Загрузка видео...

Не удалось загрузить видео

На главную

প্রাণের নিমন্ত্রণ.….

11,254 просмотров • 3 месяцев назад •via X (Twitter)

Комментарии: 0

Нет доступных комментариев

Здесь появятся комментарии из оригинального поста

Похожие видео

দুর্গাপুজো বাংলা তথা বাঙালির সেরা উৎসব, আমাদের প্রাণের উৎসব, আমাদের গর্বের উৎসব। আমাদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে এর যোগ। এই পুজো এমন একটা আবেগ যা সকলকে এক করে দেয়। UNESCO পর্যন্ত দুর্গাপুজোকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে বিরল সম্মান জানিয়েছে। আজ আমি হাতিবাগান সর্বজনীন, টালা প্রত্যয় এবং শ্রীভূমি-র দুর্গাপূজা মণ্ডপ উদ্বোধন করলাম। সব জায়গায় উপস্থিত ছিলেন হাজার হাজার মানুষ, বহু গুণিজন, মন্ত্রীসভায় আমার অনেক সহকর্মী ও আধিকারিকরা। প্রতিটি অসাধারণ প্যান্ডেল এবং প্রতিটা সূক্ষ্ম শিল্পকর্মের পেছনে রয়েছে আমাদের শিল্পী, কারিগর এবং সংগঠকদের কয়েক মাসের অক্লান্ত পরিশ্রম। বাংলার সমৃদ্ধ সৃজনশীল ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখা এবং তাদের ভক্তি ও শ্রমের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের মুখে আনন্দ ফুটিয়ে তোলার জন্য আমি তাঁদের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। যদিও কালো মেঘ আমাদের আকাশে ছায়া ফেলেছে, আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে, মা দুর্গার কৃপায় এই সংকট কেটে যাবে। প্রার্থনা করি, মায়ের আশীর্বাদে বাংলার প্রতিটি পরিবারে সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি আসুক। দূর হোক ঘৃণা, জয়ী হোক ভালোবাসা, মানবতাবাদ। আমি মনে করি, একতা ও মানবিকতাই হল আমাদের প্রকৃত ভিত্তি। মানবতার কোনও জাত নেই, ধর্ম নেই, সম্প্রদায় নেই, মানুষ কেবল মানুষ। আর তাই বাংলার যেকোনো উৎসবে উদযাপন হয় একটাই ধর্মের। তার নাম মানব ধর্ম। এটাই বাংলার সংস্কৃতি, এটাই বাংলার ঐতিহ্য। জয় বাংলা! জয় মা দুর্গা!

Mamata Banerjee

34,752 просмотров • 11 месяцев назад

সারা বিশ্বের অনেকেরই মত বাঙালির প্রাণের শহর উৎকলের শ্রীক্ষেত্র; পুরীর জগন্নাথ ধাম সনাতন ধর্মের অন্যতম পীঠস্থান। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জগন্নাথ অবতারে পুরীর মন্দিরে অধিষ্ঠান করেন, সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের বড় ভাই বলভদ্র এবং ছোট বোন সুভদ্রাও একই আসনে অধিষ্ঠান করেন। পুরীর রথযাত্রা উপলক্ষে কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয় রাজপথ, রথ টানার জন্য জনপ্লাবন সৃষ্টি হয় প্রতি বছর। কয়েক শতাব্দী পূর্বে নির্মিত অলৌকিক এই মন্দিরের সঙ্গে কত আশ্চর্যজনক ঘটনা জড়িত তার ব্যাখ্যা বিজ্ঞান ও দিতে ব্যর্থ। যেমন মন্দিরের চূড়ায় যে পতাকা লাগানো থাকে, সবসময় যে দিকে হাওয়া চলে তার বিপরীত দিকে পতাকাটি ওড়ে। জগন্নাথ দেবের মন্দির প্রায় ৪ লক্ষ বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এবং ২১৪ ফুট উঁচু, অথচ এই মন্দিরের চূড়ার কোনও ছায়া দেখা যায় না। মন্দিরের চূড়ায় একটি চক্র লাগানো রয়েছে, যে কোনও প্রান্ত থেকে ওই চক্রের দিকে তাকান, মনে হবে চক্রটি আপনার দিকেই ঘোরানো। চক্রটির ওজন প্রায় এক টন। ১২ শতকে মন্দির নির্মাণের সময় চূড়ায় কিভাবে বসানো হয়েছিল, তা এক রহস্য, কারণ সেই সময় প্রযুক্তি কতটা উন্নত ছিল তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। জনশ্রুতি, লোকগাথা, পৌরাণিক কাহিনী ও ইতিহাসের আবরণে মোড়া প্রাচীন ধর্মীয় তীর্থক্ষেত্র; পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের থেকেও নাকি "বড় মন্দির" বানাচ্ছেন মাননীয়া ! দম্ভ যখন মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে তখন মানুষ আবোল তাবোল বকে। মহাপ্রভু জগন্নাথ দেব ওনাকে সুবুদ্ধি প্রদান করুন এই প্রার্থনা করি। জয় জগন্নাথ 🚩

Suvendu Adhikari

30,346 просмотров • 2 лет назад