Sensitive content

This media may contain sensitive content.

正在加载视频...

视频加载失败

মুত্তাকি চিনার উপায়

28,726 次观看 • 2 年前 •via X (Twitter)

10 条评论

MD A MD A 的头像
MD A MD A2 年前

ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করি সব সময় ভালো থাকার জন্য। আল্লাহ যদি কবুল করেন,,

Saheb Alli 的头像
Saheb Alli2 年前

Insha Allah 😍😍

Shiplu 的头像
Shiplu2 年前

আলহামদুলিল্লাহ

Mahdi Hasan 的头像
Mahdi Hasan2 年前

আপনি হুজুরের নাম এ ফ্যাক আইডি চালাচ্ছেন কেন???

emdadul 的头像
emdadul2 年前

heck my site: #lisa #Russia #WhatsApp #pranailrathod

R.S. Siam 的头像
R.S. Siam2 年前

হে আল্লাহ! আমাদের সবাইকে মুত্তাকী হিসাবে কবুল করে নিন।আমীন।

M Sayeed Chowdhury. 的头像
M Sayeed Chowdhury.2 年前

Grant us as your real slave.

JONY SAMRAT 的头像
JONY SAMRAT2 年前

Alhamdulillah

Saife Ahmed 的头像
Saife Ahmed2 年前

Love💙

Mahmudun Nahar 的头像
Mahmudun Nahar2 年前

যাদের ভিতরে আল্লাহর ভয় আছে আল্লাহর সচেতনতা আছে তারাই মুত্তাকীন।

相关视频

"পাকিস্তানিরা আমাদের মানুষ, বেসামরিক জনতা এবং বাঙালি সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যার ষড়যন্ত্র করছে — এই পূর্ববর্তী পটভূমি জেনে আমাদের কাছে অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করা ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না। শেষ উপায় হিসেবে আমি বিশ্বকে জানাতে চেয়েছিলাম কী ঘটছে। তাই সন্ধ্যায় আমি বেতারে ভাষণ দিই এবং স্বাধীনতা ঘোষণা করি। রেডিওতে আমার ঘোষণা শুনে অন্যান্য ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস এবং পুলিশ বাহিনীও বিদ্রোহ করে।" - লেঃ জেনারেল জিয়াউর রহমান (১৯৩৬-১৯৮১) ১৯৫৫ সালে ১২ পিএমএ' লং কোর্সে কমিশনপ্রাপ্ত এই প্যারাট্রুপার ও কমান্ডো ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে অংশ নিয়ে পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব "হিলাল-ই-জুরাত" অর্জন করেন। ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন সেক্টর কমান্ডার (১, ১১) ও জেড ফোর্সের ব্রিগেড কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়। জীবনকালে তিনি বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রধান, প্রধান সামরিক শাসক এবং রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

Sami

13,564 次观看 • 7 个月前

'পাকিস্তানে তৈরি পরমাণু বোমা দেওয়া হবে বাংলাদেশকে' ইসলামাবাদে বসে ভারতকে হুমকি পাক কট্টরপন্থী নেতার যুদ্ধজিগির তুলে এবার উত্তরপূর্ব ভারত দখলের হুমকি বাংলাদেশি মৌলবাদীদের 'বাংলাদেশও আমলকি চুষবে না,' ললিপপ-মন্তব্য নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ রিজভির প্রকাশ্যে এল বাংলাদেশে ইসকন-সদস্যের ওপর হামলার নতুন ছবি 'মানবাধিকার দিবসে দুর্ভাগ্যজনক ছবি,' বললেন ইসকনের রাধারমণ দাস সীমান্ত পেরিয়ে ঢোকা বাংলাদেশি লুটেরারা লুকিয়েছিল নিউটাউনের ফ্ল্যাটে, ধরল মেঘালয় পুলিশ 'শায়েস্তার উপায় জানি, হাসিমারার দুটো যুদ্ধবিমানই যথেষ্ট,' হুঙ্কার শুভেন্দুর হুমায়ুনের 'বাবরি মসজিদ'-এর পাল্টা মুর্শিদাবাদেই রামমন্দির তৈরির ঘোষণা হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের 8pm

Sange Suman

12,565 次观看 • 1 年前

তোষণের রাজনীতির মূল উদ্দেশ্যই হলো ক্ষমতা দখল করে শোষণ করা। তাই যেকোনো প্রকারেই ক্ষমতা দখল করার পথ প্রশস্ত করার অন্যতম উপায় হলো বিভাজন ও তোষণের রাজনীতি করে মানুষ কে ভুল বুঝিয়ে রাখা। সেক্ষেত্রে প্রকৃত উন্নয়ন করার প্রয়োজনই নেই। কিন্তু মুশকিল হলো সেই ক্ষমতা দখলের পথে যদি কেউ বাধা হয়ে ওঠে, এবং সেই ব্যক্তি যদি সেই সম্প্রদায়ের হন যে সম্প্রদায়ের লোকজন কে তোষণ করা হচ্ছে, তাহলেও তার জন্য কোনো ছাড় নেই। আজকের দিনের দুই বিপরীত চিত্র তুলে ধরলাম; এক দিকে যশস্বী প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জির সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস মডেল; আর এক দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রদায়িক তোষণের রাজনীতির নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের কুফল। তফাৎ ছিল, তফাৎ আছে, তফাৎ থাকবে:-

Suvendu Adhikari

17,973 次观看 • 2 年前

অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বিষয়; পশ্চিমবঙ্গে আলুর চেয়ে আলু রাখার বস্তার দাম বেশি !!! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর রাজত্বে রাজ্যের আলুচাষীদের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়। রাজ্যের অধিকাংশ আলুচাষি বাজার থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে আলুচাষ করেন, কিন্তু রাজ্য সরকারের খামখেয়ালি ও ভ্রান্ত নীতির কারণে তাঁরা সর্বদা চূড়ান্ত ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। আলুর দাম এখন অত্যন্ত কম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উল্টাপাল্টা, যুক্তিহীন ও বিবেচনাহীন সিদ্ধান্তের কারণে অন্যান্য রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ থেকে আলু কেনা বন্ধ করে দিয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে হিমঘরেও আলু রাখার জায়গা অপ্রতুল; হিমঘরগুলি আলু নিতে চাইছে না, ফলে আলু পচে নষ্ট হচ্ছে। তাই আলুচাষিদের নিজেদের আলু ফেলে দেওয়া বা নদীর জলে ভাসিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। আগামী ৪ঠা মে-র পরে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর কৃষকপন্থী বিজেপি সরকার আলুচাষি সহ পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত কৃষকের পাশে দাঁড়াবে। এই পরিস্থিতি বদলাতেই হবে, তাই পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার... (ভিডিও সংগৃহীত)

Suvendu Adhikari

15,738 次观看 • 3 个月前

মমতার পুলিশ এখন আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নয় তোলাবাজিতে ব্যস্ত থাকে। ভিডিওটি গতকাল রাতের উত্তর ২৪ পরগণার বারাসাত কলোনী মোড়ের। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে একজন সিভিক ভলান্টিয়ার জাতীয় সড়কের উপর চলমান প্রতিটি ট্রাকের চালকের কাছ থেকে প্রকাশ্যে টাকা নিচ্ছেন। এই ঘটনা নতুন কিছু নয়। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় সড়কের উপর এভাবেই প্রতিদিন টাকা তোলে মমতা পুলিশ। বিভিন্ন থানার চুক্তিভিত্তিক চাকরিরত সিভিকদের দিয়ে এই তোলাবাজি করানো হয়। কোনো চালক এই তোলা দিতে অস্বীকার করলে তার কপালে নেমে আসে চরম দুর্ভোগ, তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হেনস্থা করা হয়। মমতা পুলিশ এখন সাধারণ জনগনকে নিরাপত্তা দিতে অক্ষম। সামান্য আই পি এলের ম্যাচেও তারা নিরাপত্তা দিতে অক্ষম। তারা এখন দলদাস, চাটুকারিতায় ও তোলাবাজিতে পারদর্শী। আসলে এই সরকারটাই কাটমানি, ঘুষ আর তোলাবাজির সরকার। মমতা ব্যানার্জীর আমলে পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতি, চুরি, জোচ্চুরি, কাটমানি, ঘুষ, তোলাবাজি এগুলি সব প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়ে গিয়েছে। এই অবক্ষয় রোধ করতে হলে মমতা ব্যনার্জী আর তার দলের সরকারকে উপড়ে ফেলা ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই।

Suvendu Adhikari

25,469 次观看 • 1 年前

বিএনপির যারা ইনসাইডার তারা নিশ্চয়ই জানেন এই দুই ব্যক্তির বিরোধ প্রায় ১৭ বছর পুরনো। যার ফলে ২০১১ সালে খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর বদৌলতে দলের নিয়ন্ত্রণ প্রথম ব্যক্তির কব্জায় যাওয়ার পর থেকে জিয়া ফ্যামিলির অনুপস্থিতির (মায়ের অসুস্থতা ও ছেলের নির্বাসন) সুযোগে দ্বিতীয় ব্যক্তির উপর দীর্ঘমেয়াদী রক্তক্ষয়ী আওয়ামী জুলুম চলা সত্ত্বেও সাংগঠনিক ভাবে বিএনপি উনার পাশে দাঁড়ানো থেকে বিরত ছিল। সময়ের পরিক্রমায় আজ নিশ্চয়ই সবাই বোঝেন যে তাদের দীর্ঘ প্রায় পৌনে যুগব্যপী বিরোধ কোন ব্যক্তিগত ইস্যুর ভিত্তিতে ছিল না। ছিল নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে, এদেশের সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে। কারণ বাংলাদেশের রাজনীতির ময়দানে একজন লোক ইন্ডিয়াবিরোধী হবে আরেকজন লোক ইন্ডিয়ার দালালি করবে আর তাদের মধ্যে সংঘাত হবে না, এটা অসম্ভব। আমি এখনও মনে করি বিএনপির সাম্প্রতিক ইন্ডিয়াপন্থী ওভার্চার জিয়া ফ্যামিলির অবস্থানের না বরং মির্জা ফখরুল, আমির খসরু, টুকু, শামা ওবায়েদের মত কিছু সেল-আউট গাদ্দারের টাকা খাওয়ার বা বিছানার ফুটেজের ফলাফল, যারা এলিট নামে পরিচিত এদেশের সবচেয়ে খতরনাক ঐতিহাসিক গাদ্দার শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব করছে এবং সিমপ্লি জিয়া ফ্যামিলির গ্রাউন্ড অ্যাবসেন্সের সুযোগে এসব বজ্জাতি চালাচ্ছে। এই সেল-আউটরা প্রায় প্রত্যেকেই অত্যন্ত নিকৃষ্ট আক্বিদার সেকুলার বিধায় তারা বুঝতে পারছে না গাদ্দারের কপালে আল্লাহ তা'আলার মাইর কোন পলিটিকাল মেথড মেনে নাজিল হয় না। তাদের ইসলাম বৈমুখ্য তাদেরকে হাসিনার পতনের স্পিরিচুয়াল মেথডটা অনুধাবন করতে দেয় না। ফলে তারা বুঝতে পারছে না তাদের কপালে যে মাইরটা আসছে সেটা থেকে বাঁচার জন্য একমাত্র উপায় হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে সাতার দেয়া, যেটা ইন্ডিয়ান হাইকমিশনের সস্তা লিকারে অভ্যস্ত এই কুকুরদের দ্বারা এই বয়সে আর সম্ভব না।

Mohammed Tawsif Salam

13,013 次观看 • 1 年前

ভোটের আগে তো টুল টেবিল নিয়ে ব্যাবসা করার উপায় আপনি বলেছিলেন মাননীয়া, আজ এদের উচ্ছেদ করছেন কেনো? দখলদার উচ্ছেদ অভিযানের নামে মুখ্যমন্ত্রী যে 'খাঁড়ার ঘা' অভাবী পরিশ্রমী হকার ও দোকানদারদের ওপরে নামিয়ে আনলেন, সেই বিষয়ে আমার কয়েকটি পর্যবেক্ষণ:- ১) এই দোকানদারদের বসার অনুমতি কে দিয়েছিলো? মুখ্যমন্ত্রীর কথা অনুযায়ী ওনার দলের নেতারা। আজ শাস্তি একা এই গরিব মানুষগুলো ভোগ করবে কেনো? তৃণমূল নেতা মন্ত্রীদের কি সাজা হবে? ২) পুলিশ প্রশাসন বছর বছর তোলা নেওয়ার বিনিময়ে ব্যাবসা করার অবৈধ অনুমতি দিয়েছে। সেই তোলার টাকা কোথায় গেলো? কে ভাগ পেলো? সেই টাকা উদ্ধার হবে? পুলিশ কর্তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে? ৩) যে গরিব লোক গুলো এত বছর ধরে ব্যবসা করে সংসার চালাচ্ছে পুলিশ প্রশাসনের মদতে তাদের হঠাৎ একদিন বিনা আগাম সূচনা দিয়ে উচ্ছেদ করে দিলে, তাদের সংসার চলবে কি করে? তাদের পুনর্বাসনের কি পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের? ৪) অবাঙালিদের ওপর রেগে গিয়ে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলো, বিনা সমীক্ষা করে, তার খেসারত মূলত বাঙালিদের দিতে হচ্ছে না তো? যদিও আইন ও আমাদের সংবিধান অনুযায়ী অবাঙালি হলেও পশ্চিমবঙ্গে এসে জীবিকা অর্জনের অধিকার ভারতের অন্য প্রদেশের লোকেদের ও সমান ভাবে রয়েছে। তাই কাউকে আলাদা ভাবে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্তই অসংবিধানিক। ৫) সরকার যে বল প্রয়োগ করছে উচ্ছেদ করতে গিয়ে, এই দৃশ্য রাজাবাজার, মেটিয়াবুরুজ, তোপসিয়া, গার্ডেনরিচ, পার্ক সার্কাস ইত্যাদি এলাকায় কবে চাক্ষুষ করা যাবে? সরকারের ক্ষমতা আছে এই এলাকা গুলোতে বল প্রয়োগ করার? নাকি এই সব আস্ফালন অন্যত্র চলবে? সর্বশেষে আপনার বুদ্ধিতে যারা টুল টেবিল পেতে ব্যবসা করতে উদ্যত হয়েছিলেন সেই জবরদখলের নৈতিক দায় আপনি নেবেন তো মাননীয়া? এই শিল্পহীন ও কর্মহীন রাজ্যে যারা সংসার চালাচ্ছেন আপনার নেতাদের মতো কাটমানি খেয়ে নয়, পরিশ্রম করে সৎ পথে, তাদের উচ্ছেদ করতে গিয়ে আপনার পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মচারীরা যে ভাবে দোকানের মালপত্র, খাওয়ার সামগ্রী লাথি মেরে ঠেলে ফেলে দিচ্ছে, তাদেরকে এই আসকারা কি আপনি দিয়েছেন?

Suvendu Adhikari

35,164 次观看 • 2 年前