Video yükleniyor...

Video Yüklenemedi

Ana Sayfaya Dön

যেখানে নিষিদ্ধ লীগ, সেখানেই ধো*লা*ই 🔥

31,724 görüntüleme • 1 yıl önce •via X (Twitter)

10 Yorum

Ebrahim Mustabshir🔻🇵🇸🇾🇪🇦🇫🇧🇩🇵🇰 profil fotoğrafı
Ebrahim Mustabshir🔻🇵🇸🇾🇪🇦🇫🇧🇩🇵🇰1 yıl önce

খুব ভালো করেছে। কিন্তু আশপাশে যেসব জাতীয় বেঈমান লীগের কুত্তা কে সমর্থন করছে ওদের ধরে ছাল তুললেও শান্তি পেতাম। এসব আবর্জনা। এদের জন্য হাসিনা আর ভারত দেশটাকে শেষ করতে পেরেছে। এদের বিচার হওয়া দরকার। এদের কতো দুঃসাহস, এখনো গলাবাজি করতে আসছে

IkramBD44 profil fotoğrafı
IkramBD441 yıl önce

পিটাইয়া শরীরের মাংস নামাইয়া ফেলতে হবে

Sakib profil fotoğrafı
Sakib1 yıl önce

Full support .... ধইরা ধইরা বাম্বু ট্রিটমেন্ট

Abu Hanif profil fotoğrafı
Abu Hanif1 yıl önce

ভাই এরে জয় বাংলা করে দেন🖕

BD Classified profil fotoğrafı
BD Classified1 yıl önce

লীগ শুনলেই মাইর। কোন কথা হবে না

Lucky RJ profil fotoğrafı
Lucky RJ1 yıl önce

এইদিন দিন নয় আরো দিন আছে,,! সেইদিন এর উত্তর কি হবে?? গায়ে জোরে তো ফেরাউন ও চলছে,,! এর পরের গল্পটা ফেরাউনের জন্যে ভয়ংকর ছিল! তোদের আল্লাহ্ ছেড়ে দিবে মনে করছিস! ছাত্রলীগ পুড়ে পুড়ে শক্তিশালী কয়লায় পরিবর্তন হচ্ছে। একদিন এই কয়লা আগুন জ্বালিয়ে দিবে তোদের,,!

Bring Justice profil fotoğrafı
Bring Justice1 yıl önce

ছাত্রলীগ এর ভিতরে যেই ভয় টা দেখা যাচ্ছে এইটাই জুলাই আন্দোলন এর সফলতা✅

Arham Ahmed profil fotoğrafı
Arham Ahmed1 yıl önce

Bokachoda Bangali. League koruk ba isis koruk. Who is He to impose LAW??

D📧Ⓜ️🌕N🔥💲💪🅰️Y📧R profil fotoğrafı
D📧Ⓜ️🌕N🔥💲💪🅰️Y📧R1 yıl önce

Valo kaj korse 👏👏

Albus profil fotoğrafı
Albus1 yıl önce

তাহলে তদের মধ্যে আর ছাত্রলীগের মধ্যে পার্থক্য কই রইলো,, ভন্ডের দল,,আর দাড়ি টুপি লাগাইয়া মুখে গালি বাহ

Benzer Videolar

ক্ষমতা পাবার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আওয়ামীলীগ দ্বারা প্রভাবিত বিএনপির গ্রাসরুট হিংস্র হয়ে উঠেছে। মাত্র ২৪ ঘন্টায় যদি অবস্থা এই হয়, আগামী পাঁচ বছরে এরা কি করবে? অতীত থেকে বিএনপি কোন শিক্ষা তো নেয়নি, হাসিনার পতন থেকেও তারা শিক্ষা নেয়নি। ২৪ ঘণ্টায় বিএনপি নামা: ১. মাত্র কুয়েট ভিসির উপর ছাত্রদলের ক্যাডাররা করছে হা ম লা! ২. দিনাজপুরে ছেলে জামাতে পুলিং এজেন্ট থাকায় বাবারে মা র ছে বিএনপির কিছু সন্ত্রাসী! বাড়ি পু ড়ি য়ে ফেলার হু ম কি! ৩. পঞ্চগড়ে বাড়িঘর, দোকানপাটে বিএনপির সন্ত্রাসীদের হা ম লা! অনেকে আ হ ত, অভিযোগ এনসিপির সার্জিস আলমের। ৪. বাগেরহাট ৪ আসনে আল আমিন নামের এক ছেলেরে পি ড়া ইয়া হাসপাতালে পাঠাইছে বিএনপির ক্যাডাররা! ৫. ফুলগাজির মুন্সিরহাটের জামাত নেতার দোকানে হা ম লা ছাত্রদল নেতার! ৬. নোয়াখালী সেনবাগে জামাত নেতার উপর হা ম লা ছাত্রদল ক্যাডারের! ৭. করম মুহুরি পাড়াতে কয়েকজনরে র ক্তা ক্ত করে হাসপাতালে পাঠাইছে বিএনপির ক্যাডাররা! ৮. ভোট দেয়া নিয়ে তর্কের জেরে কুড়িগ্রামে জামায়াত নেতাকে কুপি য়ে জ খ ম করছে বিএনপির লোকেরা! ৯. খুলনাতে ঢাবির এক শিক্ষার্থীর বাড়িতে আগুন দিলো, তার মা বোনকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠাইলো তাকে আবার জ বা ই করার হুমকি দিলো ছাত্রদল নেতারা! ১০. পাটগ্রামে এক ঘরে হা ম লা করে ঘরের জিনিসপত্র লুট করে নিয়া গেছে বিএনপির নেতারা! ১১. রবিশালে বাবা জামাত করার কারণে গাড়িতে হা মলা করলো ছাত্রদলের ক্যাডাররা! ১২. চট্টগ্রামে সাবেক শিবিরের নেতার বাড়িতে বিএনপির নেতাদের হা ম লা। ১৩. কক্সবাজার চকরিয়ায় জামাত নেতার বাড়িতে বিএনপির ক্যাডারদের দফায় দফায় হা ম লা। ১৪. কুষ্টিয়াতে এনসিপির নেতার বাড়িতে বিএনপির ক্যাডারদের হা ম লা। ১৫. ফেনীতে বিজয়ী ঋণখেলাপী বিএনপির নেতা জামাতের অনেক কর্মীর বাড়িতে করছে হা ম লা! ১৬. সিরাজগঞ্জে জামাত আমিরের বাড়িতে আ গু ণ দিলো বিএনপির নেতা। ১৭. সন্দ্বিপে জামাত নেতাদের বাড়িতে হা ম লা বিএনপির নেতারা। ১৮. দিরাই পৌর শহরে জামাত নেতার উপর হা ম লা! ১৯. বাগেরহাটে জামাত শিবির নেতাদের উপর হা ম লা করছে স্থানীয় বিএনপির ক্যাডাররা! ২০ জনকে আ হ ত করছে। ২০. গোপালগঞ্জে জামাত নেতার বাড়িতে হা ম লা। বিএনপির নেতার!

Revolt

11,108 görüntüleme • 7 ay önce

প্রেস রিলিজঃ ৮ নভেম্বর ২০২৪ আন্তর্জাতিক আদালতে দখলদার ইউনুস সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের প্রসঙ্গে আজ ৮ ই নভেম্বর নেদারল্যান্ডে অবস্থিত আন্তর্জাতিক ফৌজদারী আদালতে (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট) বাংলাদেশের দখলদার সরকারের কথিত প্র্ধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে রোম সংবিধির ১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ দায়ের করেন সিলেটের মেয়র জনাব আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। তিনি গত ৫ ই অগাস্ট থেকে ৮ ই অগাস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলনের নামে নিহত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও তার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের সমস্ত নেতাকর্মী, বাংলাদেশের বসবাসরত হিন্দু, খৃষ্ঠান, বৌদ্ধ এবং বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর উপর হয়ে যাওয়া নির্মম গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠিত হয়েছে, এই মর্মে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে সমস্ত তথ্য-প্রমাণ দাখিল করতঃ একটি অভিযোগ দায়ের করেন। প্রধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনুস সহ মোট ৬২ জনের বিরুদ্ধে উপরে উল্লেখিত দুইটি অভিযোগ দাখিল করা হয়। ইউনুস ছাড়াও এই ৬২ জন অভিযুক্তের মধ্যে আসিফ নজরুল, লে জেনারেল (অব) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার (অব) শাখাওয়াত হোসেন, সৈয়দা রেজওয়ানা, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সহ ইউনুসের উপদেষ্টা মন্ডলীর সকল সদস্য এবং কথিত ছাত্র বৈষম্য জোটের মোহাম্মদ হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, আব্দুল হান্নান, হাসিব আল ইসলাম, আবু বকর মজুমদার সহ মোট ৬২ জনের বিরুদ্ধে উল্লেখ্য অভিযোগ আনা হয়। এই অভিযোগে মূল অভিযোগপত্রের সাথে প্রায় ৮০০ পৃষ্ঠার তথ্য-নথি-পত্র প্রমাণ স্বরূপ যুক্ত করা হয়। উল্লেখ্য যে কোটা বিরোধী আন্দোলনের নাম করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করা ইউনুস সরকার গত ৫ ই অগাস্ট থেকে ৮ ই অগাস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও তার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের সমস্ত নেতাকর্মী, বাংলাদেশের বসবাসরত হিন্দু, খৃষ্ঠান, বৌদ্ধ এবং বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর উপর নির্ম গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মত আন্তর্জাতিক অপরাধ সংগঠিত করে যেখানে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা, ধর্ষন, দেশ ত্যাগে বাধ্য এবং লক্ষ লক্ষ ঘরবাড়ি, সম্পদ ইত্যাদি বিনষ্ট করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে দাখিলকৃত এই অভিযোগের মধ্যে দিয়ে সিলেটের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীি প্রথম ব্যাক্তি হিসেবে এই ধরনের অভিযোগ দায়ের করলেন। তবে এই ধরনের আরো ১৫ হাজার অভিযোগ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে দায়ের করবার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে খুব শিঘ্রীই ক্ষতিগ্রস্থ সংঘুব্ধ ব্যাক্তিরা একে একে অভিযোগ দায়ের করবেন। বিনীত, নিঝুম মজুমদার ব্যারিস্টার ও সলিসিটর মনিরুল ইসলাম মঞ্জু ব্যারিস্টার এস শাকির উদ্দিন চেয়ারম্যান, গভ ওয়াইজ লিমিটেড স্থানঃ ল ভ্যালি সলিসিটর, কালাম হাউজ, স্ট্র্যাটফোর্ড

Sheikh Amirul Islam 🇧🇩আবুল লেইছ

17,873 görüntüleme • 1 yıl önce

১৬ বছর কোথায় ছিলাম - প্রশ্নটার উত্তর খুব সহজ। যেখানে আছি, সেখানেই ছিলাম। মনে–প্রাণে আওয়ামী লীগকে ধারণ করে। কৈশোরে যে বিশ্বাস, ভালোবাসা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী আওয়ামী লীগকে বেছে নিয়েছিলাম, সেই জায়গা থেকে কখনো সরে যাইনি। সময়ের সাথে সেই বিশ্বাস আরও কঠিন, দৃঢ় হয়েছে। কারণ দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে একমাত্র আওয়ামীলীগই। আমি যে এক্স আইডি ব্যবহার করছি, সেটি ৮ বছরের পুরনো। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত একই অবস্থান, একই বিশ্বাস। চাইলে আমার আরেকটি আইডির কথা বলতে পারি - ১২ বছরের পুরনো - সেখানেও একই অবস্থান, একই আদর্শ। বিন্দুমাত্র বিচ্যুতি নেই। বাবা ২০২৩ সালে মারা গেছেন। তিনি সৌভাগ্যবান - এই বাংলাদেশ তাকে দেখে যেতে হয়নি। মা আছেন, রাজনীতি নিয়ে মাথা ঘামান না, কিন্তু ভোট হলে ঠিকই নৌকায় দেন। আমরা ভাইবোনেরা কেউ সক্রিয় রাজনীতির সাথে জড়িত না। বিপদে-আপদে, প্রমোশন-পোস্টিং, দরকারে কখনো কারো দ্বারস্থ হইনি। কোনো বড় নেতা ফেতার সাথে আমাদের ব্যক্তিগত সখ্যতা নেই। আমাদের গল্পে ঘুরেফিরে আসে বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু আর আওয়ামী লীগ। ৩২ নম্বরের আগুন আমাদের বুকে জ্বলে। যা করি - দেশকে ভালোবেসে করি। আর দেশের ভালো আওয়ামী লীগের মতো আর কে চাইবে? "১৬ বছর কোথায় ছিলাম" প্রশ্নের উত্তরেই লুকিয়ে আছে তার প্রমাণ। হ্যাঁ, ১৬ বছর একটা দল ক্ষমতায় থাকলে ভুল–ত্রুটি হতে পারে। কিন্তু সেই ভুল শোধরানোর ক্ষমতা আছে একমাত্র আওয়ামী লীগেরই। গত ১৭ মাস তার জ্বলজ্যান্ত প্রমাণ। ২০২৪ সালের পাঁচ আগস্ট থেকে শুরু - প্রথমে আওয়ামী লীগ নেতাদের উপর হামলা, পুলিশকে পুড়িয়ে মারা, এরপর হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর আঘাত। রাস্তায়, নদীতে, ফ্যাক্টরিতে লাশের পর লাশ। হাজারের বেশি শিক্ষক, অসংখ্য সরকারি কর্মকর্তা চাকরি হারা। কেউ কেউ এখন না খেয়ে থাকে। ৩০০'র বেশি ফ্যাক্টরি পুড়িয়ে দেওয়া হলো। ৫০ লাখের বেশি মানুষ জীবিকা হারা হলো৷ বিশ্ববিদ্যালয় দখল করল পাকিস্তানি দালাল শিবির, যারা ১৯৭১ এ মা–বোনদের ধর্ষণ করেছে, ৩০ লাখ মানুষ হত্যা করেছে। দুই শতাধিক মসজিদ, মন্দির, মাজার, কবরস্থান পুড়িয়ে দেওয়া হলো। মুক্তিযুদ্ধের প্রতিটি স্মৃতি, প্রতিটি চিহ্ন একে একে ধ্বংস করা হলো। যারা বলতো, মুক্তিযুদ্ধকে আওয়ামী লীগ দখল করে রেখেছে, তারা দেশকে “মুক্ত” করতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিই মুছে দিলো। কৃষি ধ্বংস হলো, এখন রেমিট্যান্সের টাকায় আমদানি করে খেতে হয়। ভারতের তেল, চাল, নুন ছাড়া চুলো জ্বলে না। দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ বন্দর হাতছাড়া। সীমান্তে অস্থিরতা। ব্যাংকিং খাত পাকিস্তানি জামায়াত শিবির বিএনপির দালালদের হাতে। শেয়ারবাজার লুট। শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস। কোটার নামে মানুষ হত্যা করে এখন ১০০% পাকিস্তানি কোটায় সব সেক্টর দখল করেছে বিএনপি–জামাত। সংস্কৃতি ধ্বংস হচ্ছে ধর্মের নামে। জ্বালানি খাত দখলে নিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার কোটি টাকা লুট হচ্ছে। ক্রিকেট ধ্বংসের পথে। ইতিহাসের সেরা নির্বাচনের নাম করে এক মাস আগে থেকে ব্যালট বক্স দখল করে সীল মারা সম্পন্ন । আপনারা যারা প্রশ্ন করেন, “১৬ বছর কোথায় ছিলেন”, আমি তাদের পরিচয় জানতে চাই। ১৭ মাস আগের কার্যকলাপ দেখতে চাই। ২০২৪-এর আগে তারা কোথায় ছিলেন সেটা জানতে চাই। গুপ্ত ছিলেন, নাকি সুপ্ত? দল করতেন, নাকি নিরপেক্ষ? নির্দিষ্ট কোনো দল করায় আপত্তি নেই। কিন্তু নিরপেক্ষ দাবি করলে দেখতে চাই - দলমত, জাতপাত, ধর্ম নির্বিশেষে আপনার মানবিক অবস্থান! আমি সেখানেই আছি, যেখানে আগে ছিলাম। How many ears must one man have Before he can hear people cry? And how many deaths will it take till he knows That too many people have died? The answer, my friend, is blowin’ in the wind. উত্তরটা বাতাসে ভাসে - যারা শুনতে চায়, তারা শুনতে পায়। Naomi Noor D C I L Sanjib deb🇮🇳(Nation First) Arafath Akash🇧🇩 Ame Bangladesh Md Faruq Abdullah Bangla O Bangali crack71 Zaman MAZ AHMED Arifin Mollah OBSERVATION DAY CG Bangladesh✌️🇧🇩✌️ Taranoor Britto OperationFreedom🇧🇩 Amin Sony 𝚂𝙿𝙰𝚁𝚁𝙾𝚆 Selim Khan Azhar 𝐅𝐚𝐢𝐬𝐚𝐥 𝐀𝐡𝐦𝐞𝐝 𝐁𝐚𝐛𝐮

Tarek Sumon

11,657 görüntüleme • 7 ay önce

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের চাঁচল কলেজ ইউনিট এর সদস্যরা বিশ্ববরেণ্য কবি তথা বাংলা বাঙালি ও সারা ভারতবর্ষের গর্ব বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি পুড়িয়ে প্রতিবাদ যানাচ্ছে !!! তৃণমূল কংগ্রেস এক রাশ লজ্জা ! ছিঃ পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর অত্যাচারের মিথ্যে অভিযোগ তুলে এবং কলকাতায় তৃণমূলের মঞ্চ সঠিক কারণে খোলার প্রতিবাদ জানানোর জন্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের চাঁচল কলেজ ইউনিট এর সদস্যরা ওদের সভাপতি এ বি সোহেল এর নেতৃত্বে গত ২রা সেপ্টেম্বর বিজেপির বিরুদ্ধে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি করছিল, যেখানে দেশের প্রধানমন্ত্রী সম্মানীয় শ্রী নরেন্দ্র মোদী জি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মানীয় শ্রী অমিত শাহ জির ছবি দাহ করার সাথে সাথে বিশ্ববন্দিত নোবেলজয়ী কবি, বাঙালির গর্ব কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি দাহ করে (ছবিতে দ্রষ্টব্য) ! মাননীয়া যখন বাঙালি অস্মিতা'র জিগির তুলে মেকি ভাষা আন্দোলনের নামে বাংলার জনগণকে বোকা বানানোর ব্যার্থ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তখন বাঙালি জাতির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তির ছবি পোড়াচ্ছে ওনারই দলের ছাত্রছাত্রীরা। এটাই তৃণমূলের আসল চেহারা। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে এরা সম্মান জানাবে এটা তো আশা-ই করা যায় না। এই ঘৃণ্য কাজের কোনো নিন্দাই যথেষ্ট নয়।

Suvendu Adhikari

10,721 görüntüleme • 1 yıl önce

আজকের বৈঠক ছিল আমাদের দীর্ঘ সংগ্রামের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। আমরা স্পষ্ট করে দিয়েছি যে অপশাসন, যে ফ্যাসিবাদ আমাদের দেশের গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছে, তা আর কখনোই ফিরতে দেওয়া যাবে না। জাতীয় নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে আমরা তিনটি মূল দাবি উত্থাপন করেছি: 1.নতুন সংবিধান, যা জনগণের সত্যিকারের ক্ষমতায়নের প্রতিফলন ঘটাবে। 2.গণপরিষদ নির্বাচন, যার মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। 3.আওয়ামী লীগের বিচার, যারা গণতন্ত্রকে গুম করেছে, যারা ছাত্র-জনতার রক্ত ঝরিয়েছে, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। আমরা বলেছি, আওয়ামী লীগ এখন রাজনীতিতে একটি মৃত কাঠামো। এদের আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেওয়া যাবে না। এদের প্রথমে নিবন্ধন বাতিল করতে হবে, তারপর চূড়ান্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। আমরা আপসের রাজনীতি চাই না। ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচার চাই। যারা ছাত্র আন্দোলনের কর্মীদের হত্যা করেছে, যারা রাষ্ট্রযন্ত্রকে দলীয় অস্ত্রে পরিণত করেছিল, তাদের বিচারিক প্রক্রিয়ায় কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। এই মাসেই নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটবে। নতুন সংবিধান রচনার লড়াইয়ে আমরা সবাই একসঙ্গে থাকব। যারা গণতন্ত্রের পক্ষে, যারা সত্যের পক্ষে, তারা এই লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গী হবে। আজকের বৈঠকে ২৬টি রাজনৈতিক দল ও জোটের শতাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এখন সেই সব সংস্কারের সুপারিশ নিয়ে এগিয়ে যাবে, যা বাংলাদেশকে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করবে। আমরা স্পষ্ট করে বলেছি আমাদের সংগ্রাম আপসের জন্য নয়, আমাদের সংগ্রাম ন্যায়বিচারের জন্য। যারা গণহত্যা চালিয়েছে, যারা রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত লুটের মাল বানিয়েছে, তাদের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নতুন প্রজন্মের হাতে, আর সেই ভবিষ্যৎ হবে এক নতুন, ন্যায়ের বাংলাদেশ।

Md Sarjis Alam

27,353 görüntüleme • 1 yıl önce

তাজউদ্দিন আহমেদের কন্যা শারমিন আহমেদ রিপির প্রথম স্বামী হচ্ছে, কুখ্যাত এবং বহিস্কৃত মেজর মুন্না (কঙ্কা নামের মহিলার ছিনতাইকৃত স্বামী)। সেই মুন্না ছিলো বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনী কর্নেল রশীদের ঘনিষ্ট সহযোগী। এরা তামিল জ'ঙ্গী দিয়ে শেখ হাসিনকে হত্যা করার ষড়যন্ত্রকারী এবং অর্থ প্রদানকারী। আর রিপির দ্বিতীয় স্বামী হচ্ছে জামাতের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী চেইন সংগঠন, মিসরের নিষিদ্ধ ব্রাদারহুড এক্টিভিস্ট আমর আব্দুল্লাহ! আওয়ামী লীগের প্রতি বিদ্ধেষ মূলত তার প্রথম স্বামী টেরোরিস্ট মুন্না থেকে অভিযোজিত। রিপির সাথে মিশর ভিত্তিক ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতিষ্ঠাতা হাসানুল বান্নার নাতি ও বুদ্ধিজীবী তারিক রামাদানের যোগাযোগ রয়েছে। শারমিন ও তার বর্তমান স্বামী আমর ইহুদি ও খৃস্টানসহ বিভিন্ন ধর্মের লোকদের সাথে মুসলমানদের হয়ে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ করে থাকেন। শারমিন এ সংক্রান্ত অসংখ্য কর্মশালার সংগঠক ও পরিচালক। বিয়ের এক বছর পর ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তারা ইসলামিক শিক্ষা বিষয়ে ইহুদীদের রোশ হোশোনা উৎসব চলাকালীন পুনর্গঠিত ইহুদি ধর্মসভায় তাদের বক্তব্য তুলে ধরে। ২০১১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারির গণঅভ্যুত্থানে মোবারকের পতন ঘটলে স্ত্রী শারমিনকে সাথে নিয়ে আমর তাহরির স্কয়ারে উড়ে গিয়েছিলো। এ অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় মিশরের চার হাজার বছরের ইতিহাসে প্রথম ক্ষমতায় বসে ব্রাদারহুড নেতা মোহাম্মদ মুরসি। তাহরির স্কয়ারে উপস্থিত থাকার ঘটনায় শারমিন নিজেকে ‘পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবানদের একজন’ হিসেবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। শারমিন ব্রাদারহুডের ‘বুদ্ধিবৃত্তিক নেতা’ ইউসুফ আল কারযাভির ইমামতিতে ২০১১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি মিশরের তাহরির স্কয়ারে জুমার নামাজ পড়তে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে শারমিন ‘ডটার অব বাংলাদেশ লিবারেশন উইটনেস তাহরির ইমান্সিপেশন ইন ইজিপ্ট: আ কান্ট্রি দ্যাট ওয়াজ রক্ড বাই আ রেভ্যুলুশন’ শীর্ষক ৪০ পৃষ্ঠার একটি বই লেখে। এ লেখায় শারমিন মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতিষ্ঠাতা হাসান আল বান্নার প্রশংসা করে। সে লেখে, ‘স্কুল শিক্ষক হাসান আল বান্না ইসলামের আদর্শকে জনহিতকর ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে মুসলিম ব্রাদারহুড প্রতিষ্ঠা করেন ১৯২৮ সালে। খুব শিগগিরই তৃণমূলে এ সংগঠন জনপ্রিয়তা লাভ করে।’ ১৯৭১-এর গণহত্যার দোসর বাংলাদেশের জামায়াত-ই-ইসলামীসহ বহু ইসলামী সংগঠন প্রভাবিত হয় ব্রাদারহুডের নেতা সাঈয়েদ কুতুবের চরমপন্থী রাজনৈতিক মতাদর্শে। রিপির ঘনিষ্ট দোসর ছিলো, রা'জাকার ও জামাতের সিনিয়র উপদেষ্টা ওমর ফারুক! (২০০১ জামাত-বিএনপি জোট সরকারের আমলে স্বরাষ্ট্র সচিব এবং দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার বাবরের বিরুদ্ধে দেয়া প্রধান সাক্ষী) অনেকের লেখা থেকে জানা যায় রিপির চরম বিতর্কিত এবং কুখ্যাত বই 'নেতা ও পিতার' অর্থায়ন করেছে আমেরিকায় চিহ্নিত পা'কি-জামাত রা'জাকারদের ছায়া সংগঠন The Islamic Circle of North America (ICNA)। আর এই ICNA এর প্রেসিডেন্ট হচ্ছে ১৯৭১ এর খুনী ও বুদ্ধিজীবী হত্যায় অভিযুক্ত রা'জাকার আশরাফুজ্জামানের দোসর। 'নেতা ও পিতা' নামটি দিয়ে গুগল সার্চ করলে আপনি দেখতে পাবেন, বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী তাদের ওয়েবসাইট হতে বইটির পিডিএফ সবাইকে বিনামূল্যে পড়তে দিচ্ছে। আমেরিকাতে জামাতের রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকায়, সব পা'কি ছা'গু রা'জাকারের দল ICNA এর নামের আড়ালে মসজিদ ভিত্তিক সংগঠন ও কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে! শয়তান যেমন, সব সময় মুখোশের আড়ালেই থাকে। #ATeam #Bangladesh

ATeam

15,047 görüntüleme • 1 yıl önce

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের আস-সালাম টাওয়ার। গত ২৭ জানুয়ারি দুপুর ১টা। এনসিপি নেতা পরিচয়ে সাত যুবক প্রবেশ করেন ‘সাজেদা ট্রেডিং’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রিসিপশনিস্ট রাতুলকে লক্ষ্য করে তারা বারবার চাপ প্রয়োগ করছেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ঊর্ধ্বতনদের ফোনে জানানোর চেষ্টা করেন ওই কর্মচারী। প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার আক্তার আলী বাচ্চুর অভিযোগ, শুরু থেকেই যুবকরা অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে আসছিলেন। এক পর্যায়ে তারা ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিকেলে আরও বড় বাহিনী নিয়ে আসার হুমকি দিয়ে চলে যান তারা। হুমকি অনুযায়ী বিকেল ৫টায় আবারও হানা দেয় ওই চক্রটি। তবে এবার তারা একা নন, সাথে ছিল পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যায়, ডবলমুরিং থানাধীন দেওয়ানহাট ফাঁড়ির ইনচার্জ জাহেদ উল্লাহ জামান সিভিল পোশাকে একদল পুলিশ সদস্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালাচ্ছেন। ভুক্তভোগী রাতুল জানান, দরজা খুলতে দেরি হওয়ায় পুলিশ ও এনসিপি নেতারা তাকে মারধরও করেন। তবে বিভিন্ন রুমে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধ কিছু না পেয়ে শেষ পর্যন্ত খালি হাতেই ফিরে যায় পুরো দলটি। এদিকে, সিসিটিভি ফুটেজে সরব উপস্থিতি থাকলেও ঘটনাস্থলে যাওয়ার কথা সরাসরি অস্বীকার করেছেন ফাঁড়ি ইনচার্জ জাহেদ উল্লাহ জামান। অন্যদিকে, ডবলমুরিং থানার ওসি জামাল উদ্দিন খান দাবি করেছেন, এমন কোনো অভিযানের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তবে এনসিপি সদস্য আজাদ ঘটনাস্থলে যাওয়ার কথা স্বীকার করলেও চাঁদা দাবির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, এনসিপির মহানগর কমিটির কয়েকজন সদস্য ও যুবশক্তির যুগ্ম সদস্য সচিব মীরসহ অন্যরা সেখানে আওয়ামীলীগ নেতা ধরতে গিয়েছিলেন এবং বিকেলে পুলিশের দুই গাড়ি সদস্যও তাদের সাথে ছিল। এদিকে ঘটনার পর সড়কেই এনসিপির দুই নেতার মধ্যে তুমুল বাকবিতণ্ডা দেখা যায়। যেখানে চাঁদা দাবি এবং আওয়ামী লীগ নেতাকে শেল্টার দেওয়া নিয়ে একে অপরকে দোষারোপ করতে শোনা যায়। রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে পুলিশকে সাথে নিয়ে এ ধরনের অভিযানে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সিসিটিভি ফুটেজ থাকার পরও প্রশাসনের অস্বীকার নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন। চট্টগ্রাম থেকে মাজেদুল ইসলামের প্রতিবেদন।

Sami

15,040 görüntüleme • 7 ay önce