Sensitive content

This media may contain sensitive content.

Загрузка видео...

Не удалось загрузить видео

На главную

ভাবিদেওরা লাগা

14,759 просмотров • 1 месяц назад •via X (Twitter)

Комментарии: 0

Нет доступных комментариев

Здесь появятся комментарии из оригинального поста

Похожие видео

মমতা পুলিশের এখন একমাত্র কাজ হলো বিরোধী দলনেতাকে বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা সমাবেশে বাধা দান করা। লেডি কিমের নির্দেশেই আমাকে বাঁকুড়ার সিমলাপালে ও পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে সভা করতে বাধা দেওয়া হয়। মমতা পুলিশ মনে করছে আমাকে বাধা দিয়ে বোধহয় রানিমার কাছে নিজেদের নম্বর বেড়ে গেলো, তাই এবার অতি উৎসাহিত হয়ে আগামী ২১শে মে আমার দার্জিলিং এর নির্ধারিত জনসভাও বন্ধ করার জন্য অভিনব ফন্দি এঁটেছে। দার্জিলিং মোটর স্ট্যান্ডে, যেখানে আমার নির্ধারিত সভাস্থল সেখানে সভার অনুমতি প্রদানের পূর্ব শর্ত হিসেবে নাকি ১৫টা সিন্ডিকেট এবং অন্যান্য সরকারী সংস্থার যেমন পূর্ত দফতর, পৌরসভা ইত্যাদির কাছ থেকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC) দাখিল করতে হবে। বেশ, আমার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছে একটা প্রশ্ন রয়েছে:- দিন কয়েক আগে উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলির সাথে ভারতের অন্যান্য অংশের অন্যতম সংযোগকারী জাতীয় সড়ক - NH12; ৭২ ঘণ্টারও বেশি অবরুদ্ধ হয়ে গেছিলো। আঞ্চলিক তৃণমূল দলের কর্মসূচি, উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার, মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা সহ একাধিক জায়গায় এই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়কের ওপরেই অনুষ্ঠিত হয়। ভাইপো কে এই কর্মসূচি পালন করার অনুমতি প্রদানের সময়, ন্যশনাল হাইওয়ে অথোরিটি (NHAI) এর কাছ থেকে প্রাপ্ত নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC) টা নেওয়া হয়েছিল কি? যদি নেওয়া হয়ে থাকে তাহলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ সেই অনুমতি পত্র সর্বসমক্ষে প্রকাশ করুক। যদি প্রকাশ করতে অসমর্থ হয় তাহলে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গবাসীর কাছে পুলিশ প্রশাসনের এই ভন্ডামি ও দ্বিচারিতা উন্মোচিত হবে, এবং প্রমান হবে যে পুলিশ এখন আইনের রক্ষক নয়, আঞ্চলিক তোলামূল দলের এক শাখা সংগঠনে পরিণত হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনকে বলব, মনে রাখবেন দার্জিলিং মোটর স্ট্যান্ডে যদি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপি-র সভা না হয়, তবে ভবিষ্যৎ এ আপনাদের এই চিঠিটিকে নজির মেনে, নজর রাখবো, অন্য কোনো রাজনৈতিক দল সেই স্থানে সভা করার আবেদন পত্রে আপনাদের বলে দেওয়া এই সকল নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC) দাখিল করতে পেরেছে কিনা। আমাকে যে মমতা পুলিশ ও তাদের রাজনৈতিক মনিব এত ভয় পায় তা জেনে কিন্তু বেশ ভালো লাগলো; "ইয়ে ডর মুঝে আচ্ছা লাগা"...

Suvendu Adhikari

45,360 просмотров • 3 лет назад

বক্তব্য পরিবর্তন করে বললেন ব্যক্তি নয় এলাকার উন্নয়নে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মিডিয়ায় হয়তো পুরো বক্তব্য আসে নাই। - প্রশাসক মুস্তাক। কুমিল্লার প্রশাসক বিএনপির একটি দলীয় অনুষ্ঠানে গিয়ে বললেন, হাসনাত-আসিফ জেলা পরিষদের নিজস্ব রাজস্ব খাত থেকে ২৫ কোটি টাকা নিয়ে গেছে। এর মধ্যে আমি নাকি ১০ কোটি টাকা নিয়েছি। বক্তব্যটি শুনলে মনে হবে, টাকাটা আমরা নিজেরা পকেটস্থ করেছি। কিন্তু তাঁর বক্তব্যে অন্তত দুটি অসত্য তথ্য রয়েছে। প্রথমত, এই বরাদ্দ জেলা পরিষদের রাজস্ব খাত থেকে দেওয়া হয়নি। অন্যান্য উপজেলার মতো দেবিদ্বারেও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগের এডিপি প্রকল্পের মাধ্যমে, যা জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। দেবিদ্বারের জন্য বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি টাকা। জেলা পরিষদের রাজস্ব খাতের সঙ্গে এর কোনো সম্পৃক্ততাই নেই। সুতরাং এটিকে রাজস্ব খাতের অর্থ বলে দাবি করা স্পষ্ট মিথ্যাচার। দ্বিতীয়ত, তিনি বলেছেন টাকা আমরা নিয়েছি। অথচ এই অর্থ মোট ৪২টি প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে। ব্যক্তি হিসেবে আমাদের সঙ্গে এই অর্থের কোনো সম্পর্কই নেই। জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিভিন্ন খাতে এই অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। (খাতভিত্তিক ব্যয়ের বিবরণ নিচে সংযুক্ত করা হলো।) বিষয়টি নিয়ে তাঁকে ফোন করে জানতে চাইলে প্রশাসক জানান, অর্থটি উন্নয়ন কাজের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হয়তো সাংবাদিক তাঁর বক্তব্য পুরোপুরি প্রকাশ করেননি। (রেকর্ড সংযুক্ত) রাজস্ব বরাদ্দ ও এডিপি বরাদ্দের পার্থক্য না বুঝে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিলেন। আর এ দেশে মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করা খুবই সহজ। জেলা পরিষদ থেকে উপজেলার জন্য বরাদ্দ দেওয়া কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। প্রতি বছরই বাজেটের আওতায় এ ধরনের বরাদ্দ দেওয়া হয়। দেবিদ্বার উপজেলার জন্য দেওয়া বরাদ্দও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যয় হয়েছে। সেই ব্যয়ের প্রতিটি টাকার হিসাব সরকারি নথিতে সংরক্ষিত রয়েছে।

Hasnat Abdullah

12,378 просмотров • 29 дней назад