Video wird geladen...

Video konnte nicht geladen werden

Zur Startseite

ফাইট ফর জাস্টিস।

11,806 Aufrufe • vor 1 Jahr •via X (Twitter)

8 Kommentare

Profilbild von I mukherjee
I mukherjeevor 1 Jahr

বাম রাম কে মানুষ চেনে কমরেড

Profilbild von Gaurav Das
Gaurav Dasvor 1 Jahr

By vandalised the hospital....they are fight for justice.....Bravo...👏👏

Profilbild von সাবির
সাবিরvor 1 Jahr

আমাদের লড়াই চলবে ✊

Profilbild von Sudarshan (Naya Bharat🇮🇳)🙏
Sudarshan (Naya Bharat🇮🇳)🙏vor 1 Jahr

I wish if Sandesh had protested like this about Khali, he would not have had to see this day

Profilbild von Arindam Majumder
Arindam Majumdervor 1 Jahr

We are all with you.

Profilbild von Asian Grand Villa
Asian Grand Villavor 1 Jahr

Protestors were not on road 1. when a woman employee coming out of Governor's house with full of tears being molested & accussed applied all steps to hush up the case. 2. when girls / women from poor families are raped or molested, 3. On situations of Manipur, Maharashtra, UP.

Profilbild von sayan bhai
sayan bhaivor 1 Jahr

Eta ki bihar naki? Khali Hindi ar Urdu?

Profilbild von Kausik Bhowmik 🇮🇳
Kausik Bhowmik 🇮🇳vor 1 Jahr

Baal fight korbi tora..extinct chinese bhaam..MakuMul er dol...BIG ZERO abar hobi..dhandabaaz hypocrite.

Ähnliche Videos

ASSASSINATION OF OSMAN HADI: PRO-KHALISTAN GROUP CALLS FOR “LOCKDOWN” OF INDIAN EMBASSIES FROM DHAKA TO WASHINGTON ON DECEMBER 24 “The blood stains of Osman Hadi and Shaheed Nijjar must cover and shake every Indian embassy and consulate — from Dhaka to DC,” stated Gurpatwant Singh Pannun, General Counsel of Sikhs For Justice (SFJ). ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড: প্রো-খালিস্তান গোষ্ঠীর আহ্বান — ২৪ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে ওয়াশিংটন পর্যন্ত ভারতীয় দূতাবাসে “লকডাউন” “ওসমান হাদি ও শহীদ নিজ্জারের রক্তের দাগ ঢাকা থেকে ডিসি পর্যন্ত প্রতিটি ভারতীয় দূতাবাস ও কনস্যুলেটকে ঢেকে দিতে হবে এবং কাঁপিয়ে দিতে হবে,” বলেন শিখস ফর জাস্টিস (SFJ)-এর জেনারেল কাউন্সেল গুরপতবন্ত সিং পান্নুন। ভারতীয় হিন্দুরা প্রকাশ্যে ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড উদ্‌যাপন করছে—যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতাদর্শের অনুসারীদের দ্বারা খালিস্তান গণভোট সংগঠক শহীদ হারদীপ সিং নিজ্জার হত্যার পর উদ্‌যাপনের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডি যেমন বলেছিলেন: “যারা শান্তিপূর্ণ বিপ্লবকে অসম্ভব করে তোলে, তারাই সহিংস বিপ্লবকে অনিবার্য করে তোলে।” শিখস ফর জাস্টিস বাংলাদেশবাসী—ইনকিলাব মঞ্চসহ—সকলকে আহ্বান জানাচ্ছে, যেন তারা প্রো-খালিস্তান শিখদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে অংশ নেয় ২৪ ডিসেম্বর ভারতীয় দূতাবাসে ‘লকডাউন’ কর্মসূচিতে, যাতে মোদি শাসনের অধীনে পরিচালিত হত্যাকাণ্ডগুলোর প্রতি আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়। ২৪ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী ভারতীয় দূতাবাস ও কনস্যুলেটে ‘লকডাউন’ কর্মসূচি পালিত হবে। চিহ্নিত স্থানসমূহ ইনকিলাব মঞ্চ ও খালিস্তান গণভোট কর্মীদের লক্ষ্য করে হত্যার পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নিম্নোক্ত ভারতীয় দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে: •ঢাকা — যেখানে প্রণয় ভার্মা ওসমান হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা করে; •অটোয়া — যেখানে দীনেশ পাটনায়েক ইন্দরজিত সিং গোসালকে হত্যার পরিকল্পনা করছে; •লন্ডন — যেখানে বিক্রম দোরাইস্বামী পরমজিৎ সিং পাম্মাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত; এবং •ওয়াশিংটন ডিসি — যেখানে বিনয় কোয়াত্রা প্রো-খালিস্তান শিখদের বিরুদ্ধে হত্যার পরিকল্পনা করছে। হিন্দু বাংলাদেশি নাগরিক দীপু দাস-এর হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে ভারতের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস ‘ফলস-ফ্ল্যাগ’ অভিযানের, যেখানে বেসামরিক মানুষকে হত্যা করে দোষ অন্যের ওপর চাপানো হয়—দেশ অস্থিতিশীল করা, নির্বাচন প্রভাবিত করা এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বৈধতা দেওয়ার জন্য। দীপু দাস হত্যাকাণ্ডে ভারতের ভূমিকা উপেক্ষা করা যাবে না। পান্নুন আরও বলেন: “মোদি—যখন রাষ্ট্রীয় সহিংসতার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ কণ্ঠস্বর দমন করা হয়, তখন পরিণতি আর কোনো পছন্দ থাকে না; তা অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে।”

Sikhs For Justice

16,470 Aufrufe • vor 8 Monaten

শিবিরের যিনি সেক্রেটারি বের হলেন, ফরহাদ ভাই! উনি এক মুখে দুই কথা বলার মানুষ হিসেবে সবার সামনেই পরিগনিত হয়েছেন। প্রথমত উনি সাক্ষাৎকারে শিবির সম্পর্কে বহুৎ ভালো ভালো কথা বলেছেন। বলেছেন শিবিরের রগকাটার কোন ইতিহাসই তার কাছে নাই। এবং যেটা বলা হয় যে, পলকের মনে হয় আমরা একটা ব্যাপার দেখেছি যে - প্রথমে বলছেন যে ইন্টারনেট এমনি এমনি চলে গেছে। তারপর বললো স্যাটেলাইটের ভেতর পানি ঢুকে গেছে। তো ফরহাদ সাহেবের বক্তব্যটাও আমার কাছে ওরকম মনে হয়েছে। 'ছাত্রলীগে তো আমি যাইনি। ছাত্রলীগ আমাকে এমনি এমনি পদ দিয়ে দিয়েছে। পদ দিলেও আমি রাজনীতি করি নাই।' উনি যে মিছিলে ছিল কি ছিলনা সেটার প্রত্যক্ষদর্শী মানুষতো অবশ্যই ছিল। সেটা সবাই জানে। আর ছাত্রলীগের পদ পেতে হলে লক্ষ লক্ষ টাকার ব্যাবসা বানিজ্য যেমন আছে তেমনি মিছিল করা স্লোগান দেয়াও তাদের বাধ্যতামূলক। ফলে এধরণের ভুজুংভাজুং কথাবার্তা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করে ছাত্র শিবিরের নৈতিকতা ভ্যালিড করার কোন চান্স নাই। আর ছাত্রশিবির যতোই বলুক তারা একটা নৈতিক সংগঠন। যদি তারা নৈতিক সংগঠন ই হতেন তাহলে বিগত ১৬ বছর বা তার পূর্ব্ববর্ত্তী সময়গুলোতে তার এবং তার যে পার্টি জামায়াত এই বিএনপির সাথে জোট করে রাজনীতিতে থাকতো না। কিংবা ছাত্রলীগের ভেতরে লুকায়িত অবস্থায় রাজনীতিটা করতেন না। বরং ছাত্রলীগের চোখে চোখ রেখে তিনি ছাত্রদের হয়ে ফাইট টা করতেন। যেটা তারা করেন নাই বরং ছাত্রলীগের হয়ে হলে থেকেছেন। সুবিধা ভোগ করেছেন। এখন তারা বলছেন যে তারা কখনোই সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে নাই। কিন্তু আমরা জানি, আমাদের কাছে অসংখ্য নিউজ ক্লিপ আছে তারা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কি করেছেন। তিনি তো অবশ্যই এই প্রশ্ন এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করবেন। এবং পরবর্তীতে এটা সম্পর্কে একটা বিভ্রান্তিকর উত্তর দিবেন। অবশ্যই জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের যে স্বাধীনতা যুদ্ধ সেটার বিপক্ষে অবস্থান ছিল এবং তারা এক পাকিস্তানের হয়ে লড়াই করেছেন। সশস্ত্র ভাবে বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী, মুক্তিযোদ্ধাদের উপর তারা হামলা করেছেন। নিরস্ত্র মানুষের উপর হামলা করেছে। গ্রামে গ্রামে গিয়ে নারীদের ধর্ষণ করেছে। এবং সবথেকে বড় কথা যে ১৪ ডিসেম্বর যে বুদ্ধিজীবী দিবস আমরা পালন করি। আমরা একটা প্রশ্ন করতে চাই যে বাংলাদেশ এবং যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দাঁড়িয়ে আছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে বুদ্ধিজীবীদের লিস্ট। কারা তৈরী করে দিয়েছিলেন সেই প্রশ্নের উত্তর কিন্তু জামায়াত কে অবশ্যই দিতে হবে। কারণ আমরা জানি শান্তিবাহিনী, আল বদর বাহিনী পরিচালনা করতো জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্র সংঘ। এরাই সেই লিস্ট তৈরী করে দিয়েছে এবং আমাদের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে। এটা তো আমি একটা দিনের কথা বলেছি। তাহলে ৯ মাসে তারা কি করতে পারে সেটার বর্ননা আপনারা জানেন। এতোকিছু প্রমাণ থাকা সত্বেও কিভাবে তারা এটাকে অস্বীকার করে। এখন যেটা হয় যে যখন যারা ক্ষমতায় যায় তারা মনে করে যে বাংলাদেশের মানুষ হচ্ছে বোকা। তারা ইতিহাস বলতে কিছু জানেনা। তাদেরকে যা ইচ্ছা তাই ই খাইয়ে দেয়া যাবে। তো জামায়াতের যে রাজনৈতিক মতাদর্শ বা স্ট্র‍্যাটেজিকাল জায়গাটা এতোটাই অনৈতিক, তারা এধরনের কথা মনে করতেই পারে। আমাদের জেনারেশনের ক্ষেত্রে যে ঘাটতি টা। আমরা যারা ২০০০-২০০৪ সময়েতে জন্মগ্রহণ করেছি আমরা কিন্তু আসলে জানিনা যে জামায়াত বা ইসলামি ছাত্র শিবির এবং মুক্তিযুদ্ধের যে ইতিহাস সেটার প্রকৃত ইতিহাসটা কি। আমরা এখনো অবধি যে ইতিহাস পাই সম্পুর্ন ভাবে আওয়ামী লীগের ইতিহাসটাই পাই। যে একক ভাবে আওয়ামী লীগই মুক্তিযুদ্ধ করেছে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ ছিল জনযুদ্ধ। সর্বস্তরের মানুষ সশস্ত্র ভাবে সেই সংগ্রাম করেছে। এবং জামায়াতের বিরুদ্ধেও কিন্তু সেই লড়াইটা ছিল। #Shibir #Jamat #BNPJamat #JamatShibir

Tarek Sumon

19,882 Aufrufe • vor 1 Jahr