正在加载视频...

视频加载失败

ফলতা প্রসঙ্গে

16,595 次观看 • 2 个月前 •via X (Twitter)

0 条评论

暂无评论

原始帖子的评论将显示在这里

相关视频

একাত্তরে জামায়াত ইসলামের অবস্থান প্রসঙ্গে সে সময়কার আমির গোলাম আযম বলেন, ❝পাকিস্তান হওয়ার পর থেকে ভারত পাকিস্তানের সাথে যে আচরণ করেছে তাতে ভারতকে বন্ধু মনে করার কোন কারণ ছিল না। বাংলাদেশের জনগণের প্রতিনিধি আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে গিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর কাছে ধরণা দিল, আমাদের স্বাধীন করার জন্য আপনারা সাহায্য করেন। তখন আমরা মহা চিন্তায় পড়লাম। ভারত ত আমাদেরকে স্বাধীন করতে আসবে না। তারা আসবে তাদের স্বার্থে। পাকিস্তান ভারতের বাইরে। আর আমরা ভারতের পেটের ভিতরে। আমাদের চারিদিকে ভারত। দক্ষিণ দিকে বঙ্গোপসাগর তাদের হাতে, আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ তাদের হাতে। আমরা যদি তাদের থেকে আলাদা হই, তাহলে স্বাধীন সত্তা রক্ষা করে চলতে পারব না। আমরা ভারতের আধিপত্যের অধীনে থাকতে বাধ্য হব। এদেশে তিন কারনে ইন্ডিয়ার স্বার্থ ছিলো। পাকিস্তানকে দুর্বল করা, আমাদের উপর আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ গ্রহণ করা, পাকিস্তানের মেজরিটি এলাকাতে তাদের পণ্যের মার্কেট বানানো। তারা আমাদের স্বাধীনতার জন্য আসে নাই। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও তাদের যা আচরণ, এর থেকেই প্রমাণ হয় তারা কি আদৌ আমাদের স্বাধীনতা চায়।❞ স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর গোলাম আজমের এই বক্তব্যকে কিভাবে দেখেন ?

Tarek Abdullah

22,721 次观看 • 1 年前

আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন আমি কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করি কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর যে অবদান এটা আমার ইতিহাস চর্চার পর আরো বেশি পোক্ত হয়েছে। ১৯৬৬ সন থেকে ১৯৭২ সন পর্যন্ত উনার জীবনে কোন ভুল নেই এবং অবিশ্বাস্য সব প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সবচেয়ে সঠিক সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছেন। সবাই বিরোধিতা করেছে কিন্তু উনি উনার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। উনি যখন নির্বাচনে বিজয়ী হোন, পাকিস্তানের শাসকদের যদি গনতন্ত্রের প্রতি মিনিমাম শ্রদ্ধাবোধ থাকতো তাহলে উনারা বঙ্গবন্ধুকে পুরো পাকিস্তানের জন্যে সংবিধান রচনা করতে দিতেন। ১৯৭২ এর সংবিধান প্রনয়ণ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ভূয়সী প্রশংসায় ড: আসিফ নজরুল আরো বলেন ১৯৭২ সালে যে কতো বেশি গনতন্ত্রের চর্চা ছিল তা এই সংবিধান রচনার সময়কার পুরো প্রক্রিয়াটা অনুসরণ করলে স্পষ্ট বুঝা যায়। আমার কাছে আশ্চর্য লাগে, ৫০ বছর আগে উনাদের জ্ঞান, প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা কতো উঁচুতে ছিল। সেখান থেকে আমরা কোথায় নেমে এসেছি। আপনাকে জানিয়ে রাখি এই বইটা আমি যাদের উৎসর্গ করেছি তাদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আছেন। #Independence1971 #Bangladesh1971 #স্বাধীনতা১৯৭১ #BangladeshCrisis

Tarek Sumon

17,984 次观看 • 1 年前

প্রেস রিলিজঃ ৮ নভেম্বর ২০২৪ আন্তর্জাতিক আদালতে দখলদার ইউনুস সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের প্রসঙ্গে আজ ৮ ই নভেম্বর নেদারল্যান্ডে অবস্থিত আন্তর্জাতিক ফৌজদারী আদালতে (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট) বাংলাদেশের দখলদার সরকারের কথিত প্র্ধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে রোম সংবিধির ১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ দায়ের করেন সিলেটের মেয়র জনাব আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। তিনি গত ৫ ই অগাস্ট থেকে ৮ ই অগাস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলনের নামে নিহত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও তার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের সমস্ত নেতাকর্মী, বাংলাদেশের বসবাসরত হিন্দু, খৃষ্ঠান, বৌদ্ধ এবং বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর উপর হয়ে যাওয়া নির্মম গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠিত হয়েছে, এই মর্মে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে সমস্ত তথ্য-প্রমাণ দাখিল করতঃ একটি অভিযোগ দায়ের করেন। প্রধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনুস সহ মোট ৬২ জনের বিরুদ্ধে উপরে উল্লেখিত দুইটি অভিযোগ দাখিল করা হয়। ইউনুস ছাড়াও এই ৬২ জন অভিযুক্তের মধ্যে আসিফ নজরুল, লে জেনারেল (অব) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার (অব) শাখাওয়াত হোসেন, সৈয়দা রেজওয়ানা, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সহ ইউনুসের উপদেষ্টা মন্ডলীর সকল সদস্য এবং কথিত ছাত্র বৈষম্য জোটের মোহাম্মদ হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, আব্দুল হান্নান, হাসিব আল ইসলাম, আবু বকর মজুমদার সহ মোট ৬২ জনের বিরুদ্ধে উল্লেখ্য অভিযোগ আনা হয়। এই অভিযোগে মূল অভিযোগপত্রের সাথে প্রায় ৮০০ পৃষ্ঠার তথ্য-নথি-পত্র প্রমাণ স্বরূপ যুক্ত করা হয়। উল্লেখ্য যে কোটা বিরোধী আন্দোলনের নাম করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করা ইউনুস সরকার গত ৫ ই অগাস্ট থেকে ৮ ই অগাস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও তার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের সমস্ত নেতাকর্মী, বাংলাদেশের বসবাসরত হিন্দু, খৃষ্ঠান, বৌদ্ধ এবং বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর উপর নির্ম গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মত আন্তর্জাতিক অপরাধ সংগঠিত করে যেখানে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা, ধর্ষন, দেশ ত্যাগে বাধ্য এবং লক্ষ লক্ষ ঘরবাড়ি, সম্পদ ইত্যাদি বিনষ্ট করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে দাখিলকৃত এই অভিযোগের মধ্যে দিয়ে সিলেটের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীি প্রথম ব্যাক্তি হিসেবে এই ধরনের অভিযোগ দায়ের করলেন। তবে এই ধরনের আরো ১৫ হাজার অভিযোগ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে দায়ের করবার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে খুব শিঘ্রীই ক্ষতিগ্রস্থ সংঘুব্ধ ব্যাক্তিরা একে একে অভিযোগ দায়ের করবেন। বিনীত, নিঝুম মজুমদার ব্যারিস্টার ও সলিসিটর মনিরুল ইসলাম মঞ্জু ব্যারিস্টার এস শাকির উদ্দিন চেয়ারম্যান, গভ ওয়াইজ লিমিটেড স্থানঃ ল ভ্যালি সলিসিটর, কালাম হাউজ, স্ট্র্যাটফোর্ড

Sheikh Amirul Islam 🇧🇩আবুল লেইছ

17,849 次观看 • 1 年前

আজ ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে দ্বাদশ কন্যাশ্রী দিবস উদ্‌যাপনের মঞ্চে আমি উপস্থিত ছিলাম। সারা রাজ্যের থেকে অনেক ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা সেখানে এসেছিলেন। সব জেলা থেকেও আমার অনেক কন্যাশ্রী মেয়ে, শিক্ষক-শিক্ষিকা, আধিকারিকরা ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের সকলকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীকে আজকে মঞ্চ থেকে তাঁদের অবদান ও সাফল্যের জন্য সম্মানিতও করা হল। তাঁদের সম্মান জানাতে পেরে আমরা গর্বিত। আর একটা বড় কাজের ঘোষণাও আমরা আজকে ওখান থেকে করলাম। আমাদের আর এক বিশ্বজয়ী প্রকল্প ‘সবুজসাথী’-র ফেজ ১১ -এর সাইকেল দেবার কাজ আমরা শুরু করব। এর আওতায় ২০২৫ সালে ক্লাস ৯-এ পড়ে এমন সাড়ে ১২ লক্ষ ছাত্রছাত্রী সাইকেল পাবে। এর জন্য আমাদের খরচ হবে ৫২৫ কোটি টাকা। ডিস্ট্রিবিউশন এই মাসের শেষ থেকেই শুরু হয়ে যাবে। আমি আমার সকল ছাত্র-ছাত্রীকে জানাই আমার আন্তরিক অভিনন্দন। এ প্রসঙ্গে বলি, ‘সবুজসাথী’ চালু হবার পর থেকে এখনো পর্যন্ত আমরা মোট ১ কোটি ৩৮ লক্ষেরও বেশী ছাত্রছাত্রীকে সাইকেল দিয়েছি। খরচ হয়েছে ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। কন্যাশ্রী প্রকল্প বিশ্বজয়ী। ৬২টি দেশের বহু শত প্রকল্পের মধ্যে এটা প্রথম স্থান অধিকার করে United Nations Public Service Award পেয়েছে। আজও ভার্চুয়ালি আমাদের কন্যাশ্রী প্রকল্পের প্রশংসা করেছেন ইউনিসেফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি সিনথিয়া ম্যাক্যাফ্রি। বাংলার মেয়েদের হাতে আমরা এখনো পর্যন্ত তুলে দিয়েছি সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা। এখন আমাদের রাজ্যে ৯৩ লক্ষের বেশি ‘কন্যাশ্রী’। এটা অত্যন্ত আনন্দের, এই প্রকল্প চালু করার ফলে অনেক বেশি সংখ্যক মেয়ে এখন স্কুলে পড়াশোনা করছে। মেয়েদের মধ্যে স্কুল ড্রপ আউটের সংখ্যা এই জন্য আমরা আগের জমানার তুলনায় উল্লেখযোগ্য ভাবে কমাতে পেরেছি। প্রাইমারীতে ২০১১-১২ সালে মেয়েদের মধ্যে ড্রপ আউট ছিল ৩.৬০% ; ২০২৩-২৪ - এ তা হয়েছে ০%। একজনও ড্রপ আউট নেই। আপার প্রাইমারীতে মেয়েদের মধ্যে ২০১১-১২-তে ড্রপ আউট ছিল ৪.৫৭% ; ২০২৩-২৪ – এ সেটাও হয়েছে ০%। একজনও ড্রপ আউট নেই। সেকেন্ডারীতে ২০১১-১২ সালে মেয়েদের মধ্যে ড্রপ আউট ছিল ১৬.৩২% ; ২০২৩-২৪ – এ কমে হয়েছে ২.৯%। হায়ার সেকেন্ডারীতে ২০১১-১২ সালে মেয়েদের মধ্যে ড্রপ আউট ছিল ১৫.৪১% ; ২০২৩-২৪ – এ সেটাই অনেকটা কমে হয়েছে ৩.১৭%। আগামী কাল স্বাধীনতা দিবস। আমি মনে করি সমাজ সত্যিকারের স্বাধীন তখনই হয় যখন সেই সমাজের নারীরা, কারো মুখাপেক্ষী না হয়ে, নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই জয় করার ক্ষমতা অর্জন করে। আমার প্রিয় ‘কন্যশ্রী’রা - তোমরা ভালো করে পড়াশোনা করে এগিয়ে যাও। মাথা নত না করে, কারও দ্বারস্থ না হয়ে জীবন যুদ্ধে জয়ী হও। তোমরা সাহসী হও, নির্ভীক হও, বীর তনয়া হও, বিশ্বজয়ী হও। জয় হিন্দ! জয় বাংলা!

Mamata Banerjee

15,338 次观看 • 10 个月前

ইটা মারতেসে সেজন্য সমন্বয়ক গুলি করে লাশ ফেলে দিতে নির্দেশ দিচ্ছে৷ এভাবেই ওরা ২০ জন হত্যা করে গোপাল গঞ্জে৷ ৩২ মিনিটের এই ভিডিওটা প্রশাসনের পূর্ণ সহায়তায় এবং প্রটেকশনে এনসিপি নেতা কর্মীদের জঙ্গি তৎপরতার প্রামান্য দলিল হয়ে থাকবে। এর প্রতিটা কথোপকথনে উঠে এসেছে তারা কি পরিকল্পনা নিয়ে গোপালগঞ্জে এসেছিল এবং তাদের পরবর্তী পরিকল্পনাগুলো কি। পুরো ভিডিওজুড়েই ছিল আওয়ামীলীগ‚ মুজিব ও গোপালগঞ্জ নিয়ে বিষোদগার‚ উষ্কানী‚ নানাবিধ হুমকি ও হত্যা পরিকল্পনা। গাড়ি থেকেই তারা ঢাকায় নির্দেশ পাঠাতে থাকে যেন যাত্রাবাড়ী দনিয়া কলেজের সামনে ঢাকা - চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। পরের বার গোপালগঞ্জ এলে বঙ্গবন্ধুর কবরও উপড়ে ফেলা হবে বলে আলোচনা চলে। তাদের বিভিন্ন জঙ্গি পরিকল্পনা উঠে এসেছে এসব কথোপকথনে কিন্তু সর্বোপরি যেটা পরিষ্কার হয়েছে তা হলো দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রশাসনিক সহায়তা থেকে শুরু করে সেনাবাহীনি ও আর্মি ইন্টেলিজেন্সের সাথে সমন্বয় করেই তারা সব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের করে এবং একই ভাবে ভবিষ্যতেরও সব প্রস্তুতি নেয়া হবে। ভিডিওটির কিছু চুম্বক অংশ নিচে বর্ণনা করা হলো: ভিডিওটি গোপালগঞ্জ থেকে পালানোর সময় এনসিপির গাড়ি বহরের মাঝের একটা গাড়ি থেকে ধারণ করা এবং মূল ধারা ভাষ্যে ছিল এনসিপি মাদারীপুর জেলার তত্বাবধায়ক রকিব হাসান‚ সে ছাড়াও গাড়িতে আরো উপস্থিত ছিল এনসিপির মাদারীপুরের প্রধান সমন্বয়ক শহীদুল ইসলাম সহ মোট ৬ জন। শুরুর পর পরই গাড়ি বহরটি একটা ব্যারিকেডের সামনে পড়ে এবং পাশ থেকে ৫-৬ জন গোপালগন্জবাসীকে ইট পাটকেল ছুড়তে দেখা যায়। একটা ইট গাড়িটিতে এসে লাগে এবং এক পাশের কাচ ভেঙ্গে যায় (যদিও পরবর্তীতে তারা সেই ইটকে ককটেল বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে)। সেই সময় গাড়ির মধ্যকার সবাই চেচামেচি করতে থাকে কেন তাদের হয়ে হামলাকারীদের উপর গুলি ছোড়া হচ্ছে না এবং সেনাবাহিনী গুলি না করলে যেন অস্ত্র তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়। ৩ মিনিট ২০ সেকেন্ডের মাথায় সেনাবাহিনী কেন গুলি করছে না সেই প্রসঙ্গে রাকিবকে বলতে শুনা "এবার তাদের ফুল এক্সেস দেয়া হয়েছে গুলি করার কিন্তু একটা গুলিও তারা করে নাই"। অর্থাৎ জানা গেল সেনাবাহিনীকে মানুষ গুলি করে মারার অর্ডার দেয়া ছিল। ৭ মি: রাকিবকে আরো বলতে শুনা যায় যে সামান্য এই হামলায় সে হতাশ এবং সে নাকি জীবন দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েই এসেছিল। সে ব্যঙ্গ করে বলতে থাকে যে গোপালগঞ্জবাসী তাদের কিছুই করতে পারেনি। এই সময় শহিদুল ইসলামকে আর্মি ইন্টেলিজেন্সের কারো সাথে ফোনে ঘটনার আপডেট দিতে শুনা যায়। পরবর্তীতে গাড়ি বহর আবার এগুতে শুরু করলে প্রতিটা মোড়ে/বাজার-জনপদে সেনাবাহিনীর এপিসি থেকে নির্বিচারে গুলিবর্ষণের শব্দ শুনা যায়। সেই গুলিতে বাইরে কেউ হতাহত হলে গাড়িটির ভিতরের সবাইকে উল্লাস করতে শুনা যায়। তারা বলতে থাকে কিভাবে পরদিন থেকে গোপালগঞ্জবাসী সবার বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়ার ব্যাবস্থা করা হবে। ১৩ মি: ২০ সে: আবার গুলির শব্দ শুনা যায় এবং তাদের কথোপকথন শুনে মনে হয় কোন এক মটরসাইকেল আরোহীকে গুলি করা হয়েছে এবং সে গুলি খেয়ে পড়ে যাওয়ায় তারা উল্লাস প্রকাশ করে বলতে থাকে "একেবারে নগদ গুলি"। ১৯ মি: ৩০ সে: গাড়ির সামনের সিটে বসা ব্যাক্তি ঢাকায় কোন বন্ধূকে কল করে এবং বলে "আমি ঢাকা শহরে গোপালগঞ্জের আওয়ামীলীগের কোন লেস্পেন্সার রাখবো না। যেখানেই পাই জবাই করবো। তুই রেডি রাখ। অস্ত্র AK-47 সহ ৮০ টা রেডি রাখবি। চিরুনি অভিযান করবো ঢাকা শহর থেকে"। ১৬-২১ মি: তাদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সহ আইজিপি পুলিশ প্রসাশন ও বিজিবির বিরুদ্ধে বিষোদগার করতে শুনা যায় এবং কেন তাদের মাত্র ১ টি এপিসি দেয়া হলো‚ কেন ১ ডজন দেয়া হলো না সে বিষয়ে তারা ঊষ্মা প্রকাশ করে। হেলিকপ্টার এনে কেন গুলি করা হলো না তা নিয়েও তারা ক্ষুব্ধ। ২৮ মি: শহীদুলকে বলতে শুনা যায় যে রাজনীতিতে যেহেতু তারা নেমেছে ফার্স্ট এইড কিট সাথে রাখতে হয় এবং পরবর্তীতে আর্মস্ ও বুলেটও থাকবে। গাড়ির ভাঙ্গা কাচের আঘাতে ছড়ে যাওয়া হাত পায়ের প্রাথমিক চিকিৎসার প্রসংগে আলাপকালে একজন বলে নামার আগে "সবাই কিন্তু ব্যান্ডেজ করবেন। পলিটিক্স!" ৩১ মি: ১৯: রকিবকে ঢাকায় তানভীর নামে কারো সাথে ফোনে কথা বলতে শুনা যায়। তানভীর জানায় ঢাকায় ব্লকেড করা হয়েছে এবং শুনে সবাই খুশি হয়। এক পর্যায়ে রকিব নির্দেশ দেয় "পুরা ঢাকা শহর অচল করে দিবা। আওয়ামীলীগের যতগুলা আছে সব খুইজা মাইরা ফেল। সবাইরে নিয়া নাও। ছাত্রদল সহ সবার সাথে কথা হইসে আমার। শান্তদেরকে ফোন দাও। ওরাও সর্বোচ্চ কোপরেট করবে।

ননসেন্স্

14,039 次观看 • 11 个月前