার বুক তোর সামনে। চুষবি? আমি: হ্যাঁ কাকিমা। (আমি কাকিমার বুকের বোঁটা মুখে নিয়ে জোরে চুষতে শুরু করলাম। কাকিমা আঃ আঃ করে কাঁপছিল, পাশ দিয়ে লোকজন হেঁটে যাচ্ছে) কাকিমা: উফফ্... জোরে চুষ রে... কামড়া... আহহ্... লোকজন দেখতে পেলে কী হবে? কিন্তু থামিস না... (বুক চোষার পর) কাকিমা: চল, দোকানের পিছনে আরেকটু ভিতরে যাই। লোকজনের ভিড়ে এখনো ঝুঁকি আছে। (দোকানের পিছনে একটা ছোট্ট ঢাকা জায়গায়) কাকিমা: প্যান্ট খুলে তোর বাঁড়া বের কর। আমি: কাকিমা, তোমার সামনে আমার বাঁড়া শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। কাকিমা: (হাত দিয়ে বাঁড়া ধরে) উফফ্... কত মোটা! কাকিমার গুদে ঢোকাতে চাস? আমি: হ্যাঁ কাকিমা। কাকিমা: আয়, কাকিমার গুদে বাঁড়া ঢোকা। লোকজন দেখতে পেলে কী হবে জানি না, কিন্তু চোদ। (আমি কাকিমাকে দেওয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে পেছন থেকে বাঁড়া গুদে ঢুকিয়ে জোরে ঠাপাতে শুরু করলাম) কাকিমা: আহহ্... মাগো... অনেক মোটা... গুদ ফেটে যাচ্ছে... জোরে ঠাপা... লোকজন যাচ্ছে পাশ দিয়ে... দেখতে পেলে কী হবে... আহহ্... থামিস না... কাকিমা: চল, দোকানের সামনে ফিরে যাই। লোকজনের সামনেই চোদবি। (দোকানের সামনে, লোকজনের ভিড়ের মাঝে, কাকিমা বসে থাকা অবস্থায় আমি তার পিছনে বসে শাড়ি তুলে বাঁড়া ঢুকিয়ে চোদতে শুরু করলাম) কাকিমা: (ফিসফিস করে) শালা নোংরা... পাবলিকের সামনে কাকিমাকে চোদছিস... জোরে ঠাপা... গুদ ফাটিয়ে দে... কাকিমা: আমাকে দোকানের উপর শুইয়ে পা তুলে চোদ। লোকজন দেখুক। (কাকিমাকে দোকানের মাদুরের উপর শুইয়ে পা দুটো আকাশে তুলে আমি জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম। পাশ দিয়ে লোকজন টমেটো কিনছে, কেউ কেউ অবাক হয়ে তাকাচ্ছে) কাকিমা: আহহ্... দেখ... সবাই দেখছে... কাকিমাকে পাবলিকে চোদা হচ্ছে... তোর বাঁড়া আরও গভীরে ঢোকা... গুদের ভিতরটা ফাটিয়ে দে... রস ছিটকে বের কর... আমি: কাকিমা, তোমার গুদ খুব টাইট আর গরম। আমি আর পারছি না। কাকিমা: থামবি না... চোদ... চোদ... পাবলিকের সামনে কাকিমাকে রেন্ডি বানিয়ে চোদ... বুক চেপে ধর... বোঁটা কামড়া... আহহ্... আমি যাচ্ছি... গুদ থেকে রস বের হচ্ছে... কাকিমা: এখন আমাকে কোলে তুলে চোদ। লোকজনের সামনে হাঁটতে হাঁটতে চোদবি। (আমি কাকিমাকে কোলে তুলে তার গুদে বাঁড়া ঢুকিয়ে হাঁটতে হাঁটতে ঠাপাতে লাগলাম। মার্কেটের লোকজন অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখছে) কাকিমা: উফফ্... সবাই দেখছে... কাকিমাকে কোলে চোদা হচ্ছে... জোরে ঠাপা... গুদ ফাটিয়ে দে... আজ কাকিমা তোর পাবলিক রেন্ডি... (এরপর কাকিমাকে মাদুরের উপর উপুড় করে শুইয়ে পেছন থেকে চোদা, তারপর মুখে বাঁড়া ঢুকিয়ে চুষানো, তারপর আবার গুদে ঢুকিয়ে চোদা ) কাকিমা: শেষ কর... তোর গরম রস কাকিমার গুদে ঢেলে দে... পাবলিক দেখুক... আজ কাকিমা তোর বাঁড়ার পুরো দাসী হয়ে গেল... (দীর্ঘক্ষণ চোদাচুদির পর আমি কাকিমার গুদের ভিতর গরম রস ঢেলে দিলাম। কাকিমা কাঁপতে কাঁপতে চিৎকার করে উঠল)

Desi বাঙালি bull

10,374 Aufrufe • vor 4 Monaten