Sensitive content

This media may contain sensitive content.

Loading video...

Video Failed to Load

Go Home

সিনিয়র যখন ধ*ন দেখে পাগল হয়ে যায় 🥵💦

31,786 views • 6 months ago •via X (Twitter)

0 Comments

No comments available

Comments from the original post will appear here

Related Videos

জলমগ্ন শহরে মৃত্যুর মিছিল !!! মৃতদেহ ভাসছে জমা জলে, সকাল সকাল এই দৃশ্য দেখে মন খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু এই দুর্দশার জন্য দায় কার? এক রাতের বৃষ্টিতেই কলকাতা-সল্টলেক জলমগ্ন! ভাসছে শহর, বিপন্ন শহরবাসী, চরম দুর্ভোগ অফিস যাত্রীদের। আজকের দিনে যখন প্রযুক্তি এত উন্নত যে কখন বৃষ্টি হবে, কত পরিমাণে হবে তার আভাস আগেই পাওয়া যায় তখন কলকাতা ও বিধাননগর পুর নিগমের মেয়রদের অদক্ষতা আর উদাসীনতার ফল শহরবাসীকে ভোগ করতে হয়। এরা পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে কোনো শিক্ষা নেননি, বারবার একই চিত্র বছরের পর বছর ! বিদ্যুৎ দফতরের দোষ তো একেবারে মারাত্মক। আধিকারিকরা কোথায়? খোলা তারের এই বিপদের ব্যাপারে কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি? এখন অবধি সাতজন নিরীহ মানুষ মারা গেছেন। এটা আপনাদের ব্যর্থতা নয়, এটা অপরাধ, দোষ কার তা নির্ধারণ করে উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত। বছরের পর বছর ধরে এই অব্যবস্থাপনায় মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। আর কত দিন এই অরাজকতা চলবে?

Suvendu Adhikari

11,522 views • 11 months ago

একের পর এক ১২ জন ধ**র্ষ**ন করে শরিলের সব জায়গা তে কুপিয়ে জখম করেছিল বিএনপি-জামাত ৬ই আগস্ট। বোনটার কান্না দেখে অঝরে কেঁদেছেন শেখ হাসিনা! কেঁদেছি আমরা, কেঁদেছে বাংলাদেশ। একজন নারী পরপর ১২ জন দ্বারা ধর্ষিত হয়েছে, ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস বিচারও চাইতে পারেনি। একদম ৭১'র মতো! তাইনা? আগষ্টের ৬ তারিখ ফেনী জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দোলা চৌধুরীকে জামায়াত-বিএনপি'র কিছু নরপশুরা পৈচাশীক নির্যাতন করে এবং শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কুপিয়ে জখম করে কিন্তু তারা এই পর্যন্তই ক্ষান্ত হয়নি। তারা দোলা চৌধুরীকে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসাও নিতে দেয়নি। মনে রেখো বাংলাদেশ।

Sheikh Amirul Islam 🇧🇩আবুল লেইছ

11,481 views • 1 year ago

"উত্তরবঙ্গ কাল যাবো, আজ কার্নিভাল" !!! কার্নিভাল নাকি বাংলার ঐতিহ্য ! তা দশমীর চার দিন পর সরকারি অনুদান আর প্রশাসনিক চোখ রাঙানির জেরে প্রতিমা নিরঞ্জন আটকে রেখে, মিছিল করিয়ে ঘাটে যাওয়া কবে থেকে বাংলার ঐতিহ্য হয়ে গেলো? আর মুখ্যমন্ত্রী চটজলদি উত্তরবঙ্গ যেতে আগ্রহী নন কেন, সেখানে ডিভিসি নামক বলির পাঁঠা নেই দোষারোপ করার জন্যে? নাকি ওখানে গিয়েও চিন, ভূটান, নেপালের "বহিরাগত জল" এর তত্ত্ব দেবেন? ওনার একটাই উদ্দেশ্য কি করে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানো যায়, কখনো ডিভিসি, কখনো সিইএসসি, কখনো উত্তর প্রদেশ-বিহার... এই মুখ্যমন্ত্রী কোন বিষয় কে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত তা বোঝেন না, কলকাতা ভেসে যাওয়া ও কিছু নিরীহ মানুষ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার পরেও উনি পুজো উদ্বোধন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন, এখন কার্নিভাল নিয়ে ব্যস্ত। এক বছর আগের কথা মনে পড়ে যায়, যখন বলেছিলেন "উৎসবে ফিরুন" ! তবেই তো লোকে আনন্দে মেতে থাকবে, ন্যায্য প্রশ্ন করবে না।

Suvendu Adhikari

15,085 views • 10 months ago

'তীর্থের কাক' এর শখ হয়েছিলো কলকাতা কে লন্ডন বানাবেন, লন্ডন শহরের বিখ্যাত স্থাপত্য 'বিগ বেন' কে নকল করে কলকাতার রাজপথে বসানো হলো, ব্যাস কলকাতা লন্ডন হয়ে গেলো। তার পর শখ হলো সুন্দরবন হবে আফ্রিকার জঙ্গলের মতো, পরে বুঝতে পারলেন ওটা হওয়ার নয়, ওখান দিয়ে অনুপ্রবেশ এর সুব্যবস্থা স্থাপন করতে পারলেই হলো, নির্বাচনে কাজে দেবে। দার্জিলিঙের সুইজারল্যান্ড হওয়ার কোনও প্রয়োজন ছিল না, দার্জিলিঙের সৌন্দর্য অনন্য, তবু প্রথমে হম্বিতম্বি করার পর, যখন দেখলেন পরিকাঠামো উন্নত করার সামর্থ নেই, তখন বিভাজনের রাজনীতি করে পাহাড়ে বসবাসকারী শান্তিপ্রিয় জনগোষ্ঠীদের একে অপরের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়ার বন্দোবস্ত করলেন। প্রথমে বলেছিলেন যে দিঘা হবে গোয়া, বুঝলেন পারবেন না, গোয়ার মতো আন্তর্জাতিক গন্তব্য গড়ে তোলা ওনার ক্ষমতার বাইরে। কি করা যায়, তবে কাছাকাছি পুরী রয়েছে, যদি দিঘা কে পুরী বানিয়ে দেওয়া যায় ! ব্যাস, আবার অনুকরণ করো তবে। কিন্তু এবার প্রতিযোগিতায় নেমে পড়লেন স্বয়ং তীর্থক্ষেত্রের সাথে। যুগের পর যুগ ধরে চলে আসা রীতি নীতি একেবারে কয়েক মাসের মধ্যে রপ্ত করে ফেলতে হবে। ভক্তরা সাথে নেই তো কি হলো, পুলিশ তো আছে, সব হয়ে যাবে। কিন্তু অনুষ্ঠান আয়োজন করা, আর তীর্থস্থানের মাহাত্ম্য এবং পরম্পরা সৃষ্টি করা এক ব্যপার নয়। মানুষের আস্থার 'টেন্ডার' (দরপত্র) তো আর বের করা যায় না; যে সরকারের প্রশাসন কে নামিয়ে দিলাম মাঠে আর ভক্তের মনের মধ্যে ভক্তির সঞ্চার হয়ে গেলো! আজ সাত হাজার পুলিশ নিয়ে পথে নামার পরেও দিঘার চিত্র এই, প্রকৃত ভক্তরা রইলেন দূরে, এক কথায় Flop Show:-

Suvendu Adhikari

18,168 views • 1 year ago

তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে হলে প্রথম শর্ত—অশিক্ষিত হতে হবে, দ্বিতীয় শর্ত—চরম মিথ্যাবাদী হতে হবে। না হলে ওই দলে ঠাঁই পাওয়া অসম্ভব। তাদের নতুন মুখপাত্রকে দেখে ভেবেছিলাম অন্তত পুরনোদের মতো তো হবেন না—একটু পড়াশোনা জানা, একটু সভ্যতা থাকবে। কিন্তু শিক্ষিত হয়েও যদি অশিক্ষিতদের মতোই মিথ্যাচার করেন, তাহলে প্রমাণ হয়ে যায়—তৃণমূল মানেই মিথ্যার প্ল্যাটফর্ম। সম্প্রতি তিনি টেলিভিশনে বললেন, “প্রতিরক্ষা খাতে ভারত সরকার বাজেট কমিয়ে দিয়েছে!” GDP-এর শতকরা হার দিয়ে বোঝাতে চাইলেন, কিন্তু তিনি বোধহয় ভুলে গেছেন যে ভারতের অর্থনীতি পশ্চিমবঙ্গের মতো পিছনের দিকে হাঁটে না। ভারতের GDP যত বাড়ছে, তত বাড়ছে প্রতিরক্ষা বাজেটও। চোখ মেলে চেয়ে দেখলেই বোঝা যায়— বছরভিত্তিক প্রতিরক্ষা বরাদ্দ (₹ টাকায়): ২০২১-২২: ₹4,78,196 কোটি ২০২২-২৩: ₹5,25,166 কোটি ২০২৩-২৪: ₹5,93,538 কোটি ২০২৪-২৫: ₹6,21,940 কোটি ২০২৫-২৬: ₹6,81,210 কোটি যে কোনও শিক্ষিত মানুষ এই পরিসংখ্যান দেখলেই বুঝতে পারবে—বাজেট কমানো নয়, ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হয়েছে। এরপর তিনি বললেন—“মোদী সরকার আদানি-আম্বানিদের ঋণ মুকুব করে দিয়েছে!” তিনি জানেন “write-off” আর “loan waiver” (ঋণ মুকুব) এক নয়, কিন্তু সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিলেন। সত্য বললে তৃণমূলে টিকে থাকা যায় না—এটাই ওদের চরিত্র। তিনি জাতীয় প্রতিরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, অথচ ভুলেও কিছু বলেন না— তাঁর নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিলেন সিমি-র প্রতিষ্ঠাতা সদস্যকে। তাঁর নেত্রীর মদতেই জামাত ও আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ঘাঁটি হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ। ঠিক কাশ্মীরের ছায়ায়, মুর্শিদাবাদে হিন্দুদের বেছে বেছে হত্যা করা হয়েছে—এই নিয়ে তার একটিও শব্দ নেই! তৃণমূল মানেই পাকিস্তানি ভাবধারা, ইসলামি মৌলবাদ, মিথ্যাচার ও দেশদ্রোহিতার রংমঞ্চ। এখন সময় এসেছে—এই মুখোশধারীদের মুখোশ একে একে খুলে দেওয়ার।

Tarunjyoti Tewari

10,793 views • 1 year ago

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের APD অতিরিক্ত সচিব জনাব ইরফান এর কক্ষের ভিডিও এটি। ভিডিও তে "বৈষম্য বিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরাম" এর কতিপয় নেতাকে দেখা যাচ্ছে উচ্চস্বরে নিজেদের আর্থিক ক্ষতির কথা বলতে ও জনপ্রশাসন সচিব মোখলেসুর রহমানের নামে কুৎসা রটাতে। আজকে মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তার সাথে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণও করা হয়েছে বলে জানা যায়, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া সচিবদের সরিয়ে তাদের নিজেদের লোকদের মধ্যে থেকে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেয়ার একটি প্রচ্ছন্ন চাপ তারা ক্রমাগত দিয়ে যাচ্ছে । এভাবে চলতে থাকলে সবকিছু আবার মুখ থুবড়ে পড়বে, আবার ফ্যাসিজম তৈরি হবে, যেকোনো দল ই হোক, প্রশাসনের যৌক্তিক সংস্কার বা কোন নিয়োগ সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকলে এভাবে দলবল নিয়ে হট্টগোল করা বা জনপ্রশাসনে কর্মরত বিভিন্ন পর্যায়ের অফিসারদের কে "দেখে নেয়ার" হুমকি দেয়া সমীচীন নয়। শেখ হাসিনাও হুমকি দিয়ে শেষ হয়ে গেছে , এভাবে হট্টগোলকারী বা হুমকিদাতাদের পরবর্তীতে নাম ঠিকানা সহ বিস্তারিত কু- কর্ম প্রকাশ করা হবে।

Sami

15,131 views • 1 year ago

আজকের বাংলায় আমরা এক অদ্ভুত দ্বিচারিতার সাক্ষী। যেখানে একজন মুসলমান, সে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী হোক, নওশাদ সিদ্দিকি হোক, রেজ্জাক মোল্লা হোক, মহম্মদ সেলিম হোক বা হুমায়ুন কবির— তার প্রথম পরিচয় হয়ে দাঁড়ায় তার কৌম। তৃণমূল বামফ্রন্ট বা কংগ্রেস দল যাই হোক , ধর্মের জন্য এরা সবাই এক।।তাদের কাছে কৌমের স্বার্থ আগে, সংবিধান পরে। তার জলজ্যান্ত প্রমাণ— রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী প্রকাশ্যেই বলেন, সংসদ ওয়াকফ আইন পাশ করলেও তারা মানবেন না। অথচ প্রতি পদে সংবিধানের দোহাই দেওয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিদ্দিকুল্লাকে মন্ত্রিত্ব থেকে সরানোর কথা একবারও ভাবেন না। ভাববেনই বা কেন কারণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেড রোডে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন যে আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই, তিনি এটাও বলেছিলেন যে তিনি কাফের নন এবং কাফেরদের সাথে লড়াই করতে হবে। অন্যদিকে, যদি কেউ হিন্দুদের স্বার্থের কথা বলেন— সাথে সাথেই তাকে "সাম্প্রদায়িক" তকমা দিয়ে বাম, কংগ্রেস এবং তৃণমূল একযোগে আক্রমণ শুরু করে। অথচ এই বাম-কংগ্রেসই কখনও হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে টু শব্দটিও করে না, যখন তিনি বলেন, "৩০ শতাংশ হিন্দুদের ভাগীরতিতে ভাসিয়ে দেওয়া হবে।" দুর্গাপুজো বন্ধ হয়ে গেলেও এদের কোনও মন্তব্য থাকে না। সরকার মহরমের কারণে দুর্গাপুজোর বিসর্জন পিছিয়ে দিলে এরা নিশ্চুপ। স্কুলে সরস্বতী পুজো বন্ধ হয়ে গেলেও মুখ খোলে না। কারণ একটাই— এরা সচেতনভাবে এক বিশেষ ধর্মের তোষণে লিপ্ত, আর হিন্দুদের ধর্মাচরণের অধিকারকে হেয় করার জন্য নীরব সম্মতি দেয়। "একই বৃন্তে দুটি কুসুম" বলার আড়ালে বাস্তবে ঘটে একপেশে তোষণ আর পক্ষপাত। সিদ্দিকুল্লা, নওশাদ, রেজ্জাক, সেলিমদের স্বার্থরক্ষায় যেভাবে সক্রিয়তা দেখা যায়, হিন্দুদের অধিকার রক্ষার প্রশ্নে তার লেশমাত্রও দেখা যায় না। এই দ্বিমুখী নীতির বিরুদ্ধে হিন্দু সমাজের সজাগ হওয়ার সময় এখনই। যারা মিথ্যা সাম্যের গান গেয়ে বিভাজনকেই বাড়িয়ে তুলছে, তাদের চিনে রাখার প্রয়োজন। হিন্দুদের কাছে আমাদের আহ্বান— সজাগ হোন, সংগঠিত হোন, নিজেদের স্বার্থরক্ষায় দৃঢ় হোন। আর এই তোষণমূলক রাজনীতির ফাঁদে আর যেন না পড়েন। বাম কংগ্রেস এবং তৃণমূল এই তিনজনই হিন্দুদের বিরুদ্ধে কাজ করে।।

Tarunjyoti Tewari

13,056 views • 1 year ago

কৃষ্ণনগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর বিসর্জনের মূহুর্তে হিন্দুদের ওপর অন্যায় নির্যাতন চালানোর সময় কোতোয়ালি থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাসের মুখের ভাষা থেকেই বোঝা যায় যে হিন্দুদের কি চোখে দেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ প্রশাসন !!! কৃষ্ণনগরের ঐতিহ্যবাহী জগদ্ধাত্রী পুজোতে এ'বছর নবমীর সন্ধ্যা থেকেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে বাঁধভাঙা জনতার ঢল কৃষ্ণনগরের বিভিন্ন মণ্ডপে জনপ্লাবনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। কৃষ্ণনগরের উৎসবমুখর জনতার আবেগ দেখে পুলিশ প্রশাসনের বিসর্জনের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। শুক্রবার সকাল থেকেই কৃষ্ণনগরে শুরু হয় বিসর্জনের উন্মাদনা। সকালে ঘট বিসর্জনের পর সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় প্রতিমা নিরঞ্জন। ঐতিহ্যশালী সাং প্রথা ও কাঁধে করে প্রতিমা নিরঞ্জন করা দেখতে হাই স্ট্রীট চত্বর থেকে রাজবাড়ী পর্যন্ত ব্যাপক ভিড় হয়। যথারীতি পুলিশের ব্যবস্থায় খামতি ছিল যার ফলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। যাই হোক, মানুষের আবেগ কে সম্মান জানিয়ে তা নিয়ন্ত্রণ করা যেতো, কিন্তু মমতা পুলিশের প্রবণতা হয়ে দাঁড়িয়েছে হিন্দুদের ওপর অবাঞ্ছিত, বিবেচনাহীন ও অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করা, বিশেষ করে হিন্দুদের পুজো, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও উৎসবের সময়। কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার সুপার অমরনাথ কে. বিসর্জনের জন্যে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নাগরিক সুরক্ষার আশ্বাস দিলেও পুলিশ ব্যর্থ। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে জনগণ কে লাঠি পেটা করেছে মমতা পুলিশ। অমরনাথ কে. ও অমলেন্দু বিশ্বাস দুজনেরই অদক্ষতা প্রমাণিত ও এদের রেকর্ড হলো প্রাতিষ্ঠানিক তোলাবাজি। জনগণের স্বার্থের থেকে নিজ স্বার্থ এদের কাছে অনেক বেশি অগ্রাধিকার পায়। এই ভাষায় মানুষ কে অপমান করার অধিকার এদের কে দিয়েছে?

Suvendu Adhikari

19,906 views • 9 months ago

পশ্চিমবঙ্গ এখন কি বাংলাদেশে পরিণত হয়ে গেছে? প্রশ্ন টা উঠেই যায় যখন স্কুলের বাচ্চা বাচ্চা ছাত্রছাত্রীরা সরস্বতী পুজো করতে চাইলে স্কুল কর্তৃপক্ষ আর মমতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে সেই পুজো বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারণ দেখানো হয় স্কুলে হিন্দু বাচ্চারা সংখ্যালঘু, ৫০% শতাংশের উপর মুসলিম বাচ্চা রয়েছে তাই সরস্বতী পুজো করতে দেওয়া হবে না। অবশেষে সেই পুজো করতে হল রাস্তার ধারে ফুটপাথে। ছোটো ছোটো বাচ্চাগুলো বাগদেবীর চরণে পুষ্পাঞ্জলি দিল ফুটপাথেই। এই ঘটনাটি ঘটেছে বারাসাত ময়নাগদি স্কুলে। আমরা কোন পশ্চিমবঙ্গে বাস করছি? ঘটনাটি কিন্তু একটা বিষয়ে শিক্ষা দেয়, হিন্দুরা সংখ্যালঘু হলে তাদের সাথে কি আচরণ ঘটতে পারে? সামান্য স্কুলে, বা যে কোনোও শিক্ষাকেন্দ্রে যেখানে শিক্ষাদান করা হয় আমরা বরাবর সেখানে দেখে এসেছি বিদ্যার দেবী মা সরস্বতীর সেখানে পুজো হতে, সব শিক্ষার্থীদের সেখানে পুজোয় মা সরস্বতীর চরণে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করে আশীর্বাদ প্রার্থনা করতে। অথচ আজ কি দেখতে হচ্ছে এই বাংলায়? না যেহেতু স্কুলে ৫০% এর বেশী মুসলিম বাচ্চা সেখানে পড়াশোনা করে তাই পুজো বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। এটা তো সামান্য একটা স্কুলের উদাহরণ, সকল হিন্দুদের বলব ভেবে দেখুন এটা রাজ্যে বা দেশে হলে কি পরিস্থিতি হতে পারে? তাই সময় থাকতে সব হিন্দুরা একত্রিত হন। এই তোষণকারী সরকার কে অবিলম্বে বিদায় দিন, না হলে, বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দুদের জন্য তৈরী তাদের এই একমাত্র হোমল্যাণ্ড পশ্চিমবঙ্গে আপনাদের পূর্বপুরুষরা বা আপনারা পালিয়ে এসেছেন, এর পর কোথায় যাবেন তা এখন থেকেই ভাবা অভ্যাস করতে হবে।

Suvendu Adhikari

14,105 views • 6 months ago