Sensitive content

This media may contain sensitive content.

Video wird geladen...

Video konnte nicht geladen werden

Zur Startseite

মুত্তাকি চিনার উপায়

28,742 Aufrufe • vor 3 Jahren •via X (Twitter)

10 Kommentare

Profilbild von MD A MD A
MD A MD Avor 3 Jahren

ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করি সব সময় ভালো থাকার জন্য। আল্লাহ যদি কবুল করেন,,

Profilbild von Saheb Alli
Saheb Allivor 3 Jahren

Insha Allah 😍😍

Profilbild von Shiplu
Shipluvor 3 Jahren

আলহামদুলিল্লাহ

Profilbild von Mahdi Hasan
Mahdi Hasanvor 3 Jahren

আপনি হুজুরের নাম এ ফ্যাক আইডি চালাচ্ছেন কেন???

Profilbild von emdadul
emdadulvor 3 Jahren

heck my site: #lisa #Russia #WhatsApp #pranailrathod

Profilbild von R.S. Siam
R.S. Siamvor 3 Jahren

হে আল্লাহ! আমাদের সবাইকে মুত্তাকী হিসাবে কবুল করে নিন।আমীন।

Profilbild von M Sayeed Chowdhury.
M Sayeed Chowdhury.vor 3 Jahren

Grant us as your real slave.

Profilbild von JONY SAMRAT
JONY SAMRATvor 3 Jahren

Alhamdulillah

Profilbild von Saife Ahmed
Saife Ahmedvor 3 Jahren

Love💙

Profilbild von Mahmudun Nahar
Mahmudun Naharvor 3 Jahren

যাদের ভিতরে আল্লাহর ভয় আছে আল্লাহর সচেতনতা আছে তারাই মুত্তাকীন।

Ähnliche Videos

"পাকিস্তানিরা আমাদের মানুষ, বেসামরিক জনতা এবং বাঙালি সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যার ষড়যন্ত্র করছে — এই পূর্ববর্তী পটভূমি জেনে আমাদের কাছে অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করা ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না। শেষ উপায় হিসেবে আমি বিশ্বকে জানাতে চেয়েছিলাম কী ঘটছে। তাই সন্ধ্যায় আমি বেতারে ভাষণ দিই এবং স্বাধীনতা ঘোষণা করি। রেডিওতে আমার ঘোষণা শুনে অন্যান্য ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস এবং পুলিশ বাহিনীও বিদ্রোহ করে।" - লেঃ জেনারেল জিয়াউর রহমান (১৯৩৬-১৯৮১) ১৯৫৫ সালে ১২ পিএমএ' লং কোর্সে কমিশনপ্রাপ্ত এই প্যারাট্রুপার ও কমান্ডো ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে অংশ নিয়ে পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব "হিলাল-ই-জুরাত" অর্জন করেন। ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন সেক্টর কমান্ডার (১, ১১) ও জেড ফোর্সের ব্রিগেড কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়। জীবনকালে তিনি বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রধান, প্রধান সামরিক শাসক এবং রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

Sami

13,633 Aufrufe • vor 9 Monaten

'পাকিস্তানে তৈরি পরমাণু বোমা দেওয়া হবে বাংলাদেশকে' ইসলামাবাদে বসে ভারতকে হুমকি পাক কট্টরপন্থী নেতার যুদ্ধজিগির তুলে এবার উত্তরপূর্ব ভারত দখলের হুমকি বাংলাদেশি মৌলবাদীদের 'বাংলাদেশও আমলকি চুষবে না,' ললিপপ-মন্তব্য নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ রিজভির প্রকাশ্যে এল বাংলাদেশে ইসকন-সদস্যের ওপর হামলার নতুন ছবি 'মানবাধিকার দিবসে দুর্ভাগ্যজনক ছবি,' বললেন ইসকনের রাধারমণ দাস সীমান্ত পেরিয়ে ঢোকা বাংলাদেশি লুটেরারা লুকিয়েছিল নিউটাউনের ফ্ল্যাটে, ধরল মেঘালয় পুলিশ 'শায়েস্তার উপায় জানি, হাসিমারার দুটো যুদ্ধবিমানই যথেষ্ট,' হুঙ্কার শুভেন্দুর হুমায়ুনের 'বাবরি মসজিদ'-এর পাল্টা মুর্শিদাবাদেই রামমন্দির তৈরির ঘোষণা হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের 8pm

Sange Suman

12,565 Aufrufe • vor 1 Jahr

তোষণের রাজনীতির মূল উদ্দেশ্যই হলো ক্ষমতা দখল করে শোষণ করা। তাই যেকোনো প্রকারেই ক্ষমতা দখল করার পথ প্রশস্ত করার অন্যতম উপায় হলো বিভাজন ও তোষণের রাজনীতি করে মানুষ কে ভুল বুঝিয়ে রাখা। সেক্ষেত্রে প্রকৃত উন্নয়ন করার প্রয়োজনই নেই। কিন্তু মুশকিল হলো সেই ক্ষমতা দখলের পথে যদি কেউ বাধা হয়ে ওঠে, এবং সেই ব্যক্তি যদি সেই সম্প্রদায়ের হন যে সম্প্রদায়ের লোকজন কে তোষণ করা হচ্ছে, তাহলেও তার জন্য কোনো ছাড় নেই। আজকের দিনের দুই বিপরীত চিত্র তুলে ধরলাম; এক দিকে যশস্বী প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জির সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস মডেল; আর এক দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রদায়িক তোষণের রাজনীতির নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের কুফল। তফাৎ ছিল, তফাৎ আছে, তফাৎ থাকবে:-

Suvendu Adhikari

17,973 Aufrufe • vor 3 Jahren

অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বিষয়; পশ্চিমবঙ্গে আলুর চেয়ে আলু রাখার বস্তার দাম বেশি !!! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর রাজত্বে রাজ্যের আলুচাষীদের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়। রাজ্যের অধিকাংশ আলুচাষি বাজার থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে আলুচাষ করেন, কিন্তু রাজ্য সরকারের খামখেয়ালি ও ভ্রান্ত নীতির কারণে তাঁরা সর্বদা চূড়ান্ত ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। আলুর দাম এখন অত্যন্ত কম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উল্টাপাল্টা, যুক্তিহীন ও বিবেচনাহীন সিদ্ধান্তের কারণে অন্যান্য রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ থেকে আলু কেনা বন্ধ করে দিয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে হিমঘরেও আলু রাখার জায়গা অপ্রতুল; হিমঘরগুলি আলু নিতে চাইছে না, ফলে আলু পচে নষ্ট হচ্ছে। তাই আলুচাষিদের নিজেদের আলু ফেলে দেওয়া বা নদীর জলে ভাসিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। আগামী ৪ঠা মে-র পরে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর কৃষকপন্থী বিজেপি সরকার আলুচাষি সহ পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত কৃষকের পাশে দাঁড়াবে। এই পরিস্থিতি বদলাতেই হবে, তাই পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার... (ভিডিও সংগৃহীত)

Suvendu Adhikari

15,824 Aufrufe • vor 5 Monaten

মমতার পুলিশ এখন আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নয় তোলাবাজিতে ব্যস্ত থাকে। ভিডিওটি গতকাল রাতের উত্তর ২৪ পরগণার বারাসাত কলোনী মোড়ের। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে একজন সিভিক ভলান্টিয়ার জাতীয় সড়কের উপর চলমান প্রতিটি ট্রাকের চালকের কাছ থেকে প্রকাশ্যে টাকা নিচ্ছেন। এই ঘটনা নতুন কিছু নয়। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় সড়কের উপর এভাবেই প্রতিদিন টাকা তোলে মমতা পুলিশ। বিভিন্ন থানার চুক্তিভিত্তিক চাকরিরত সিভিকদের দিয়ে এই তোলাবাজি করানো হয়। কোনো চালক এই তোলা দিতে অস্বীকার করলে তার কপালে নেমে আসে চরম দুর্ভোগ, তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হেনস্থা করা হয়। মমতা পুলিশ এখন সাধারণ জনগনকে নিরাপত্তা দিতে অক্ষম। সামান্য আই পি এলের ম্যাচেও তারা নিরাপত্তা দিতে অক্ষম। তারা এখন দলদাস, চাটুকারিতায় ও তোলাবাজিতে পারদর্শী। আসলে এই সরকারটাই কাটমানি, ঘুষ আর তোলাবাজির সরকার। মমতা ব্যানার্জীর আমলে পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতি, চুরি, জোচ্চুরি, কাটমানি, ঘুষ, তোলাবাজি এগুলি সব প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়ে গিয়েছে। এই অবক্ষয় রোধ করতে হলে মমতা ব্যনার্জী আর তার দলের সরকারকে উপড়ে ফেলা ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই।

Suvendu Adhikari

25,470 Aufrufe • vor 1 Jahr

বিএনপির যারা ইনসাইডার তারা নিশ্চয়ই জানেন এই দুই ব্যক্তির বিরোধ প্রায় ১৭ বছর পুরনো। যার ফলে ২০১১ সালে খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর বদৌলতে দলের নিয়ন্ত্রণ প্রথম ব্যক্তির কব্জায় যাওয়ার পর থেকে জিয়া ফ্যামিলির অনুপস্থিতির (মায়ের অসুস্থতা ও ছেলের নির্বাসন) সুযোগে দ্বিতীয় ব্যক্তির উপর দীর্ঘমেয়াদী রক্তক্ষয়ী আওয়ামী জুলুম চলা সত্ত্বেও সাংগঠনিক ভাবে বিএনপি উনার পাশে দাঁড়ানো থেকে বিরত ছিল। সময়ের পরিক্রমায় আজ নিশ্চয়ই সবাই বোঝেন যে তাদের দীর্ঘ প্রায় পৌনে যুগব্যপী বিরোধ কোন ব্যক্তিগত ইস্যুর ভিত্তিতে ছিল না। ছিল নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে, এদেশের সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে। কারণ বাংলাদেশের রাজনীতির ময়দানে একজন লোক ইন্ডিয়াবিরোধী হবে আরেকজন লোক ইন্ডিয়ার দালালি করবে আর তাদের মধ্যে সংঘাত হবে না, এটা অসম্ভব। আমি এখনও মনে করি বিএনপির সাম্প্রতিক ইন্ডিয়াপন্থী ওভার্চার জিয়া ফ্যামিলির অবস্থানের না বরং মির্জা ফখরুল, আমির খসরু, টুকু, শামা ওবায়েদের মত কিছু সেল-আউট গাদ্দারের টাকা খাওয়ার বা বিছানার ফুটেজের ফলাফল, যারা এলিট নামে পরিচিত এদেশের সবচেয়ে খতরনাক ঐতিহাসিক গাদ্দার শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব করছে এবং সিমপ্লি জিয়া ফ্যামিলির গ্রাউন্ড অ্যাবসেন্সের সুযোগে এসব বজ্জাতি চালাচ্ছে। এই সেল-আউটরা প্রায় প্রত্যেকেই অত্যন্ত নিকৃষ্ট আক্বিদার সেকুলার বিধায় তারা বুঝতে পারছে না গাদ্দারের কপালে আল্লাহ তা'আলার মাইর কোন পলিটিকাল মেথড মেনে নাজিল হয় না। তাদের ইসলাম বৈমুখ্য তাদেরকে হাসিনার পতনের স্পিরিচুয়াল মেথডটা অনুধাবন করতে দেয় না। ফলে তারা বুঝতে পারছে না তাদের কপালে যে মাইরটা আসছে সেটা থেকে বাঁচার জন্য একমাত্র উপায় হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে সাতার দেয়া, যেটা ইন্ডিয়ান হাইকমিশনের সস্তা লিকারে অভ্যস্ত এই কুকুরদের দ্বারা এই বয়সে আর সম্ভব না।

Mohammed Tawsif Salam

13,026 Aufrufe • vor 1 Jahr

ভোটের আগে তো টুল টেবিল নিয়ে ব্যাবসা করার উপায় আপনি বলেছিলেন মাননীয়া, আজ এদের উচ্ছেদ করছেন কেনো? দখলদার উচ্ছেদ অভিযানের নামে মুখ্যমন্ত্রী যে 'খাঁড়ার ঘা' অভাবী পরিশ্রমী হকার ও দোকানদারদের ওপরে নামিয়ে আনলেন, সেই বিষয়ে আমার কয়েকটি পর্যবেক্ষণ:- ১) এই দোকানদারদের বসার অনুমতি কে দিয়েছিলো? মুখ্যমন্ত্রীর কথা অনুযায়ী ওনার দলের নেতারা। আজ শাস্তি একা এই গরিব মানুষগুলো ভোগ করবে কেনো? তৃণমূল নেতা মন্ত্রীদের কি সাজা হবে? ২) পুলিশ প্রশাসন বছর বছর তোলা নেওয়ার বিনিময়ে ব্যাবসা করার অবৈধ অনুমতি দিয়েছে। সেই তোলার টাকা কোথায় গেলো? কে ভাগ পেলো? সেই টাকা উদ্ধার হবে? পুলিশ কর্তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে? ৩) যে গরিব লোক গুলো এত বছর ধরে ব্যবসা করে সংসার চালাচ্ছে পুলিশ প্রশাসনের মদতে তাদের হঠাৎ একদিন বিনা আগাম সূচনা দিয়ে উচ্ছেদ করে দিলে, তাদের সংসার চলবে কি করে? তাদের পুনর্বাসনের কি পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের? ৪) অবাঙালিদের ওপর রেগে গিয়ে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলো, বিনা সমীক্ষা করে, তার খেসারত মূলত বাঙালিদের দিতে হচ্ছে না তো? যদিও আইন ও আমাদের সংবিধান অনুযায়ী অবাঙালি হলেও পশ্চিমবঙ্গে এসে জীবিকা অর্জনের অধিকার ভারতের অন্য প্রদেশের লোকেদের ও সমান ভাবে রয়েছে। তাই কাউকে আলাদা ভাবে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্তই অসংবিধানিক। ৫) সরকার যে বল প্রয়োগ করছে উচ্ছেদ করতে গিয়ে, এই দৃশ্য রাজাবাজার, মেটিয়াবুরুজ, তোপসিয়া, গার্ডেনরিচ, পার্ক সার্কাস ইত্যাদি এলাকায় কবে চাক্ষুষ করা যাবে? সরকারের ক্ষমতা আছে এই এলাকা গুলোতে বল প্রয়োগ করার? নাকি এই সব আস্ফালন অন্যত্র চলবে? সর্বশেষে আপনার বুদ্ধিতে যারা টুল টেবিল পেতে ব্যবসা করতে উদ্যত হয়েছিলেন সেই জবরদখলের নৈতিক দায় আপনি নেবেন তো মাননীয়া? এই শিল্পহীন ও কর্মহীন রাজ্যে যারা সংসার চালাচ্ছেন আপনার নেতাদের মতো কাটমানি খেয়ে নয়, পরিশ্রম করে সৎ পথে, তাদের উচ্ছেদ করতে গিয়ে আপনার পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মচারীরা যে ভাবে দোকানের মালপত্র, খাওয়ার সামগ্রী লাথি মেরে ঠেলে ফেলে দিচ্ছে, তাদেরকে এই আসকারা কি আপনি দিয়েছেন?

Suvendu Adhikari

35,184 Aufrufe • vor 2 Jahren

আমি: কাকিমা, আজকে টমেটো, গাজর, ধনেপাতা সব মিলিয়ে ১২০ টাকার মাল নিলাম। কিন্তু পকেটে এখন মাত্র ৫০ টাকা আছে। বাকিটা কাল দিয়ে দিব? কাকিমা: আরে বাবু, এটা কী বলছো? বাজারে সবাই টাকা দিয়ে মাল নেয়। তুমি তো নিয়মিত কাস্টমার, কিন্তু আজকে টাকা না থাকলে কী করব? মাল তো ফেরত নিতে পারব না। আমি: কাকিমা, সত্যি বলছি, বাড়িতে টাকা ভুলে এসেছি। প্লিজ একটু ম্যানেজ করে নাও। কাকিমা: (চারপাশে তাকিয়ে, লোকজনের ভিড় দেখে হেসে) দেখো, এখানে অনেক লোক। আমি কী করে ম্যানেজ করব? তুমি যদি সত্যি টাকা না দিতে পারো তাহলে অন্য কোনো উপায়ে দিতে হবে। আমি: কাকিমা, কী উপায়? কাকিমা: (মুচকি হেসে, গলা নামিয়ে) বাবু, তুমি তো বড় হয়ে গেছো। আমার দোকানে বসে থাকো। লোকজন চলে গেলে দেখা যাবে কী করা যায়। (কিছুক্ষণ পর, ভিড় একটু কমলে) আমি: কাকিমা, তুমি খুব সুন্দর দেখতে! কাকিমা: (চোখ সরু করে হেসে) ওরে শয়তান ছেলে! লজ্জা করে না? এখানে পাবলিক মার্কেটে বসে এসব বলছিস? আমি: কাকিমা, সত্যি বলছি, তোমাকে দেখে আমার শরীর গরম হয়ে যাচ্ছে। কাকিমা: (চারপাশে তাকিয়ে, গলা নামিয়ে) তাহলে কী করবি? টাকার বদলে কাকিমাকে কিছু দিতে চাস? আমি: নিশ্চয়ই! কাকিমা: (লজ্জা মিশিয়ে হেসে) পাগল ছেলে! এখানে লোকজন আছে। কিন্তু... (দোকানের পিছনে একটু ঢাকা জায়গায় ইশারা করে) আয়, একটু পিছনে আয়। লোকজন দেখতে পাবে না। (দুজনে দোকানের পিছনে সরু গলিতে চলে গেলাম, কিন্তু পাশ দিয়ে লোকজন যাচ্ছে) কাকিমা: দেখ, কাকিমার বুক কেমন? ছুঁয়ে দেখ। আমি: (হাত দিয়ে কাকিমার বুক চেপে ধরলাম) উফফ কাকিমা, তোমার বুক খুব নরম আর বড়। কাকিমা: (আঃ করে ফিসফিস করে) জোরে চাপ রে বাবু... কিন্তু সাবধান, পাশ দিয়ে লোক যাচ্ছে। কেউ দেখলে কী হবে? আমি: কাকিমা, তোমার টপ খুলে বুক বের করো। কাকিমা: (চারপাশে তাকিয়ে একটু উপরে তুলে বুক বের করে দিল) দেখ... কাকিমার বুক তোর সামনে। চুষবি? আমি: হ্যাঁ কাকিমা। (আমি কাকিমার বুকের বোঁটা মুখে নিয়ে জোরে চুষতে শুরু করলাম। কাকিমা আঃ আঃ করে কাঁপছিল, পাশ দিয়ে লোকজন হেঁটে যাচ্ছে) কাকিমা: উফফ্... জোরে চুষ রে... কামড়া... আহহ্... লোকজন দেখতে পেলে কী হবে? কিন্তু থামিস না... (বুক চোষার পর) কাকিমা: চল, দোকানের পিছনে আরেকটু ভিতরে যাই। লোকজনের ভিড়ে এখনো ঝুঁকি আছে। (দোকানের পিছনে একটা ছোট্ট ঢাকা জায়গায়) কাকিমা: প্যান্ট খুলে তোর বাঁড়া বের কর। আমি: কাকিমা, তোমার সামনে আমার বাঁড়া শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। কাকিমা: (হাত দিয়ে বাঁড়া ধরে) উফফ্... কত মোটা! কাকিমার গুদে ঢোকাতে চাস? আমি: হ্যাঁ কাকিমা। কাকিমা: আয়, কাকিমার গুদে বাঁড়া ঢোকা। লোকজন দেখতে পেলে কী হবে জানি না, কিন্তু চোদ। (আমি কাকিমাকে দেওয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে পেছন থেকে বাঁড়া গুদে ঢুকিয়ে জোরে ঠাপাতে শুরু করলাম) কাকিমা: আহহ্... মাগো... অনেক মোটা... গুদ ফেটে যাচ্ছে... জোরে ঠাপা... লোকজন যাচ্ছে পাশ দিয়ে... দেখতে পেলে কী হবে... আহহ্... থামিস না... কাকিমা: চল, দোকানের সামনে ফিরে যাই। লোকজনের সামনেই চোদবি। (দোকানের সামনে, লোকজনের ভিড়ের মাঝে, কাকিমা বসে থাকা অবস্থায় আমি তার পিছনে বসে শাড়ি তুলে বাঁড়া ঢুকিয়ে চোদতে শুরু করলাম) কাকিমা: (ফিসফিস করে) শালা নোংরা... পাবলিকের সামনে কাকিমাকে চোদছিস... জোরে ঠাপা... গুদ ফাটিয়ে দে... কাকিমা: আমাকে দোকানের উপর শুইয়ে পা তুলে চোদ। লোকজন দেখুক। (কাকিমাকে দোকানের মাদুরের উপর শুইয়ে পা দুটো আকাশে তুলে আমি জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম। পাশ দিয়ে লোকজন টমেটো কিনছে, কেউ কেউ অবাক হয়ে তাকাচ্ছে) কাকিমা: আহহ্... দেখ... সবাই দেখছে... কাকিমাকে পাবলিকে চোদা হচ্ছে... তোর বাঁড়া আরও গভীরে ঢোকা... গুদের ভিতরটা ফাটিয়ে দে... রস ছিটকে বের কর... আমি: কাকিমা, তোমার গুদ খুব টাইট আর গরম। আমি আর পারছি না। কাকিমা: থামবি না... চোদ... চোদ... পাবলিকের সামনে কাকিমাকে রেন্ডি বানিয়ে চোদ... বুক চেপে ধর... বোঁটা কামড়া... আহহ্... আমি যাচ্ছি... গুদ থেকে রস বের হচ্ছে... কাকিমা: এখন আমাকে কোলে তুলে চোদ। লোকজনের সামনে হাঁটতে হাঁটতে চোদবি। (আমি কাকিমাকে কোলে তুলে তার গুদে বাঁড়া ঢুকিয়ে হাঁটতে হাঁটতে ঠাপাতে লাগলাম। মার্কেটের লোকজন অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখছে) কাকিমা: উফফ্... সবাই দেখছে... কাকিমাকে কোলে চোদা হচ্ছে... জোরে ঠাপা... গুদ ফাটিয়ে দে... আজ কাকিমা তোর পাবলিক রেন্ডি... (এরপর কাকিমাকে মাদুরের উপর উপুড় করে শুইয়ে পেছন থেকে চোদা, তারপর মুখে বাঁড়া ঢুকিয়ে চুষানো, তারপর আবার গুদে ঢুকিয়ে চোদা ) কাকিমা: শেষ কর... তোর গরম রস কাকিমার গুদে ঢেলে দে... পাবলিক দেখুক... আজ কাকিমা তোর বাঁড়ার পুরো দাসী হয়ে গেল... (দীর্ঘক্ষণ চোদাচুদির পর আমি কাকিমার গুদের ভিতর গরম রস ঢেলে দিলাম। কাকিমা কাঁপতে কাঁপতে চিৎকার করে উঠল)

Desi বাঙালি bull

10,969 Aufrufe • vor 5 Monaten