Video wird geladen...

Video konnte nicht geladen werden

Zur Startseite

বাস্তবতার সাথে কতো মিল রেখে 🇧🇩✅

19,136 Aufrufe • vor 2 Jahren •via X (Twitter)

5 Kommentare

Profilbild von 𝕂𝕀ℕ𝔾 𝒐𝒇 𝔹𝔻
𝕂𝕀ℕ𝔾 𝒐𝒇 𝔹𝔻vor 2 Jahren

নিঃসন্দেহে বাস্তব

Profilbild von দিল্লি দাসী
দিল্লি দাসীvor 2 Jahren

শাপলা চত্ত্বর আর ফিলখানার ঘটনায় দিল্লির দাসীর ১০০ বার ফাঁসি হবে যদি একবার ক্ষমতা থেকে নামে

Profilbild von 💗♖ 𝕄𝐝 ʰ𝔸𝐬αŇ ♢🏆
💗♖ 𝕄𝐝 ʰ𝔸𝐬αŇ ♢🏆vor 2 Jahren

100% right

Profilbild von Md Sifat
Md Sifatvor 2 Jahren

কথাগুলো কিন্তু সত্যিই ছিলো

Profilbild von Ru Mon
Ru Monvor 2 Jahren

সত্য কথা বলার কারণেই এসব সিনেমা আজ হারিয়ে গেছে 🫴🫴

Ähnliche Videos

কোন ফ্যাসিস্টের ভাস্কর্য ভাংগতে হলে টাকা লাগবে ১০ লাখ! আমরা এখন নতুন স্ট্রাটেজি নিয়েছি। কেউ যদি ফোন দিয়ে বলে ওইখানে একটা ফ্যাসিস্টের ভাস্কর্য আছে সেটা ভাংগতে হবে। আমরা বলবো ঠিক আছে! আমরা ভাস্কর্য ভাংগবো কিন্তু টাকা লাগবে দশ লাখ। আপনারা ক্ষমতার রুটি হালুয়া ভাগ করবেন , কে কোন পদে যাবেন আলোচনা করবেন আর মারামারি পিটাপিটি মাইর খাওয়ার কাজে ইনকিলাব মঞ্চকে পাঠিয়ে দিয়ে মজা নিবেন সেই দুনিয়া আর নাই। যদি ভাংগা লাগে, কার কতো কন্ট্রাক্ট লাগবে বলেন। কোন ফ্যাসিস্টের ভাস্কর্য ভাংগা লাগবে বলেন। @71believer @AbdullahAl8749 Ahasan Aziz Rafi Amin Sony Hossain Mohammed Elias bdglobal22 @alliance29464 Awan Shikder🇧🇩 The Bengal Voice @SarwarKSaimon Naim Niru K Nahar Himalaya🇧🇩

Tarek Sumon

15,178 Aufrufe • vor 1 Jahr

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরাইনে প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারদের পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিতর্কের মাঝেই মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েতে শতাধিক পোস্টাল ব্যালট গ্রহণ করে সেসব নিজেদের মধ্যে বন্টন ও ভোটারদের সাথে যোগাযোগ করতে দেখা গেছে একদল প্রবাসী বাংলাদেশিকে। বিশেষ একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সমর্থক কিছু ব্যক্তি তাদের নিজ ঠিকানায় এসব ব্যালট সংগ্রহ করে ভোটারদের সাথে যোগাযোগ করে তাঁদের কাছ থেকে অগ্রীম সীল মেরে রাখছেন এমন দাবি করেছেন কয়েকজন প্রবাসী। তাঁরা উল্লেখ করেছেন তাঁদের কাছ থেকে এখনই বিশেষ একটি মার্কায় সীল মেরে পোস্টাল ব‍্যালটটি নিজ জিম্মায় রেখে তাঁদের বলা হচ্ছে ২১ জানুয়ারি পরবর্তী সময়ে এখানে উপস্থিত হয়ে বারকোড স্ক্যান করে ভোট প্রদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার হবে। তাঁদের এই দাবি যদি সঠিক হয়ে থাকে, তাহলে পোস্টাল ব্যালটের মাধ‍্যমে ভোট গ্রহণের সমগ্র প্রক্রিয়া অত্যন্ত জরুরিভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। প্রবাসী শ্রমিকদের সরলতার সুযোগ নিয়ে কোন গোষ্ঠী যেন ফায়দা লুটতে না পারে, সে লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের এ বিষয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

Sami

14,138 Aufrufe • vor 7 Monaten

কলকাতার বাগুইআটির উপকণ্ঠে ও নিউ টাউন রাজারহাট এলাকা অবৈধ বাংলাদেশী মুসলমানদের ডেরায় পরিনত হয়েছে, এই বাস্তবতার সাথে ওয়াকিবহাল নন, এই সব এলাকায় বসবাস করেন এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এই সব অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে প্রশাসনের সহযোগিতায় জাল ভারতীয় পরিচয় ও নথি তৈরি করে দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব। এদের নাম ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত হয়ে গেছে। এরাই তৃণমূলের ২১ জুলাই ও অন্যান্য সমাবেশে, মিটিং মিছিলে অংশগ্রহণ করে, মাঠ ভরায়। একবার পশ্চিমবঙ্গে ধাতস্থ হয়ে গেলে দেশের অন্যান্য প্রান্তে শাখা প্রশাখা ছড়িয়ে দেয়। তাই দেশের অন্যান্য প্রদেশে ধর পাকড় শুরু হলে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন তার কারণ এত কষ্ট করে নিজের ভোট ব্যাংক গড়ে তুলেছেন, এদের বাংলাদেশে 'পুশ ব্যাক' করলে ওনার সরকার তো দূর, দলেরই অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। তাই ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন অবধি নানা রকম রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে উদ্যত হয়েছেন মাননীয়া, এই সব অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা মুসলমানদের স্বার্থে। এই কর্মসূচির সাথে, ভারত কেশরী ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মহতী উদ্যোগের ফলে ১৯৪৭ সালের ২০ শে জুন বঙ্গীয় প্রাদেশিক আইন সভায় ভোটাভুটির মাধ্যমে সৃষ্টি হওয়া পশ্চিমবঙ্গের জনগণের কোনো সম্বন্ধ নেই। এই ভিডিও টি বাগুইআটি ও নিউ টাউন সংলগ্ন জ্যাংড়া হাতিয়াড়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে স্থিত ঘুনি অঞ্চলের। অবৈধ বাংলাদেশীদের আস্তানা একেবারে কলকাতার চৌহদ্দি ছুয়ে ফেলেছে, এর পরে কলকাতার মধ্যে অবস্থান করবে...

Suvendu Adhikari

11,178 Aufrufe • vor 1 Jahr

কুলদীপ মীনা নামের জনৈক ভারতীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর AI ব্যবহার করে বাংলাদেশকে উদ্দেশ্য করে ভয়াবহ রকমের প্রোপাগান্ডা ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছে। কুলদীপের এই ভুয়া কনটেন্টটি এক্স (সাবেক টুইটার) প্ল‍্যাটফর্মে এমন সব একাউন্ট হতে উদ্দেশ‍্যপ্রণোদিত ভাবে প্রচার করা হচ্ছে যেখানে লক্ষাধিক ফলোয়ার যুক্ত আছেন। ভারতের অনেক ব্যবহারকারী এই কনটেন্ট AI জেনারেটেড হিসেবে চিহ্নিত করতে পারলেও, বহু ব্যবহারকারী এই বানোয়াট কন্টেন্টটি রিটুইট করছেন। ব্যবহারকারীদের পর্যালোচনা করলে তাদের বেশিরভাগেরই উগ্রবাদী সংগঠন আরএসএস এর সাথে সম্পৃক্ততা খুঁজে পাওয়া যায়। আগামী নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ও বিশেষ গোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষকতায় এধরনের অপপ্রচার ও অপতৎপরতা আরো বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করা যায়। সরকারী মাধ্যমের পাশাপাশি, এক্স ও অন‍্যান‍্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশী ব্যবহারকারীদের সমন্বিত প্রয়াসে এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া জরুরী।

Sami

10,251 Aufrufe • vor 8 Monaten

দেশ চরম বিশৃঙ্খলা, অস্থিরতা আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে যেতে যেতে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছে। এক বছরের বেশি সময় ধরে মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি ক্ষমতার বাইরে। দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতারা কেউ বিদেশে, কেউ আত্মগোপনে। নিবেদিতপ্রান কর্মীরা কেউ মাঠে, কেউ লুকিয়ে কেউ চরম মানবতর দিন পার করছে। আমরা যারা এখনো অনলাইনে, নামে বেনামে, এক্স সহ বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলছি, দেশের বাস্তবতা তুলে ধরছি, এই অবস্থায় আমাদের দায়িত্ব অনেক বেশী। আমাদের কণ্ঠই এখন দলের প্রাণ। দুঃখজনকভাবে, এই ভার্চুয়াল মঞ্চেও ইদানীং আমরা বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়ছি। অথচ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন ছিল নিজেদের মধ্যে ঐক্যের। আমরা ভুলে যাচ্ছি—আমাদের প্রতিপক্ষ বিভাজন চায়। আমরা যদি এক সাথে থাকি, আমাদের কণ্ঠ এক হয়, কোনো নিষেধাজ্ঞা, কোনো বাধা আমাদের থামাতে পারবে না। বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকে অনুরোধ - আসুন, আমরা একে অপরকে সম্মান করি। মতের ভিন্নতা থাকুক, কিন্তু লক্ষ্য থাকুক একটাই - বাংলাদেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্রের সুরক্ষা, এবং আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান। আসুন একসাথে লিখি, একসাথে বলি, একসাথে দাঁড়াই। শুধু অনলাইন নয়, পুরো বাংলাদেশ কাপাই। 'জয় বাংলা' 'জয় বঙ্গবন্ধু' ধ্বনিতে। (অনেক দিন পর অনলাইনে এসেছি তাই একগাদা পরিচিত আইডিকে ট্যাগ দিলাম। ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন) Jannat Khan Abu Sayed Ziauddin Saad Andalib (Shuvro) 🇧🇩🇸🇯🇺🇲 Toofani 🇧🇩 Sarwar Saimon MD5HT Probir Kumar Sarker @sarrah1216 Zahid Zaha D C I L Jhon Carter Nucleus - 71 🇧🇩 Syfullah Faruque The Spirit of 71 jishan ferdous rahman Hossain Mohammed Elias Ashley (Molly) ASIF KHAN AVI (অভি) crack71 Awan Shikder🇧🇩 Auvi Rahman Udashi Pothik Taranoor Britto Lets Fight Amin Sony ননসেন্স্ Farjana Yasmin Niru K Nahar Mira Battalion71 🇧🇩 @Himalaya1971 Nadia Rahman Sagarsufian Zaman S @hellspyrecon71 𝐃𝐫. 𝐌 𝐁𝐚𝐝𝐡𝐨𝐧 𝐇𝐚𝐬𝐚𝐧 Hadrian @shadat_sha37933 The Bengal Voice Tahsin Islam Tahosin hasan Ratul Shohel Prince Sanjib deb🇮🇳(Nation First)

Tarek Sumon

12,429 Aufrufe • vor 1 Jahr

সাগর পাড়ে নোঙ্গর করা সারি সারি মাছ ধরার নৌকা। দোকান পাটে ঝিমিয়ে সময় পার করছে দোকানীরা আর নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় সেন্ট মার্টিনের শিক্ষার্থীরা। অনেকেই স্কুল ছেড়ে চলে যাচ্ছে। তাদের অভিভাবকদের বেশিরভাগ মৎস্যজীবী নয়তো পর্যটক ব্যবসার সাথে জড়িত। নিজের কথা বলার সময় সেন্ট মার্টিন স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেনীর শিক্ষার্থী সাকিবের চোখ ছলছল করছিল। জানাচ্ছিল তাদের অভাবের জীবনের গল্প। তার বাবা একজন মৎস্যজীবী। এখন আয় রোজগার নেই। তাই বাবার পরনের শার্ট পড়ে স্কুলে এসেছে। অভাবের সাথে সাথে দ্বীপে এখন তাদের স্বাধীনতাটুকুও নেই। একই স্কুলের নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী হালিমাতুস সাদিয়ার গলায় অনুযোগের সুর, 'আমরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। বিদ্যুৎ, আয় রোজগার সবদিক থেকেই বঞ্চিত। এই দেশের নাগরিক হয়েও যদি আমরা স্বাধীন ভাবে চলতে না পারি! মায়ের গহনা বিক্রি করে অনার্সে ভর্তি হওয়া দেলোয়ার অর্থের অভাবে ক্লাসে যেতে পারছেনা। বলছিল বুকে জমা হওয়া দীর্ঘশ্বাসের কথা। দ্বীপ জুড়ে মানুষের হাহাকার আর অনিশ্চয়তার করুন ছবি। নেই জীবিকা। বাড়ছে ঋণের বোঝা আর ক্ষুধার জ্বালা। দশ হাজার মানুষের বসতির এই দ্বীপে এখন শুধুই আতঙ্ক, উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা। চায়ের দোকান, বাজার, পাড়া মহল্লা, মসজিদ সব জায়গায় সবার একই প্রশ্ন, কি হতে যাচ্ছে? তারা তো এই দেশের নাগরিক। পরিবেশ যদি সমস্যা হয় তাহলে কতৃপক্ষ নিয়ম কানুন করে দিক। মানুষের মনে সন্দেহ আছে। সেই সন্দেহ দিন দিন বাড়ছে। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের মানুষ এক সময় শুধু মাছ ধরে তাদের জীবিকা নির্বাহ করতো। ২০০০ সালের পর সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকের যাতায়াত শুরু হলে তাদের জীবন জীবিকায় যুক্ত হয় পর্যটন শিল্প। এখন এই দুটোর কোনটিই আর নেই। দ্বীপবাসীর জিজ্ঞাসা ভাত বন্ধ থাকলে তারা কিভাবে ভালো থাকবে? সেন্ট মার্টিন ভালো নেই। Syfullah Faruque Abu Sayed Ziauddin Sarwar Saimon MD5HT Probir Kumar Sarker The Spirit of 71 Awan Shikder🇧🇩 Lets Fight ননসেন্স্ Himalaya🇧🇩 Zaman S Shohel Arifin Mollah Arafath @meetasultana ননসেন্স্ shayera @BensonBabu0

Tarek Sumon

17,460 Aufrufe • vor 11 Monaten

আসিফ নজরুল যদি RAW থেকে এক টাকা খায় তাহলে আসিফ, নাহিদ একশ টাকা খায়। যমুনা থেকে ৪০ কোটি টাকার মতো উপদেষ্টারা খেয়েছে। হাসনাত আর সার্জিস রক্তের সাথে বেইমানী করেছে। তারা আন্দোলনের অংশ ছিল, লড়াই করেছে। এই পর্যন্ত ঠিক আছে। কিন্তু এখন ভেতরের খবর বলতে গেলে - নাহিদের বাবা মীরপুরে অফিস দিয়েছে। সেখানে অনেক লেনদেন হচ্ছে। আসিফ অনেক টাকা কামাচ্ছে। এগুলো তো সত্য। সার্জিস, হাসনাত আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে বসে কথা বলেছে। তারা নিউজ পাঠিয়েছিল, এই আন্দোলন স্থগিত করা হলো। কিন্তু পরবর্তীতে আসিফ, নাহিদ এই আন্দোলনকে এক দফায় নিয়ে গিয়েছিল। আন্দোলনে যারা আহত বা নিহত হয়েছে তারা চিকিৎসা পায়না। তাদের টাকা নিয়ে নয়ছয় করা হয়। ডক্টর ইউনুস যে ১০০ কোটি টাকা বাংলাদেশে আনলেন সেগুলো কোথায় গেল? সার্জিস, হাসনাতের গাড়ির পিছনেই কি ১০০ কোটি টাকা খরচ হয়ে গেল? এই যে অনেক সমন্বয়ক আছে, দিনের পর দিন জুলাই ফাউন্ডেশনের পিছনে ঘুরছে। টাকা পাচ্ছে না। আসিফের সাথে আমার অনেক ভালো ব্যক্তিগত সম্পর্ক, তারপরও আসিফের বিরুদ্ধে বলছি যেন সে নিজেকে শুধরে নেয়। আসিফ বলেছে যে দেশে এক হাজার ছাত্রকে ট্রাফিক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে। সবার জন্যে প্রতিদিন ৫০০ টাকা করে বরাদ্দ রাখা হবে। তাদের ট্রেনিং দেয়া হবে। আপনি দেখান তো কোন রাস্তায় একটা ছাত্র আছে? ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো। ব্যবসা বানিজ্যের অবস্থা ভালো। আমাকে একটু দেখান কোন দোকানে ব্যবসা বাণিজ্য হচ্ছে? দেশের মানুষ তো না খেয়ে মরছে । এই যে চার মাস হয়ে গেল, আপনারা দেখেন গুপ্তহত্যা হচ্ছে। আমি তো মনে করি এসবের সাথে এরা সবাই সম্পৃক্ত আছে। আগে তো আসিফ নজরুল ভারতের বিরুদ্ধে চ্যাটাং চ্যাটাং বড় বড় কথা বলতো। এখন উপদেষ্টা হবার পর থেকে তাদের মুখ দিয়ে কোন কথা বের হয়না। এই যে গুপ্তহত্যা হচ্ছে, দুদিন পর আমি মারা যাবো। আমার ভাই মারা যাবে। বাংলাদেশে মানুষ এখন নিরাপদ না। শেখ হাসিনার আমলে যেভাবে গুম করা হতো এখন এই আমলে গুপ্তহত্যা হচ্ছে। আপনারা টাকা কামাচ্ছেন, আপনাদের ধান্দা আমার বুঝা হয়ে গেছে। দেশের জন্যে কাজ করছেন না। আমি জুলাই আগস্টে নিজের ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ রেখে আন্দোলন করেছি। অনেক কিছু হারিয়েছি। অনেক ভাই বোনকে হারিয়েছি। বিনিময়ে যারা প্রকৃত যোদ্ধা, যারা আন্দোলনে আহত কিংবা নিহত হয়েছে তাদের পরিবার কিচ্ছু পায় নাই। এদের ভিক্ষা করে খেতে হচ্ছে। আর যারা আন্দোলনে সামান্য ভূমিকা রেখেছে, পরবর্তীতে সমন্বয়ক নামে বের হয়েছে এরা এখন কোটি কোটি টাকার গাড়িতে চলছে। আপনারা যদি আবার সেই পুরনো ফ্যাসিবাদকেই ফিরিয়ে আনেন তাহলে আমরা আবার দ্বিতীয় বিপ্লব করতে বাধ্য হবো। অনেক সমন্বয়কের সাথে আলোচনা পরামর্শ হচ্ছে। তারা বলেছে যদি এরা নিজেদের শুধরে সুসংগঠিত না হয় তাহলে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিবে। #StepDownYunus #MeticulouslyDesigned #Bangladesh

Tarek Sumon

90,714 Aufrufe • vor 1 Jahr