Sensitive content

This media may contain sensitive content.

正在加载视频...

视频加载失败

হাই বন্ধুরা

43,153 次观看 • 4 个月前 •via X (Twitter)

0 条评论

暂无评论

原始帖子的评论将显示在这里

相关视频

শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর গড়া 'হিন্দু হোমল্যান্ড' পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি হিন্দুদের দুর্বিষহ পরিনতি দেখুন! Mamata Banerjee - এর বেআব্রু তোষণের রাজত্বে হিন্দুরাই এখন নিজভূমে পরবাসী হয়ে জীবনধারণ করতে বাধ্য... কট্টরপন্থী মৌলবাদী দুষ্কৃতীদের উপদ্রবে ভিটে-মাটি ছেড়ে মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানের বেশ কয়েকটি পরিবারকে ঠাঁই নিতে হয়েছে মালদহের পারালাল হাই স্কুল প্রাঙ্গণে! হিন্দুদের জন্য এই চরম বিপদশঙ্কুল দিনেও তৃণমূলের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ওই অঞ্চল ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে! স্বাধীন ভারতের মাটিতেও বিভাজনের বিভীষিকাময় ইতিহাস পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিকে চাক্ষুষ করাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় !

Dr. Sukanta Majumdar

33,252 次观看 • 1 年前

বাংলার নবজাগরণের অগ্রদূত, পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিবসে তাঁকে জানাই আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম। বাঙলার সৌভাগ্য এমন একজন মানুষকে আমরা পেয়েছিলাম। তাঁর কাছে আমরা বাংলা ভাষার বর্ণপরিচয়ের প্রথম পাঠ নিয়েছি। আবার তাঁর কাছেই শিখেছি কীভাবে সবরকম অবিচার – অনাচার - কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আপসহীনভাবে মাথা উঁচু করে লড়াই করে যেতে হয়। তিনি বাল্য বিবাহ রোধ ও বিধবা বিবাহ প্রচলন করেছিলেন। তাঁর ভাবনা এবং অদম্য সাহসই আজকের এই আধুনিক বাংলার ভিত্তি। এই বাংলায় বিদ্যাসাগরের ধর্মনিরপেক্ষ মানবতার আদর্শে যারা বিশ্বাস করে না, তাঁর দ্বিশতবর্ষে কলকাতার বুকে তাঁরই মূর্তি যারা ভূলুন্ঠিত করে, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে যারা প্রতিনিয়ত অপমান করে – তাদের কোনো স্থান নেই। বিদ্যাসাগরের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে আমরা অনেক কিছু করেছি। যে মূর্তি বিজেপি ভেঙেছিল, কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজে আমরা তা পুনঃস্থাপন করেছি। সারা বাংলা জুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আমরা এই মহামনীষীর দ্বিশতবার্ষিকী পালন করেছি। তাঁর স্মৃতি রক্ষার্থে ঘাটাল-চন্দ্রকোণা রাস্তার সিংহডাঙ্গা মোড়ে নির্মাণ করা হয়েছে একটা নতুন তোরণ, আমি যার নাম রেখেছি "বর্ণপরিচয়"। এটার নকশা আমার করে দেওয়া। কাজটা করেছে পি ডব্লু ডি। তোরণটিকে আলো দিয়ে যথাযথভাবে সাজানোও হয়েছে। আমি কিছুদিন আগে ওখানে গিয়ে তোরণটি দেখেও এসেছি। এরই সঙ্গে সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন থেকে শুরু করে হাই-মাস্ট আলো লাগানো সবই করা হয়েছে। এই হাই-মাস্ট আলো লাগানোর কথাও আমি বলে এসেছিলাম। কাজগুলো সব হয়ে গেছে। মোট খরচ হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকা। তাঁর জন্মভূমি বীরসিংহ গ্রামেও করা হয়েছে "বীরসিংহ প্রবেশদ্বার"। সেটিকেও আলো দিয়ে সাজানো হয়েছে। এছাড়া, বীরসিংহ গ্রামে ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে 'বিদ্যাসাগর শিশু উদ্যান', 'ঈশ্বরচন্দ্র স্মৃতি মন্দির'-এর সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছে যার জন্য খরচ হয়েছে ৩০ লক্ষ টাকা। এই কাজগুলো করেছে বীরসিংহ উন্নয়ন পর্ষদ। বীরসিংহের সার্বিক উন্নয়নের জন্য আমরাই এটা গঠন করেছিলাম। এর আগেও বীরসিংহ গ্রামে তাঁর বসতবাটী সংস্কার সহ নানান কাজ আমরা করেছি। বিদ্যাসাগর মহাশয়ের কলকাতার বাদুড়বাগানের বাড়ির মিউজিয়ামটিকেও নতুনভাবে করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, বিদ্যাসাগর কলেজকে হেরিটেজ হিসেবে গড়ে তোলা থেকে শুরু করে, বিদ্যাসাগর কলেজেই তাঁর নামে একটি আর্কাইভ তৈরি করা, তাঁর স্মৃতিধন্য কলকাতার মেট্রোপলিটান ইন্সটিটিউশনকে অনুদান দেওয়া – অনেককিছুই আমরা করেছি, করছি, করব। বিদ্যাসাগরের জন্মের পুণ্যভূমিতে করা 'বর্ণ পরিচয়' তোরণের একটি ঝলক আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করে নিচ্ছি।

Mamata Banerjee

14,964 次观看 • 9 个月前

কৃষ্ণনগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর বিসর্জনের মূহুর্তে হিন্দুদের ওপর অন্যায় নির্যাতন চালানোর সময় কোতোয়ালি থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাসের মুখের ভাষা থেকেই বোঝা যায় যে হিন্দুদের কি চোখে দেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ প্রশাসন !!! কৃষ্ণনগরের ঐতিহ্যবাহী জগদ্ধাত্রী পুজোতে এ'বছর নবমীর সন্ধ্যা থেকেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে বাঁধভাঙা জনতার ঢল কৃষ্ণনগরের বিভিন্ন মণ্ডপে জনপ্লাবনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। কৃষ্ণনগরের উৎসবমুখর জনতার আবেগ দেখে পুলিশ প্রশাসনের বিসর্জনের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। শুক্রবার সকাল থেকেই কৃষ্ণনগরে শুরু হয় বিসর্জনের উন্মাদনা। সকালে ঘট বিসর্জনের পর সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় প্রতিমা নিরঞ্জন। ঐতিহ্যশালী সাং প্রথা ও কাঁধে করে প্রতিমা নিরঞ্জন করা দেখতে হাই স্ট্রীট চত্বর থেকে রাজবাড়ী পর্যন্ত ব্যাপক ভিড় হয়। যথারীতি পুলিশের ব্যবস্থায় খামতি ছিল যার ফলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। যাই হোক, মানুষের আবেগ কে সম্মান জানিয়ে তা নিয়ন্ত্রণ করা যেতো, কিন্তু মমতা পুলিশের প্রবণতা হয়ে দাঁড়িয়েছে হিন্দুদের ওপর অবাঞ্ছিত, বিবেচনাহীন ও অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করা, বিশেষ করে হিন্দুদের পুজো, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও উৎসবের সময়। কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার সুপার অমরনাথ কে. বিসর্জনের জন্যে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নাগরিক সুরক্ষার আশ্বাস দিলেও পুলিশ ব্যর্থ। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে জনগণ কে লাঠি পেটা করেছে মমতা পুলিশ। অমরনাথ কে. ও অমলেন্দু বিশ্বাস দুজনেরই অদক্ষতা প্রমাণিত ও এদের রেকর্ড হলো প্রাতিষ্ঠানিক তোলাবাজি। জনগণের স্বার্থের থেকে নিজ স্বার্থ এদের কাছে অনেক বেশি অগ্রাধিকার পায়। এই ভাষায় মানুষ কে অপমান করার অধিকার এদের কে দিয়েছে?

Suvendu Adhikari

19,881 次观看 • 7 个月前